
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সারাবছর সহজলভ্য ও জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে কলা অন্যতম। যাত্রাপথে, স্কুলের লাঞ্চ কিংবা অফিসে হালকা নাস্তা হিসেবে অনেকেই নিয়মিত কলা খান। পুষ্টিগুণের কারণে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা রাখা শরীরের জন্য বিভিন্নভাবে উপকারী হতে পারে।
ব্যায়ামের আগে দ্রুত শক্তির উৎস হিসেবেও কলা বেশ কার্যকর। পাকা কলায় থাকা প্রাকৃতিক শর্করা দ্রুত শরীরে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময়ের সাইক্লিংয়ের আগে কলা খাওয়া ব্যক্তিদের কর্মক্ষমতা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত স্পোর্টস ড্রিংক গ্রহণকারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে আলাদা ছিল না। ফলে ব্যায়ামের আগে সহজলভ্য প্রাকৃতিক জ্বালানি হিসেবে কলা বেছে নেওয়া যেতে পারে।
কলা পেশীর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতেও সহায়ক। এতে থাকা পটাশিয়াম পেশী সংকোচন ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ
কলা কতটা পাকা, তার ওপরও এর কার্বোহাইড্রেটের ধরন নির্ভর করে। পাকা কলার তুলনায় কাঁচা বা কম পাকা কলায় বেশি রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ থাকে, যা তুলনামূলক ধীরে হজম হয়। ফলে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীলভাবে শক্তি জোগাতে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে পাকা কলার সহজে হজমযোগ্য শর্করা দ্রুত শক্তি দিতে পারে।
পাকার মাত্রাভেদে কলা শরীরে দুই ধরনের শক্তি সরবরাহ করতে পারে—দ্রুত হজমযোগ্য শর্করা এবং ধীরে হজম হওয়া স্টার্চ ও ফাইবার। এ কারণে ব্যায়ামের আগে ও পরে কলা একটি সুবিধাজনক খাবার হতে পারে। পাশাপাশি কলায় থাকা পটাশিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে শরীরকে পর্যাপ্ত আর্দ্র রাখতে শুধু কলার ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ও অন্যান্য তরল গ্রহণ করাও জরুরি।
টি/