logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/স্পোর্টস
আইসিসির শাস্তির মুখে নিগার সুলতানা জ্যোতি - image

আইসিসির শাস্তির মুখে নিগার সুলতানা জ্যোতি

05 মে 2026, বিকাল 3:23

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশের ক্ষত শুকানোর আগেই নতুন এক ধাক্কা খেল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। মাঠের আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন টাইগ্রেস অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। সিরিজের শেষ ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন তিনি।ঘটনাটি ঘটে গত ২ মে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চলাকালীন। বাংলাদেশের ইনিংস চলাকালে আউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান জ্যোতি। রাগের মাথায় সাজঘরে ফেরার পথে নিজের ব্যাট মাটিতে ছুঁড়ে মারেন তিনি, যা আইসিসির আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।আইসিসি জ্যোতির এই কর্মকাণ্ডকে 'ক্রিকেট সরঞ্জামের অপব্যবহার' বা লেভেল-১ পর্যায়ের অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে। শাস্তি হিসেবে তাকে সরকারিভাবে তিরস্কার করার পাশাপাশি তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। গত ২৪ মাসের মধ্যে জ্যোতির শৃঙ্খলাভঙ্গের এটিই প্রথম রেকর্ড, যা তার ক্যারিয়ারের জন্য একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ হয়ে রইল।ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের দেওয়া এই শাস্তি বাংলাদেশের অধিনায়ক বিনাবাক্যে মেনে নিয়েছেন। তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বাড়তি কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। মাঠের আম্পায়ার এলোইস শেরিডান, সাথিরা জাকির জেসি এবং টিভি আম্পায়ারদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, লেভেল-১ অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাচ ফির সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ জরিমানা এবং ১ থেকে ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে এটি প্রথম অপরাধ হওয়ায় ম্যাচ ফির জরিমানা থেকে বেঁচে গেলেও ডিমেরিট পয়েন্টের খড়গ এড়াতে পারেননি জ্যোতি। মাঠের ব্যর্থতার পর অধিনায়কের এমন আচরণে সমর্থকদের মাঝেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।/টিএ

মে ০৫, ২০২৬

শিরোপা লড়াইয়ে আল নাসরের জয়, মাইলফলকের পথে এগোলেন রোনালদো

সৌদি প্রো লিগের শিরোপা নির্ধারণী দৌড়ে এক রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে আল নাসর। নিজেদের ঘরের মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আল আহলিকে ২-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট আদায় করে নিয়েছে দলটি। এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করার পাশাপাশি শিরোপা জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে গেল আল নাসর। মাঠের লড়াইয়ে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে স্বাগতিকরা।ম্যাচের মূল আকর্ষণ ছিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। প্রথমার্ধের এক দুর্দান্ত আক্রমণে তিনি লক্ষ্যভেদ করে দলকে লিড এনে দেন। তার গোলটি কেবল দলের জয় নিশ্চিত করেনি, বরং স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো দর্শককে উল্লাসে মাতানোর রসদ জুগিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স আবারও প্রমাণ করেছে যে, বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে তার কোনো বিকল্প নেই।এই গোলের মাধ্যমেই রোনালদো পৌঁছে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। এটি তার পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ৯৭০তম গোল। ফুটবল ইতিহাসের পাতায় ১০০০ গোলের যে ‘ম্যাজিকাল’ মাইলফলক রয়েছে, তিনি এখন তার খুব কাছাকাছি। ঐতিহাসিক এই রেকর্ডের মালিক হতে সিআর সেভেন-এর প্রয়োজন আর মাত্র ৩০টি গোল। প্রতিটি ম্যাচের সাথেই তিনি নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।বয়স ৪১ ছুঁইছুঁই হলেও মাঠের খেলায় তার কোনো ছাপ নেই। অসাধারণ শারীরিক সক্ষমতা, নিখুঁত পজিশনিং এবং গোল করার অদম্য ক্ষুধা তাকে এখনো বিশ্বের শীর্ষ ফুটবলারদের কাতারে টিকিয়ে রেখেছে। আল নাসরের আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা হিসেবে তিনি যেভাবে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তা তরুণ ফুটবলারদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। তার ধারাবাহিকতা দলটিকে শিরোপা জয়ের স্বপ্নে নতুন করে প্রাণ দিয়েছে।ফুটবল বিশ্বের চোখ এখন রোনালদোর পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে। ভক্ত-অনুরাগী থেকে শুরু করে ফুটবল বিশ্লেষক—সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, কবে সেই ঐতিহাসিক ১০০০তম গোলের দেখা পাবেন এই কিংবদন্তি? বর্তমান ফর্ম বজায় থাকলে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ যে খুব বেশি দূরে নয়, তা অনায়াসেই বলা যায়। রোনালদোর এই জয়যাত্রা ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।/টিএ

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

পিএসএল ফাইনালে খেলার অনুমতি পেলেন নাহিদ রানা

পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজের আগে বড় খবর এলো বাংলাদেশ শিবিরে। পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ পিএসএলের (পাকিস্তান সুপার লিগ) ফাইনালে খেলার জন্য বিসিবি থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেয়েছেন বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের অন্যতম দ্রুততম পেসার নাহিদ রানা। বুধবার পেশোয়ার জালমির চেয়ারম্যান জাভেদ আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, মূলত তামিম ইকবালের বিশেষ মধ্যস্থতায় বিসিবি এই তরুণ পেসারকে ফাইনালে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ৮ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হয়েছিলেন নাহিদ রানা। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করে শুরুতে তাকে পিএসএলে ফেরার অনুমতি দিতে চায়নি বিসিবি। তবে পেশোয়ার জালমি ফাইনালে ওঠার পর তাদের প্রধান বোলিং অস্ত্র নাহিদকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত জাভেদ আফ্রিদির ব্যক্তিগত অনুরোধ এবং তামিম ইকবালের সরাসরি হস্তক্ষেপে বোর্ড তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। এক্সে (সাবেক টুইটার) জাভেদ আফ্রিদি লিখেছেন, ‘পিএসএল ফাইনালে নাহিদ রানাকে খেলার অনুমতি দেওয়ার জন্য তামিম ভাইকে ধন্যবাদ।’নাহিদ রানার শারীরিক অবস্থার বিষয়টি নিয়ে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ সবুজ সংকেত দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর রানার যে পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল, তা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৩ মে (রোববার) অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে খেললে তার ইনজুরির ঝুঁকি নেই বললেই চলে। সূচি অনুযায়ী সেদিন বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে নাহিদের ৬-৭ ওভার বোলিং করার কথা ছিল, সেখানে ফাইনালে তিনি সর্বোচ্চ ৪ ওভার বোলিং করবেন। বোর্ড মনে করছে, হাই-ভোল্টেজ ফাইনালের অভিজ্ঞতা তাকে আসন্ন টেস্ট সিরিজে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।চলমান পিএসএলে পেশোয়ার জালমির হয়ে ৫ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে নজর কেড়েছেন ২৩ বছর বয়সী এই গতিদানব। তার নিয়মিত ১৪৫-১৫০ কিমি গতির বাউন্সে কাবু হয়েছেন পাকিস্তানের শীর্ষ ব্যাটাররা। বিশেষ করে করাচি কিংসের বিপক্ষে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার বিধ্বংসী স্পেলটি ছিল এবারের আসরের অন্যতম সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। গত আসরে দলে থেকেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি নাহিদ, তবে এবার ৬০ লাখ রুপিতে তাকে দলে নিয়ে বাবর আজমের দল তাদের আস্থার পূর্ণ প্রতিদান পেয়েছে।পেশোয়ার জালমি ভক্তদের জন্য নাহিদের অন্তর্ভুক্তি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। টেস্ট সিরিজের আগে পাকিস্তানের মাটিতে তাদেরই সেরা ব্যাটারদের বিপক্ষে ফাইনাল খেলা রানার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং প্রস্তুতির সুযোগ। বিসিবি আশা করছে, ফাইনাল শেষ করে দেশে ফিরে তিনি পূর্ণ উদ্যমে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নিজের গতির ঝড় অব্যাহত রাখবেন।/টিএ

এপ্রিল ২৯, ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপে হলুদ কার্ড নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলকে আরও রোমাঞ্চকর এবং তারকা সমৃদ্ধ করতে খেলোয়াড়দের হলুদ কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার নিয়মে যুগান্তকারী পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি একটি বিশেষ ‘অ্যামনেস্টি’ বা ক্ষমা নীতি চালুর কথা ভাবছে, যার মাধ্যমে টুর্নামেন্টের নির্দিষ্ট কিছু পর্যায় শেষে খেলোয়াড়দের অর্জিত হলুদ কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। মূলত বড় ম্যাচগুলোতে দলের সেরা তারকাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই ফিফা এই সংস্কারের পথে হাঁটছে।বিবিসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী পুরো টুর্নামেন্টে দুই দফায় হলুদ কার্ডের হিসাব শূন্য করে দেওয়া হবে। প্রথম ধাপে গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর খেলোয়াড়দের আগের কার্ডগুলো মুছে ফেলা হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে আবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। এর ফলে নকআউট পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে আগের সাধারণ ভুলের কারণে তারকা খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরে বসে থাকার যে চিরচেনা দৃশ্য, তা অনেকটাই কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমান ফিফা আইন অনুযায়ী, একজন খেলোয়াড় প্রথম পাঁচ ম্যাচের মধ্যে দুটি হলুদ কার্ড দেখলে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ হন। এতে করে অনেক সময় নকআউট বা সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে দলগুলো তাদের মূল শক্তি হারায়। ২০২৬ বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করায় এবং নকআউট পর্বে রাউন্ড অব ৩২ যুক্ত হওয়ায় খেলোয়াড়দের ম্যাচের সংখ্যাও বাড়বে। বর্ধিত এই ম্যাচ সংখ্যায় কার্ডের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাওয়ায় ফিফা কার্ডের সীমা বাড়ানোর পরিবর্তে নির্দিষ্ট বিরতিতে কার্ড বাতিলের পদ্ধতিকে বেশি কার্যকর মনে করছে।ফিফা মনে করছে, ফুটবল ভক্তরা সেমিফাইনাল বা ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে নিজেদের প্রিয় তারকাদের লড়াই দেখতে চায়। কার্ডের কঠোর নিয়মের কারণে কোনো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় যদি বাদ পড়ে যান, তবে তা টুর্নামেন্টের জৌলুস কমিয়ে দেয়। এই পরিস্থিতি এড়াতেই মঙ্গলবারে ভ্যাঙ্কুভারে আয়োজিত ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে এই ‘অ্যামনেস্টি’ নীতি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এই প্রস্তাবটি সেখানে অনুমোদিত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য আগামী বিশ্বকাপ থেকেই এটি কার্যকর হবে।আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপে দলগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞার বাড়তি চাপ কমানোই ফিফার মূল লক্ষ্য। প্রাথমিক আলোচনায় কার্ডের সীমা দুই থেকে তিনে উন্নীত করার কথা ভাবা হলেও, নির্দিষ্ট ধাপ শেষে কার্ড বাতিল করাটাই খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য বেশি সুবিধাজনক হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবল প্রেমী এখন অপেক্ষায় আছেন ফিফার এই চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য, যা ফুটবলের মাঠে কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে আসবে।/টিএ 

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

হৃদয়-শামীমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিতল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বড় রান তাড়ায় এক দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক পর্যায়ে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়লেও, তাওহীদ হৃদয় ও শামীম হোসেনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। বিশেষ করে শেষদিকের পাল্টা আক্রমণে কিউই বোলাররা অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন।১৮৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লে-তে ৪৪ রান তুললেও সাইফ হাসান (১৭) ও থিতু হওয়া তানজিদ হাসান তামিম (২০) দ্রুত বিদায় নেন। বড় আশা জাগানো লিটন দাসও ২১ রান করে ইশ সোধির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ ও তরুণ ওপেনারদের বিদায়ে তখন গ্যালারিতে হারের শঙ্কা উঁকি দিচ্ছিল।তবে সেই চাপকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা মাত্র ২৩ বলে ৪৮ রান যোগ করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পারভেজ ইমন ১৪ বলে ২৮ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলে আউট হলেও অন্যপ্রান্তে অবিচল ছিলেন হৃদয়। তার সাবলীল ব্যাটিং বাংলাদেশের জয়ের পথ প্রশস্ত করতে থাকে।ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ শুরু হয় শেষ দিকে। মাত্র ২৬ বলে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টি-টোয়েন্টি ফিফটি তুলে নেন তাওহীদ হৃদয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে আসেন শামীম হোসেন। ইনিংসের ১৬তম ওভারে কিউই পেসার নাথান স্মিথকে শামীমের মারা সিগনেচার 'নো লুক' ছক্কাটি ছিল পুরো ম্যাচের অন্যতম সেরা দৃশ্য। এই জুটির আক্রমণাত্মক মেজাজে নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিং এলোমেলো হয়ে যায়।জয়ের জন্য শেষ ৪ ওভারে যখন ৩০ রান দরকার, তখন ১৭তম ওভারে ম্যাথু ফিশারের ওপর তান্ডব চালান শামীম। ওই এক ওভারেই তিন চার ও এক ছক্কাসহ ২৫ রান তুলে নিয়ে ম্যাচটি একতরফা করে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত হৃদয় ৫১ এবং শামীম মাত্র ১৩ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। অসাধারণ ব্যাটিং পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন তাওহীদ হৃদয়।/টিএ

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের লড়াই শেষে এবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস।আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) ম্যাচে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় রদবদল এসেছে। কিউইদের নিয়মিত অধিনায়ক টম ল্যাথাম গতকাল অনুশীলনের সময় পায়ে চোট পাওয়ায় আজকের একাদশে নেই। তার অনুপস্থিতিতে দলটির নেতৃত্বের ভার পড়েছে ব্যাটসম্যান নিক কেলির ওপর। মাত্র ৫টি টি-টুয়েন্টি খেলা কেলির জন্য অধিনায়ক হিসেবে এটিই প্রথম পরীক্ষা।এদিকে চট্টগ্রামের আবহওয়া নিয়ে কিছুটা শঙ্কা কাজ করছে। গতকাল রাত ও আজ সকালে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদ উঠেছিল। তবে টসের ঠিক আগ মুহূর্তে আকাশ আবারও মেঘলা হয়ে উঠেছে। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি এই মাঠেই জিতেছিল বাংলাদেশ, তাই একই ভেন্যুতে টি-টুয়েন্টি সিরিজের শুভ সূচনার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে স্বাগতিকরা।বাংলাদেশ একাদশ:লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান, শরীফুল ইসলাম ও রিপন মন্ডল।নিউজিল্যান্ড একাদশ:টিম রবিনসন, কেটেন ক্লার্ক, ডেন ক্লিভার (উইকেটকিপার), নিক কেলি (অধিনায়ক), বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি, ম্যাথু ফিশার, বেন লিস্টার।/টিএ 

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

অ্যানফিল্ডের রাজা সালাহর অনাকাঙ্ক্ষিত বিদায়!

মোহামেদ সালাহ ও লিভারপুলের দীর্ঘ নয় বছরের রূপকথা এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিষাদে শেষ হলো। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে চলতি মৌসুম থেকে ছিটকে গেছেন এই মিশরীয় ফরোয়ার্ড। লিভারপুলের জার্সিতে আগেই বিদায় ঘোষণা করা সালাহর জন্য প্যালেসের বিপক্ষে ম্যাচটিই কার্যত শেষ ম্যাচ হয়ে রইল। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে এভাবে মাঠ ছাড়তে হবে, তা হয়তো লিভারপুল ভক্তরা কল্পনাও করেনি।মিশর জাতীয় দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসান নিশ্চিত করেছেন যে, ৩৩ বছর বয়সী এই তারকার সুস্থ হতে অন্তত চার সপ্তাহ সময় লাগবে। লিভারপুল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসান জানান, সালাহর হ্যামস্ট্রিং চোট বেশ গুরুতর। ফলে প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচগুলোতে চেলসি ও ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে আর দেখা যাবে না লিভারপুলের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাকে।প্যালেসের বিপক্ষে ম্যাচের ৬০ মিনিটে যখন ব্যথাতুর সালাহ মাঠ ছাড়ছিলেন, গ্যালারির দর্শকদের অভিবাদনের জবাবে হাততালি দিয়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট অত্যন্ত বিষণ্ণ মনে জানান, সালাহর মতো খেলোয়াড় যখন নিজে থেকে মাঠ ছাড়ার সংকেত দেয়, তখনই বোঝা যায় পরিস্থিতি কতটা গুরুতর। চলতি মৌসুমে ১২টি গোল ও ৯টি অ্যাসিস্ট করা এই কিংবদন্তির অভাব লিভারপুল গভীরভাবে অনুভব করবে।মাঠে দেখা না গেলেও আগামী ২৪ মে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে লিগের শেষ ম্যাচে অ্যানফিল্ডে উপস্থিত থাকবেন সালাহ। সেখানে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি একটি বিশেষ বিদায়ী ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। লিভারপুলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ট্রফি ও ব্যক্তিগত সাফল্য পাওয়া এই তারকার বিদায়ে মার্সিসাইড জুড়ে এখন কেবলই হাহাকার। চ্যাম্পিয়নদের জার্সিতে তার শেষটা জয়ে হলেও তা ইনজুরির কালিমায় ঢাকা পড়ে রইল।তবে লিভারপুল ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ হলেও মিশরের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছেন ইব্রাহিম হাসান। তার মতে, ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের আগেই সালাহ পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন। ২০১৮ বিশ্বকাপের সেই দুঃসহ স্মৃতি ভুলে এবার বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও ইরানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে শতভাগ ফিট থেকে নেতৃত্ব দিতে মরিয়া হয়ে আছেন এই মিশরীয় সম্রাট।/টিএ

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

সহজ হলো বাংলাদেশের ২০২৭ বিশ্বকাপ সমীকরণ

একসময় যেখানে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা ছিল, সেখানে এখন আশার আলো উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ দল বর্তমানে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে, যা টাইগারদের সরাসরি মূল পর্বে খেলার পথে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে।আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ৮ দল সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পাবে। স্বাগতিক দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি খেলবে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা বর্তমানে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পাঁচে থাকায়, কার্যত ৯ নম্বর দল পর্যন্ত সরাসরি বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ থাকছে। বর্তমানে ৮৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ অবস্থান করছে ৯ম স্থানে, যেখানে ১০ম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট ৭৭।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৯ম স্থান ধরে রাখাই এখন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। তবে সামনে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি কঠিন ওয়ানডে সিরিজ অপেক্ষা করছে। যদিও প্রতিপক্ষরা শক্তিশালী, তবুও ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা এবং র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসাব বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী, শক্তিশালী দলের কাছে হারলে পয়েন্ট খুব একটা কমে না, কিন্তু একটি জয় পেলেও রেটিং পয়েন্টে বড় লাফ দেওয়ার সুযোগ থাকে।সাম্প্রতিক সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এই লক্ষ্য অর্জন বেশ বাস্তবসম্মত। শেষ তিনটি সিরিজে জয় শুধু পয়েন্টই বাড়ায়নি, বরং বড় দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই করার মানসিক শক্তিও জুগিয়েছে। ঘরের কন্ডিশনে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে অন্তত একটি করে ম্যাচ জিততে পারলেই বাংলাদেশের সরাসরি অংশগ্রহণ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। এমনকি সব ম্যাচ হারলেও গাণিতিক সমীকরণে বাংলাদেশের ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ।পরিশেষে বলা যায়, ২০২৭ বিশ্বকাপের সরাসরি টিকিট এখন অনেকটাই বাংলাদেশের হাতের নাগালে। একসময়ের শঙ্কা কাটিয়ে দল এখন স্বস্তিদায়ক অবস্থানে। এখন মাঠের পারফরম্যান্সে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলেই কোনো বাছাইপর্বের ঝামেলা ছাড়াই বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।/টিএ

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

কিউইদের উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ দেখা গেল এক দাপুটে বাংলাদেশ দলকে। নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে হারের পর এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরল বাংলাদেশ।সোমবার টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারী নিউজিল্যান্ড। তবে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে শুরুতেই এলোমেলো হয়ে যায় কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপ। ওপেনার নিক কেলি এক প্রান্ত আগলে রেখে ৮৩ রান করলেও বাকিরা ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। নাহিদ রানা মাত্র ৩২ রান খরচায় শিকার করেন ৫টি উইকেট, যা কিউইদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ২১ রানেই সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারকে হারিয়ে চাপে পড়ে দল। তবে সেই চাপকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তৃতীয় উইকেটে এই জুটি মাত্র ১১০ বলে গড়েন ১২০ রানের ম্যাচজয়ী পার্টনারশিপ। তানজিদ মাত্র ৫৮ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কায় খেলেন ৭৬ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস।অন্য প্রান্তে ধীরস্থির খেলে নিজের অর্ধশতক তুলে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৭১ বলে ৫০ রান করার পর আঙুলে চোট পেয়ে তিনি মাঠ ছাড়লে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়। এর মাঝে লিটন দাস তার শততম ওয়ানডে ম্যাচে মাত্র ৭ রান করে বিদায় নেন। তবে লক্ষ্য ছোট হওয়ায় বাংলাদেশের জয় পেতে কোনো বেগ পেতে হয়নি।শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৩০ রান এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ৮৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। রানার ৫ উইকেট আর তানজিদ-শান্তর ফিফটিতে এই জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিল, যার ফলে সিরিজের শেষ ম্যাচটি এখন অঘোষিত ফাইনালে পরিণত হলো।/টিএ

এপ্রিল ২০, ২০২৬

দুইশর আগেই থামল নিউজিল্যান্ড

নাহিদ রানার গতির কাছে হার মেনেছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। তার ৫ শিকারে দুইশ রানের আগেই থেমে গেছে সফরকারীদের ইনিংস। অল আউট হওয়ার আগে বোর্ডে যোগ হয়েছে ১৯৮ রানে।সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলায় টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। কিন্তু নাহিদ রানার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তার দল।সপ্তম ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই ফেরান ১৩ রান করা হেনরি নিকোলসকে। ২৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউইরা। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে আরও একটি উইকেট নিয়ে বিদায় করেন ২ রান করা উইল ইয়াংকে।পরে ৫৬ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ আব্বাস ও নিক কেলি। সেই জুটিও ভাঙেন নাহিদ রানা। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ১৯ রান করা আব্বাসকে সাজঘরে ফেরান। তার বিদায়ে চতুর্থ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।অর্ধশতক করে ব্ল্যাকক্যাপসদের হাল ধরে রাখা নিক কেলিকে বিদায় করেন শরিফুল ইসলাম। ১৪ চারে তার সাজানো ইনিংসটি থামে দলীয় ১৪৫ রানে। ৬ রান করা জশ ক্লার্কসনকে আউট করেন রিশাদ।প্রথম ম্যাচের নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক ডিন ফক্সক্রফটকে ১৫ রানে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট শিকার করেন নাহিদ। ১৬৪ রানে ৭ উইকেট হারায় ল্যাথামরা।বড় শট খেলতে গিয়ে আফিফের হাতে ধরা পড়েন ১২ রান করা ব্লেয়ার টিকনার। ১৮২ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর দুইশ রানের আগে অলআউট হওয়া তখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় মাত্র। বোর্ডে আরও ১ রান যোগ হতেই রানের খাতা না খোলা জেইডেন লেনক্সকে আউট করে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন নাহিদ।শেষ উইকেট হিসেবে উইল ও'রুর্ককে ৬ রান ফেরান তাসকিন। দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তাওহিদ হৃদয়। আর তাতেই ১৯৮ রান গুটিয়ে যায় কিউইরা।/টিএ 

এপ্রিল ২০, ২০২৬

বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের স্কোয়াড ঘোষণা

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই সিরিজের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে হাজির হয়েছে কোচিং প্যানেল; যেখানে প্রধান কোচের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে। শান মাসুদের নেতৃত্বে এই দলে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকেও।ঘোষিত এই স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন চার তরুণ প্রতিভা—আবদুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস এবং মুহাম্মদ গাজী ঘোরি। ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে তাদের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ব্যাটিং কোচ হিসেবে আসাদ শফিক এবং বোলিং কোচের দায়িত্বে থাকছেন উমর গুল, যা পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বর্তমানে দলের ক্রিকেটাররা ভিন্ন ভিন্ন ব্যস্ততায় রয়েছেন। কয়েকজন লাহোরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে লাল বলের অনুশীলনে ঘাম ঝরালেও অধিকাংশ ক্রিকেটার বর্তমানে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলছেন। পিসিবি জানিয়েছে, পিএসএল শেষ করেই ক্রিকেটাররা জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন। যারা নিজ ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে ফাইনাল খেলবেন, তারা সরাসরি বাংলাদেশে এসে দলের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।বাংলাদেশ সফরের মূল প্রস্তুতি শুরু হবে করাচিতে। সেখানে ২৭ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত একটি বিশেষ ট্রেনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২ মে ঢাকা সফরের উদ্দেশে পাকিস্তান দল দেশ ছাড়বে। মিরপুর ও সিলেটের কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে হাতে কয়েক দিন সময় রেখেই বাংলাদেশে পৌঁছাবে শান মাসুদের দল।সিরিজের প্রথম টেস্টটি শুরু হবে আগামী ৮ মে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ১৬ মে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে দুই দল। বাবর আজম, শাহিন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মতো তারকাদের উপস্থিতিতে এই সিরিজটি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে উভয় দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।পাকিস্তানের ১৬ সদস্যের স্কোয়াড: শান মাসুদ (অধিনায়ক), বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহিন শাহ আফ্রিদি, আব্দুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস, হাসান আলী, ইমাম-উল-হক, খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস, মুহাম্মদ গাজী ঘোরি, নোমান আলী, সাজিদ খান, সালমান আলী ও সৌদ শাকিল।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

কিউইদেরও বিস্মিত করল টাইগারদের ব্যাটিং

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে আলোচনার অন্ত ছিল না। তবে মাঠের লড়াইয়ে কিউইরা প্রমাণ করল, সঠিক পরিকল্পনাই শেষ কথা। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৬ রানের জয় তুলে নিয়ে মাঠের পারফরম্যান্সে দাপট দেখাল সফরকারীরা। ২৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২২১ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস, যা সমর্থকদের পাশাপাশি অবাক করেছে প্রতিপক্ষকেও।ম্যাচের মাঝপথে টাইগারদের ব্যাটিংয়ের ধরন দেখে খোদ কিউই অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফটও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। ২৫ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১২৪ রান করা বাংলাদেশের জন্য সমীকরণ ছিল সহজ—বাকি ২৫ ওভারে দরকার ছিল ঠিক ১২৪ রান। হাতে ৭ উইকেট থাকা সত্ত্বেও এই রান তুলতে না পারাটা ছিল চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ। ফক্সক্রফট ম্যাচ শেষে জানান, বাংলাদেশের ব্যাটারদের এমন সাবধানী এবং ধীরগতির ব্যাটিং তিনি প্রত্যাশা করেননি।সংবাদ সম্মেলনে ফক্সক্রফট স্পষ্ট করেই বলেন, বাংলাদেশের হাতে যথেষ্ট উইকেট থাকায় তিনি ভেবেছিলেন শেষ দিকে তারা চড়াও হবে। উইকেট কিছুটা ধীরগতির থাকলেও লক্ষ্যটা নাগালের বাইরে ছিল না। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার গতি এতটাই মন্থর ছিল যে, টাইগাররা নিজেদের ওপর নিজেরাই চাপ বাড়িয়ে ফেলে। দ্রুত কয়েকটা উইকেট পড়ে যাওয়ার পর সেই চাপ আর সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।মাঠের বিশ্লেষণে দেখা যায়, আফিফ হোসেন এবং তাওহীদ হৃদয় যখন ক্রিজে ছিলেন, তখন ম্যাচ বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। ফক্সক্রফটের মতে, আফিফ আউট হওয়ার আগ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিল। তবে হয়তো নিচের দিকে আর নির্ভরযোগ্য ব্যাটার নেই—এমন ভাবনা থেকেই অতি সাবধানী হয়ে খেলছিলেন দুই সেট ব্যাটার। আর এই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে সঠিক সময়ে ব্রেকথ্রু এনে ম্যাচ নিজেদের পকেটে ভরে নিউজিল্যান্ড।শেষ পর্যন্ত ৫৯ রানের ইনিংস আর ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হওয়া ফক্সক্রফট টাইগারদের ব্যাটিংয়ের যে ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন, তা ভবিষ্যতে বড় সতর্কবার্তা। সেট ব্যাটাররা ক্রিজে থাকার পরও লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে এমন ছন্দহীন ব্যাটিং মূলত কিউই বোলারদের কাজ আরও সহজ করে দেয়। জয় যখন হাতের মুঠোয় ছিল, তখন এমন হার টিম বাংলাদেশের ব্যাটিং পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo