
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডি আর কঙ্গো) একটি বেসামরিক সরকারি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির দুই জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাও রয়েছেন। শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কুইলু প্রদেশ থেকে রাজধানী কিনশাসায় ফেরার পথে বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।
নিহত দুই সেনা কর্মকর্তা হলেন ডি আর কঙ্গোর সামরিক আদালতের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোতুম্বো কাতালেই তিয়েন্দে এবং সামরিক বাহিনীর মহাহিসাব নিরীক্ষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে শনিবার এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, কুইলু প্রদেশের কিক্বিত শহর থেকে রাজধানী কিনশাসায় ফেরার পথে কেঙ্গে শহরের একটি আবাসিক এলাকার ফাঁকা জমিতে বিমানটি ভূপাতিত হয়। মাটিতে আছড়ে পড়ার
দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। ডি আর কঙ্গোর বেসামরিক বিমান চলাচল বোর্ডের চেয়ারম্যান ত্রাইফন কিন-কিয়ে মুলুম্বা মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে কেউ কেউ ধারণা করছেন, রুয়ান্ডার সমর্থনপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী এম২৩-এর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। ২০২৫ সাল থেকে গোষ্ঠীটির সঙ্গে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর সংঘাত চলছে। তবে দুর্ঘটনার সঙ্গে এম২৩-এর সংশ্লিষ্টতার কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে। দুর্বল অবকাঠামো ও বিমান চলাচল ব্যবস্থার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে ডি আর কঙ্গোতে অতীতেও একাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। কয়েক বছর আগেও দেশটি বিশ্বের বেশি বিমান দুর্ঘটনাপ্রবণ দেশগুলোর তালিকায় ছিল।
টি/