
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
কার্ডিফের সেন্ট ডেভিডস হোটেলে আয়োজিত এক শীর্ষ সম্মেলনে স্কটল্যান্ডের এসএনপি, ওয়েলসের প্লাইড কামরি এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের সিন ফেইনের শীর্ষ নেতারা হাত মিলিয়েছেন একটি যৌথ সমঝোতা স্মারকে। তাদের এই নজিরবিহীন ঐক্যের বার্তা মূল বার্তাটিই যেন স্পটলাইটে এনে দিয়েছে: ওয়েস্টমিনস্টার একা আর চার জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারবে না। ক্ষমতার কেন্দ্রে বসা প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম যখন দেশের অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতি সামলাতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই তিন অঞ্চলের সরকারপ্রধান ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিজেদের স্বাধিকার ও স্বাধীনতার নতুন মানচিত্র আঁকতে শুরু করেছেন।
ন্যাশনালিষ্ট দলগুলোর কৌশলও বেশ স্পষ্ট। শুধু স্বাধীনতার দাবি বা গণভোটের অধিকারেই সীমাবদ্ধ না থেকে তারা অর্থনীতি, জ্বালানি বণ্টন, বাণিজ্য নীতি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফেরাসহ
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার সাংবিধানিক বিতর্ক এড়িয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় নিজেদের নজরবদ্ধ রাখতে চায়। তবে আঞ্চলিক সরকারগুলোর মতে, তিন অঞ্চলে একযোগে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতৃত্বের এই ধারাবাহিক উত্থান নিছক কোনো রাজনৈতিক কাকতালীয় ঘটনা নয়। বরং, বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে রূপান্তরের ইঙ্গিত বলা যায়।
যুক্তরাজ্যের অখণ্ডতা ধরে রাখতে ওয়েস্টমিনস্টারের হাতে সময় এখন অনেকটাই সীমিত। তিন আঞ্চলিক শক্তির এই দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক কৌশল কেন্দ্রের শাসনব্যবস্থাকে একটি অনভিপ্রেত মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, যা যুক্তরাজ্যের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক মানচিত্র চিরতরে বদলে দিতে পারে।