
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সফরের মাঝেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্ভাব্য কোনো বৈঠক নিয়ে। তবে সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইরানের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
পাকিস্তানি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাঘাই তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ইসলামাবাদে ইরানের যাবতীয় পর্যবেক্ষণ বা বক্তব্যগুলো সরাসরি পাকিস্তানের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে বা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার কোনো অ্যাজেন্ডা
বর্তমানে তিন দেশীয় এক আঞ্চলিক সফরের অংশ হিসেবে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর তিনি পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। পাকিস্তান সফর শেষ করে তার ওমান এবং রাশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস থেকে আসা একটি ঘোষণা আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ওয়াশিংটন জানিয়েছিল, আগামীকাল সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানে পৌঁছাবেন। তাদের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেওয়া, যা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি এই বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়ায় বিষয়টি এখন ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসার ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেখানে ইরান সরকার তা প্রত্যাখ্যান করায় দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান স্নায়ুযুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আপাতত সবার নজর এখন ইসলামাবাদের কূটনৈতিক তৎপরতার দিকে।
/টিএ