
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরানে আবারও সামরিক হামলা চালানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৯ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্প জানান, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। যদি চলমান আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে—সম্ভবত শুক্রবার, শনিবার, রবিবার কিংবা আগামী সপ্তাহের শুরুতে—একটি সীমিত সময়ের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে ট্রাম্প এও উল্লেখ করেছেন যে, ইরানের নেতারা এখন চুক্তির জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং আলোচনা এগিয়ে নিতে চাইছেন।
এর আগে সোমবার (১৮ মে) ট্রাম্প জানান যে, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেও
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই উত্তেজনা প্রশমনে এবং আলোচনা সফল করতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ চলছে। এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কাতার। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, পক্ষগুলোকে আলোচনার টেবিলে আনতে এবং সমাধান খুঁজে বের করতে পাকিস্তানের আন্তরিক প্রচেষ্টাকে দোহা পূর্ণ সমর্থন করে। একই সঙ্গে এই সংকট সমাধানের জন্য প্রক্রিয়াটিকে আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে কাতার, যাতে অঞ্চলের সাধারণ মানুষ কোনো উত্তেজনার শিকার না হয়।
অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর বরাত দিয়ে একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব হস্তান্তর করেছে। তবে ওই কর্মকর্তার মতে, তেহরানের এই নতুন প্রস্তাব তাদের আগের অবস্থানের চেয়ে খুব একটা উন্নত বা তাৎপর্যপূর্ণ কিছু নয়। তিনি পরিস্থিতির জটিলতা উল্লেখ করে বলেন, আলোচনার ক্ষেত্রে দৃশ্যত বড় কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না এবং এখন সঠিক উপায়ে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সব চাপ ইরানের ওপরই রয়েছে।
চলমান এই অচলাবস্থা নিয়ে ওয়াশিংটন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, তারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা দেখতে চায়। ওই মার্কিন কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কূটনৈতিক আলোচনা যদি ব্যর্থ হয়, তবে শেষ পর্যন্ত 'বোমার মাধ্যমে' কথা বলতে হবে, যা হবে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ বা উত্তেজনা এড়াতে কাতারসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলো এখন সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে কূটনৈতিক সমাধানের ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।
/টিএ