logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/সারাদেশ
দৈনিক মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস, নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান! - image

দৈনিক মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস, নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান!

07 অক্টোবর 2026, বিকাল 2:08

দৈনিক মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস, নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান!নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে সেনবাগের নবীপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব বলে ধারণা করছে বাপেক্স।মোজাম্মেল হক বলেন, কূপটিতে বর্তমানে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) চলছে। পরীক্ষা শেষে গ্যাসের মজুত ও উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিন ডিএসটি পরীক্ষা চলবে। এরপর কূপটিতে মোট কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হতে পারে।বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু হয়। ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি এক হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৪২০ থেকে এক হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে সুন্দলপুর-১, ২ ও ৩ নম্বর কূপ খনন করা হয়েছিল। নতুন কূপটি সেনবাগে হলেও একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসক্ষেত্র কাঠামোর অংশ হওয়ায় এর নাম সুন্দলপুর-৪ রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২৬

পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নে ইকসাসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইসলামিক কাউন্সিল ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট অ্যান্ড জাস্টিস (ইকসাস)-এর উদ্যোগে Tree Plantation Program-2026 অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (০৪ অক্টোবর)  কুমিল্লার মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুরস্থ আকাব্বরের নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও পরিবেশবান্ধব বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।কর্মসূচিতে ইকসাসের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আ খ ম ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরে আলম সরকার, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।এ সময় অধ্যাপক আ খ ম ইউনুস বলেন, “বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচি নয়; এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। আজকের একটি গাছ আগামী প্রজন্মের জন্য ছায়া, অক্সিজেন ও একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।”তিনি শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।ইকসাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক কল্যাণে সংগঠনটির চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।টি/

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

রংপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের ওপর হামলা

অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার সংবাদ প্রকাশের জেরে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর প্রকাশ্যে হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের উমর বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক আব্দুল বারীর মাথায় আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। আব্দুল বারী দুলাল দৈনিক লাখোকণ্ঠ ও দৈনিক প্রতিদিনের বার্তার গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি এবং গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি।ঘটনার সূত্রপাত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার ওই দিন গজঘণ্টা ইউনিয়নের উমর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালান গঙ্গাচড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুর ইসলাম। অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি দায়ীদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। পরে অভিযানের খবর স্থানীয় দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা, জাতীয় দৈনিক লাখোকণ্ঠসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।এরপর থেকেই সাংবাদিক আব্দুল বারীকে মৌখিকভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এরই ধারাবাহিকতায় ২ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উমর বাজারে তাকে একা পেয়ে পথরোধ করে হামলা চালানো হয়। হামলার সময় কয়েকজন তাকে গলা চেপে ধরে ও পেছন থেকে হাত আটকে রাখেন। এ সময় পেছন থেকে আরেকজন কাঠ কাটার কুড়াল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সাংবাদিক দুলাল। এরপরও হামলাকারীরা তাকে বিভিন্নভাবে মারধর করেন। তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বড় ছেলের সেমিস্টার ফি ও থাকা-খাওয়ার আনুষঙ্গিক খরচ বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য সঙ্গে করে নেওয়া নগদ ৩৫ হাজার টাকা এবং শার্টের বাম পকেটে থাকা Oppo A57 মডেলের মোবাইল ফোন, যার মূল্য ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকা, নিয়ে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি  সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের উমর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত দুজনসহ ৭-৮ জন এ হামলায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।সাংবাদিকের ওপর এ হামলার ঘটনায় রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে), গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব, গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাব, রংপুর প্রেসক্লাব, রংপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাব, মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।হামলার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গঙ্গাচড়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা হাসপাতালে ছুটে যান। পরে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সবুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এবং সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজীও আহত সাংবাদিককে দেখতে হাসপাতালে যান।গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলীম প্রামাণিক ও সাধারন সম্পাদক কমল কান্ত রায় বলেন, “সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে একজন সাংবাদিককে যদি এভাবে হামলার শিকার হতে হয় এবং হামলাকারীরা শাস্তি না পায়, তাহলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”আরপিইউজে সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক ও  সাধারণ সম্পাদক, যমুনা টিভির ব্যুরো চিফ সরকার মাজহারুল মান্নান বলেন, “সাংবাদিক দুলালের ওপর এ হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠ রোধের চেষ্টা। শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর নয়, এ হামলা গোটা সাংবাদিক সমাজের ওপর আঘাত। আমরা দায়ীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চাই।এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকরা বলছেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে হামলার শিকার হতে হলে তা স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জন্য গুরুতর হুমকি। অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর হামলার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে গাড়িবহরটি পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের এটি প্রথম চালান বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়ামের চালান কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার পর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। এর আগে শনিবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহরটি রূপপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।গাড়িবহরে ছিল ইউরেনিয়াম বহনকারী তিনটি লরি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বহনের জন্য একটি গাড়ি। রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরাও গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, এসআরবি এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়ামবাহী একটি বিশেষ কার্গো বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি—সব মিলিয়ে নয়টি চালানে দেশে ইউরেনিয়াম আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে সব চালান সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সব প্রস্তুতি সময়মতো সম্পন্ন হলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরীক্ষামূলক উৎপাদন কার্যক্রমে নতুন ধাপ শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।টি/

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জহির ঠাকুর:নড়াইলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে এবং মশাবাহিত এই রোগ প্রতিরোধে জেলা সদর এলাকার বয়েজ স্কুল মাঠ ও পুরাতন বাস স্ট্যান্ড চত্বরে একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এই কর্মসূচি শুরু হয়। জেলার সকল উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের পাশাপাশি আজ নড়াইল সদর উপজেলার বয়েজ স্কুল মাঠ এবং পুরাতন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। মূলত যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি যেন এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসন, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পুরো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুধু পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়; ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি নগরবাসীর সার্বিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। 

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসার ছাত্র শাহিন

চারদিকে শিশু নিখোঁজের খবরের মধ্য দিয়ে এবার লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে নিখোঁজ ১৩ বছরের শিশু আরাফাত হোসেন শাহীন। নানাভাবে খোঁজ নিয়েও শাহীনের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন পরিবার। গেল শনিবার(১৯সেপ্টেম্বর), রামগতির চর পোড়াগাছা থেকে কমলনগরের তোরাবগঞ্জের দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। সন্ধান চেয়ে নিখোঁজ শিশুটির মা শাহিনুর বেগম আজ রামগতি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেন।আরাফাত হোসেন শাহীন ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চর কাদিরা ইউনিয়নের চর বসু গ্রামে।শিশুটির বাবা আবুল বাশার বলেন, বাড়ির লোকজন ও মাদ্রাসার শিক্ষকরাসহ লক্ষ্মীপুরের বিভিন্নস্থানে খোঁজ করেছি, কিন্তু তার কোন সন্ধান মিলেনি।হারিয়ের সময় শিশুটির গায়ে কালোর রঙের একটি পাঞ্জাবি ও টুপি পরা ছিল। গায়ের রঙ শ্যামলা, উচ্চতা ৪ ফুট ৫ইঞ্চি।রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, শিশুটির মা মাদ্রাসা পর্যন্ত তাকে এগিয়ে দেয়নি। অর্ধেক পথ থেকে নিখোঁজে আশঙ্কা করা হচ্ছে, মাদ্রাসার পড়াশোনার ভীতি থেকেই এমন ঘটনা ঘটেছে। অভিভাবক জিডি করেছেন, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।/টি

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের উদ্যোগে পরিষ্কার রহমতখালী খাল

লক্ষ্মীপুর:দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানায় ভরে থাকা লক্ষ্মীপুরের রহমতখালী খালের প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ পরিষ্কার করা হয়েছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে ১৫ দিন ধরে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। এতে প্রায় ৩০০ কর্মী অংশ নেন।পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে খালের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা, ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এ কাজে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন উজ্জীবন প্রভাতী সংঘের সদস্যরাও অংশ নেন।স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালের বিভিন্ন অংশে কচুরিপানা ও আবর্জনা জমে থাকায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এ অবস্থায় নিজেদের উদ্যোগে খালটি পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়।জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন কবির স্বপন বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নির্দেশক্রমে তারা স্বেচ্ছায় এ কার্যক্রমে নেমেছেন। দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানা অপসারণ করে খালের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই তাঁদের উদ্দেশ্য।মহসিন কবির স্বপন বলেন, প্রায় ৩০০ কর্মী ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। খালের প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ পরিষ্কার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষে খালের ওই অংশের চিত্রে পরিবর্তন দেখা গেছে। বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে ফেলায় পানির প্রবাহও আগের তুলনায় স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল বলেন, আগে খালের বিভিন্ন অংশে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা জমে থাকত। এতে খালের পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতো। এখন খাল পরিষ্কার হওয়ায় পরিবেশও ভালো হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দা মুকিতুর রহমান বলেন, খালটি পরিষ্কার করায় এখন অনেকটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। তবে খালে আবার যাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা না হয়, সে বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার ও তদারকি করা প্রয়োজন।উদ্যোক্তারা জানান, শুধু একবার পরিষ্কার করেই দায়িত্ব শেষ করতে চান না তারা। খালের পরিচ্ছন্নতা ধরে রাখতে ভবিষ্যতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি করা হবে। এতে রহমতখালী খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।টিএ/

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

পাবিপ্রবি ছাত্রীদের দর্জির কুপ্রস্তাব, প্রতিবাদ করায় সাবেক সেনাসদস্যকে রড দিয়ে আঘাত

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ছাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব ও অশালীন কথাবার্তায় উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে এক দর্জির বিরুদ্ধে। তার এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় মো. ইউসুফ আলী খান (৬০) নামে এক সাবেক সেনাসদস্যকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের রাজাপুর ক্যালিকো কটন মিলের সামনে ডা. ইয়াজ উদ্দিন খাঁ সুপার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত ইউসুফ আলী খান রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় তিনি পাবনা সদর থানায় মো. সেলিম হোসেন ওরফে ‘দর্জি সেলিম’ (৫৫)-এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগে ইউসুফ আলী খান উল্লেখ করেন, রাজাপুর ক্যালিকো কটন মিলের সামনে তার একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে। দোকানের পেছনের একটি বসতবাড়িতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রী মেস হিসেবে ভাড়া থাকতেন। তার পাশের দোকানে দর্জির কাজ করেন সেলিম হোসেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সেলিম ওই ছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব ও অশালীন কথা বলে উত্ত্যক্ত করতেন। এমনকি তাদের উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গিও করতেন। তার এসব আচরণে ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অস্বস্তি তৈরি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন ছাত্রী ওই মেস ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।বিষয়টি জানতে পেরে ইউসুফ আলী খান উক্ত দর্জি সেলিমকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সেলিম তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন ইউসুফ আলী খান।অভিযোগে আরও বলা হয়, মঙ্গলবার বিকেলে সেলিম ইউসুফ আলী খানের দোকানের সামনে এসে তাকে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে সেলিম তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ইউসুফ আলীর মাথায় আঘাত করেন। এতে মাথার বাম পাশে ফেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।অভিযোগকারীর ভাষ্য, তিনি মাটিতে পড়ে গেলে সেলিম রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মাথা, হাত, পিঠ, বুক, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।এ সময় ইউসুফ আলী খানের চিৎকার শুনে মো. ইয়াকুব আলী খান, আরিফুল ইসলাম সৈকত, মো. নজরুল ইসলামসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সেলিম তাকে আরও ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে খুন-জখম এবং দোকানের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে সেলিম ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগকারীর দাবি।পরে স্থানীয়রা আহত ইউসুফ আলী খানকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিকে, ওই মেসে থাকা পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দর্জি সেলিম তাদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় তিনি তাদের ডাক দিয়ে অশালীন ভাষায় কথা বলতেন, কুপ্রস্তাব দিতেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতেন বলে তাদের অভিযোগ। তার এসব আচরণে তারা আতঙ্ক ও অস্বস্তির মধ্যে চলাফেরা করতেন। এ কারণে কয়েকজন ছাত্রী মেস ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন বলেও জানান তারা।ছাত্রীরা বলেন, এ ধরনের হয়রানির সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেলিম হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”/টি 

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

চট্টগ্রামে ট্যাংক দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য পিয়াসের নোয়াখালীতে দাফন সম্পন্ন

মানিকভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি:চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে জানাজা শেষে সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করে তাকে দাফন করা হয়।পিয়াস ওই গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে। চার বোনের একমাত্র ছোট ভাই ছিলেন তিনি। স্বজনরা জানান, শান্ত ও অমায়িক স্বভাবের পিয়াস ছিলেন সবার প্রিয়। তার অকালমৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।স্বজনরা আরও জানান, মাত্র ১৮ মাস আগে পিয়াসের ঘর আলো করে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান। বাবার স্নেহ বোঝার আগেই ছোট্ট শিশুটিকে হারাতে হলো বাবাকে। পিয়াসের মৃত্যুতে স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।এর আগে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় আরও এক সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন।আইএসপিআর জানিয়েছে, আহত সেনা কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এদিকে পিয়াসের মৃত্যুতে তার নিজ এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাটে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে নাতি-নাতনিসহ বৃদ্ধের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে নাতি ও নাতনিসহ এক বৃদ্ধ পানিতে ডুবে নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন বৃদ্ধ আবু সিদ্দিক (৭০), তার নাতি পিয়াস (৮) ও  নাতনি পপি আক্তার(৬)। দাদা আবু সিদ্দিককে বাঁচাতে গিয়ে ওই দুই শিশু মারা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের শাকচর এলাকায় ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আবু সিদ্দিক পাটোয়ারী সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির আব্দুল মান্নান পাটোয়ারীর ছেলে। নিহত পিয়াস তার (সিদ্দিক) ছেলে আব্দুল আজিজের সন্তান ও পপি তার মেয়ে সুমি আক্তারের সন্তান। স্থানীয়রা জানায়, আবু সিদ্দিক তার দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে যায়। পরে বৃদ্ধ পানিতে নেমে ডুব দেয়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ তিনি পানির নিচ থেকে উঠেননি। একপর্যায়ে নাতি পিয়াস ও নাতনি পপি তাকে পানিতে খুঁজতে গিয়ে তারাও ডুবে মারা যায়। ঘটনার প্রায় এক ঘন্টা পর তাদেরকে স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, আবু সিদ্দিক পানিতে ডুব দিয়ে স্ট্রোক করেছেন। যার কারণে তিনি ডুব দিলেও আর উঠতে পারেননি। এতে তাকে বাঁচাতে গিয়ে নাতি-নাতনিও পানিতে ডুবে মারা গেছে। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। /টি

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬

শেরপুর সীমান্তে ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ

শেরপুর প্রতিনিধিশেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করেছে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)। জব্দ করা কসমেটিকসের সিজার মূল্য ৪ লাখ ৫৯ হাজার ২৫০ টাকা।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার রাবার বাগান নামক এলাকায় চোরাকারবারিরা অভিনব কৌশলে ভারতীয় কসমেটিকস পাচারের চেষ্টা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোররাতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) কর্ণজোড়া বিওপির সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করা হয়।তবে অভিযানের সময় চোরাকারবারিদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজিদ জানান, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মাদক, চোরাচালানি মালামালসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি বলেন, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬

লাইসেন্স অনুমোদনে যুক্ত হতে চান বৈধ ড্রাইভিং স্কুল মালিকরা

গাড়িচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স অনুমোদনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ও দক্ষ চালক তৈরির প্রশিক্ষণে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে চাইছেন দেশের বৈধ ড্রাইভিং স্কুল মালিকরা। একই সঙ্গে তারা দেশের অবৈধ ড্রাইভিং স্কুলের বাণিজ্য বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।শনিবার (২৯ আগস্ট) ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল সোসাইটি  এক আলোচনা সভায় এসব দাবি জানিয়েছে। দুপুরে  রাজধানীর মিরপুরের একটি রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব দাবি ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নুর নবী শিমু। তিনি বলেন, ‘দেশে দক্ষ গাড়িচালক তৈরিসহ সড়কে নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে এই সংগঠন যুক্ত রয়েছে।সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচি যৌথভাবে বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করব। ড্রাইভিং স্কুল মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সরকারের কাছে লিখিতভাবে দাবি জানাব। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, সংগঠনের উপদেষ্টা জিয়াউল হক, ইন্সট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল বাশার, সংগঠনের  দুর্ঘটনা ও প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক আবেদ হোসেন পলাশ, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সভাপতি ইনজামামুল হক রামীম, সংগঠনের সদস্য মাসুদুল ইসলাম কমল, কামাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, আনোয়ার হোসেন, লিটন হাবীব।অনুষ্ঠানে ড্রাইভিং স্কুল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য তারা সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি জানাবেন বলে উল্লেখ করেন।এ ছাড়াও ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে সরকারের পাশপাশি ড্রাইভিং স্কুলের মালিকরাও সারা দেশে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo