logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/স্পোর্টস
জয়ের পরেই ফিফার তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা, বড় শাস্তির শঙ্কা! - image

জয়ের পরেই ফিফার তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা, বড় শাস্তির শঙ্কা!

17 জুলাই 2026, বিকাল 2:59

জয়ের পরেই ফিফার তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা, বড় শাস্তির শঙ্কা!ফুটবলের চরম উত্তেজনার মাঝেও মাঠের বাইরের এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক কি বদলে দিতে পারে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ভবিষ্যৎ? বিশ্বমঞ্চে যখন ফুটবল পায়ে জাদু দেখানোর কথা, তখন মাঠের বুকে হঠাৎ এক ব্যানার নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সেমিফাইনালের অবিস্মরণীয় জয়ের আনন্দ মুহূর্তে ম্লান করে দিয়ে আর্জেন্টিনা এখন এক বড় শাস্তির মুখে দাঁড়িয়ে, যা তাদের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে বড় সংকটে ফেলতে পারে।২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে যখন ফাইনালে ওঠার উল্লাসে মাতে আর্জেন্টিনা, তখনই যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে ঘটে এই বিতর্কিত কাণ্ড। আলবিসেলেস্তে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এবং বদলি বেঞ্চের খেলোয়াড় জিওভানি লো সেলসো গ্যালারির সামনে একটি ব্যানার তুলে ধরেন। স্প্যানিশ ভাষায় লেখা সেই ব্যানারের বার্তাটি ছিল, যার বাংলা অর্থ— ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’।এই ঘটনার পরপরই ফুটবল মাঠে এমন স্পর্শকাতর ভূ-রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের দায়ে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তে নেমেছে ফিফা। ফুটবল মাঠে এমন স্পর্শকাতর ভূ-রাজনৈতিক বার্তার অনুপ্রবেশকে ফিফা তাদের আচরণবিধির চরম পরিপন্থী বলে স্পষ্ট জানিয়েছে। আবার এই তদন্তের মুখে পড়ে ফুটবল মহলে প্রশ্ন উঠেছে, খেলাধুলার নিরপেক্ষ পরিবেশ ধরে রাখতে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবার কতটা কঠোর হতে যাচ্ছে।দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন বা মাঠে কোনো প্রকার রাজনৈতিক, আদর্শিক, ধর্মীয় বা উসকানিমূলক বার্তা প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ফিফার স্বাধীন ডিসিপ্লিনারি কমিটি ইতিমধ্যে ম্যাচ রিপোর্ট মূল্যায়ন এবং সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। ফিফার শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মঞ্চে এমন রাজনৈতিক প্রচারণার দায়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এফ/এইচ  

জুলাই ১৭, ২০২৬

মেসির জাদুতে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধজুড়ে ছিল সতর্ক ও রক্ষণাত্মক ফুটবল। দুই দলই আক্রমণের চেয়ে মাঝমাঠের লড়াইয়ে বেশি মনোযোগ দেয়, ফলে গোলের দেখা মেলেনি। তবে বিরতির পরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫৫তম মিনিটে দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। এরপর রক্ষণ শক্ত করে সেই লিড ধরে রাখার পরিকল্পনা ছিল টমাস টুখেলের দলের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে লিওনেল মেসির জাদুকরী দুই অ্যাসিস্টে ম্যাচ ঘুরিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।ফাউলে ভরা প্রথমার্ধ, ইংল্যান্ডের দারুণ সূচনাবাংলাদেশ সময় বুধবার রাতে আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ছিল শুরু থেকেই উত্তেজনায় ঠাসা। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারির আবহও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে দুই দল মিলে ১৯টি ফাউল করায় ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ বেগ পেতে হয় মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথকে। শুরুতে আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। এঞ্জো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার একটি শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে মরগান রজার্সের নিখুঁত ক্রস থেকে দূরের পোস্টে থাকা অ্যান্থনি গর্ডন সহজেই বল জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন।চাপে ইংল্যান্ড, মেসির নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনাগোল হজমের পরই আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। নিকোলাস গনসালেসের জোরালো হেড অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। এরপর আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্তারের একটি হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে নিজেদের অর্ধেই আটকে পড়ে। ব্যবধান ধরে রাখতে টুখেল চারজন সেন্টার-ব্যাক নামিয়ে রক্ষণ আরও শক্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণের ঢেউয়ে সেই কৌশল শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।শেষ মুহূর্তে মেসির জাদু, লাউতারোর গোলে অবিশ্বাস্য জয়ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত এক বজ্রগতির শটে সমতা ফেরান এঞ্জো ফার্নান্দেজ। সমতায় ফেরার পরও থামেনি আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ে আবারও মেসির পায়ের জাদু দেখা যায়। ডান প্রান্তে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিজের দুর্বল পায়ে নিখুঁত ক্রস তোলেন তিনি। সেই বল বক্সের মাঝখানে ফাঁকায় থাকা লাউতারো মার্তিনেজ হেডে জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন অবিশ্বাস্য ২-১ গোলের জয়। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার যে মানসিকতা, সেটাই আবারও প্রমাণ করল আলবিসেলেস্তেরা।স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল, টানা দ্বিতীয় শিরোপার হাতছানিএই বিশ্বকাপে এটি আর্জেন্টিনার তৃতীয় নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। শেষ ষোলোতে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও জয়, কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে সাফল্য এবং এবার সেমিফাইনালে শেষ মুহূর্তের প্রত্যাবর্তন—সব মিলিয়ে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করেছে স্কালোনির দল। আগামী রোববার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। গত বছর দুই দলের বহুল প্রতীক্ষিত ফিনালিসিমা অনুষ্ঠিত না হলেও এবার বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার দুই পরাশক্তি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়ার সুযোগ এখন মেসিদের সামনে।/টি

জুলাই ১৬, ২০২৬

ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে স্পেন

পুরো টুর্নামেন্টে দাপট দেখিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। তবে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেই ধার আর দেখা যায়নি। শুরু থেকেই কিছুটা নিষ্প্রভ ছিল দিদিয়ের দেশমের দল। বিশেষ করে কিলিয়ান এমবাপেকে তার স্বাভাবিক ছন্দে পাওয়া যায়নি, যা ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে আরও দুর্বল করে তোলে।অন্যদিকে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ও গতিময় ফুটবল খেলেছে স্পেন। লামিনে ইয়ামাল, দানি ওলমো ও পেদ্রো পোরোদের সমন্বিত আক্রমণে বারবার চাপে পড়ে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ‘লা রোহা’রা।ম্যাচের ২১তম মিনিটে আসে প্রথম গোল। বাম দিক থেকে ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার, ফলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারজাবাল। এরপর গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স, তবে এমবাপের কয়েকটি ভালো প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় বক্সে ঢুকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। এই গোলের পর কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ফ্রান্স। কোচ দেশম একাধিক পরিবর্তন আনলেও তাতে ম্যাচের চিত্র বদলায়নি।শেষ দিকে কিছু সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। উল্টো পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের রক্ষণ ছিল দুর্ভেদ্য। এমবাপে-দেম্বেলেদের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখেন লাপোর্তে-কুকুরেয়া-পোরোরা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফাইনালে উঠে যায় স্পেন, আর শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে বিদায় নিতে হয় ফ্রান্সকে।/টি

জুলাই ১৫, ২০২৬

বিদায়ের ইঙ্গিত, নাকি ২০৩০-এ প্রত্যাবর্তন?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচ শেষে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় দলের হয়ে নিজের অধ্যায়ের সমাপ্তির ইঙ্গিত দেন নেইমার জুনিয়র। তিনি বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি। সত্যিই চেষ্টা করেছি। এখানেই আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল, আর এখানেই শেষ হলো। এখন সব শেষ।’ তার এই বক্তব্যের পর অনেকেই মনে করছেন, ব্রাজিলের জার্সিতে বিশ্বকাপে এটাই ছিল নেইমারের শেষ ম্যাচ।তবে নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। একাংশের বিশ্বাস, ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের জন্য ২০৩০ বিশ্বকাপে ফেরার সুযোগ এখনও রয়েছে। তাদের মতে, চলতি আসরে লিওনেল মেসি ৩৯ বছর এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ৪১ বছর বয়সে খেলেছেন। তাই বয়সকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন না তারা। এবারের বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচ খেলেন নেইমার, যেখানে শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোলও করেন।এদিকে কনটেন্ট নির্মাতা নার্ড সোলের তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটিতে ২০২৬ সালের নেইমারকে নিজের শৈশবের সংস্করণের সঙ্গে কথোপকথনে দেখা যায়। সেখানে বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতের এক দৃশ্যে ২০৩০ সালের নেইমারকে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেখানো হয়। ভিডিওটি দেখে নেইমার নিজেও মন্তব্যের ঘরে কয়েকটি আবেগঘন ইমোজি পোস্ট করেন, যা অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ লাইক পায়। এরপর থেকেই তার ২০৩০ বিশ্বকাপে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।তবে বিদায়ের ইঙ্গিত দিলেও এখনও জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি নেইমার। অন্যদিকে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ইউওএল এস্পোর্তের দাবি, জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত তিনি ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত করেছেন এবং ২০৩০ বিশ্বকাপে তাকে দেখা যাবে না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায়ও নেইমারের জায়গা নেই। পাশাপাশি তার ক্লাব সান্তোসে ভবিষ্যৎ নিয়েও শিগগিরই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।/টি

জুলাই ১৪, ২০২৬

৭০ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপে নতুন মাইলফলকে আর্জেন্টিনা

১৯৩০ সাল থেকে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে বহু রেকর্ড তৈরি হয়েছে। তবে এবার নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করল আর্জেন্টিনা। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করার রেকর্ড গড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে সমতা থাকলেও অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে আলেক্সিস ম্যাক আলিস্তার হেডে এগিয়ে যায় দলটি। পরে ৬৭ মিনিটে দান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফেরে সুইজারল্যান্ড।অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত কার্লিং শটে আবারও এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর লাউতারো মার্তিনেজের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ৩-১ গোলের জয় নিশ্চিত হয়। এই জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা। ম্যাচে গোল না পেলেও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মেসি।সুইজারল্যান্ডকে হারানোর মাধ্যমে বিশ্বকাপে টানা ১২টি ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েছে আর্জেন্টিনা। এর আগে ১৯৩০ থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে উরুগুয়ের টানা ১১ ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করার রেকর্ড ছিল। সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখল আর্জেন্টিনা, যারা এখন সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবে।/টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

পেট্রোবাংলার “আন্তঃকোম্পানি ফুটসাল টুর্নামেন্ট ২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন

পেট্রোবাংলার আওতাধীন ১৩টি কোম্পানির তরুণ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত Petro Companies Youth Association (PCYA)-এর উদ্যোগে প্রথম “Inter-Company Friendly Futsal Tournament 2026” আজ ঢাকার বুয়েট কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, কুমিল্লা ও সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ১০টি কোম্পানির দল এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড এবং রানারআপ হয় রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র গ্যাস সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (GTCL)।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন তালুকদার, চেয়ারম্যান, IEB ঢাকা কেন্দ্র। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল, সম্মানী সহ-সাধারণ সম্পাদক (এডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স), IEB। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন PCYA-এর সভাপতি প্রকৌশলী মীর মোবারক হোসেন। এছাড়া পেট্রোবাংলার ১৩টি কোম্পানির অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন ও ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।দিনব্যাপী আয়োজনে গ্রুপ পর্ব, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তিগত পুরস্কার প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে PCYA-এর ভিশন, মিশন ও কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল পেট্রোবাংলার আওতাধীন কোম্পানিগুলোর তরুণ কর্মকর্তাদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত বন্ধন আরও সুদৃঢ় করা।টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন PCYA-এর সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রাফিউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. জাহিন আমীর খান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ তারেক।/টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার জন্য বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সহজ পথ যেন অধরাই রয়ে গেছে। কেপ ভার্দের পর এবার সুইজারল্যান্ডও লিওনেল স্কালোনির দলকে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত কঠিন লড়াইয়ে আটকে রাখে। তবে শেষ পর্যন্ত হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচের ১০ মিনিটেই লিওনেল মেসির কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের হেডে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের দশম অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়েন মেসি। তবে গোল হজমের পর সুইজারল্যান্ড ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে এবং দ্বিতীয়ার্ধে দান এনদোয়ের গোলে ১-১ সমতা ফেরায়।সমতায় ফেরার পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডে। ভিএআরের সহায়তায় রেফারি প্রথমে পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ড বাতিল করে ফাউলের অভিনয়ের দায়ে এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। ১০ জনের দলে পরিণত হলেও সুইজারল্যান্ড দারুণ রক্ষণ গড়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে আটকে রাখে।অতিরিক্ত সময়েও দীর্ঘক্ষণ গোলের দেখা পাচ্ছিল না আর্জেন্টিনা। তবে ১১২ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হোসে মানুয়েল লোপেজের পাস থেকে দারুণ বাঁকানো শটে জয়সূচক গোল করেন হুলিয়ান আলভারেজ। এরপর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ আরেকটি গোল করে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন।এই জয়ে টানা তৃতীয় নকআউট ম্যাচের কঠিন পরীক্ষা উতরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত ১০ জন নিয়ে লড়াই করেও মাথা উঁচু করেই বিদায় নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। এখন শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির দল।/টি

জুলাই ১২, ২০২৬

১৬ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেন

নকআউট পর্বে আবারও স্পেনের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন মিকেল মেরিনো। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই জয়সূচক গোল করে বেলজিয়ামের প্রতিরোধ ভেঙে দেন এই মিডফিল্ডার। তার শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেনের অন্য গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ, আর বেলজিয়ামের হয়ে সমতা ফেরান শার্ল দে কেতেলারে। শেষ চারে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুললেও গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ইয়ামালের সঙ্গে দারুণ সমন্বয়ের পর পেদ্রো পোরোর নিচু ক্রস থেকে দানি ওলমোর শট ফিরিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। তবে ফিরতি বলে ফাবিয়ান রুইজ গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে তিমোথি কাস্তানিয়ের নিখুঁত ক্রসে হেড করে গোল করেন শার্ল দে কেতেলারে। এই গোলেই এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে স্পেন।বিরতির পর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় ম্যাচ সমতায় থাকে। ইয়ামালের শট ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া, অন্যদিকে ডি ব্রুইনা ও জেরেমি দকুর সমন্বয়ে বেলজিয়ামও পাল্টা আক্রমণ চালায়। তবে ৭১ মিনিটে ঊরুর চোটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বেলজিয়াম অধিনায়ক কোর্তোয়া। তার বদলি হিসেবে নামেন সেন্নে ল্যামেন্স। ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা যখন প্রবল, তখন ৮৭ মিনিটে মিকেল মেরিনোকে মাঠে নামান স্পেন কোচ। এক মিনিট পরই পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট ল্যামেন্স ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ফিরতি বলে জালে বল জড়িয়ে দেন মেরিনো।শেষ সাত মিনিটের যোগ করা সময়ে রোমেলু লুকাকুকে সামনে রেখে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় বেলজিয়াম। তবে স্পেনের রক্ষণ তাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। এর আগে শেষ ষোলোয় পর্তুগালের বিপক্ষেও যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করেছিলেন মেরিনো। ফলে টানা দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচসেরা ভূমিকা রেখে স্পেনকে সেমিফাইনালে তুললেন তিনি। ২০১০ সালের শিরোপা জয়ের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ চারে উঠল স্পেন। এখন সেমিফাইনালে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে মরক্কোকে হারিয়ে ওঠা ফ্রান্স।

জুলাই ১১, ২০২৬

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে ফিফার ব্যাখ্যা

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার শেষ ষোলোর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে তুমুল বিতর্কের পর অবশেষে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা। মিশরের বাতিল গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহামেদ সালাহকে ঘিরে ওঠা পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ম্যাচ কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেছেন তিনি। কলিনা বলেন, ফুটবলে সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা স্বাভাবিক হলেও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনো সুযোগ নেই।আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। তবে শেষদিকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মিশর অভিযোগ করে, মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল এবং এনজোর জয়সূচক গোলের আগে সালাহকে ঘিরে সম্ভাব্য পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে কলিনা বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং খেলোয়াড় বা কোচদের মতো তারাও সর্বোচ্চ সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন।জিকোর বাতিল গোলের বিষয়ে কলিনা জানান, কোনো গোল হওয়ার পর ভিএআর গোলের আগে আক্রমণ গঠনের ধাপও পর্যালোচনা করতে পারে। সেই পর্যায়ে আক্রমণকারী দলের কোনো ফাউল ধরা পড়লে এবং সেটি গোলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হলে ভিএআর রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দিতে পারে। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ওই আক্রমণের সময় মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ের ওপর পা দেন, যা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় গোলটি বাতিল করা হয়।অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মোহামেদ সালাহর পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। কলিনার ভাষ্য, কোনো খেলোয়াড় আগে বল স্পর্শ করার পর স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংস্পর্শ হলে সেটিকে ফাউল বলা যায় না। রেফারি ও ভিএআর মনে করেছেন, হুলিয়ান আলভারেজ প্রথমে বল খেলেছিলেন এবং এরপর সালাহর সঙ্গে যে সংস্পর্শ হয়েছে তা স্বাভাবিক ছিল। তাই পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং খেলা চলতে থাকে। পরবর্তী আক্রমণ থেকেই এনজো ফার্নান্দেজ জয়সূচক গোল করেন।কলিনা আরও বলেন, কিছু সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বিচার-বিবেচনার সুযোগ থাকলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভিএআরের নীতিমালা যথাযথভাবে প্রয়োগ হয়েছে বলে ফিফা সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ রেফারি ও তাদের পরিবারের জন্য হুমকির পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফিফার অবস্থান স্পষ্ট—জিকোর গোল বাতিলে ভিএআরের হস্তক্ষেপ সঠিক ছিল, সালাহর ঘটনায় পেনাল্টি দেওয়ার মতো ফাউল হয়নি এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল বৈধভাবেই বহাল রয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬

বিশ্বকাপে শেষ আটের লড়াই, দেখুন সূচি

৪৮ দলের বিশ্বকাপ এখন শেষ পর্যায়ে। নানা নাটকীয়তা, স্বপ্নভঙ্গ, চমক এবং বিতর্ক পেরিয়ে নির্ধারিত হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালের আট দল। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দেখা গেছে একাধিক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ, যেখানে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে।সবচেয়ে বেশি নাটকীয়তা দেখা গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ম্যাচে। মিসরের বিপক্ষে ২–০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ৩–২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। তবে ম্যাচটি ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বড় বিতর্ক। বাতিল হওয়া একটি গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে ফাউলের অভিযোগ তুলে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মিসর। ফিফা ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগও তুলেছে তারা।অন্যদিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট স্পেনও নিশ্চিত করেছে শেষ আটের টিকিট। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে ১–০ গোলে হারিয়ে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। একই দিনে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে ৪–১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বেলজিয়াম।২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্সও সহজ জয় পেয়েছে। প্যারাগুয়েকে ১–০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা স্বাগতিক কানাডাকে ৩–০ গোলে হারিয়ে আফ্রিকার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে।ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে অবশ্য কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মেক্সিকোকে ৩–২ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে হ্যারি কেইনের দল। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নরওয়ে, যারা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটিয়েছে। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে।শেষ ষোলোর সবচেয়ে নিষ্প্রাণ ম্যাচটি ছিল কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৪–৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় সুইজারল্যান্ড। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।কোয়ার্টার ফাইনালের সূচিবৃহস্পতিবার, ৯ জুলাইফ্রান্স বনাম মরক্কোবাংলাদেশ সময়: রাত ২টাভেন্যু: জিলেট স্টেডিয়াম, ফক্সবরো, ম্যাসাচুসেটসশুক্রবার, ১০ জুলাইস্পেন বনাম বেলজিয়ামবাংলাদেশ সময়: রাত ১টাভেন্যু: সোফি স্টেডিয়াম, ইনগলউড, ক্যালিফোর্নিয়াশনিবার, ১১ জুলাইনরওয়ে বনাম ইংল্যান্ডবাংলাদেশ সময়: রাত ৩টাভেন্যু: হার্ড রক স্টেডিয়াম, মায়ামি গার্ডেনসরোববার, ১২ জুলাইআর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ডবাংলাদেশ সময়: সকাল ৭টাভেন্যু: অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, কানসাস সিটি

জুলাই ০৮, ২০২৬

বিদেশে কেন বারবার ব্যর্থ ভারত?

ট্রেন্ট ব্রিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতের শোচনীয় পরাজয় শুধু একটি বাজে দিনের ফল নয়, বরং বিদেশের মাটিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি কৌশলগত দুর্বলতাকেই আবারও সামনে এনে দিয়েছে। পেসারদের নির্ভুল হার্ড লেংথের (৬-১০ মিটার) বোলিং সামলাতে ব্যর্থ হয়ে ভারত নিজেদের ১৮ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন টি-টোয়েন্টি স্কোরে অলআউট হয় এবং টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের মুখ দেখে।ম্যাচ শেষে ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার দলের ব্যাটিংকে "জঘন্য" বলে মন্তব্য করেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, এই ব্যর্থতা নতুন নয়। গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ, ২০২৬ সালে আয়ারল্যান্ড সফর এবং চলমান ইংল্যান্ড সিরিজ—সব ক্ষেত্রেই হার্ড লেংথের পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিং গড় ছিল যথাক্রমে ১৮.৪২, ১৭.১৭ এবং মাত্র ১৪.২৯।অন্যদিকে, ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একই ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিং গড় ছিল ৪৭.৭০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬৫.৬৩। অর্থাৎ, বিদেশের কন্ডিশনে একই দুর্বলতা বারবার প্রকাশ পাচ্ছে।ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিদেশের মাটিতে হার্ড লেংথের বিপক্ষে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে কেবল তিলক ভার্মাই তুলনামূলকভাবে সফল। অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে ও হার্দিক পান্ডিয়াসহ অধিকাংশ ব্যাটারই ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।পরিহাসের বিষয়, একই ম্যাচে ভারতের পেসাররাও ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের বিপক্ষে হার্ড লেংথ কৌশল ব্যবহার করে সাফল্য পান। আরশদীপ সিং শুরুতে সুইং আদায়ের পর ধারাবাহিকভাবে উইকেটমুখী লেংথে বল করেন। অতিরিক্ত বাউন্সের কারণে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদেরও রান তুলতে বেগ পেতে হয়। ম্যাচ শেষে হ্যারি ব্রুক স্বীকার করেন, স্টাম্পের ওপর দিয়ে শট খেলা সহজ ছিল না।তবে ইংল্যান্ডের পেসাররা সেই পরিকল্পনা আরও নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করেন। জফরা আর্চার ও জশ টাং ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতিতে হার্ড লেংথে বল করে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলেন। তাদের ৮৮ শতাংশের বেশি ডেলিভারির গতি ছিল ১৪০ কিমি/ঘণ্টার ওপরে। বিপরীতে ভারতের পেসাররা ৭৮টি ডেলিভারির মধ্যে মাত্র দুটি বল ১৪০ কিমি/ঘণ্টার বেশি গতিতে করতে সক্ষম হন।ম্যাচের শুরুতেই আর্চার তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকে শর্ট বলের ফাঁদে ফেলে আউট করেন। পরে টাং হার্ড লেংথে ফিরে অভিষেক শর্মার উইকেট তুলে নেন। এরপর ঈশান কিষাণ, অক্ষর প্যাটেল ও শিবম দুবেও একই ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পাননি। গুড লেংথ ও ব্যাক-অব-লেংথ মিলিয়ে আর্চার ও টাং ২৬টি বলে মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন।ট্রেন্ট ব্রিজের এই পরাজয় ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার হলেও, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ বলছে এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড—বিদেশের মাটিতে একই ধরনের হার্ড লেংথ বোলিংয়ের বিপক্ষে ভারতের দুর্বলতা বারবার সামনে এসেছে। ফলে ভবিষ্যতেও প্রতিপক্ষ দলগুলো এই কৌশলকে ভারতের বিপক্ষে অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।© ক্রিকবাজ/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তখন অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা হয়তো শেষ হতে চলেছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ৩-২ গোলে হারিয়েছে মিশরকে। মঙ্গলবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে ছিল আর্জেন্টিনা। ১৪ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। পাঁচ মিনিট পর পেনাল্টি পেলেও গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার নেওয়া স্পট কিক দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মোহাম্মদ শোবেইর। এরপর ম্যাক অ্যালিস্টার, হুলিয়ান আলভারেজ ও মেসির একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।দ্বিতীয়ার্ধে মিশর আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ৫৮ মিনিটে মুস্তাফা জিকোর একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হলেও ৬৭ মিনিটে ট্রানজিশন থেকে তিনি আবার গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। তবে হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে মেসির দারুণ ক্রস থেকে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর হেডে ব্যবধান কমে। মাত্র চার মিনিট পর বক্সের ভেতরে জটলার মধ্যে থেকে নেওয়া মেসির শট শোবেইরের হাত ছুঁয়ে জালে জড়ালে ২-২ সমতা ফেরে ম্যাচে।সমতায় ফেরার পর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে আসে জয়সূচক গোল। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। অবিশ্বাস্য এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে মেসির দল নতুন করে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল।/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo