
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
২০৩০ সালের মধ্যে এআই মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে!
২০৩০ সালের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর অনিয়ন্ত্রিত বিকাশের কারণে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে—শীর্ষ গবেষকদের এমন এক বিস্ফোরক সতর্কবার্তায় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি এই খাতের শীর্ষস্থানীয় দুই প্রতিষ্ঠান— ওপেন এআই এবং অ্যানথ্রপিকের সাবেক ও বর্তমান গবেষকদের একাংশ প্রকাশ্যে এ নিয়ে চরম ভীতি প্রকাশ করেছেন।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় এআই মডেল প্রাক-প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ জ্যাকব কক্সন -এর পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। বহুজাতিক এই এআই কোম্পানিগুলোর দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রতিযোগিতার প্রতিবাদে চাকরি ছাড়েন ২৭ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ গণিতবিদ। পদত্যাগের পর সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, "যারা এআই তৈরি করছেন, তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে
কক্সনের এই আশঙ্কার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন অ্যানথ্রপিক -এর বর্তমান এআই অ্যালাইনমেন্ট বিভাগের প্রধান ইভান হুবিঙ্গার । তার মতে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে এআই-এর মাধ্যমে মানুষের বিলুপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা ১০ শতাংশেরও বেশি। একই সুর শোনা গেছে প্রতিষ্ঠানটির স্কেলেবল ওভারসাইট প্রধান স্যামুয়েল মার্কসের কণ্ঠেও। গবেষকদের প্রধান ভয় হলো, এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেললে তা মারাত্মক সাইবার হামলা বা জৈব অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হতে পারে।
এই বিস্ফোরক তথ্যের পর বিশ্ব রাজনীতিতেও তোলপাড় শুরু হয়েছে। মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ একাধিক শীর্ষ রাজনীতিবিদ এআই-এর এই অনিয়ন্ত্রিত অগ্রযাত্রাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে এর উন্নয়ন অবিলম্বে থামানোর জোরালো দাবি জানিয়েছেন। যদিও অ্যানথ্রপিক তাদের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার কথা বলছে, তবুও এআই-এর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে।