
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত অভিনীত অ্যাকশন সিনেমা ‘জেলার ২’। মাত্র ১১ দিনে বিশ্বব্যাপী ৭০০ কোটি রুপির বেশি আয় করে তামিল চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছে নেলসন দিলীপকুমার পরিচালিত সিনেমাটি। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া রজনীকান্তের ‘২.০’-এর দীর্ঘদিনের আয়ের রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছে ছবিটি।
বাণিজ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ‘জেলার ২’-এর বিশ্বব্যাপী মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭১০.৩৫ কোটি রুপি। ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। ওই দিন ভারতের প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির নিট আয় হয়েছে ২৫.৭০ কোটি রুপি। ফলে দেশটির বাজারে মোট নিট আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯৮.৭০ কোটি রুপি। করসহ ভারতের মোট আয় পৌঁছেছে ৪৬৬.৮৫ কোটি রুপিতে।
ভারতের বাইরের বাজারেও ভালো ব্যবসা করছে ‘জেলার ২’। মুক্তির একাদশ দিনে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সিনেমাটি আয় করেছে আরও ১০ কোটি রুপি। এতে বিদেশের বাজারে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৪৩.৫০ কোটি রুপি। এদিকে, ২৫ অক্টোবর ভারতের বিভিন্ন ভাষার সংস্করণ মিলিয়ে ছবিটির নিট সংগ্রহ হয়েছে ২৫.৭০ কোটি রুপি। এর মধ্যে তামিল সংস্করণ ৫ হাজার ৬৮৩টি প্রদর্শনী থেকে ১৭.৩৫ কোটি, তেলুগু সংস্করণ ১ হাজার ৮৬০টি প্রদর্শনী থেকে ৪.৫০ কোটি, হিন্দি সংস্করণ ৪ হাজার ১৯৫টি প্রদর্শনী থেকে ৩.১৫ কোটি এবং কন্নড় সংস্করণ ২১৬টি প্রদর্শনী থেকে ৭০ লাখ রুপি আয় করেছে।
মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্ত থেকেই একের পর এক বক্স অফিস রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি। অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৩০০ কোটি ও ৪০০ কোটি রুপির আয়ের মাইলফলক পেরিয়ে আলোচনায় আসে ‘জেলার ২’। ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া তামিল সিনেমাগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির জায়গাও দখল করেছে এটি। এর আগে বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আয় করা তামিল সিনেমার রেকর্ড ছিল ‘২.০’-এর দখলে। ছবিটির মোট আয় ছিল প্রায় ৬৯১ কোটি রুপি।
‘২.০’-এর রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি বিজয় অভিনীত ‘লিও’-এর প্রায় ৬০৫ কোটি রুপি এবং রজনীকান্তের আগের সিনেমা ‘জেলার’-এর প্রায় ৬০৪ কোটি রুপির বিশ্বব্যাপী আয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে সিক্যুয়েলটি। মাত্র ১১ দিনে ৭১০ কোটি রুপির বেশি আয় করে ‘জেলার ২’ তামিল চলচ্চিত্রের বক্স অফিসে নতুন শীর্ষস্থান দখল করেছে। সিনেমাটির এই সাফল্য দক্ষিণী চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
টি/