
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে দেখছেন, মোবাইল ডেটা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে কিংবা ব্যাটারির চার্জও টিকছে না? এর পেছনে থাকতে পারে ফোনের কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফিচার ও সেটিংস। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ফোনের ডেটা ও ব্যাটারি অতিরিক্ত খরচ হওয়ার ৫টি কারণ।
অ্যাপের অটো-আপডেট।
Play Store-এ অটো-আপডেট চালু থাকলে নতুন সংস্করণ এলেই অ্যাপগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হতে থাকে। একসঙ্গে অনেক অ্যাপ আপডেট হলে এতে মোবাইল ডেটা ও ব্যাটারি দুটোই বেশি খরচ হতে পারে। প্রয়োজন না থাকলে অটো-আপডেট বন্ধ করে রাখতে পারেন।
Wi-Fi ও Bluetooth scanning।
Wi-Fi বা Bluetooth বন্ধ থাকলেও ফোনের স্ক্যানিং ফিচার আশপাশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস শনাক্ত করতে পারে। প্রয়োজন না থাকলে Settings-এর Location Services থেকে Wi-Fi
অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা ব্যবহার।
কোনো অ্যাপ ব্যবহার না করলেও সেটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। বিশেষ করে কম ব্যবহৃত শপিং, গেম বা বিনোদনের অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা বন্ধ করলে অপ্রয়োজনীয় ডেটা খরচ কমানো সম্ভব।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ পারমিশন।
অনেক অ্যাপ লোকেশন, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা কনট্যাক্টস ব্যবহারের অনুমতি চায়। অ্যাপের কাজের জন্য প্রয়োজন নেই—এমন পারমিশন বন্ধ করে রাখা যেতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রমও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
Mobile data always active।
Android-এর Developer options-এ থাকা এই ফিচারটি Wi-Fi ব্যবহার করার সময়ও মোবাইল ডেটা সক্রিয় রাখতে পারে। দ্রুত নেটওয়ার্ক পরিবর্তনের সুবিধা দিলেও সাধারণ ব্যবহারে সবার জন্য এটি প্রয়োজনীয় নয়। প্রয়োজন না থাকলে Developer options থেকে ফিচারটি বন্ধ করা যেতে পারে।
তবে মনে রাখবেন, ফোনের ব্র্যান্ড ও Android সংস্করণ অনুযায়ী এসব সেটিংসের নাম বা অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। কোনো ফিচার বন্ধ করার আগে সেটি আপনার ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
টি/