logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/লাইফস্টাইল
বিচ্ছেদের ঝুঁকি কমাতে কোন বয়সে বিয়ে করা উচিত? - image

বিচ্ছেদের ঝুঁকি কমাতে কোন বয়সে বিয়ে করা উচিত?

16 জুলাই 2026, বিকাল 4:10

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বয়স একটি বিবেচ্য বিষয় হলেও সেটিই একমাত্র নির্ধারক নয়। তবে বিভিন্ন গবেষণা ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে, ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে করলে বিচ্ছেদের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে। কারণ এ সময়ের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ মানসিকভাবে পরিপক্ব হন, নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি করেন এবং দাম্পত্য জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য বেশি প্রস্তুত থাকেন।মার্কিন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও মনোচিকিৎসক লরি গটলিবের মতে, ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য অনুকূল সময় হতে পারে। তার ভাষ্য, এই বয়সে মানুষ নিজের ব্যক্তিত্ব, পছন্দ-অপছন্দ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা অর্জন করেন। ফলে সঙ্গী নির্বাচন ও সম্পর্ক পরিচালনায় তারা তুলনামূলকভাবে বেশি সচেতন থাকেন।একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করলে ২০ বছর বয়সে বিয়ে করা ব্যক্তিদের তুলনায় বিচ্ছেদের ঝুঁকি ৫০ শতাংশেরও বেশি কম হতে পারে। এছাড়া ৩২ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি অতিরিক্ত বছরে বিয়ে করলে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা গড়ে প্রায় ১১ শতাংশ করে কমে। তবে ৩২ বছরের পর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ঝুঁকি আবার কিছুটা বাড়তে পারে। তবে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, এগুলো পরিসংখ্যানগত প্রবণতা; সব মানুষের ক্ষেত্রে একই ফল প্রযোজ্য নাও হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব কম বয়সে বিয়ে করলে মানসিক পরিপক্বতা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং সম্পর্ক পরিচালনার দক্ষতা পুরোপুরি গড়ে না ওঠায় দাম্পত্য জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হতে পারে। অন্যদিকে বেশি বয়সে বিয়ে করলে দীর্ঘদিনের অভ্যাস, জীবনধারা কিংবা অতীত সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতা নতুন সম্পর্কে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে প্রথম দেখাতেই প্রবল আকর্ষণ না থাকলেও ধীরে ধীরে একে অপরকে জানার মাধ্যমে সফল সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে বলেও মত দেন লরি গটলিব।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সফল দাম্পত্যের জন্য বয়সের পাশাপাশি মানসিক পরিপক্বতা, খোলামেলা যোগাযোগ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, আর্থিক পরিকল্পনা, মতপার্থক্য সামলানোর সক্ষমতা এবং জীবনের লক্ষ্য ও মূল্যবোধে মিল থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু বয়সের ভিত্তিতে নয়, নিজের মানসিক প্রস্তুতি ও সম্পর্কের ভিত্তি বিবেচনা করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে বিচক্ষণ পদক্ষেপ।সূত্র: রিলেশনশিপ রুলস/টি

জুলাই ১৬, ২০২৬

বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি কেন এত প্রিয়?

বৃষ্টির দিনে খিচুড়ির প্রতি বাঙালির ভালোবাসা যেন এক চিরন্তন ঐতিহ্য। কারও কাছে বর্ষার আনন্দ মানেই ইলিশ-খিচুড়ির আয়োজন, আবার কেউ উপভোগ করেন ধোঁয়া ওঠা গরম খিচুড়ির সঙ্গে অলস বিকেল। বৃষ্টি হোক বা না হোক, খিচুড়ি সব সময়ই জনপ্রিয় খাবার। তবে মেঘলা আকাশ আর ঝুম বৃষ্টির আবহে এই খাবারের আবেদন যেন কয়েক গুণ বেড়ে যায়।তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি যেমন মনকে প্রশান্ত করে, তেমনি অনেকের মনেও জাগিয়ে তোলে খিচুড়ি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা। বাইরে বজ্রসহ বৃষ্টি আর ঘরে গরম খিচুড়ির সুবাস— এমন দৃশ্য বাঙালির পারিবারিক সংস্কৃতিরই একটি পরিচিত ছবি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চাল ও ডালের সমন্বয়ে তৈরি খিচুড়িতে পর্যাপ্ত ফাইবার ও পুষ্টিগুণ থাকায় এটি সহজপাচ্য এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার হিসেবেও বিবেচিত।বর্ষাকালে জলবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়লেও গরম খিচুড়ি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে বলে ধারণা রয়েছে। একসময় অসুস্থ ব্যক্তির পথ্য হিসেবেও খিচুড়ির ব্যবহার ছিল বেশ প্রচলিত। পাশাপাশি গলা ব্যথা বা সর্দি-কাশির মতো মৌসুমি সমস্যায় গরম খাবার খাওয়ার অভ্যাসও এই জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়।বৃষ্টির সঙ্গে খিচুড়ির সম্পর্কের পেছনে রয়েছে ইতিহাস ও গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতা। জনশ্রুতি রয়েছে, বাউলরা বাড়ি বাড়ি গান গেয়ে পাওয়া চাল ও ডাল একসঙ্গে রান্না করে খেতেন, যা পরবর্তীতে ‘খিচুড়ি’ নামে পরিচিতি পায়। আবার বর্ষাকালে গ্রামাঞ্চলে বাজারে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়লে ঘরে থাকা চাল-ডাল দিয়েই সহজে খিচুড়ি রান্না করা হতো। ভেজা কাঠে দ্রুত রান্নার সুবিধা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আলু বা সবজি যোগ করার সুযোগও এই খাবারকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।সময়ের সঙ্গে খিচুড়ি শুধু একটি খাবার নয়, বরং বর্ষার আবেগ, শৈশবের স্মৃতি এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। কারও পছন্দ মুগ ডালের ভুনা খিচুড়ি, কারও আবার পাতলা ঝোলের ল্যাটকা খিচুড়ি। কেউ সবজি, কেউ মাংস কিংবা ইলিশ মাছের সঙ্গে খেতে ভালোবাসেন। বহু বছরের ঐতিহ্যে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক আজও বৃষ্টির দিনে বাঙালির রসনায় খিচুড়িকে করে রেখেছে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত খাবার।/টি

জুলাই ১৩, ২০২৬

ব্যাক পেইন কমাতে জীবনযাত্রায় আনুন পরিবর্তন

বর্তমান সময়ে পিঠ বা কোমরের ব্যথা (ব্যাক পেইন) একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। খেলাধুলার চোট, দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকা কিংবা বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের কারণে এ ধরনের ব্যথা দেখা দিতে পারে। তবে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা এবং নিয়মিত কিছু অভ্যাস মেনে চলার মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।বিশেষজ্ঞদের মতে, মেরুদণ্ডকে সুস্থ রাখতে শরীরের কেন্দ্রীয় পেশি বা কোর মাসল শক্তিশালী করা জরুরি। নিয়মিত নির্দিষ্ট ব্যায়ামের মাধ্যমে কোমর ও পিঠের চারপাশের পেশি সক্রিয় রাখা যায়। পাশাপাশি প্রতিদিন স্ট্রেচিং করার অভ্যাস পেশির নমনীয়তা বাড়ায় এবং মেরুদণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকাও পিঠের ব্যথার অন্যতম কারণ। তাই কাজের সময় সঠিকভাবে বসা, একটানা দীর্ঘ সময় না বসে মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটাচলা করা প্রয়োজন। নিয়মিত দ্রুত হাঁটার অভ্যাসও শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, যা পিঠের ওপর বাড়তি চাপ কমায়।ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্ক থাকা জরুরি। ভুলভাবে শরীর মোচড় দিয়ে ভারী জিনিস তুললে পেশিতে টান লেগে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া ঘুমানোর সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। চিৎ হয়ে ঘুমানোর সময় হাঁটুর নিচে বালিশ রাখা এবং কাত হয়ে ঘুমালে দুই হাঁটুর মাঝে বালিশ রাখলে পিঠের ওপর চাপ কমে।পিঠের সুস্থতার জন্য শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকাও প্রয়োজন। অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ড ও পেশির ওপর চাপ বাড়ায়, আর ধূমপান মেরুদণ্ডের ডিস্কের ক্ষয় ত্বরান্বিত করতে পারে। সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে ব্যাক পেইন প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও আঘাত বা চোটের কারণে ব্যথা তীব্র হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।তথ্যসূত্র: ইউসি ডেভিস/টি 

জুলাই ১২, ২০২৬

বৃষ্টিতে ভিজে ফিরেছেন? সুস্থ থাকতে যা করবেন

 বর্ষাকালে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। অফিস থেকে ফেরার পথে, বাজারে কিংবা চলার পথে অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে পড়েন। তবে ভিজে যাওয়ার পর সঠিক যত্ন না নিলে সর্দি-কাশি, ত্বকের সমস্যা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টিতে ভিজে ঘরে ফেরার পর কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এসব স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া বৃষ্টির পানি, কাদা ও জমে থাকা নোংরা পানির সংস্পর্শে এলে বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।বৃষ্টিতে ভিজে ঘরে ফিরেই যা করবেনযত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে শরীরকে অতিরিক্ত ঠান্ডা হওয়া থেকে রক্ষা করুন।ভেজা কাপড় দ্রুত বদলে শুকনা ও পরিষ্কার পোশাক পরুন।পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে শরীর ও চুল ভালোভাবে মুছে শুকিয়ে নিন।কুসুম গরম পানিতে গোসল করে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ফিরিয়ে আনুন এবং ত্বকের ময়লা ও জীবাণু পরিষ্কার করুন।গোসলের পর গরম পানি, ভেষজ চা বা গরম স্যুপ পান করলে শরীর দ্রুত স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে।সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে করণীয়বাইরে থেকে ফিরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।নোংরা বা জমে থাকা পানিতে হাঁটলে হাত-পা সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন।ভেজা জুতা বা মোজা দীর্ঘ সময় পরে না থেকে পা ভালোভাবে শুকিয়ে রাখুন।হাত না ধুয়ে চোখ, নাক বা মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি খাদ্যতালিকায় রাখুন।ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করা পানি পান করুন।ছাতা, রেইনকোট, জুতা ও ব্যাগ ব্যবহারের পর ভালোভাবে শুকিয়ে রাখুন।রাস্তার জমে থাকা নোংরা পানিতে হাঁটা এড়িয়ে চলুন।বর্ষাকালে বাইরের খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি তাজা খাবার খাওয়াই নিরাপদ।বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষার বৃষ্টি যেমন গরম থেকে স্বস্তি এনে দেয়, তেমনি অসতর্ক থাকলে এটি নানা ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যার কারণ হতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর দ্রুত শুকনা হওয়া, শরীর পরিষ্কার রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মতো সহজ অভ্যাসগুলো মেনে চললে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।সূত্র: এনডিটিভি

জুলাই ১১, ২০২৬

চা বানানোর সময় ৫ ভুলে নষ্ট হতে পারে স্বাদ-ঘ্রাণ

প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে এক কাপ চা অনেকের কাছেই স্বস্তি ও প্রশান্তির প্রতীক। তবে একই চা-পাতা ব্যবহার করেও প্রতিদিন সমান স্বাদের চা তৈরি হয় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে শুধু চা-পাতার মান নয়, বরং চা তৈরির সময় করা কিছু সাধারণ ভুলও দায়ী। এসব ভুলের কারণে চায়ের স্বাদ, ঘ্রাণ, রং এমনকি গুণাগুণও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চা-পাতা দীর্ঘক্ষণ ফুটিয়ে রাখা অন্যতম সাধারণ ভুল। এতে চায়ের ট্যানিন অতিরিক্ত বের হয়ে চা তেতো বা কষা স্বাদের হয়ে যায়। এছাড়া দুধ, চা-পাতা ও চিনি একসঙ্গে দীর্ঘ সময় জ্বাল দিলে চায়ের স্বাভাবিক স্বাদ ও ঘ্রাণ নষ্ট হতে পারে। তাই পানি ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে ২ থেকে ৩ মিনিট চা-পাতা ভিজিয়ে রাখা এবং পরে প্রয়োজনমতো গরম দুধ মিশিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।একবার ব্যবহার করা চা-পাতা পুনরায় ব্যবহার করাও স্বাদের জন্য ক্ষতিকর। এতে চায়ের মান কমে যায় এবং দীর্ঘ সময় ভেজা অবস্থায় থাকলে জীবাণু জন্মানোর ঝুঁকিও থাকতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি ও বেশি কড়া চা পান দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণ চা-পাতা ব্যবহার এবং চিনির পরিমাণ কম রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।চা তৈরির সরঞ্জাম নির্বাচনেও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের বা তাপ-সহনশীল নয় এমন প্লাস্টিকের ছাঁকনি ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। অতিরিক্ত তাপে কিছু প্লাস্টিক থেকে ক্ষুদ্র কণা বা রাসায়নিক পদার্থ বের হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর পরিবর্তে স্টেইনলেস স্টিল বা সেরামিকের ছাঁকনি ব্যবহার নিরাপদ ও কার্যকর।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ভালো মানের চা-পাতা, বিশুদ্ধ পানি এবং পরিষ্কার কেটলি, কাপ ও ছাঁকনি ব্যবহার করলে সহজেই সুস্বাদু এক কাপ চা তৈরি করা সম্ভব। পাশাপাশি চা-পাতা প্রয়োজনের বেশি সময় ভিজিয়ে না রাখা এবং অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চললে চায়ের স্বাদ ও ঘ্রাণ আরও উপভোগ্য হবে।সূত্র: টিভি ৯/টি

জুলাই ০৯, ২০২৬

তামাকে বাড়ছে হাড় ও মেরুদণ্ডের ক্ষতি, সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

ধূমপান ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ফুসফুস বা হৃদযন্ত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের হাড় ও মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, তামাকে থাকা নিকোটিন শরীরের স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয়, ফলে হাড়ের বৃদ্ধি, পুনর্গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্বাভাবিক মেরামত প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে চিকিৎসকদের বরাতে বলা হয়েছে, মানুষের হাড় একটি সক্রিয় টিস্যু, যা নিয়মিত পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধূমপানের কারণে হাড়ে প্রয়োজনীয় রক্ত ও পুষ্টির সরবরাহ কমে যায়। এর ফলে কোনো কারণে হাড় ভেঙে গেলে তা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দেরিতে জোড়া লাগে। অনেক ক্ষেত্রে হাড় আর ঠিকমতো জোড়া না লাগার ঝুঁকিও থাকে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘নন-ইউনিয়ন’ বলা হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব মেরুদণ্ডেও সমানভাবে পড়ে। দীর্ঘদিন ধূমপান বা তামাক সেবনের ফলে মেরুদণ্ডের ডিস্ক দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এর কারণে তীব্র কোমর ব্যথা, ডিস্ক স্লিপ এবং মেরুদণ্ডের স্নায়ুর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়ে বিভিন্ন জটিল শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।চিকিৎসকদের ভাষ্য, নিয়মিত ধূমপান ‘অস্টিওপোরোসিস’-এর ঝুঁকিও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এ রোগে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে এবং সামান্য আঘাতেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এ ঝুঁকি বাড়লেও দীর্ঘদিন তামাক ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম বয়সেই হাড় ক্ষয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু সিগারেট নয়, জর্দা, গুটখা বা চিবিয়ে খাওয়া তামাকও একইভাবে শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, হাড় ভাঙা বা বড় ধরনের হাড়ের অস্ত্রোপচারের আগে ও পরে ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করলে দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী জটিলতার ঝুঁকি কমে। তাই দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা বা বারবার হাড় ভাঙার মতো সমস্যার ক্ষেত্রে ধূমপান ও তামাক ব্যবহারের অভ্যাসকে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ হিসেবে বিবেচনা করে তা অবিলম্বে বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শসা খাওয়ার পরামর্শ

তীব্র গরমে শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং পানিশূন্যতা রোধে নিয়মিত শসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। গ্রীষ্মকালীন ফল ও সবজির মধ্যে শসাকে অন্যতম উপকারী খাবার হিসেবে উল্লেখ করে তারা জানিয়েছেন, গরমের সময় নানা শারীরিক সমস্যা থেকে সুরক্ষা পেতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা রাখা যেতে পারে।পুষ্টিবিদদের মতে, শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। তাই প্রচণ্ড গরমে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা প্রতিরোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে থাকা পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করে।শসায় রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েড, ট্যানিন ও পলিফেনলের মতো জৈবিকভাবে সক্রিয় উপাদান, যেগুলোর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী গুণ রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি কম ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণেও শসা একটি আদর্শ খাবার। প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় মাত্র ১৬ ক্যালরি থাকে, আর এতে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।শুধু শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য নয়, ত্বকের যত্নেও শসা উপকারী। এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরকে সতেজ রাখে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে। শসার শীতলকারী উপাদান রোদে পোড়া ভাব, ফোলাভাব ও ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক গুণের কারণে এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য বের করতে সহায়তা করে এবং ভিটামিন বি, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরকে ক্লান্তিমুক্ত রাখতে ভূমিকা রাখে। মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও শসা উপকারী, কারণ এটি লালা উৎপাদন বাড়িয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে।সূত্র: সামা টিভি।

জুলাই ০৭, ২০২৬

তেলাপিয়া মাছ উপকারী নাকি ক্ষতিকর?

তেলাপিয়া মাছ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় চাষের মাছ। কম কাঁটা, সহজে রান্না করা যায় এবং তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাওয়ায় অনেক পরিবারের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় স্থান করে নিয়েছে এটি। তবে তেলাপিয়া মাছ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলাপিয়া ভালো না খারাপ—তা নির্ভর করে মাছটি কোথায় ও কীভাবে চাষ করা হয়েছে এবং কীভাবে রান্না করা হচ্ছে তার ওপর। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে উৎপাদিত তেলাপিয়া পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।পুষ্টিগুণের দিক থেকে তেলাপিয়া মাছ উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম এবং অল্প পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস। এসব উপাদান শরীরের কোষ গঠন, পেশি শক্তিশালী রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে তেলাপিয়া রাখা যেতে পারে।তবে তেলাপিয়া মাছের সম্ভাব্য ঝুঁকিও রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দূষিত জলাশয়ে চাষ করা তেলাপিয়ার শরীরে আর্সেনিক, সিসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতু জমা হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে কিডনি, লিভার, স্নায়ুতন্ত্র এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া কিছু অস্বাস্থ্যকর খামারে নিম্নমানের খাদ্য, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ও রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তাই বিশেষজ্ঞরা পরিচিত ও বিশ্বস্ত উৎস থেকে মাছ কেনার পরামর্শ দিয়েছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলাপিয়া মাছ রান্নার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নেওয়া এবং সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে রান্না করা জরুরি। এতে খাদ্যবাহিত জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তারা আরও বলেন, প্রতিদিন একই ধরনের মাছ না খেয়ে রুই, কাতলা, ইলিশ, পাবদাসহ বিভিন্ন মাছ পালাক্রমে খাওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। নিরাপদ উৎস থেকে কেনা এবং সঠিকভাবে রান্না করা তেলাপিয়া মাছ সুষম খাদ্যাভ্যাসের একটি পুষ্টিকর অংশ হতে পারে।সূত্র: ওয়েবএমডি ও আমেরিকান ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন।/টি

জুলাই ০৬, ২০২৬

প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার ৬ উপকারিতা

সকালের নাশতায় ডিম রাখার পরামর্শ দীর্ঘদিন ধরেই দিয়ে আসছেন পুষ্টিবিদরা। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারকে অনেকেই ‘সুপারফুড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ডিমে থাকা উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগানোর পাশাপাশি সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে ১ থেকে ২টি সেদ্ধ ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায়। এতে দ্রুত ক্ষুধা লাগে না, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। একই সঙ্গে কম ক্যালরি ও বেশি প্রোটিন থাকার কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণেও ডিম কার্যকর ভূমিকা রাখে।ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের কোষের কার্যকারিতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, মনোযোগ ধরে রাখা এবং মানসিক কর্মক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী—সব বয়সীদের জন্য সকালের নাশতায় ডিম উপকারী হতে পারে।এছাড়া ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন পেশি গঠনে সহায়তা করে। এতে থাকা ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে বায়োটিন ও প্রোটিন ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখা এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।পুষ্টিবিদরা আরও জানান, ডিমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। তবে যাদের কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা বা বিশেষ স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।/টি

জুলাই ০৫, ২০২৬

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস জেনেনিন

অ্যাজমায় আক্রান্ত অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, কিছু খাবার কি শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার অ্যাজমার সরাসরি কারণ নয়। তবে নির্দিষ্ট কিছু খাবার সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে উপসর্গ বাড়াতে পারে, আবার স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ফুসফুসের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। তাই কোন খাবার উপকারী এবং কোনটি এড়িয়ে চলা উচিত, সে বিষয়ে সচেতনতা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।অ্যাজমা একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালীর রোগ, যেখানে শ্বাসনালীতে প্রদাহ ও সংকোচনের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। চিকিৎসকদের মতে, যাদের সালফাইটে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের শুকনো ফল, ওয়াইন ও কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া হট ডগ, সসেজ, হ্যাম, পেপারোনি ও টিনজাত মাংসের মতো প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার সীমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ব্যক্তিগতভাবে যেসব খাবারে অ্যালার্জি হয়, সেগুলো এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজের অ্যাজমার ট্রিগারগুলো শনাক্ত করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হয়। দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, শেলফিশ বা অন্য কোনো খাবারে অ্যালার্জি থাকলে সেগুলো থেকে দূরে থাকা উচিত। একই সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে।খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব নিয়ে ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উদ্ভিদভিত্তিক স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শরীরের প্রদাহ ও জারণজনিত চাপ কমাতে এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফল ও শাকসবজি খাওয়া, প্রাণিজ খাবার তুলনামূলক কম গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুসফুসের সুস্থতার জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি, যেমন বেরি, কমলা, পালং শাক, ব্রোকলি ও গাজর নিয়মিত খাওয়া উপকারী। পাশাপাশি ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ স্যামন, সার্ডিন, আখরোট ও ফ্ল্যাক্স সিড, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার, পূর্ণ শস্য, ডাল এবং ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ বিভিন্ন শাকসবজি ও কুমড়ার বীজও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে চিকিৎসকরা জোর দিয়ে বলছেন, খাদ্যাভ্যাস কখনোই অ্যাজমার চিকিৎসার বিকল্প নয়; নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই রোগ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।/টি

জুলাই ০৪, ২০২৬

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে জীবনসঙ্গীকে যেসব কথা বলা উচিত নয়

একটি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে। ভালোবাসার সম্পর্ককে মজবুত রাখতে যেমন ইতিবাচক কথার প্রয়োজন, তেমনি কিছু নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রাগ বা অভিমানের মুহূর্তে বলা কিছু বাক্য সম্পর্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, "তোমাকে বিয়ে করে ভুল করেছি"—এ ধরনের মন্তব্য কখনোই বলা উচিত নয়। ক্ষণিকের রাগে বলা এই বাক্য শুধু একটি অভিযোগ নয়, বরং পুরো সম্পর্ককেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন কথা জীবনসঙ্গীর মনে গভীর কষ্টের জন্ম দেয় এবং পারস্পরিক বিশ্বাসে ফাটল ধরাতে পারে।এ ছাড়া আর্থিক অবস্থা বা পারিবারিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে খোঁচা দেওয়াও সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। অর্থনৈতিক বিষয় একজন মানুষের আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত। তাই ঝগড়ার সময় এ ধরনের বিষয়কে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে তা অপমানের অনুভূতি তৈরি করে এবং সম্পর্কের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।জীবনসঙ্গীর পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করাও এড়িয়ে চলা উচিত। প্রিয়জনদের সম্পর্কে নেতিবাচক কথা একজন মানুষকে মানসিকভাবে আঘাত করে। ব্যক্তিগত মতবিরোধ থাকলেও তা সম্পর্কের আলোচনায় টেনে আনলে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব ও তিক্ততা তৈরি হতে পারে।এ ছাড়া জীবনসঙ্গীর ব্যক্তিগত দুর্বলতা বা অনিরাপত্তার জায়গা নিয়ে উপহাস করাও সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। মজা করার উদ্দেশ্যে বলা কথাও অনেক সময় গভীর আঘাতের কারণ হতে পারে। তাই সম্পর্ককে সুস্থ ও স্থায়ী রাখতে সংযত ভাষা ব্যবহার, পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা এবং একে অপরের অনুভূতির প্রতি যত্নশীল হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।/টি

জুলাই ০১, ২০২৬

আম খাওয়ার পর যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

গ্রীষ্মকাল মানেই রসালো ও সুস্বাদু আমের মৌসুম। এ সময়ে আম খেতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, আম খাওয়ার পরপরই কিছু নির্দিষ্ট খাবার খেলে হজমের সমস্যা বা শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। যদিও এ বিষয়ে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় না, তবুও বিশেষজ্ঞরা সংবেদনশীল পাকস্থলীর ব্যক্তিদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।বিশেষ করে আম খাওয়ার পরপরই দুধ, দই, ঝাল ও অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলার কথা বলা হয়। অনেকের ক্ষেত্রে আমের সঙ্গে দুধ বা দই খেলে বদহজম, গ্যাস, পেটব্যথা কিংবা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। একইভাবে ঝাল ও মশলাদার খাবার পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি করে অম্লতা ও জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। তবে এসব প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।এ ছাড়া আমের পরপরই সফট ড্রিংক, এনার্জি ড্রিংক বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় পান করাও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। আমে প্রাকৃতিক শর্করা থাকার কারণে এর সঙ্গে অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে আম খাওয়ার পরপরই পানি পান না করে অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে এবং বদহজম, অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপার ঝুঁকি কমে।অন্যদিকে, আম খাওয়ার পরপরই ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলেও কিছু মানুষের হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আমের সঙ্গে এসব খাবার খেলে সবারই সমস্যা হবে— এমন কোনো নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। যাদের হজমজনিত সমস্যা, অ্যাসিডিটি বা সংবেদনশীল পাকস্থলী রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এসব সংমিশ্রণ এড়িয়ে চলাই ভালো। নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে পরিমিত পরিমাণে ও সঠিক সময়ে আম খাওয়াই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জুন ৩০, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo