
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে চমক জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। দুই দশক পর সেই ইতিহাসকেও যেন ছাড়িয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টের অভিজাত সংস্করণে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ডারউইনে নতুন ইতিহাস লিখেছে টাইগাররা। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য পাওয়া মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য এক উইকেট হারিয়েই টপকে যায় বাংলাদেশ।
ঐতিহাসিক এই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল ম্যাচের প্রথম তিন দিন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পেসারদের তোপে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। জবাবে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের লড়াকু ফিফটি এবং মেহেদী হাসান মিরাজের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪২৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে
প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ দিনে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে খেলতে নামা স্বাগতিকদের প্রতিরোধ ভেঙে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে দ্রুত ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে তুলে দেন তিনি।
তবে একপ্রান্তে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ক্যামেরন গ্রিন। ১৯২ বলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় এবং ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ১০৪ রান করেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য দিতে সক্ষম হয়। এরপর হাসান মাহমুদ সেঞ্চুরিয়ান গ্রিনকে বোল্ড করে ম্যাচে নিজের নবম উইকেট নেন। নাথান লায়নকে এলবিডব্লিউ করে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৫তম ফাইফার পূর্ণ করেন মিরাজ এবং অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে গুটিয়ে দেন।
মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারালেও কোনো অঘটন ঘটতে দেননি মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম। দুই বাঁহাতি ব্যাটার দেখেশুনে খেলে জয়কে সময়ের ব্যাপার বানিয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত মুমিনুলের ৩৯ বলে অপরাজিত ৩০ রানের দারুণ স্কয়ার কাট বাউন্ডারিতে আসে ঐতিহাসিক জয়। সাদমান ইসলাম ৪২ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থেকে ডারউইনে বাংলাদেশের রূপকথার সাক্ষী হন।
/টি