
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
পাঁচ দফা দাবিতে চতুর্থ দফায় সাজেকে সড়ক অবরোধ শুরু করেছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার সকাল থেকে সাজেক সড়কে শান্তিপূর্ণভাবে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর আগে এক দিনের বিরতি দিয়ে রোববার থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ঘোষণা দেয় সংগঠন দুটি।
সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে এ অবরোধ চলছে। সোমবার সকাল থেকে সড়কে বড় ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবরোধকারীরা বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির চেষ্টা করেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২২ অক্টোবর থেকে টানা ১০ দিন সাজেকে সড়ক অবরোধ চলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট বিবেচনায় রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধ শিথিল করা হয়। তবে ওই দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামে একটি শ্রমিক সংগঠন খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে অবরোধ ডাকায় পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। ফলে সাজেকে খাদ্যসংকটের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, অবরোধের কারণে সড়কে বড় ধরনের যানবাহন চলাচল করছে না। তবে মাঝেমধ্যে কয়েকটি অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। এখন পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে টানা অবরোধের কারণে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সংকটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে গত ২৬ অক্টোবর উজোবাজারে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বৈঠকে আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবির চারটি বিষয়ে সমঝোতা হলেও একটি দাবি নিয়ে মতপার্থক্য থাকায় আলোচনা অমীমাংসিত থেকে যায়। তবে পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে এখনো কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে সাজেকে অবরোধ পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
টি/