
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক গত মাসে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের কোনো একটি সশস্ত্র হামলার শিকার হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে আক্রান্ত দেশকে সহায়তায় এগিয়ে আসার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বাকি দুই দেশ।
তবে আক্রান্ত দেশকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, তা পরিস্থিতি ও আক্রান্ত দেশের প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউজউইককে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, আক্রান্ত দেশের ‘আবেদন ও প্রয়োজনীয়তার’ ভিত্তিতে সহায়তার ধরন নির্ধারণ করা হবে।
এরদোয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সহায়তার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য, রসদ ও অস্ত্র
মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই হুথিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা ও তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। হুথিদের দাবি, সৌদি আরব যেন ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সহযোগিতা না করে এবং তাদের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করে। এ পরিস্থিতিতে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে এরদোয়ান স্পষ্ট করেছেন, কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলেই অন্য দুই দেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাল্টা সামরিক হামলায় জড়িয়ে পড়বে—এমনটি চুক্তির অর্থ নয়। তিনি বলেন, ইরাক, ইয়েমেন বা বিশ্বের অন্য কোথাও সংঘটিত প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় সামরিক প্রতিক্রিয়ার কথা ভাবা সমীচীন হবে না। সূত্র: নিউজউইক।
টি/