
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরানের দেওয়া কয়েকটি শর্ত মেনে নিলে আগামী দুই দিনের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। রোববার (১ নভেম্বর) আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রস্তাবিত শর্তগুলো মেনে নিলে দ্রুতই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব।
আরাগচির দেওয়া শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানো এবং ইরান ও ওমানের নির্ধারিত নতুন নৌপথের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শুরুতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরান সাত দিনের একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছিল। তবে কাতারের পক্ষ থেকে সময়সীমা কমিয়ে পাঁচ দিন বা তার নিচে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
তিনি জানান, শনিবার কাতারের প্রতিনিধিদলের সফরের সময় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে দুই দিনের মধ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্রকে নির্ধারিত কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এরপর দ্বিতীয় দিনেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং জাহাজ চলাচল আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে।
আরাগচি আরও বলেন, জুলাইয়ে ইসলামাবাদ সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর আরোপ করা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জুনে দেওয়া তেল রপ্তানির ছাড় পুনর্বহাল এবং কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ছাড় করতে হবে। পাশাপাশি ইরান ও ওমানের নির্ধারিত নতুন নৌপথের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে হবে এবং অন্যান্য সব নৌপথ বন্ধ রাখতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের দাবিও জানিয়েছে তেহরান।
বিশেষ করে লেবাননে ইসরাইলের হামলা বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে ইরানের এসব শর্তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মতি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে প্রণালি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শেষ পর্যন্ত দুই দেশের আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে।
টি/