
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন—এমন কাল্পনিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠান শুরু হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে দাফন বিলম্বিত হলেও যুদ্ধবিরতির পর শুক্রবার (৩ জুলাই) আনুষ্ঠানিক শোকযাত্রা শুরু হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির তথ্য অনুযায়ী, এই শোকানুষ্ঠানে বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
আয়োজকদের দাবি, এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় জানাজায় পরিণত হতে পারে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে তেহরানে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম শোকানুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের
নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা এবং খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি শোকানুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন না বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শোকানুষ্ঠান চলাকালে যেকোনো ধরনের হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার আলী আব্দুল্লাহি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
শোকানুষ্ঠানের সূচি অনুযায়ী, শনিবার ও রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের দর্শনের জন্য খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন রাখা হবে। এরপর সোমবার ও মঙ্গলবার শোকযাত্রা কোমে যাবে এবং বুধবার ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে আগামী শুক্রবার (১০ জুলাই) উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা মাজারে তাকে সমাহিত করার কথা রয়েছে।
/টি