
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ভারতের বর্তমান সরকারকে অপসারণের সময় এসে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার (২৫ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
শনিবার সকালে নয়াদিল্লির ১০ জনপথে নিজের বাসভবনে আন্দোলনরত একদল শিক্ষার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাহুল গান্ধী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি গণতন্ত্র, সংবিধান ও নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজপথে নামা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও তাদের আরও দুটি দাবি পূরণ হয়নি বলে উল্লেখ করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী
রাহুল গান্ধী কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্রসহ সমাজের বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর উদ্দেশেও বার্তা দেন। তিনি বলেন, সাংবিধানিক উপায়ে নিজের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকাই প্রকৃত সাহস। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারকে অপসারণের সময় এসে গেছে এবং কাউকে ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলনের মুখে শনিবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং চলমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো দেশবিরোধী শক্তি যাতে ফায়দা তুলতে না পারে, সে লক্ষ্যেই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
পদত্যাগের আগে অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের একদিন পরই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা ঘটে।
এদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর যন্তর মন্তরের সমাবেশ থেকে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য থেকেই এই ছাত্র আন্দোলনের সূচনা হয়। যদিও পরে প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা দেন, তার মন্তব্যটি সামগ্রিকভাবে বেকার তরুণদের উদ্দেশে নয়; বরং জাল আইনজীবী ডিগ্রিধারীদের প্রসঙ্গে করা হয়েছিল এবং তা গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল। তবুও ওই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।