logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/স্পোর্টস
১৬ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেন - image

১৬ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেন

11 জুলাই 2026, বিকাল 4:13

নকআউট পর্বে আবারও স্পেনের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন মিকেল মেরিনো। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই জয়সূচক গোল করে বেলজিয়ামের প্রতিরোধ ভেঙে দেন এই মিডফিল্ডার। তার শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেনের অন্য গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ, আর বেলজিয়ামের হয়ে সমতা ফেরান শার্ল দে কেতেলারে। শেষ চারে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুললেও গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ইয়ামালের সঙ্গে দারুণ সমন্বয়ের পর পেদ্রো পোরোর নিচু ক্রস থেকে দানি ওলমোর শট ফিরিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। তবে ফিরতি বলে ফাবিয়ান রুইজ গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে তিমোথি কাস্তানিয়ের নিখুঁত ক্রসে হেড করে গোল করেন শার্ল দে কেতেলারে। এই গোলেই এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে স্পেন।বিরতির পর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় ম্যাচ সমতায় থাকে। ইয়ামালের শট ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া, অন্যদিকে ডি ব্রুইনা ও জেরেমি দকুর সমন্বয়ে বেলজিয়ামও পাল্টা আক্রমণ চালায়। তবে ৭১ মিনিটে ঊরুর চোটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বেলজিয়াম অধিনায়ক কোর্তোয়া। তার বদলি হিসেবে নামেন সেন্নে ল্যামেন্স। ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা যখন প্রবল, তখন ৮৭ মিনিটে মিকেল মেরিনোকে মাঠে নামান স্পেন কোচ। এক মিনিট পরই পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট ল্যামেন্স ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ফিরতি বলে জালে বল জড়িয়ে দেন মেরিনো।শেষ সাত মিনিটের যোগ করা সময়ে রোমেলু লুকাকুকে সামনে রেখে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় বেলজিয়াম। তবে স্পেনের রক্ষণ তাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। এর আগে শেষ ষোলোয় পর্তুগালের বিপক্ষেও যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করেছিলেন মেরিনো। ফলে টানা দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচসেরা ভূমিকা রেখে স্পেনকে সেমিফাইনালে তুললেন তিনি। ২০১০ সালের শিরোপা জয়ের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ চারে উঠল স্পেন। এখন সেমিফাইনালে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে মরক্কোকে হারিয়ে ওঠা ফ্রান্স।

জুলাই ১১, ২০২৬

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে ফিফার ব্যাখ্যা

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার শেষ ষোলোর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে তুমুল বিতর্কের পর অবশেষে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা। মিশরের বাতিল গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহামেদ সালাহকে ঘিরে ওঠা পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ম্যাচ কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেছেন তিনি। কলিনা বলেন, ফুটবলে সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা স্বাভাবিক হলেও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনো সুযোগ নেই।আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। তবে শেষদিকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মিশর অভিযোগ করে, মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল এবং এনজোর জয়সূচক গোলের আগে সালাহকে ঘিরে সম্ভাব্য পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে কলিনা বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং খেলোয়াড় বা কোচদের মতো তারাও সর্বোচ্চ সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন।জিকোর বাতিল গোলের বিষয়ে কলিনা জানান, কোনো গোল হওয়ার পর ভিএআর গোলের আগে আক্রমণ গঠনের ধাপও পর্যালোচনা করতে পারে। সেই পর্যায়ে আক্রমণকারী দলের কোনো ফাউল ধরা পড়লে এবং সেটি গোলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হলে ভিএআর রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দিতে পারে। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ওই আক্রমণের সময় মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ের ওপর পা দেন, যা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় গোলটি বাতিল করা হয়।অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মোহামেদ সালাহর পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। কলিনার ভাষ্য, কোনো খেলোয়াড় আগে বল স্পর্শ করার পর স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংস্পর্শ হলে সেটিকে ফাউল বলা যায় না। রেফারি ও ভিএআর মনে করেছেন, হুলিয়ান আলভারেজ প্রথমে বল খেলেছিলেন এবং এরপর সালাহর সঙ্গে যে সংস্পর্শ হয়েছে তা স্বাভাবিক ছিল। তাই পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং খেলা চলতে থাকে। পরবর্তী আক্রমণ থেকেই এনজো ফার্নান্দেজ জয়সূচক গোল করেন।কলিনা আরও বলেন, কিছু সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বিচার-বিবেচনার সুযোগ থাকলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভিএআরের নীতিমালা যথাযথভাবে প্রয়োগ হয়েছে বলে ফিফা সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ রেফারি ও তাদের পরিবারের জন্য হুমকির পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফিফার অবস্থান স্পষ্ট—জিকোর গোল বাতিলে ভিএআরের হস্তক্ষেপ সঠিক ছিল, সালাহর ঘটনায় পেনাল্টি দেওয়ার মতো ফাউল হয়নি এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল বৈধভাবেই বহাল রয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬

বিশ্বকাপে শেষ আটের লড়াই, দেখুন সূচি

৪৮ দলের বিশ্বকাপ এখন শেষ পর্যায়ে। নানা নাটকীয়তা, স্বপ্নভঙ্গ, চমক এবং বিতর্ক পেরিয়ে নির্ধারিত হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালের আট দল। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দেখা গেছে একাধিক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ, যেখানে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে।সবচেয়ে বেশি নাটকীয়তা দেখা গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ম্যাচে। মিসরের বিপক্ষে ২–০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ৩–২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। তবে ম্যাচটি ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বড় বিতর্ক। বাতিল হওয়া একটি গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে ফাউলের অভিযোগ তুলে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মিসর। ফিফা ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগও তুলেছে তারা।অন্যদিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট স্পেনও নিশ্চিত করেছে শেষ আটের টিকিট। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে ১–০ গোলে হারিয়ে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। একই দিনে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে ৪–১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বেলজিয়াম।২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্সও সহজ জয় পেয়েছে। প্যারাগুয়েকে ১–০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা স্বাগতিক কানাডাকে ৩–০ গোলে হারিয়ে আফ্রিকার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে।ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে অবশ্য কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মেক্সিকোকে ৩–২ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে হ্যারি কেইনের দল। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নরওয়ে, যারা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটিয়েছে। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে।শেষ ষোলোর সবচেয়ে নিষ্প্রাণ ম্যাচটি ছিল কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৪–৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় সুইজারল্যান্ড। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।কোয়ার্টার ফাইনালের সূচিবৃহস্পতিবার, ৯ জুলাইফ্রান্স বনাম মরক্কোবাংলাদেশ সময়: রাত ২টাভেন্যু: জিলেট স্টেডিয়াম, ফক্সবরো, ম্যাসাচুসেটসশুক্রবার, ১০ জুলাইস্পেন বনাম বেলজিয়ামবাংলাদেশ সময়: রাত ১টাভেন্যু: সোফি স্টেডিয়াম, ইনগলউড, ক্যালিফোর্নিয়াশনিবার, ১১ জুলাইনরওয়ে বনাম ইংল্যান্ডবাংলাদেশ সময়: রাত ৩টাভেন্যু: হার্ড রক স্টেডিয়াম, মায়ামি গার্ডেনসরোববার, ১২ জুলাইআর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ডবাংলাদেশ সময়: সকাল ৭টাভেন্যু: অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, কানসাস সিটি

জুলাই ০৮, ২০২৬

বিদেশে কেন বারবার ব্যর্থ ভারত?

ট্রেন্ট ব্রিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতের শোচনীয় পরাজয় শুধু একটি বাজে দিনের ফল নয়, বরং বিদেশের মাটিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি কৌশলগত দুর্বলতাকেই আবারও সামনে এনে দিয়েছে। পেসারদের নির্ভুল হার্ড লেংথের (৬-১০ মিটার) বোলিং সামলাতে ব্যর্থ হয়ে ভারত নিজেদের ১৮ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন টি-টোয়েন্টি স্কোরে অলআউট হয় এবং টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের মুখ দেখে।ম্যাচ শেষে ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার দলের ব্যাটিংকে "জঘন্য" বলে মন্তব্য করেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, এই ব্যর্থতা নতুন নয়। গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ, ২০২৬ সালে আয়ারল্যান্ড সফর এবং চলমান ইংল্যান্ড সিরিজ—সব ক্ষেত্রেই হার্ড লেংথের পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিং গড় ছিল যথাক্রমে ১৮.৪২, ১৭.১৭ এবং মাত্র ১৪.২৯।অন্যদিকে, ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একই ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিং গড় ছিল ৪৭.৭০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬৫.৬৩। অর্থাৎ, বিদেশের কন্ডিশনে একই দুর্বলতা বারবার প্রকাশ পাচ্ছে।ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিদেশের মাটিতে হার্ড লেংথের বিপক্ষে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে কেবল তিলক ভার্মাই তুলনামূলকভাবে সফল। অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে ও হার্দিক পান্ডিয়াসহ অধিকাংশ ব্যাটারই ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।পরিহাসের বিষয়, একই ম্যাচে ভারতের পেসাররাও ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের বিপক্ষে হার্ড লেংথ কৌশল ব্যবহার করে সাফল্য পান। আরশদীপ সিং শুরুতে সুইং আদায়ের পর ধারাবাহিকভাবে উইকেটমুখী লেংথে বল করেন। অতিরিক্ত বাউন্সের কারণে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদেরও রান তুলতে বেগ পেতে হয়। ম্যাচ শেষে হ্যারি ব্রুক স্বীকার করেন, স্টাম্পের ওপর দিয়ে শট খেলা সহজ ছিল না।তবে ইংল্যান্ডের পেসাররা সেই পরিকল্পনা আরও নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করেন। জফরা আর্চার ও জশ টাং ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতিতে হার্ড লেংথে বল করে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলেন। তাদের ৮৮ শতাংশের বেশি ডেলিভারির গতি ছিল ১৪০ কিমি/ঘণ্টার ওপরে। বিপরীতে ভারতের পেসাররা ৭৮টি ডেলিভারির মধ্যে মাত্র দুটি বল ১৪০ কিমি/ঘণ্টার বেশি গতিতে করতে সক্ষম হন।ম্যাচের শুরুতেই আর্চার তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকে শর্ট বলের ফাঁদে ফেলে আউট করেন। পরে টাং হার্ড লেংথে ফিরে অভিষেক শর্মার উইকেট তুলে নেন। এরপর ঈশান কিষাণ, অক্ষর প্যাটেল ও শিবম দুবেও একই ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পাননি। গুড লেংথ ও ব্যাক-অব-লেংথ মিলিয়ে আর্চার ও টাং ২৬টি বলে মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন।ট্রেন্ট ব্রিজের এই পরাজয় ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার হলেও, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ বলছে এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড—বিদেশের মাটিতে একই ধরনের হার্ড লেংথ বোলিংয়ের বিপক্ষে ভারতের দুর্বলতা বারবার সামনে এসেছে। ফলে ভবিষ্যতেও প্রতিপক্ষ দলগুলো এই কৌশলকে ভারতের বিপক্ষে অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।© ক্রিকবাজ/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তখন অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা হয়তো শেষ হতে চলেছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ৩-২ গোলে হারিয়েছে মিশরকে। মঙ্গলবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে ছিল আর্জেন্টিনা। ১৪ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। পাঁচ মিনিট পর পেনাল্টি পেলেও গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার নেওয়া স্পট কিক দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মোহাম্মদ শোবেইর। এরপর ম্যাক অ্যালিস্টার, হুলিয়ান আলভারেজ ও মেসির একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।দ্বিতীয়ার্ধে মিশর আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ৫৮ মিনিটে মুস্তাফা জিকোর একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হলেও ৬৭ মিনিটে ট্রানজিশন থেকে তিনি আবার গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। তবে হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে মেসির দারুণ ক্রস থেকে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর হেডে ব্যবধান কমে। মাত্র চার মিনিট পর বক্সের ভেতরে জটলার মধ্যে থেকে নেওয়া মেসির শট শোবেইরের হাত ছুঁয়ে জালে জড়ালে ২-২ সমতা ফেরে ম্যাচে।সমতায় ফেরার পর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে আসে জয়সূচক গোল। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। অবিশ্বাস্য এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে মেসির দল নতুন করে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল।/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্নের ইতি, কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হলো হৃদয়ভাঙা এক পরাজয়ে। গোলশূন্য ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে করা গোলে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ৪১ বছর বয়সে নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচটি তাই রয়ে গেল বেদনাময় স্মৃতিতে।ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা প্রথম মিনিটে। টাইব্রেকারের অপেক্ষায় থাকা ম্যাচে ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনো পর্তুগালের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জয়সূচক গোলটি করেন। সেই একমাত্র গোলেই লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে।প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের নবম মিনিটে স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবাল সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। এরপর ১৭ মিনিটে লামিন ইয়ামাল ও আলেক্স বায়েনার টানা দুটি শট দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করে পর্তুগালকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। তাঁর অসাধারণ ডাবল সেভে ম্যাচে টিকে ছিল পর্তুগাল।অন্যদিকে, পর্তুগালের আক্রমণের মূল ভরসা ছিলেন অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যাচের ১২ মিনিটে তাঁর জোরালো শট ফিরিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। পরে ৩৮ মিনিটে জোয়াও ফেলিক্সের হেড ঠেকানোর পর ফিরতি বলে রোনালদোর অ্যাক্রোবেটিক শটও দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন সিমন। দ্বিতীয়ার্ধে নুনো মেন্দেসের চোট এবং একাধিক পরিবর্তন এনে আক্রমণের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করলেও কাঙ্ক্ষিত গোল আদায় করতে পারেনি পর্তুগাল।শেষ পর্যন্ত স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয় পর্তুগাল। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তের গোলেই নিশ্চিত হয় স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং শেষ হয় রোনালদোর বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে মাঠজুড়ে নেমে আসে আবেগঘন পরিবেশ, আর ফুটবল ইতিহাসে যুক্ত হয় রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায়ের এক বেদনাবিধুর সমাপ্তি।/টি

জুলাই ০৭, ২০২৬

ব্রাজিলকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল নরওয়ে

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে। শেষ মুহূর্তে নেইমারের পেনাল্টি গোলে ব্যবধান কমলেও সমতায় ফেরার সুযোগ আর পায়নি সেলেসাওরা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করে নরওয়ে। একই সঙ্গে ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও অক্ষুণ্ন রাখে তারা।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল নরওয়ে। দ্বিতীয় মিনিটেই বের্গা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপর ব্রাজিল পেনাল্টি পেলেও ব্রুনো গিমারেসের শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইল্যান্ড। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিও সুযোগ পেলেও প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।বিরতির পর এনদ্রিককে মাঠে নামায় ব্রাজিল। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও সহজ সুযোগ নষ্ট করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস এবং দ্বিতীয়ার্ধে এনদ্রিকের সুযোগ হাতছাড়া—এই দুই ব্যর্থতারই মূল্য দিতে হয় ব্রাজিলকে। অন্যদিকে নরওয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।ম্যাচের ৮০তম মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলডারুপের দারুণ ক্রস থেকে হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। এরপর মার্টিন ওডেগার্ডকে ফাউল করায় নেইমার লাল কার্ড দেখেন। শেষ দশ মিনিটে আবারও গোল করেন হালান্ড। দূরপাল্লার শটে আলিসন বেকারের হাত ফসকে বল জালে জড়িয়ে গেলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।যোগ করা সময়ে কাসেমিরোকে ফাউল করায় ব্রাজিল পেনাল্টি পায়। স্পট কিক থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নেইমার। এটি ছিল জাতীয় দলের হয়ে তার ক্যারিয়ারের ৮০তম গোল। তবে শেষ মুহূর্তের সেই গোল ব্রাজিলকে হার এড়াতে পারেনি। ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে নরওয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয়, আর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় হতাশার মধ্য দিয়ে।/টিএ

জুলাই ০৬, ২০২৬

নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বড় পরীক্ষা

শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নরওয়ের মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ম্যাচটির আগে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে চোট কাটিয়ে ফেরা তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারের শুরুর একাদশে থাকা না থাকা। নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তাকে শুরু থেকেই মাঠে দেখতে মুখিয়ে আছেন ব্রাজিল সমর্থকরা।গ্রুপ পর্বে প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স করতে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল ব্রাজিল। তবে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে পুরোনো ছন্দে ফিরে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দিয়েছে সেলেসাওরা। তাই আর্লিং হালান্ডের নেতৃত্বাধীন নরওয়ের বিপক্ষে জয় ধরে রেখে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে আনচেলত্তির শিষ্যরা।ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানান, নেইমার এখন পুরোপুরি ফিট এবং ৯০ মিনিট খেলার মতো অবস্থায় আছেন। তবে তিনি শুরুর একাদশে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেননি। আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একসঙ্গে খেলতে পারে এবং তারা একসঙ্গেই খেলবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নেইমার এখন খেলার জন্য প্রস্তুত। দলের প্রয়োজন মনে হলে আমি তাকে খেলাব।’তবে এর আগেও গ্রুপ পর্বের কয়েকটি ম্যাচের আগে একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন আনচেলত্তি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নেইমারকে শুরুর একাদশে রাখেননি। এদিকে ম্যাচের আগে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেইমারের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছে, ‘টিক-টক… বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর ম্যাচ আর মাত্র কিছু সময় বাকি।’ এই পোস্টের পর থেকেই নেইমারের একাদশে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।আনচেলত্তি আরও বলেন, কোনো তারকাই বেঞ্চে বসে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না এবং নেইমারের ক্ষেত্রেও সেটি ভিন্ন নয়। তবে তিনি পেশাদারিত্ব বজায় রেখে অনুশীলনে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগেই নেইমারের সঙ্গে তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলেও জানান ব্রাজিল কোচ। সে সময় নেইমার দলের প্রয়োজনে যেকোনো ভূমিকায় অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আর আনচেলত্তি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন—দলের জন্য অবদান রাখা মানে প্রয়োজন হলে বেঞ্চে বসে থাকাও।

জুলাই ০৫, ২০২৬

কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত ও অবিশ্বাস্য এক জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে কেপ ভার্দে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং আলবিসেলেস্তেদের বেশ কয়েকবার চাপে ফেলে। তবে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে ৩-২ গোলের নাটকীয় জয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, সাহসী লড়াই করেও বিদায় নিতে হয় কেপ ভার্দেকে।আর্জেন্টিনা মাঠে নামার কয়েক ঘণ্টা আগেই নিশ্চিত হয়ে যায় শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আরেকটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মিসর ও অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ১২০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৪-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে মিসর।ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও মিসর। দুই দলের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচটি আগামী ৭ জুলাই আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হবে ম্যাচটি, যেখানে জয়ী দল জায়গা করে নেবে শেষ আটে।এই ম্যাচকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের অন্যতম কারণ দুই মহাতারকার মুখোমুখি লড়াই। ক্লাব ফুটবলে লিওনেল মেসি ও মোহাম্মদ সালাহ একাধিকবার একে অপরের বিপক্ষে খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলেও তাদের দেখা হয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে ক্যারিয়ারের শেষভাগে এসে আবারও এই দুই তারকার মুখোমুখি হওয়া ম্যাচটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।ফুটবলবিশ্ব এখন অপেক্ষা করছে আরেকটি হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের। নকআউট পর্বের এই ম্যাচে হারলেই শেষ হয়ে যাবে এক দলের বিশ্বকাপ যাত্রা, আর বিদায় নিতে হবে দুই মহাতারকার একজনকে। তাই আগামী মঙ্গলবারের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবেন—মেসি নাকি সালাহ—সেই প্রশ্নই এখন ফুটবল অঙ্গনের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।/টি

জুলাই ০৪, ২০২৬

কেপ ভার্দের বিপক্ষে যে সম্ভাব্য একাদশ আর্জেন্টিনার

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেপ ভার্দের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় স্বস্তির খবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন সেন্টার-ব্যাক ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। বৃহস্পতিবার সতীর্থদের সঙ্গে পূর্ণমাত্রায় অনুশীলন করেছেন তিনি এবং কোচিং স্টাফের সব ধরনের ফিটনেস পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হয়েছেন। তবে তাকে শুরুর একাদশে রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে শেষ অনুশীলনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি।রোমেরো একাদশে ফিরলে জর্ডানের বিপক্ষে তার জায়গায় খেলা নিকোলাস ওতামেন্দিকে বেঞ্চে বসতে হতে পারে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হাঁটুতে আঘাত পাওয়ায় আগের ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন রোমেরো। এদিকে, বাঁ-প্রান্তের রক্ষণভাগেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। চোট থেকে ফিরে নিকোলাস তালিয়াফিকো খেললেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে ফাকুন্দো মেদিনা একাদশে সুযোগ পাওয়ার জোরালো দাবিদার।মধ্যমাঠে বড় কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই। রদ্রিগো ডি পল, এনসো ফার্নান্দেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও থিয়াগো আলমাদাকে নিয়েই মাঠে নামতে পারেন স্কালোনি। অন্যদিকে, আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গী হিসেবে লাওতারো মার্তিনেজ কিছুটা এগিয়ে থাকলেও হুলিয়ান আলভারেজও কোচের বিবেচনায় রয়েছেন।শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৪টায় মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে জয় পেলে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা (অথবা নিকোলাস তালিয়াফিকো); রদ্রিগো ডি পল, এনসো ফার্নান্দেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, থিয়াগো আলমাদা; লিওনেল মেসি এবং লাওতারো মার্তিনেজ (অথবা হুলিয়ান আলভারেজ)।

জুলাই ০২, ২০২৬

ইংল্যান্ড-ভারত টি-টোয়েন্টি লড়াই আজ, একাদশে থাকবেন বৈভব?

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় আজ (বুধবার) চেস্টার লে স্ট্রিটে শুরু হচ্ছে। সম্প্রতি নিজেদের মাঠে নিউজ়িল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজ় হেরেছে ইংল্যান্ড। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন বেন স্টোকস। তবে টি-টোয়েন্টি দলে টেস্ট স্কোয়াডের কোনও ক্রিকেটার না থাকায় এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বে নতুন উদ্যমে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।অন্যদিকে, ভারতের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা কঠিন। সদ্য আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে হতাশাজনক পরাজয়ের পর একই স্কোয়াড নিয়েই ইংল্যান্ড সফরে খেলতে হচ্ছে শ্রেয়স আইয়ারের দলকে। দল পুনর্গঠনের সুযোগ না থাকায় এই সিরিজ়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টিম ইন্ডিয়া।সিরিজ়ের প্রথম ম্যাচের আগে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ১৫ বছর বয়সী বিহারের বিস্ময় প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর আন্তর্জাতিক অভিষেক। আয়ারল্যান্ড সিরিজ়ে সুযোগ না পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর পাশাপাশি কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকরও মনে করেন, ইংল্যান্ড সিরিজ়ের শুরুতেই বৈভবকে সুযোগ দেওয়া উচিত।জল্পনা রয়েছে, প্রথম ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের জায়গায় ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে বৈভব সূর্যবংশীকে। তবে শেষ পর্যন্ত একাদশে কে থাকবেন, সেই সিদ্ধান্ত কোচ গৌতম গম্ভীরের ওপরই নির্ভর করছে। তরুণ এই ব্যাটারের অভিষেক হয় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের।/টি

জুলাই ০১, ২০২৬

নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম জয়ের লক্ষ্য ব্রাজিলের

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের সামনে এবার শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, রয়েছে দীর্ঘদিনের একটি অস্বস্তিকর পরিসংখ্যান বদলে দেওয়ার চ্যালেঞ্জও। নরওয়ের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হলেও একবারও জয় পায়নি সেলেসাওরা। তাই ৫ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে শেষ আট নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে ব্রাজিল।দুই দলের পরিসংখ্যান ব্রাজিলের জন্য মোটেও সুখকর নয়। ১৯৮৮ সালে প্রথম প্রীতি ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। এরপর ১৯৯৭ সালের আরেকটি প্রীতি ম্যাচে ৪-২ ব্যবধানে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখায় নরওয়ে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল ইউরোপের দলটি। সর্বশেষ ২০০৬ সালের প্রীতি ম্যাচও ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় চার দেখায় দুটি জয় ও দুটি ড্র নিয়ে এখনও অপরাজিত নরওয়ে।তবে অতীতের পরিসংখ্যান নিয়ে খুব বেশি ভাবতে নারাজ ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলটি সাম্প্রতিক সময়ে আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলছে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাতিয়াস কুনহা, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি ও নেইমারকে নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করার সামর্থ্য রাখে। জাপানের বিপক্ষে জয়ও ব্রাজিলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্যদিকে, আর্লিং হলান্ডকে ঘিরে গড়ে ওঠা নরওয়েও রয়েছে দারুণ ছন্দে। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জয় এবং জাতীয় দলের হয়ে হলান্ডের ৬০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ দলটিকে বাড়তি অনুপ্রেরণা দিয়েছে। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের অপরাজিত রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে নরওয়ে।সব মিলিয়ে ৫ জুলাইয়ের ম্যাচটি হতে যাচ্ছে দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এক লড়াই। একদিকে ব্রাজিলের সামনে ইতিহাস বদলে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার সুযোগ, অন্যদিকে নরওয়ের লক্ষ্য নিজেদের গৌরবময় রেকর্ড ধরে রাখা। তাই উত্তেজনাপূর্ণ এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কারা হাসবে, তার উত্তর মিলবে মাঠের খেলাতেই।/টি

জুলাই ০১, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo