logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/স্পোর্টস
সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় জানালেন মেসি - image

সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় জানালেন মেসি

07 অক্টোবর 2026, বিকাল 1:27

বুয়েনস আইরেসের নীল-সাদা গ্যালারিতে তখন শুধুই কান্নার রোল। আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানিয়ে দিলেন সময়ের সেরা জাদুকর লিওনেল মেসি। মাঠের ফুটবল, গ্যালারির ৮৫ হাজার ভক্তের আবেগ আর নেইমার-রোনালদোর মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সি খুলে রাখলেন 'এলএম১০'। ২১ বছরের একটা রূপকথার গল্প যেন এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেল।গত ৬ অক্টোবর ২০২৬, বুয়েনস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী এস্তাদিও মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম সাক্ষী হলো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তের। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের সেরা নায়ককে বিদায় জানাল আর্জেন্টিনা।ম্যাচ শুরুর আগেই মনুমেন্তালের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবং কোচ লিওনেল স্কালোনির চোখের জল বাঁধ মানেনি। ম্যাচের ১০ম মিনিটে যখন খেলা থামিয়ে পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে স্ট্যান্ডিং ওভেশন দিচ্ছিল, তখন যেন থমকে গিয়েছিল পুরো ফুটবল বিশ্ব।বিদায়ী ম্যাচেও মেসি ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জ্বল। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজের দুটি গোলে অ্যাসিস্ট করার পর ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ক্যারিয়ারের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, ম্যাচ শেষে রেফারি তার পকেটের সব কার্ড মেসিকে উপহার দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে মেসি যখন বিদায়ী বক্তব্য দিতে যান, তখন যেন সৃষ্টি হয় এক আবেগঘণ মুহূর্তের। মেসি জানান, বিদায়ের এই বিশেষ মুহূর্তে তার ভাবনায় সবচেয়ে বেশিজুড়ে আছেন তার বাবা হোর্হে মেসি। মূলত ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয় এবং বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর নিজের ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হওয়ায়, ৩১ আগস্ট তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিদায়ের ক্ষণে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, এই মাঠেই আমি আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম আনন্দের দিন উদযাপন করেছিলাম যখন আমরা বিশ্বকাপ জিতে এখানে ফিরেছিলাম। সেই স্মৃতি আমি জীবনেও ভুলব না।মেসির এই বিদায়ে কেঁদেছে পুরো ফুটবল দুনিয়া। নেইমার জুনিয়র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, "আমাকে ফুটবলকে আরও ভালোবাসতে শেখানোর জন্য ধন্যবাদ লিও।" অন্যদিকে, পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর গৌরবময় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল, একটি বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবুজ গালিচাকে চিরতরে বিদায় বললেন ফুটবলের এই মহাতারকা। 

অক্টোবর ০৭, ২০২৬

ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত

আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, সাহসী নেতৃত্ব আর কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে পথ দেখানোর ক্ষমতা—ভারতের নারী ক্রিকেটে হারমানপ্রীত কৌরের পরিচয় বহুমাত্রিক। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় নারী দল পেয়েছে ঐতিহাসিক সাফল্য, জিতেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, এশিয়ান গেমসে এসেছে সোনার পদক। দীর্ঘদিনের সেই সফল অধ্যায়ের ইতি টেনে এবার ভারতের সব ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন হারমানপ্রীত। তাঁর বিদায়ে ভারতীয় নারী ক্রিকেটে একটি বড় যুগের সমাপ্তি ঘটল।২০১৬ সালে প্রথমবার ভারতের পূর্ণকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব নেওয়া হারমানপ্রীত বছরের পর বছর দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। ব্যাটার হিসেবেও তাঁর আগ্রাসী মানসিকতা ও বড় ম্যাচে পারফর্ম করার সামর্থ্য তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। তবে অধিনায়ক হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে কৌশলগত সিদ্ধান্ত, দল পরিচালনা ও প্রত্যাশার চাপও সামলাতে হয়েছে তাঁকে। নেতৃত্ব ছাড়ার ফলে এবার সেই চাপ কিছুটা কমবে এবং নিজের ব্যাটিং ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।গুয়াহাটিতে বিসিসিআইয়ের একটি পর্যালোচনা সভার পর হারমানপ্রীতের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা আসে। সভায় গত কয়েক মাসের দলের পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হারমানপ্রীত, দীর্ঘদিনের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা এবং প্রধান কোচ অমল মজুমদার। সভায় হারমানপ্রীতকে সিদ্ধান্তটি নিতে রাজি করানো হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে তাঁর সিদ্ধান্তের সময় নিয়ে ক্রিকেটমহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। পরবর্তী সময়ে নেতৃত্বের দায়িত্ব স্মৃতি মান্ধানার হাতে যাওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া দীর্ঘ বার্তায় হারমানপ্রীত জানিয়েছেন, নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত তাঁর জন্য সহজ ছিল না। জাতীয় দলের জন্য নিজের সময়, শ্রম, ঘাম এমনকি ব্যক্তিগত স্বপ্নের কিছু অংশও বিসর্জন দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে নেওয়া তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হলেও প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে দলের স্বার্থই কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন হারমানপ্রীত। তাঁর ভাষায়, তিনি দেখেছেন দলের সবচেয়ে কঠিন সময়, হৃদয়ভাঙা পরাজয়, সমালোচনা ও সন্দেহের মুহূর্ত; আবার দেখেছেন সাফল্য, জয় ও দেশের প্রতিনিধিত্বের গর্বও।অধিনায়কত্ব ছাড়লেও ক্রিকেট থেকে সরে যাচ্ছেন না হারমানপ্রীত। বরং নতুন অধ্যায়ে আরও বেশি স্বাধীনভাবে নিজের খেলায় মন দিতে চান তিনি। তাঁর বিশ্বাস, ভারতীয় নারী দল এখন প্রতিভা, চরিত্র ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো অবস্থানে রয়েছে। নেতৃত্বের দায়িত্ব শেষ হলেও ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা শেষ হবে না—এমন বার্তাই দিয়েছেন তিনি। হারমানপ্রীতের নেতৃত্বের অধ্যায় শেষ হলেও ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর যাত্রা অব্যাহত থাকছে; সামনে তাই দেখা যেতে পারে আরও আগ্রাসী ও স্বাধীন এক হারমানপ্রীতকে।টি/

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

বিদায়ের মঞ্চে মেসি, শেষ ম্যাচ কবে ও কোথায়

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বাংলাদেশ সময় ৭ অক্টোবর ভোর ৫টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।আন্তর্জাতিক বিরতিতে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মেসি। দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেওয়া এই তারকার সম্ভাব্য বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে বাড়ছে সমর্থকদের উন্মাদনা। ঘরের মাঠে জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো মেসিকে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।মেসির জন্য ম্যাচটি হয়ে উঠতে পারে ক্যারিয়ারের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত। তবে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটিই তার নিশ্চিতভাবে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ—এমন দাবি করার আগে মেসি ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন। ফলে তার আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সাফল্যে ভরপুর। তার নেতৃত্বে ২০২১ ও ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে ফিফা বিশ্বকাপ জেতে আলবিসেলেস্তেরা। জাতীয় দলের জার্সিতে এমন অর্জনের পর মেসির সম্ভাব্য বিদায় তাই শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদের নয়, বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।শেষ পর্যন্ত ম্যাচটির তারিখ, সময় ও ভেন্যু নিয়ে চূড়ান্ত তথ্য নিশ্চিত হলে মেসির বিদায়ী মুহূর্ত দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনবেন সমর্থকেরা। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি সত্যিই এই ম্যাচে হলে, বেনিনের বিপক্ষে লড়াইটি একটি প্রীতি ম্যাচের গণ্ডি পেরিয়ে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের স্মরণীয় এক বিদায়মঞ্চে পরিণত হবে।টি/

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

এশিয়ান গেমসের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারতের স্বর্ণ জয়

হাসান নওয়াজের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে পাকিস্তানের লড়াই জমে উঠলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ২১২ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ১৯ রানে হেরে গেছে পাকিস্তান। শনিবার নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের জমজমাট ফাইনাল খেলায় পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বর্ণপদক নিজেদের নামে নিশ্চিত করেছে ভারত।টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় ভারত। অভিষেক শর্মার ঝড়ো ২৮ বলে ৬১ রানের ওপর ভর করে পাওয়ার প্লেতেই ২ উইকেটে ৮১ রান তোলে তারা। মাঝের ওভারে পাকিস্তান কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনলেও শেষ দিকে তিলক ভার্মার ২২ বলে ৫১ এবং শিবম দুবের ১৫ বলে ২৭ রানের ইনিংস ভারতকে ৬ উইকেটে ২১১ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দেয়। পাকিস্তানের হয়ে আরাফাত মিনহাস ও আহমেদ দানিয়াল দুটি করে উইকেট শিকার করেন।বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান (১০), উসমান খান (৩) এবং মাজ সাদাকাত (২৩) দ্রাই ফিরে গেলে মাত্র ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে দল। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে সাইম আইয়ুবের (২৯) সঙ্গে ৮৭ রানের দায়িত্বশীল জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ল দেখান হাসান নওয়াজ। ২৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করে হাসান ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালান।পরবর্তী ব্যাটারদের থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় পাকিস্তানের ওপর জয়ের চাপ বাড়তেই থাকে। শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য ৩৮ রানের প্রয়োজন হলে হাসান একাই ম্যাচটি বের করার চেষ্টা করেন। তবে শেষ ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৫১ বলে ৫টি চার ও ৭টি ছক্কার সাহায্যে ৯৬ রানের এক লড়াকু ইনিংস উপহার দেন হাসান। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানে গিয়ে থমকে যায়।ভারতের বল হাতে দারুণ নৈপুণ্য দেখান স্পিনার অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং পেসার শিবম দুবে। তারা প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের ওপর ক্রমাগত চাপ বজায় রাখেন। হাসান নওয়াজের একা লড়ে যাওয়া সত্ত্বেও ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত ১৯ রানের জয়ে শ্রেয়াস আইয়ারের দল এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের উৎসব সম্পন্ন করে।টি/

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

পাকিস্তানের কাছে ম্যাচ হারের কারণ জানালেন লিটন

পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে হারের পেছনে প্রস্তুতির ঘাটতি এবং উইকেটের আচরণ সম্পর্কে ধারণা না থাকাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার মতে, ম্যাচের শুরুর দিকে উইকেট বুঝতে না পারায় ব্যাটিংয়ে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।বৃষ্টির কারণে ২০ ওভারের ম্যাচ নেমে আসে ১৩ ওভারে। আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তান একসময় ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় নিয়ে ফাইনালে উঠে যায় পাকিস্তান।ম্যাচ শেষে লিটন বলেন, “গত কয়েক দিনে এখানে কোনো ম্যাচ আমরা দেখিনি, উইকেটে অনুশীলনের সুযোগও পাইনি। তাই প্রথম কয়েক ওভার আমরা কোনো ধারণা ছাড়াই খেলেছি। ধীরে ধীরে ব্যাটসম্যানরা উইকেট বুঝতে পেরেছে।” শুরুতেই এর খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। ৩.২ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে ঘুরে দাঁড় করান তাওহীদ হৃদয়। তার ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংস এবং মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে জুটির প্রশংসা করেন লিটন।বল হাতে শুরুটাও ভালো করেছিল বাংলাদেশ। ৫৩ রানের মধ্যে পাকিস্তানের চার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে ম্যাচে চাপ তৈরি করেছিল তারা। তবে মাঝের ওভারে সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি বোলাররা। হাসান নওয়াজ ও আবদুল সামাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় পাকিস্তান। লিটনের মতে, “মাঝের ওভারগুলোতে আরেকটু ভালো বোলিং করতে পারলে এবং কম ছক্কা দিলে আমাদের সুযোগটা আরও ভালো থাকত।”মোস্তাফিজুর রহমানের দুই ওভারে ৪১ রান দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে তার ব্যবহারের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন অধিনায়ক লিটন। তিনি বলেন, “অনেক বিকল্প ছিল। আজ মোস্তাফিজ যদি তিন উইকেট নিত, তাহলে এই প্রশ্নটা করতেন না। সে অনেক দিন ধরেই এই কাজ করছে। আমার মনে হয়েছে, মোস্তাফিজই সেরা বিকল্প এবং তাই তাকে ব্যবহার করেছি।” ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য পূরণ না হলেও বাংলাদেশের সামনে এখনো পদক জয়ের সুযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত ১২৪ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারানোয় শনিবার ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।টি/

অক্টোবর ০১, ২০২৬

বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দল ঘোষণা

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। নিয়মিত অধিনায়ক সোফি মলিনেক্স ও পেসার লুসি হ্যামিল্টনকে ওয়ানডে সিরিজে পাওয়া যাবে না। তাদের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া নারী দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন তালিয়া ম্যাকগ্রা।বাংলাদেশ সিরিজে না থাকলেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি সিরিজে মলিনেক্স ও হ্যামিল্টনকে পূর্ণ ফিট অবস্থায় পাওয়ার আশা করছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ৯ থেকে ১৪ অক্টোবর ব্রিসবেনের অ্যালান বর্ডার ফিল্ডে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর সিডনিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে অস্ট্রেলিয়া।এদিকে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা অলরাউন্ডার গ্রেস হ্যারিসকে এবারের দলে রাখা হয়নি। ইনজুরি ও স্কোয়াড পুনর্গঠনের কারণে বাংলাদেশ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার হাতে আপাতত রয়েছে ১২ জন ক্রিকেটার। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্কোয়াডে পরিবর্তন আসতে পারে।নির্বাচক প্রধান শন ফ্লেগলার জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগ ডব্লিউএনসিএলের পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচ শেষ হওয়ার পর স্কোয়াডে আরও একজন ক্রিকেটার যুক্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে ব্রাউনের চোট নিয়েও আপডেট দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হলেও অক্টোবরের শেষে শুরু হতে যাওয়া নারী বিগ ব্যাশ লিগের কোনো এক পর্যায়ে ব্রাউনের ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচক প্রধান।বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য ঘোষিত অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে রয়েছেন সোফি মলিনেক্স, নিকোলা ক্যারি, অ্যাশলে গার্ডনার, কিম গার্থ, লুসি হ্যামিল্টন, অ্যালানা কিং, ফোবে লিচফিল্ড, তালিয়া ম্যাকগ্রা, বেথ মুনি, এলিসে পেরি, মেগান শুট, আনাবেল সাদারল্যান্ড, জর্জিয়া ভল ও জর্জিয়া ওয়ারহ্যাম। এর মধ্যে মলিনেক্স ও হ্যামিল্টন শুধু টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বিবেচিত হয়েছেন, আর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন ম্যাকগ্রা।/টি

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ

বৃষ্টির কারণে এক বলও মাঠে না গড়িয়েই এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার শেষ চারের সূচিও চূড়ান্ত হয়েছে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিটন দাসের দলের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।আগামী ১ অক্টোবর জাপানের কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়, বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায়। বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। তবে টানা বৃষ্টি ও মাঠ খেলার অনুপযোগী থাকায় টসও করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলে উচ্চতর আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের সুবিধায় সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ।পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। হংকংয়ের বিপক্ষে তাদের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটিও বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় শেষ চারে জায়গা করে নেয় পাকিস্তান। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে না খেলেই সেমিফাইনালে ওঠা দুই দল এবার সরাসরি মুখোমুখি হচ্ছে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে।অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। একই ভেন্যুতে ১ অক্টোবর ম্যাচটি শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে, বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। ভারত আফগানিস্তানের বিপক্ষে এবং শ্রীলঙ্কা তাদের কোয়ার্টার ফাইনালও বৃষ্টির কারণে খেলতে পারেনি। ফলে চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের একটিতেও টস হয়নি; র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়েছে চার সেমিফাইনালিস্ট।এখন বাংলাদেশের সামনে পাকিস্তানের বাধা। এই ম্যাচে জয় পেলে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটে অন্তত একটি পদক নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের। আর হেরে গেলে খেলতে হবে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে। তাই ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে লিটন দাসের দল।/টি 

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

শচীনের রেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি, কোহলির সামনে বড় সুযোগ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই একাধিক ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির সামনে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিরুবনন্তপুরমে মুখোমুখি হবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত রেকর্ড থাকা কোহলি এই ম্যাচে ব্যাট হাতে নামবেন আরও কয়েকটি রেকর্ডের হাতছানি নিয়ে।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩ ম্যাচে ৪১ ইনিংসে কোহলি করেছেন ২ হাজার ২৬১ রান। তার ব্যাটিং গড় ৬৬.৫০। এই দলের বিপক্ষে রয়েছে ৯টি সেঞ্চুরি ও ১১টি ফিফটি। ওয়ানডেতে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক কোহলির মোট রান এখন ১৪ হাজার ৯৪১। ৩১৪ ম্যাচের ৩০২ ইনিংসে এই রান করেছেন তিনি। ফলে ১৫ হাজার রান পূর্ণ করতে প্রয়োজন মাত্র ৫৯ রান। এই মাইলফলক স্পর্শ করলে শচীন টেন্ডুলকারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় এবং ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের ক্লাবে ঢুকবেন কোহলি।এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ৮৫টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আরেকটি শতক করতে পারলে সেটি বেড়ে হবে ৮৬। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটেও রয়েছে বড় মাইলফলকের সুযোগ। সেখানে কোহলির সেঞ্চুরি ৫৯টি, আর শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ৬০টি। ফলে আরও দুটি শতক করলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে শচীনের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবেন তিনি। ভারতের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শচীনের ৪২টি সেঞ্চুরির বিপরীতে কোহলির রয়েছে ৪১টি।তিরুবনন্তপুরমের মাঠও কোহলির জন্য সুখস্মৃতির। এই ভেন্যুতে দুটি ওয়ানডে খেলে কোনোবারই আউট হননি তিনি। দুই ম্যাচে তার সংগ্রহ ১৯৯ রান। এর মধ্যে ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ১৬৬ রানের ইনিংসটি ছিল বিশেষ নজরকাড়া। ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও তার নাগালে। ভারতের মাটিতে শচীনের ১৬৪ ম্যাচে ৬ হাজার ৯৭৬ রানের বিপরীতে কোহলির সংগ্রহ ১৩০ ম্যাচে ১২৭ ইনিংসে ৬ হাজার ৮৬৭ রান। অর্থাৎ এই রেকর্ড ভাঙতে তার প্রয়োজন ১১০ রান।চলতি বছরও ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন কোহলি। ছয় ইনিংসে তার সংগ্রহ ৩৮৪ রান, ব্যাটিং গড় ৬৪.০০ এবং স্ট্রাইক রেট ১০৬-এর বেশি। এর মধ্যে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও তিনটি ফিফটি। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ থাকছে ভারতের এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের সামনে।টি/

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে কোয়ার্টারে আফগানিস্তান

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে গ্রুপ ‘এ’ থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান ও নেপাল। শুক্রবার আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল নেপাল। এর আগে স্বাগতিক জাপানকে হারিয়ে আসর শুরু করা আফগানরা শনিবার নেপাল-জাপান ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় শেষ আটে জায়গা করে নেয়।নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ১৫ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নেপাল ১৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে। এরপর বৃষ্টি আরও বেড়ে যাওয়ায় আর খেলা মাঠে গড়ায়নি। ফলে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় এবং এক পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয় জাপানের।নেপালের ইনিংসে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন সন্দীপ জোরা ও লোকেশ বাম। শুরুতেই ৭ রানে কুশল ভুর্তেল ফেরার পর আসিফ শেখকে নিয়ে ২৭ বলে ৫৫ রানের জুটি গড়েন জোরা। আসিফ ২১, কুশল মাল্লা ২ ও গুলশান ঝা ২ রান করে দ্রুত ফিরে গেলেও পরে লোকেশকে সঙ্গে নিয়ে নেপালকে বড় সংগ্রহ এনে দেন জোরা।জোরা ও লোকেশের ৩০ বলে ৬৫ রানের জুটিতে নেপালের স্কোর দেড়শর কাছাকাছি পৌঁছে যায়। জোরা ৩২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৭ রান করেন। অন্যদিকে লোকেশ মাত্র ২২ বলে ১ চার ও ৬ ছক্কায় করেন ৫৭ রান। তবে বৃষ্টির কারণে নেপাল ১৪৯ রান করেও ম্যাচের ফল পায়নি।কোয়ার্টার ফাইনালে ২৮ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত। একই দিনে পাকিস্তান খেলবে হংকং চায়নার বিপক্ষে। ২৯ সেপ্টেম্বর নেপাল ও শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হবে। পরদিন কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। গ্রুপপর্বে মালয়েশিয়া-ওমান ম্যাচও বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় এক পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নিয়েছে ওমান।টি/

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

নরওয়ের জয়ে হালান্ডের জোড়া আঘাত

আর্লিং হালান্ডকে থামাবে কে—প্রশ্নটা যেন দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলেও অবিশ্বাস্য গতিতে গোল করে চলেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। মাত্র ৫৬ ম্যাচেই করেছেন ৬৪ গোল। সবশেষ দুই গোলও এসেছে নেশনস লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে, যেখানে হালান্ডের জোড়া গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়েছে নরওয়ে।অসলোতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে নরওয়ে। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের পাস থেকে বল পেয়ে দূরের কোণে দারুণ শটে দলকে এগিয়ে দেন অস্কার বব। চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হালান্ড। বক্সে ঢুকে আন্তোনিও নুসার বাড়ানো বলে প্রথম টাচেই গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড। তবে ঘুরে দাঁড়ায় ডেনমার্ক। ২৫ গজ দূর থেকে ফ্রি-কিকে ব্যবধান কমান মিকেল ডামসগার্ড। পরে হেডে সমতা ফেরান রাসমুস হয়লুন্ড।ম্যাচ যখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে, তখনই আবার জ্বলে ওঠেন হালান্ড। ৭৪ মিনিটে পরিকল্পিত কর্নার থেকে পাওয়া বলে বক্সের ভেতর শক্তিশালী শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। হালান্ডের সেই গোলের আর কোনো জবাব দিতে পারেনি ডেনমার্ক। ফলে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।জাতীয় দলের হয়ে হালান্ডের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও তার গোল করার ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিচ্ছে। নরওয়ের হয়ে সবশেষ ১৬টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ১৫টিতেই গোল করেছেন তিনি, এই সময়ে তার গোল ২৯টি। সবশেষ ১০টি প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচের আটটিতেই করেছেন একাধিক গোল। ৫৬ ম্যাচে ৬৪ গোলের পাশাপাশি তার নামের পাশে রয়েছে সাতটি অ্যাসিস্টও।নেশনস লিগেও গোলের রেকর্ডে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছেন হালান্ড। প্রতিযোগিতাটিতে তার গোল এখন ২১টি, যা আলেক্সান্দার মিত্রোভিচ ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ১৫ গোলের চেয়ে ছয়টি বেশি। ম্যানচেস্টার সিটি কিংবা নরওয়ে—দুই জার্সিতেই গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে হালান্ড যেন প্রতিনিয়তই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, গোলের সামনে তাকে থামানো কতটা কঠিন।/টি

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

২৩ হাজার রানের মাইলফলকে রুট, পেছনে ফেললেন শচীনকে

ডারহামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার জো রুট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ২৩ হাজার রান সংগ্রহের পথে ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন তিনি। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে রুটের লেগেছে ৫২১ ইনিংস, যেখানে শচীন টেন্ডুলকার ৫২২ ইনিংসে ২৩ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেছিলেন।দ্রুততম ২৩ হাজার রানের তালিকায় রুটের ওপরে রয়েছেন ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি। মাত্র ৪৯০ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করে সবার ওপরে অবস্থান করছেন কোহলি। এরপর জো রুট ৫২১ ইনিংসে, শচীন টেন্ডুলকার ৫২২ ইনিংসে এবং অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং ৫৪৪ ইনিংসে ২৩ হাজার রান পূর্ণ করেছেন।শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাইলফলকের ম্যাচে রুট ব্যাট হাতে করেন ৫২ বলে ৪৪ রান। ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার। শুরুতে দেখেশুনে খেললেও সময় গড়ানোর সঙ্গে পেস ও স্পিন—দুই ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রান তুলছিলেন ইংলিশ এই ব্যাটার। মিড-উইকেটে দারুণ এক বাউন্ডারি মেরে রানের খাতা খোলার পর স্পিনারদের বিরুদ্ধেও সাবলীল ছিলেন তিনি।তবে রুটের ইনিংসটি বড় হতে দেয়নি অভিষিক্ত স্পিনার শচিন্দু কোলম্বুজ। তার করা এক বল ব্যাটের পাশ কাটিয়ে সরাসরি স্টাম্পে আঘাত করলে থামে রুটের ৪৪ রানের ইনিংস। অবশ্য এর মধ্যেই ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখে ফেলেন ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।২৩ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে রুট হয়েছেন প্রথম ইংলিশ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অষ্টম ব্যাটার হিসেবে এই ক্লাবে প্রবেশকারী। ৩৫ বছর বয়সি রুটের আন্তর্জাতিক রান এখন ২৩,০৪১। সর্বকালের রানসংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি রয়েছেন অষ্টম স্থানে। তার ওপরে সপ্তম স্থানে থাকা ভারতের রাহুল দ্রাবিড়ের সংগ্রহ ২৪,২০৮ রান।/টি   

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের বড় লক্ষ্য জানালেন লিটন

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের লক্ষ্য পরিষ্কার করে দিয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস। টুর্নামেন্টে ম্যাচ ধরে এগোলেও শেষ পর্যন্ত ফাইনালে জায়গা করে নেওয়াই দলের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। দেশ ছাড়ার আগে লিটন বলেন, ফাইনালে উঠতে পারলে সোনার পদকের জন্য লড়াইয়ের সুযোগ তৈরি হবে।লিটন বলেন, “ডেফিনেটলি এখানে টার্গেট একটা থাকবে। যেহেতু একটা টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছি, ফাইনাল খেলা এবং ফাইনালে যেন ভালো ক্রিকেট করতে পারি।” বড় লক্ষ্য থাকলেও শুরু থেকেই ফাইনাল নিয়ে অতিরিক্ত ভাবতে চান না বাংলাদেশ অধিনায়ক।ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোনোর কৌশলের কথাই জানিয়েছেন লিটন। তিনি বলেন, “ক্রিকেটে যে জিনিসটা বলি, অলওয়েজ ম্যাচ বাই ম্যাচ। আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ যাব। এবং বিগার টার্গেট হচ্ছে এইটাই।” তার মতে, প্রথম কাজ হলো ধাপে ধাপে এগিয়ে ফাইনালে পৌঁছানো।ফাইনালে উঠতে পারলেই সোনার পদকের জন্য লড়াইয়ের সুযোগ আসবে বলে মনে করেন লিটন। তার ভাষায়, “আমরা কিভাবে ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারি, কারণ ফাইনাল খেললে আপনার একটা অপরচুনিটি থাকবে গোল্ড জেতার। তার আগে ফাইনাল পর্যন্ত যেতে হবে।” এদিকে এশিয়ান গেমসের আগে দলের প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট অধিনায়ক।দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের একসঙ্গে টি-টোয়েন্টির প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন লিটন। ক্যাম্পের পাশাপাশি দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে বাংলাদেশ। অলিম্পিকের সম্ভাবনা নিয়েও কথা উঠলেও আপাতত সেটি নিয়ে ভাবতে চান না তিনি। তার নজর এখন এশিয়ান গেমসে ভালো করা এবং ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার দিকে।/টি   

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo