logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী - image

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

16 অক্টোবর 2026, 7:56 PM

স্বাস্থ্য খাতে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে এবং স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দকৃত বাজেটের প্রতিটি পয়সা জনগণের সেবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে—তিনি যত বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হোন না কেন—আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না; তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল কলেজের ৩২তম ডিএনএমসি ডে -তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।স্বাস্থ্য খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের স্বাস্থ্য খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এমনকি এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানেও টানা ১২ বছর কোনো আয়কর দেওয়া হয়নি, সেই অর্থও লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমান সরকার ও নতুন গভর্নিং বডি এসে এখন সেই পুঞ্জীভূত দায় শোধ করছে।”দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোনো খাতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে—তিনি যত বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হোন না কেন—আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না; তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিয়ে স্বাস্থ্য ড এম এ মুহিত উল্লেখ করেন, চব্বিশের গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিবর্তনের পথ ধরেই সরকার স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করছে। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি পয়সা নতুন ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ এবং সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কাছে বিনামূল্যে ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতেই ব্যয় করা হবে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

মোটরসাইকেলের সামনেও লাগাতে হবে নম্বরপ্লেট, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ

মোটরসাইকেলের সামনেও লাগাতে হবে নম্বরপ্লেট, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএমোটরসাইকেলের সামনের দিকেও এখন নম্বরপ্লেট লাগাতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এত দিন শুধু পেছনে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট ছিল। এবার সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট যোগ করতে হবে।মালিকদের নিজের উদ্যোগেই এ প্লেট বসাতে হবে। এর শেষ সময় আগামী ১৫ নভেম্বর। এই সময়ের মধ্যে নির্দেশনা না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিআরটিএ একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি দেয়। সেখানেই এ নির্দেশ জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে আরএফআইডিযুক্ত রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বরপ্লেট থাকার নিয়ম আছে। তবে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি আরও জোরদার করতে সামনেও নিবন্ধন নম্বর দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুরুতে মালিকদেরই নির্ধারিত শর্ত মেনে ম্যানুয়াল প্লেট বসাতে হবে।সামনের নম্বরপ্লেট হতে হবে স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের। প্লেটের পটভূমি হবে সাদা। তার ওপর কালো রঙে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে। প্লেটে কোনো নকশা বা বাড়তি সাজসজ্জা করা যাবে না।স্কুটার ও অন্য মোটরসাইকেলের জন্য প্লেটের মাপ আলাদা করা হয়েছে। স্কুটারের প্লেট হবে ২০০ মিলিমিটার লম্বা ও ১০০ মিলিমিটার চওড়া। স্কুটার ছাড়া অন্য সাধারণ মোটরসাইকেলের প্লেট হবে ২৮৫ মিলিমিটার লম্বা ও ৫০ মিলিমিটার চওড়া।দুই ক্ষেত্রেই নম্বরের হরফের উচ্চতা অন্তত ২০ মিলিমিটার হতে হবে। বিআরটিএ মোটরসাইকেল মালিকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব নিয়ম মেনে সামনের নম্বরপ্লেট বসাতে আহ্বান জানিয়েছে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশের কৃষিকে একটি লাভজনক খাতে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি এখন আর লাভজনক কোনো খাত নয়। কৃষিকাজ করে পর্যাপ্ত আয় না হওয়ায় শ্রমিকরা এ পেশা ছেড়ে যাচ্ছেন। এ কারণে এখন মাঠে কাজ করার জন্য কৃষক পাওয়া যায় না। তাই এই খাতকে লাভজনক করতে করতে হবে।’বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) পরিদর্শনকালে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।এ সময় কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং কৃষি গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়লেও যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।’তিনি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলে প্রচুর আলু উৎপাদিত হলেও ওই অঞ্চলের কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পান না। অনেক সময় তারা আলু রাস্তায় ফেলে দিতে বাধ্য হন। অথচ পরবর্তী সময়ে বীজ আলুর দাম বেড়ে যায়। একইভাবে উৎপাদনস্থল থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর আলুর দাম অনেক বেড়ে যায়। অন্যান্য সবজির ক্ষেত্রেও এ সমস্যা রয়েছে।’এর আগে রাষ্ট্রপতি সকাল ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ বারি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। সবশেষে রাষ্ট্রপতি বারির জিন ব্যাংক ও বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ কেন্দ্র (পিজিআরসি) প্রাঙ্গণে বারি কাঁঠাল-৬ জাতের একটি চারা রোপণ করেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬

মক্কায় বাংলাদেশি নারী-পুরুষের ফাঁসি কার্যকর

পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে অনৈতিক কাজের অপরাধে আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন- নজরুল ইসলাম আবদুল বশীর ও সিতি আক্তার।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে। পরে তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জশিট দেওয়া হয়।মামলাটি বিচারিক আদালতে পাঠালে সময়ের গুরুত্ব ও পবিত্র স্থানের মর্যাদা লঙ্ঘনের অপরাধ বিবেচনা করে আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। পরে উচ্চতর কর্তৃপক্ষ রায়টি বহাল রাখে এবং রাজকীয় ফরমানের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়।বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কা অঞ্চলে নজরুল ইসলাম ও সিতি আকতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে জোর দিয়ে বলেছে, দেশের নিরাপত্তা রক্ষা, বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং যারা মসজিদের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করে বা অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়—তাদের বিরুদ্ধে ইসলামি শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।সূত্র: আজেল নিউজ

অক্টোবর ১৫, ২০২৬

ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা

ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার রোধে করতে প্রত্যেক নাগরিক ও পরিবারকে সপ্তাহে দুই দিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা করে নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবার সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে আমাদের ঘরবাড়ি, আশপাশের এলাকা এবং প্রতিদিন চলাচলের পথে যেসব স্থানে ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার হতে পারে, সেসব জায়গা পরিষ্কার করি।’প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বিশেষ করে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।তিনি বলেন, ‘ঘরের আনাচকানাচে কিংবা রাস্তাঘাট ও জনসমাগমস্থলে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করে। আমরা যদি এসব প্রজননস্থল পরিষ্কার করতে পারি, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আরও বেশি সফল হব।’তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন বয়সের মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বহু পরিবারকে স্বজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করা সম্ভব।ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মানুষ অনেক বড় বড় অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছে, ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সফল হয়েছে এবং ২০২৪ সালে সর্বস্তরের মানুষের প্রচেষ্টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল করেছে।’প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা যদি সবাই মিলে এসব অর্জন করতে পারি, তাহলে দেশের অন্যান্য সমস্যা সমাধানে কেন সম্মিলিতভাবে অবদান রাখতে পারব না?’তিনি উল্লেখ করেন, দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় আড়াই কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), স্কাউটস, গার্ল গাইডস ও রেড ক্রিসেন্টের মতো বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থী ও এসব সংগঠনের সদস্যরা প্রায় এক মাস ধরে প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় যতটা সম্ভব ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের চেষ্টা করছেন।ডেঙ্গু প্রতিরোধের কার্যকর পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘টিকার ওপর নির্ভর করার চেয়ে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা বেশি কার্যকর। বিভিন্ন পরীক্ষায় ডেঙ্গুর টিকার কার্যকারিতা সীমিত বলে দেখা গেছে।’তারেক রহমান বলেন, ‘একটি সরকার তখনই সফল হয়, যখন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে। সরকার-জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে চায়।’ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ রোগে আক্রান্ত বহু রোগীর প্রাণহানি রোধ করা সম্ভব। তাই আসুন, সবাই মিলে চেষ্টা করি। সবাই চেষ্টা করলে আগামী দিনে ডেঙ্গুর অভিশাপ থেকে বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে পারব।’ টি/

অক্টোবর ১৪, ২০২৬

কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ট্যাবুমুক্ত করতে হবে, দ্রুত কাজে যেতে চাই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ট্যাবুমুক্ত করতে হবে, দ্রুত কাজে যেতে চাই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রতি পাঁচজনের একজন কিশোর-কিশোরী। এই বিপুল তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং ডিজিটাল সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ নীতিগত গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। একই সঙ্গে নিছক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নীতি সংস্কারকে দ্রুত মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান কাজে রূপান্তরের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ১১তম জাতীয় যুব সম্মেলন অন হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার' অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন তিনি। পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সহযোগিতায় সম্মেলনের আয়োজন করে সেরাক-বাংলাদেশ।কৈশোরকালীন নানা সংকট ও সামাজিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ড. মুহিত বলেন, “আমাদের দেশে কৈশোরে প্রজনন স্বাস্থ্য বা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে কৌতূহল থাকা একেবারেই স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় বিষয়। কিন্তু সামাজিক ট্যাবু ও লোকলজ্জার কারণে কিশোর-কিশোরীরা বুঝতে পারে না তারা তথ্যের জন্য ‘কোথায় যাবে, কার কাছে যাবে’। একইভাবে মানসিক ট্রমা ও পারিবারিক মানসিক নির্যাতন (ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স) প্রতিনিয়ত গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে। এসব বিষয় চেপে রাখলে সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়।”স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রশ্ন করলেই আমাদের সমাজে সন্তানদের ‘বেয়াদব’ বা ‘এঁচোড়ে পাকা’ তকমা দিয়ে থামিয়ে দেওয়ার যে প্রবণতা রয়েছে, সেই সামাজিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তরুণদের চোখে চোখ রেখে কথা বলার ও প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দিতে হবে। কিশোর-কিশোরীদের যেকোনো মানসিক ও সামাজিক সুরক্ষায় পরিবারই সবচেয়ে বড় ঢাল; তাই সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি উদ্যোগ ও ইন্টারভেনশন হতে হবে পরিবারকেন্দ্রিক (Family-focused)।”কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার সরকারি পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত জানান, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে একযোগে বড় পরিসরে জাতীয় ক্যাম্পেইন শুরু করা হচ্ছে। তিনি স্থানীয় পর্যায়ের ডেটাভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “সমগ্র দেশের পরিস্থিতি কখনো একরকম নয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে যেসব এলাকা বাল্যবিয়ে বা পারিবারিক সহিংসতায় ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত, সেখানে লক্ষ্যভিত্তিক বিশেষ কর্মসূচি ও দীর্ঘমেয়াদি মনিটরিং নিশ্চিত করা হবে।”কিশোর-কিশোরীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রসঙ্গে ড. এম এ মুহিত বলেন, সঠিক কাউন্সেলিং বা তথ্যের উৎসের অভাবে তরুণরা তথ্য অনুসন্ধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিচ্ছে। প্রাথমিক ধারণার জন্য প্রযুক্তির এই ব্যবহার ইতিবাচক হলেও একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের জন্য মনোসামাজিক কাউন্সেলিং ও বিশ্বস্ত তথ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য স্বাস্থ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব বেঞ্জামিন রিয়াজী, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফারিহা হাসীন, সঞ্চালনা করেন সেরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত, আরো বক্তব্য দেন যুব প্রতিনিধি আতিকা রহমান চৌধুরী ও কিশোর প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬

শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাময়িক বিধিনিষেধ ও ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে প্রবাসী ও সাধারণ মিলিয়ে ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। বাতিল বা স্থগিত হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ৩৬টি সরাসরি এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট।সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইনসের পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে।এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য ও পার্শ্ববর্তী দেশের বিমানবন্দর হয়ে সৌদি আরবগামী যাত্রী পরিবহনকারী ট্রানজিট ফ্লাইটও বিঘ্নিত হয়েছে। এসব ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি, সালাম এয়ারের চারটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি কর্তৃপক্ষের আকস্মিক বিধিনিষেধ ও ফ্লাইট স্থগিতের সিদ্ধান্তের কারণে অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এসে আটকা পড়েছেন। এতে কর্মস্থলে ফেরা ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সৌদি আরবগামী যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন।পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তিত হতে পারে। এ কারণে যাত্রীদের নিজ নিজ বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ফ্লাইটের সর্বশেষ সময়সূচি জেনে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে টিকিটের তারিখ পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ঝুঁকি কমাতে গণপরিবহন ও সাইকেলবান্ধব নগর গড়ার আহ্বান

ঢাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ৫ থেকে ৭ শতাংশ হলেও এসব গাড়ি সড়কের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গা দখল করে থাকে। অন্যদিকে, যানজটের কারণে রাজধানীতে বছরে প্রায় ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়। অতিরিক্ত মোটরযানের কারণে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ বাড়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে গণপরিবহন, হাঁটা ও সাইকেলে যাতায়াতের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।‘বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ‘কম গাড়ি, বাসযোগ্য নগরী’ শীর্ষক সাইকেল র‍্যালি ও মানববন্ধন থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য বিভাগ, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিয়িং বাংলাদেশ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সাইকেল র‍্যালির মাধ্যমে ক্যাম্পাস পরিভ্রমণ করেন এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াতব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেন।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এ বি এম আলাউদ্দিন চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুল হক মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইনোভেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন আহসান এবং ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের গবেষণা সহকারী সাজ্জাদুর রহমান সাগর।বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত যাতায়াতব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ কমানোর পাশাপাশি মানুষের শারীরিক সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।তারা আরও বলেন, সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল চালানো ও হাঁটার পথ তৈরির সরকারি উদ্যোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক। দেশের অন্যান্য শহরেও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।বক্তারা উল্লেখ করেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দীর্ঘদিন ধরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করছে। স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসের ভেতরে চলাচলের জন্য গণপরিবহন ও সাইকেল ব্যবহারের ব্যবস্থা রেখেছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।কর্মসূচি থেকে জনবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলা, নিরাপদ সাইকেল লেন নির্মাণ, সমন্বিত সাইকেল নেটওয়ার্ক তৈরি এবং সাইকেলের যন্ত্রাংশের ওপর বিদ্যমান শুল্ক ও কর কমানোর জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াতব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি সবার জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং ও জুমার নামাজের খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় মানুষ বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন, সেসব এলাকায় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে জোরদার করতে হবে।ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি এবং জুমার নামাজের খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।সভায় সরকারি আবাসিক কোয়ার্টার ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।টি/

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

নতুন লঘুচাপের আভাস, ৩ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় তিন বিভাগ খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এসব বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের দেয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এ সময় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ফলে তাপমাত্রার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য এই লঘুচাপ এবং বিদ্যমান আবহাওয়াগত পরিস্থিতির মধ্যে দেশের উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অতি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২১ মিনিটে দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়। এতে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ ও প্রতিপালনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতি-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে সৌদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি-সংক্রান্ত ছবি, ভিডিও ও স্পর্শকাতর তথ্য ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার না করার অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। একই সঙ্গে এ ধরনের তথ্য মোবাইলে সংরক্ষণ ও অন্যদের সঙ্গে আদান-প্রদান থেকেও সম্পূর্ণ বিরত থাকতে বলা হয়েছে।এ ছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। যেকোনো প্রয়োজনে বা তথ্য জানতে দূতাবাসের নির্ধারিত হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। শ্রমসংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর ৮০০১০০০১২৫, পাসপোর্টসংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর ৮০০১০০০১২৬, ডিপ্লোম্যাটিক উইংয়ের নম্বর ৮০০১০০০১২৪ এবং মৃত্যু-সংক্রান্ত হটলাইন নম্বর +৯৬৬৫৭০২১২১৮০।নিয়মিত ও হালনাগাদ তথ্য পেতে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পেজটির ঠিকানা: https://www.facebook.com/bdembassyrivadh। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও দেশটির প্রচলিত আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দূতাবাস।টি/

অক্টোবর ১২, ২০২৬

সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা ও জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী

সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটনের সময়সীমা, পর্যটক সংখ্যা এবং পর্যটকবাহী জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।আজ (সোমবার) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক গমন বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। দ্বীপের ধারণক্ষমতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সুপেয় পানির প্রাপ্যতা এবং সামুদ্রিক প্রতিবেশের ওপর পর্যটনের প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মতামতের ভিত্তিতে পর্যটন ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো অধিকতর পর্যালোচনা করা হবে।পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডসংবলিত টিকিট ক্রয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণমূলক নির্দেশনা অনুসরণের উপর জোর দেন। তিনি একই সাথে দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন বহন বন্ধ, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহন নিরুৎসাহিত করা এবং পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।সভায় ২০২৬–২০২৭ পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমন ও অবস্থান নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। পর্যটনের সময়সীমা, দৈনিক পর্যটক সংখ্যা এবং পর্যটকবাহী জাহাজ ছাড়ার স্থান পুনর্বিবেচনার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।সভায় পর্যটন নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান নির্দেশনাগুলোও পর্যালোচনা করা হয়। ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা দিনের বেলায় সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করে একই দিনে ফিরে আসবেন; রাত্রিযাপন করতে পারবেন না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপন করা যাবে। পর্যটকের সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন দুই হাজারের বেশি হবে না এবং ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ থাকবে। এসব বিধান পুনর্বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাগুলো বলবৎ থাকবে। এসব নির্দেশনায় রাতে সমুদ্রসৈকত ও সংলগ্ন এলাকায় আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি ও বারবিকিউ পার্টি করা; কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও ক্রয়-বিক্রয়; সৈকতে মোটরসাইকেলসহ অনুরূপ যানবাহন চালানো নিষিদ্ধ রয়েছে।সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ শফিউল বারী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা, পর্যটন ব্যবসায়ী ও পরিবেশ সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন, পর্যটন ব্যবসায়ী অনলাইনে সভায় অংশ নেন।টি/

অক্টোবর ১২, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo