ছেলেদের ফুটবলে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও মেয়েরা দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে। এই তো পরশুই প্রত্যাবর্তন ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছেন সাবিনা খাতুন-সানজিদা আক্তাররা।
নারী ফুটবলে দেশ এগিয়ে যাওয়ার পেছনে খেলোয়াড়ের সঠিক পরিচর্যা, দেখভাল ও মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারগুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
গত বছর ইউনিসেফ ও বাফুফের যৌথ উদ্যোগে ‘প্রতিভা অন্বেষণ’ কর্মসূচির শুরু থেকেই মেয়ে ফুটবলারদের স্বাস্থ্যকর ন্যাপকিন (রক্তস্রাবের সময় ব্যবহৃত প্যাড) দেওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে ছিল আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ সুদান। এবার সেখানেও একই প্রকল্প চালু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
গত বছর দক্ষিণ সুদান সফর করেছিলেন ফিফার মহাসচিব ফাতমা সামৌরা। তখন রজঃস্রাবকালীন নারী ফুটবলারদের দুর্ভোগের চিত্র দেখেন সেনেগালের এই সাবেক কূটনীতিক।