
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই হামলার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন আর ধৈর্য ধরবে না। প্রয়োজন হলে এমন সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ‘ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্বই না থাকে।’ একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শনিবার দ্বিতীয় দফার হামলা শুরুর দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি ইরানের ১০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সিরিক শহর, বন্দর-ই লেঙ্গেহ এবং কেশম দ্বীপের বিভিন্ন স্থাপনা ছিল হামলার লক্ষ্য। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, উপকূলীয় অন্তত পাঁচটি এলাকায় বোমাবর্ষণ হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন সংরক্ষণ কেন্দ্র।
মার্কিন হামলার পাল্টা জবাবে আইআরজিসি জানায়, কুয়েতে অবস্থিত ‘আলি আল সালেম’ বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনের রাজধানী মানামায় মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি ‘পোর্ট সালমান’ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি সমঝোতা কার্যত ভেঙে পড়ার মুখে রয়েছে। শনিবার ভোরে পানামার পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকার ‘কিকু’ এবং এর আগে বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরের একটি কনটেইনারবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে।
/টি