logo
youtube logotwitter logofacebook logo

২০২৭ সালেই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

২০২৭ সালেই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন - image

২০২৭ সালেই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

26 আগস্ট 2026, বিকাল 7:59

২০২৭ সালেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, এটি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হবে।বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের পানি সংকট, নদীভাঙন ও মরুকরণের ঝুঁকি মোকাবিলায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।সারের সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধী দল কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলাররাই এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে নতুন কোনো ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আগের ডিলারদের বাতিল না করে শূন্য পদে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য দ্বিতীয় পরিপত্র জারি করা হয়েছে এবং তৃতীয় পরিপত্রের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতি ইউনিয়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে একজন করে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে সার সংগ্রহ করতে পারেন। কেউ যেন অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এ কর্মসূচি নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও বর্তমানে সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে তাদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।উত্তরাঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একসময় অল্প গভীরতায় পানি পাওয়া গেলেও বর্তমানে অনেক এলাকায় ২০০ ফুট খুঁড়েও পানির সন্ধান মিলছে না। বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু স্থানে ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট গভীরেও পানির সংকট দেখা দিয়েছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এসব নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ধীরে ধীরে মরুকরণের ঝুঁকিতে পড়ছে। কুড়িগ্রামে ৫৪টি এবং পঞ্চগড়ে প্রায় ৫০টি নদী থাকলেও এর অনেকগুলো এখন আর আগের মতো জীবন্ত নেই।ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যার পানি নিশ্চিত করা হলে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রেয়াজুল ইসলাম কালু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী, ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।/এমআর/

আগস্ট ২৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo