
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরানের ওপর আগামী দিনে আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের অর্থনৈতিক জীবনের প্রতিটি পথ বন্ধ করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা, পরিবহন বা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অবৈধ বাণিজ্যে সহায়তা করা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও গুরুতর অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বেসেন্ট আরও দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের প্রায় শতভাগ সামরিক সক্ষমতা ও পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করেছে। তার এমন বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেছেন, এ ধরনের দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তিনি এটিকে জাতিসংঘের সদস্য
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাইও যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, মার্কিন অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোঁটা তেলও বিদেশে রপ্তানি হতে দেবে না ইরান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অভিযানে যে দেশই অংশ নেবে বা সমর্থন দেবে, তেহরান সেটিকে নিজেদের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে বিবেচনা করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
টানা প্রায় ছয় মাস ধরে চলা উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে এখনো সংকট নিরসনের কার্যকর কোনো পথ তৈরি হয়নি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালীতে অনুমোদনহীন ট্যাংকার চলাচলে তেহরানের কঠোর অবস্থানের কারণে তেল পরিবহনও ব্যাহত হচ্ছে। তবে বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক চীন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফও সামরিক শক্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাণিজ্যিক প্রবাহ অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। সূত্র: এনডিটিভি
/টি