
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে ‘স্বাস্থ্য সচেতনতায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা’ শীর্ষক ডেঙ্গু সচেতনতাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনার শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টায় কলেজের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এইচ এম মাহিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ইমরান হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল।
এ
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অবস্থানকালে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীরা যদি নিজ নিজ পরিবারকে সচেতন করতে পারে, তাহলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
ড্যাব মহাপরিচালক বলেন, অতীতে কলেরা যেভাবে সচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে এসেছে, একইভাবে ডেঙ্গুও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব। বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শরীফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে এপ্রিল মাস থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে এবার ডেঙ্গুর বিস্তার তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সরকারি তিতুমীর কলেজ আয়তনে ছোট হলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যার দিক থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী যদি নিজ নিজ পরিবার ও এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করে, তাহলে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে পড়বে এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ আরও সহজ হবে।