
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। এ জন্য তাদের প্রস্তুতির সময় সর্বোচ্চ এক মাস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রস্তুতির জন্য সময় দিয়ে শিগগিরই ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭, যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ০৪, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ এবং রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ।
এবারের ফলাফলে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়া হবে। তবে এক মাসের বেশি সময় দেওয়া হবে না। পুনরায় পরীক্ষা আয়োজনের নির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত নিয়মাবলি সম্পর্কে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে সেগুলো নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। সব পরীক্ষা শেষে শনিবার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
এদিকে ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং অনলাইনের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফল সংগ্রহ করা যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফলের শিট ডাউনলোড করতে পারবে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানতে পারবেন।
টি/