
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
উত্তেজনা, কূটনীতি আর জ্বালানি বাজার—তিনটি শব্দেই ধরা যায় ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনার সাম্প্রতিক চিত্র। দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে দুই দেশ কয়েকটি নীতিমালার ওপর সমঝোতায় পৌঁছালেও এখনই কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তির পথে হাঁটছে না তারা। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে।
মঙ্গলবার জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা ঘিরে ইতিবাচক বার্তা আসতেই বৈশ্বিক তেলের বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি কমে যায়, যা ইঙ্গিত দেয়—সংঘাতের আশঙ্কা কমলে জ্বালানি বাজারও দ্রুত সাড়া দেয়।
আলোচনা শেষে ইরানের গণমাধ্যমকে আরাগচি বলেন, বিভিন্ন প্রস্তাবিত বিষয় নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানান, অগ্রগতি হলেও এখনও অনেক কাজ বাকি এবং পরবর্তী সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা শেষ হয়েছে।
এদিকে আলোচনা শুরুর পরপরই ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, রেভোলিউশনারি গার্ডের সামরিক মহড়া ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখবে। অতীতে উত্তেজনা বাড়লেই তেহরান এই প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়েছে। বাস্তবে এটি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ ব্যাহত হবে, ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।