
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে অন্তত ১৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করার কথা জানিয়েছে ভারত।
সোমবার (৫ অক্টোবর) আটককৃতদের পুশব্যাকের জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিমানে করে পশ্চিমবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকেই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) তথ্যের ভিত্তিতে এ খবর জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে পরিচালিত এক বিশেষ জরিপের সময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আটক অন্তত ৫০০ জনের একটি দলের অংশ এই ১৫০ জন। বর্তমানে তাদের পুলিশের নিয়ন্ত্রণে একটি বিশেষ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাগডোগরা থেকেই এই ১৫০ বাংলাদেশিকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, এই ১৫০
এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এই মানুষগুলোর অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। তারা মূলত ময়লা কুড়ানোর মতো ছোটখাটো বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।’
সূত্র জানিয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমার থেকে আসা কিছু রোহিঙ্গা নাগরিকও রয়েছেন। আগামী দিনগুলোতে ধাপে ধাপে বাকিদেরও অন্য দলের সঙ্গে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
উচ্চপর্যায়ের কমিটি জম্মু ও কাশ্মীর সফরের সময় জানতে পেরেছিল যে, ওই অঞ্চলে ৭ হাজার ৬৫৬ জন রোহিঙ্গা এবং ৫০৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এর মধ্যে জম্মুতে ৬ হাজার ৭৩৭ জন রোহিঙ্গা ও ৪৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসী এবং বাকিরা কাশ্মীরে বসবাস করছেন। কমিটিকে আরও জানানো হয় যে তাদের বিরুদ্ধে মোট ১১৭টি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে—যার মধ্যে জম্মুতে ১০১টি এবং কাশ্মীরে ১৬টি মামলা রয়েছে।
অবৈধ অভিবাসন ও অন্যান্য কারণে সৃষ্ট জনমিতির পরিবর্তনগুলো অধ্যয়ন করা এবং তা মোকাবিলার উপায় সুপারিশ করা এই কমিটির মূল দায়িত্ব। কমিটিকে এক বছরের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত ১৫ বছরে বিভিন্ন জেলা, শিল্পাঞ্চল এবং সীমান্ত এলাকার ধর্মীয় জনমিতিতে ‘দৃশ্যমান পরিবর্তন’ সম্পর্কে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছিল এই কমিটি।
গত দুই মাসে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাঠানো এক চিঠিতে বিগত বছরগুলোর পরিবর্তন নির্দেশক ‘টাইম-সিরিজ ডেটা’ বা কালানুক্রমিক তথ্য চেয়েছে কমিটি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলোর করা জনমিতির ‘প্রধান প্রবণতাগুলোর’ মূল্যায়ন এবং ২০১১ সাল থেকে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় গঠনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।