
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের রাজনৈতিক মূল্যায়ন হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে লড়ছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি। জনমত জরিপ ও বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে মাত্র দুটি মধ্যবর্তী নির্বাচন ছাড়া প্রতিবারই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দল কংগ্রেসে আসন হারিয়েছে। সেই ইতিহাস এবারও রিপাবলিকানদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে বলে বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে। ভোটারদের বড় উদ্বেগ এখন জীবনযাত্রার ব্যয়। ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও ইরানে হামলার সিদ্ধান্তের পর অভ্যন্তরীণ ব্যয় বেড়েছে বলেও জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে অক্টোবরের শুরু থেকে দুই ডজনের বেশি নির্বাচনী সমাবেশ করেছেন ট্রাম্প। এসব সমাবেশের অধিকাংশই হয়েছে ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাঁর জয়ী অঙ্গরাজ্যগুলোতে। অন্যদিকে, রিপাবলিকান নেতারা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের উগ্রপন্থি ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী হিসেবে তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।
এবার প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটি এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত তিনটি এবং সিনেটে চারটি আসন বাড়াতে হবে। দুই কক্ষের যেকোনো একটির নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা এবং তাঁর বিভিন্ন নিয়োগ আটকে দেওয়ার সুযোগ পাবে ডেমোক্র্যাটরা।
সিনেটের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মিশিগান, আলাস্কা, টেক্সাস ও কানসাস অঙ্গরাজ্য। মিশিগানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রিপাবলিকান মাইক রজার্স। এল-সায়েদ নির্বাচিত হলে তিনি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর। ফলে এই নির্বাচন শুধু কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নয়, মার্কিন রাজনীতিতে নতুন প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
টি/