logo
youtube logotwitter logofacebook logo

সুগার

চিনির নতুন দাম নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি - image

চিনির নতুন দাম নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি

09 মে 2023, বিকাল 6:00

চিনির নতুন দাম নির্ধারণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। খোলা চিনির দাম আগের নির্ধারিত দাম প্রতি কেজি ১০৪ টাকা থেকে ১৬ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ১২০ টাকা। একইভাবে ১০৯ টাকার প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনির দাম বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে ১২৫ টাকা। ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, এক কেজি পরিশোধিত খোলা চিনির প্রস্তাবিত মিলগেট মূল্য ১১৫ টাকা এবং পরিবেশক মূল্য হবে ১১৭ টাকা। পরিশোধিত প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৯ টাকা আর পরিবেশক পর্যায়ে যার দাম হবে কেজিতে ১২১ টাকা। কমিশন এ দাম প্রস্তাব করেছে ডলারের বিনিময়মূল্য ১১১ টাকা হিসেব করে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির মূল্য এবং ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চিনি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আমদানিকৃত খাদ্যের মান নিশ্চিতকরণে আমদানি নীতি আদেশ-২০২১-২০২৪ সম্পর্কে স্টেকহোল্ডারদের অবহিতকরণ বিষয়ক এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব আরও বলেন, চিনির জন্য শুল্কছাড় এখনো বলবৎ রয়েছে। এটা ৩১ মে শেষ হবে। চিনির জন্য শুল্কছাড় অব্যাহত রাখার জন্য আমরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে চিঠি পাঠাব। যেহেতু চিনির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এজন্য আমরা শুল্কহার আরও কমানোর জন্য সুপারিশ করব। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির দাম ও ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চিনির আমদানি কমেছে। গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে দাম সমন্বয় করার অনুরোধ জানালে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। এরপর ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী খোলা চিনি প্রতি কেজি ১২০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামে চিনি বিক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। তবে তারা আমাদেরকে এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি। বাণিজ্য সচিব বলেন, যখনই কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকে না তখন আমরা এনবিআরকে শুল্কহার কমানোর জন্য অনুরোধ জানাই। তারা কখনো কমায় আবার সম্ভব না হলে কমাতে পারেন না।

মে ০৯, ২০২৩
বাড়ল চিনির দাম - image

বাড়ল চিনির দাম

10 মে 2023, বিকাল 6:00

আমদানি খরচ বাড়ায় দেশের বাজারে ১৬ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১২০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গতকাল বুধবার (১০ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে বাণিজ্য সচিব (সিনিয়র সচিব) তপন কান্তি ঘোষ ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের কথা জানিয়েছিলেন। বাণিজ্য সচিব জানান, গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে দাম সমন্বয় করার অনুরোধ জানালে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। পরে ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী খোলা চিনি প্রতি কেজি ১২০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামে চিনি বিক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনকেও মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। তবে তারা আমাদের এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি। ওই সময় চিনি আমদানির জন্য শুল্কহার এখনো বলবৎ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানিয়েছিলেন, এটা ৩১ মে শেষ হবে। চিনির জন্য শুল্কহার অব্যাহত রাখার জন্য আমরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে চিঠি পাঠাব। যেহেতু চিনির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, এজন্য আমরা শুল্কহার আরও কমানোর জন্য সুপারিশ করব। সর্বশেষ গত এপ্রিলে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০৪ টাকা ও প্যাকেট চিনি ১০৯ টাকা দরে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিল সরকার।

মে ১০, ২০২৩
সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা দিলেন অর্থমন্ত্রী - image

সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা দিলেন অর্থমন্ত্রী

06 এপ্রিল 2026, বিকাল 7:30

জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থমন্ত্রীর তথ্যামতে, দেশের ব্যাংকিং খাতে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।সোমবার (৬ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আব্দুল্লাহ) প্রশ্নের লিখিত জবাবে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকাও সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমান সংসদ সদস্য এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিতে ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে দেখানো হয়নি। অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকায় আছে এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, সালাম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইস্পাত লিমিটেড, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড, ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড, দেশবন্ধু সুগার মিলস লিমিটেড, পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড, কর্ণফুলী ফুডস প্রাইভেট লিমিটেড, মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস লিমিটেড এবং রংধনু বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেড। এ সময় খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নেওয়া ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, যেসব ব্যাংকে শ্রেণি করা ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেসব ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে আলোচনা করা হচ্ছে। কোন কোন বাধায় ঋণ আদায় ব্যাহত হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কর্মপরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিটি ব্যাংকার্স সভায় ব্যাংকভিত্তিক শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি ও শ্রেণিকৃত ঋণ আদায়ের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়। অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব ব্যাংকে শ্রেণি করা ঋণের হার বেশি, সেগুলোর জন্য ‘শ্রেণিকৃত ঋণ রেজল্যুশন স্ট্র্যাটেজি’ বিষয়ে গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি শনাক্তে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ৬-এর কথা তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক-কোম্পানি আইনে সংজ্ঞায়িত ‘উইলফুল ডিফল্টার’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নীতিমালা জারি করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর বিদ্যমান লিগ্যাল টিম বা আইন বিভাগ শক্তিশালী করতে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ১৪/২০২৪-এর মাধ্যমে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর পদ্ধতি অনুসরণ করে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণস্থিতির ন্যূনতম ১ শতাংশ নগদ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ১১/২০২৪-এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানে আরও কিছু কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।তার মধ্যে রয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট, অর্থঋণ আদালত আইন, ব্যাংকরাপ্সি অ্যাক্টসহ সংশ্লিষ্ট আইনগুলো সংশোধনের উদ্যোগ; স্বল্পমেয়াদি কৃষিঋণ পুনঃতপশিল নীতিমালা পর্যালোচনা; খেলাপি ও ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ; ভালো ঋণগ্রহীতাদের জন্য প্রণোদনা নীতিমালা হালনাগাদ; একজন ঋণগ্রহীতা সমগ্র ব্যাংকিং খাত থেকে কত সর্বোচ্চ ঋণ নিতে পারবেন, তার সীমা নির্ধারণ; কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ খেলাপিদের ওপরও ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের জন্য প্রযোজ্য ব্যবস্থা আরোপের লক্ষ্যে আইনি সংস্কার; অর্থঋণ আদালতের বিচারক প্যানেল বা জুরি বোর্ডে অভিজ্ঞ ব্যাংকার অন্তর্ভুক্তি; রিটের মাধ্যমে ঋণ আদায় কার্যক্রম স্থবির হওয়া ঠেকাতে ব্যবস্থা এবং বেসরকারি খাতে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গঠনের জন্য আইন প্রণয়ন।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
ডায়াবেটিস থাকলেও আম খাওয়া যাবে, মানতে হবে নিয়ম - image

ডায়াবেটিস থাকলেও আম খাওয়া যাবে, মানতে হবে নিয়ম

01 জুন 2026, বিকাল 3:22

গরমকাল মানেই আমের মৌসুম। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি কিংবা ফজলির মতো সুস্বাদু আম বাজারে আসতেই ফলপ্রেমীদের আগ্রহ বেড়ে যায়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকেই মিষ্টি এই ফল খাওয়ার বিষয়ে দ্বিধায় থাকেন। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকে আম খাওয়া পুরোপুরি এড়িয়ে চলেন।চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলেই আম খাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আশিস মিত্র জানিয়েছেন, আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি মাত্রার হওয়ায় পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক নিয়ম মেনে খেলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ হতে পারে। তবে একবারে বেশি পরিমাণ আম খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।বিশেষজ্ঞদের মতে, একবারে একটি পুরো আম না খেয়ে তার এক-তৃতীয়াংশ খাওয়াই ভালো। দৈনিক ৫০ থেকে ৬০ গ্রামের বেশি আম না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আমের সঙ্গে জাম, পেয়ারা, আপেল, নাশপাতি বা শসার মতো কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত ফল খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে এবং পুষ্টিগুণও বাড়ে।চিকিৎসকরা আরও জানান, ডায়াবেটিস রোগীদের রাতে আম খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। সন্ধ্যার পর শরীরে ইনসুলিন ও জিএলপি-১ হরমোনের কার্যকারিতা কিছুটা কমে যাওয়ায় রাতে আম খেলে সুগার বেড়ে যেতে পারে। তাই সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে অথবা দুপুরের খাবারের কিছুক্ষণ পরে আম খাওয়াই সবচেয়ে উপযোগী।এ ছাড়া নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি আম খেয়ে ফেললে অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আমসহ বিভিন্ন ফল দিয়ে সালাদ তৈরি করে টক দইয়ের সঙ্গে খেলে গ্লুকোজ শোষণের গতি কমে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়; বরং পরিমাণ, সময় ও খাদ্যাভ্যাসের নিয়ম মেনে খেলে এই মৌসুমি ফলের স্বাদ নিরাপদভাবেই উপভোগ করা সম্ভব। (সূত্র: আনন্দবাজার)/টিএ

জুন ০১, ২০২৬
সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকালে যে ভুলগুলো করবেন না - image

সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকালে যে ভুলগুলো করবেন না

06 সেপ্টেম্বর 2026, বিকাল 4:47

শুধু মিষ্টি বা চিনি বেশি খেলেই রক্তে শর্করা বেড়ে যায়—এমন নয়। প্রতিদিনের জীবনযাপনের কিছু অভ্যাসও রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে পারে। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অজান্তে করা কিছু কাজ শরীরে রক্তে শর্করা বাড়ার কারণ হতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে দিনের শুরুর অভ্যাসগুলোর দিকে নজর দেওয়া জরুরি।ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চিনি দেওয়া চা বা কফি পান করার অভ্যাস অনেকের রয়েছে। এর সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। রাতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ চিনি বা ক্যাফেইন গ্রহণ করলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। এ ছাড়া ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখা বা এক জায়গায় বসে থাকাও ভালো নয়। সকালে হালকা হাঁটাচলা করলে পেশি সক্রিয় হয় এবং রক্তে থাকা গ্লুকোজ ব্যবহারে সহায়তা করতে পারে।সকালে খালি পেটে ধূমপান করাও রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে। তামাকের নিকোটিন শরীরের ইনসুলিন ব্যবহারের ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে সকালে ঘুম থেকে উঠে পর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার অভ্যাসও ক্ষতিকর। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর শরীরে পানির ঘাটতি হলে রক্তে গ্লুকোজের ঘনত্ব বেড়ে যেতে পারে। তাই দিনের শুরুতে পানি পান করার অভ্যাস করা প্রয়োজন।দেরিতে সকালের নাস্তা করাও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম থেকে ওঠার পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে লিভার জমিয়ে রাখা গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে রক্তে পাঠাতে থাকে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তাই শুধু মিষ্টি কম খাওয়াই নয়, সকালে চিনি দেওয়া চা-কফি, অলসভাবে বসে থাকা, ধূমপান, পানি না খাওয়া এবং নাস্তা করতে অতিরিক্ত দেরি করার মতো অভ্যাস এড়িয়ে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।/টি

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo