logo
youtube logotwitter logofacebook logo

হজ

ইসলামী সওয়াল ও জবাব - image

ইসলামী সওয়াল ও জবাব

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

ইসলামী অনুষ্ঠান ‘আরএফএল কসমিক ডোর ইসলামী সওয়াল ও জবাব’ প্রচার- বুধবার বিকাল ৫টা ২৫ মিনিট এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০মিনিট এটিএন বাংলায় বুধবার বিকাল ৫টা ২৫ মিনিট এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে কোরআন ও সুন্নাহ্’র আলোকে দর্শক সম্পৃক্ত সরাসরি সম্প্রচারিত ইসলামী অনুষ্ঠান ‘আরএফএল কসমিক ডোর ইসলামী সওয়াল ও জবাব’। এটিএন বাংলা’র ইসলামী বিভাগের প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করছেন আরকান উল¬¬াহ্ হারুনী। জানার আগ্রহ মানুষের মাঝে প্রবল। আর তা যদি হয় ইসলাম বিষয়ে তাহলে সবাই বিষয়টিকে অন্য রকম গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। ইসলামের অনেক বিষয়ই মানুষের জানার আগ্রহ প্রবল। তাইতো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের ব্যবহারিক প্রয়োগ, ঈমান, আমল, নামাজ, রোজা, হজ্জ্বসহ ইসলামের জানা অজানা সব বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। নির্দিষ্ট কিছু ইসলামী বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করা হয়। এরপর টেলিফোনে সরাসরি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্ন শুনে আলেমগন তার উত্তর দিয়ে থাকেন। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আর্ন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলেম সৈয়দ কামালউদ্দিন জাফরী, তারেক মনওয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করার জন্য সরসরি ফোন নাম্বার- ০৪৪৭৬০৫৫৫৫৭, ০৪৪৭৬০৫৫৫৫৫। কোরআনের বিধান অনুযায়ী আমল করা, ইসলামের বিধি নিধেষ সম্পর্কে সঠিকভাবে অবগত হওয়া সর্বোপরি নবীজীর আদর্শে জীবন গড়ার লক্ষ্যে অন্যতম ভূমিকা রাখতে অনুষ্ঠানটি।

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
বাংলায় ডাবিংকৃত শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান ‘ম্যাড’ - image

বাংলায় ডাবিংকৃত শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান ‘ম্যাড’

24 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় প্রতি বুধবার সন্ধ্যা ৬.১৫ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান ‘ম্যাড’। দর্শকদের জন্য পোগো টেলিভিশনের অনুষ্ঠানটি বাংলায় ডাবিং করে প্রচার করা হচ্ছে। শিশুতোষ এই শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন রব। ছোটদের মাঝে রব খুবই জনপ্রিয় একটি নাম। টিভি শো ম্যাডে’র বদৌলতেই তিনি এই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। খুবই সাধারণ উপকরণ ব্যবহার করে কিভাবে শিল্পমান সম্মত ব্যবহার্য জিনিস তৈরি করা যায় অনুষ্ঠানের দর্শকদের জন্য রব তাই করে দেখান। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গী হিসেবে থাকে একদল শিশু। অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বেই দর্শকদের জন্য থাকে নিত্য নতুন আবিস্কারের টানটান উত্তেজনা। কাঠ পেন্সিল, তুলি, রং এবং কাগজের মতো সামান্য উপকরণ ব্যবহার করে খুব সহজেই রবের হাতের স্পর্শে হয়ে ওঠে একটি চমৎকার শিল্পকর্ম। পুরো প্রক্রিয়াটি শিশুরা আনন্দের সাথে উপভোগ করেন। পরবর্তীতে ঘরে বসে অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেরাও যাতে তৈরি করতে সক্ষম হয় সেজন্য সাবলীলভাবে পুরো বিষয়টি তুলে ধরা হয়। রবের প্রতিটি সৃষ্টির সঙ্গেই জড়িত থাকে তার শৈল্পিক মননের ছোঁয়া। ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল নতুবা কাগজের বাক্স দিয়ে রং-তুলির আঁচড়ে নতুন এবং সহজ কৌশলে শিশুদের জন্য তৈরি করা হয় মজার মজার খেলার সামগ্রী। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুরা নিজেদের সৃজণশীল প্রতিভার বিকাশের ক্ষেত্রটিকে অনেক বেশি বিস্তৃত করতে পারবে। সেই সাথে হয়ে উঠবে শৈল্পিক মননের অধিকারী।

নভেম্বর ২৪, ২০১৫
৫০ পর্বে ‘সাহেব-বাবু’র বৈঠকখানা’ - image

৫০ পর্বে ‘সাহেব-বাবু’র বৈঠকখানা’

26 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

প্রচার- ২৭ নভেম্বর, রাত ৮টা রচনা: শাহজাহান সৌরভ, পরিচালনা- জাহিদুল ইসলাম এটিএন বাংলায় আজ (২৭ নভেম্বর) রাত ৮টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক সাহেব-বাবুর বৈঠকখানার ৫০তম পর্ব। শাহ্জাহান সৌরভের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন জাহিদুল ইসলাম। ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, রোমানা, আজিজুল হাকিম, সুমনা সোমা, আতাউর রহমান, জাহিদ হোসেন শোভন, সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, তোফা হাসান, হাসান ফেরদৌস জুয়েল, কাজী উজ্জল, লীনা ফেরদৌসী, তারিক স্বপন, সাব্বির আহমেদ, ওয়াসিম, অবিদ রেহান, স্বর্ণা প্রমুখ। গ্রামের নাম ফুলছোটা। হাসি-আনন্দে ভরপুর সেই গ্রামেরই ২ বন্ধু সাহেব আর বাবু। সেই ছোট্টবেলার বন্ধু ওরা। জীবনের প্রয়োজনে আজ দু’জন দুই জগতের মানুষ হলেও, তাদের বন্ধুত্বে কখনও ভাটা পড়েনি। সাহেব, এলাকার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আর বাবু ডিগ্রী পাশ করার পর বইয়ের ব্যবসা করছে। কলেজে পড়বার সময় বাবু থিয়েটার দেখেছে কিন্তুু গোঁড়া ধার্মিক বাবার ভয়ে কখনও থিয়েটারে ভর্তি হতে পারেনি। তবে, থিয়েটার নিয়ে তার স্বপ্নটা মরে যায়নি বরং দিনে দিনে সেটা চারাগাছ থেকে মহীরুহ হয়েছে। আর তারই ফসল, ফুলছোটা থিয়েটার- একটি মননশীল শিল্প ও সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র। খুব গোপনে গ্রামে এই থিয়েটার শুরু করেছে বাবু আর এ ব্যাপারে তাকে সর্বাতœক সহযোগিতা করেছে সাহেব। থিয়েটারটিকে তার দলের একটা আউটপোস্ট হবে চিন্তা করার কারণে দ্বন্দ্ব শুরু হয় ২ বাল্যবন্ধুর। এই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যায় এলাকার প্রবীণ রাজনীতিবিদ বাহার ভাই এবং ঘটনাক্রমে তিনি খুন হন খুব রহস্যজনকভাবে। কাহিনী মোড় নেয় অন্য দিকে।

নভেম্বর ২৬, ২০১৫
ক্রিকেটে নিষিদ্ধ নারাইন, বিপাকে কুমিল্লা - image

ক্রিকেটে নিষিদ্ধ নারাইন, বিপাকে কুমিল্লা

29 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: অবশেষে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইন। রোববার  এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল -আইসিসি। গত ৭ নভেম্বর পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে নারাইনের অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হয়েছিল আম্পায়ারদের। আনুষ্ঠানিক অভিযোগও আনেন। বিপিএল খেলতে আসার আগে গত ১৭ নভেম্বর লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েছিলেন নারাইন। নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ঘরোয়া্ লিগগুলোতেও বোলিং করতে পারবেন না নারাইন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড চাইলে নিজেদের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবেন এই স্পিনার। এদিকে, রোববার সিলেট সুপার স্টার্সের বিপক্ষেও খেলার কথা ছিল তার। ম্যাচের আগের দিন দলের অন্যতম সেরা অস্ত্রকে হারিয়ে বিপাকেই পড়ে গেল কুমিল্লা।

নভেম্বর ২৯, ২০১৫
ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে অনুষ্ঠান ‘রক্সি রঙের মেলা চারদেয়ালের কাব্য’ - image

ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে অনুষ্ঠান ‘রক্সি রঙের মেলা চারদেয়ালের কাব্য’

07 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

‘রক্সি রঙের মেলা চারদেয়ালের কাব্য’ উপস্থাপনা-রুমানা মালিক মুনমুন পরিচালনা- সেলিম দৌলা খান অতিথি- কণ্ঠশিল্পী মিলন মাহমুদ ঘরটা হবে দখিনা দুয়ারি। জানালার ফাক গলে মিষ্টি নরম রোদ আলতো করে ছুঁয়ে যাওয়া কিংবা এক চিলতে বারান্দায় বসন্তের খোলা হাওয়ায় মন জুড়িয়ে যাওয়া -এমন একটি ঘরের কল্পনা সবার মনে উকি দিয়ে যায়। সেই ঘর সাজানোর গল্প নিয়ে সেলিম দৌলা খানের পরিচালনায় এটিএন বাংলায় আজ ( ৮ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৬.১৫ মিনিটে প্রচার হবে ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে অনুষ্ঠান ‘রকসি রঙের মেলা চারদেয়ালের কাব্য’। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন রুমানা মালিক মুনমুন। অনুষ্ঠানের আজকের পর্বে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মিলন মাহমুদ। সময়ের সাথে সাথে আমাদের রুচিরও পরিবর্তন হয়েছে। অফিস কিংবা বাসা সবখানেই এখন রুচিশীল মানুষ তাদের নান্দনিকতার ছোঁয়া রাখছেন। দৃষ্টিনন্দন করে সাজাচ্ছেন নিজেদের ঘরের প্রতিটি স্থান। গৃহস্থালি নতুবা অফিস যাই হোক না কেন, পরিপাটি করে সাজাতে কে না চায়। ঘর সাজানোর এই কাজটি সহজ করে দেন একজন দক্ষ ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার। ডিজাইনার তার শৈল্পিক মনের ছোঁয়াতে সাজিয়ে তোলেন চমৎকার এক চারদেয়াল। শিল্পীর হাতের ছোঁয়ার একটি সাধারণ ঘরও হয়ে ওঠে অসাধারণ। চারদেয়ালের কাব্য অনুষ্ঠানে দর্শকদের জন্য উপস্থাপন করা হয়ে থাকে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের নানান বিষয় নিয়ে একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও স্থপতির আলাপচারিতা। খুব সহজেই কিভাবে নিজের ঘরটি দৃষ্টিনন্দন করে সাজাতে হবে সেই বিষয়ে অতিথি তার মুল্যবাম পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় বাড়ি, অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনার বিস্তারিত প্রতিবেদনসহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণের প্রাপ্তিস্থান, বাজার দর, ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং স্কুলের নানান তথ্য।

ডিসেম্বর ০৭, ২০১৫
বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’ - image

বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’

08 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বিজয় মাস ডিসেম্বরে এটিএন বাংলায় প্রতিদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন আমজাদ কবীর চৌধুরী। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এটিএন বাংলায় সম্প্রপ্রচার করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ই ডিসেম্বর সারা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সাধারন নির্বাচন। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ফলাফলে বিস্মিত হয়ে পড়ে পাকিস্তানী শাসক চক্র। বাঙ্গালীর ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবে বাঙ্গালী, এটা মানতে পারছিলনা পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী। তারা শুরু করে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি, ক্ষমতা বদলে চলে টালবাহানা। বাধ্য হয়ে বাঙ্গালীরা রুখে দাঁড়ায় নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রনে। শুরু হয় মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়কার প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে অনুষ্ঠানে। মুুক্তিযুদ্ধে যারা সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাঁদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রাণবন্তভাবে উঠে এসেছে একাত্তরের উত্তাল দিনের ঘটনাসমুহ। তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিষ্টার আমিরুল ইসলাম, ড. কামাল হোসেন, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক উপ মহাপরিচালক আশফাকুর রহমান, সংবাদ কর্মী, রাজনৈতিক নেতা, সেক্টর কমান্ডার, সাস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, নাট্য ব্যক্তিত্বসহ মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ একাত্তরের দিনগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন। যুদ্ধদিনের প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো পর্যায়ক্রমে উঠে আসবে অনুষ্ঠানে। উত্তাল একাত্তরের দিনপঞ্জি নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উঠে আসবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

ডিসেম্বর ০৮, ২০১৫
রংপুরকে হারিয়ে ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী বরিশাল - image

রংপুরকে হারিয়ে ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী বরিশাল

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে শাহরিয়ার নাফিস এবং সাব্বিরের ব্যাটে সাকিবের রংপুর রাইডার্সে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বরিশাল বুলস। রংপুরের দেয়া ১৬১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভার তিন বলে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষে পৌঁছে যায় বরিশাল। গেইলের অনুপস্থিতে দলে অনেকদিন পর খেলতে নামা বরিশালের লোকাল হিরো শাহরিয়ার নাফিস করেন ৪২ রান। তবে সর্বোচ্চ রান আসে সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে। তিনি করেন ৪৯ বল ৭৯ রান। মূলত এই দুজনার ব্যাটের উপর ভর করেই জয় পায় বরিশাল ১৬১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি বরিশালের। দ্বিতীয় ওভারেই মাত্র তিন রানের মাথায় আরাফাত সানির বলে পেরেরার হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ‍দুই রান করা রনি তালুকদার। অপর ওপেনার প্রসান্নেও বেশীক্ষণ টিকতে পারেননি। দলীয় ১০ রানে সাত রান করা প্রসান্নেকে বিদায় করেন সাকিব। এর পরই সাব্বির আর শাহরিয়ার নাফিসের ব্যাটিং। দুজনে মিলে গলে তোলেন ১২৪ রানের পার্টনারশিপ। মূলত এই পার্টনারশিপও রংপুরের বিদায় নিশ্চিত হয়। ১৩৪ রানের মাথায় এই জুটি ভাঙে রান আউটের মাধ্যমে। সাব্বিরের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে শাহরিয়ার নাফিস ফেরেন ৪২ রান করে। এর পর ১৪১ রানের মাথায় পেরেরার বলে স্যামির দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন সাব্বির। যাবার আগে করেন মাত্র ৪৯ বলে তিনটি ছয় এবং সাতটি চারের সাহায্যে ৭৯ রান। এর পর যাখন ৯ বলে ১৪ রান দরকার এমন সময় মাহমুদুল্লাহকে আউট হলে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন স্যামি। কিন্তু পরের বলে ছক্কা হাকিয়ে বরিশালকে জয়ের কাছে নিয়ে যান ইমরিট। ষষ্ট বলটি ডট হলে শেষ ওভারে বরিশালের দরকার পরে ৮ রান। কিন্তু পেরোরর প্রথম বলেই ৪ মেরে হিসাবটা সহজ করে দেন কুপার। দ্বিতীয় বলে ‍দুই আর তৃতীয় বলে ছক্কা হাকিয়ে বুলসকে ফাইনালে নিয়ে যান কুপার। এর আগে মিরপুরে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রংপুরকে দারুণ সূচনা এনে দেন আবদুল্লাহ আল মামুন ও লেন্ডন সিমন্স। দুজন উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৫২ রান। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যক্তিগত ২০ রানে আউট হন আবদুল্লাহ আল মামুন। এরপর সৌম্য সরকার দ্রুত বিদায় নেন। তিনি করেন ৬ রান। সাকিব আল হাসানও বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। ১৩ রান করে আউট হন তিনি। তবে একপ্রান্ত আগলে ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান সিমন্স। তিনি করেন ৭৩ রান। শেষ দিকে ড্যারেন স্যামির ২৩ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ১৬০ রান করে রংপুর। তবে রংপুরের ইনিংস আরও বড় হতে পারত। কিন্তু হতে দেননি কুপার। শেষ দিকের ব্যাটসম্যানদের দ্রুত তুলে নেন তিনি। শেষে পর্যন্ত ৩৯ রানে নেন ৪ উইকেট। এই ম্যাচে খেলননি বরিশালের ক্রিস গেইল। বিগব্যাশে খেলতে শনিবার ঢাকা ছাড়েন তিনি। বিগ ব্যাশের সাথে চুক্তি থাকায় এ ম্যাচ না খেলেই চলে যান তিনি। দর্শকরা ফাইনালে গেইলকে অবশ্যই মিস করবে। আগামী মঙ্গলবার ফাইনালে মাশরাফির কুমিল্লার মুখোমুখি হবে বিপিএলে প্রথম আসলের রানার্সআপ বরিশাল। এই রংপুরকেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে কুমিল্লা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
বার্সার সামনে আর্সেনাল, সহজ প্রতিপক্ষ রিয়ালের - image

বার্সার সামনে আর্সেনাল, সহজ প্রতিপক্ষ রিয়ালের

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে বার্সেলোনার সামনে পরতে হচ্ছে ইংলিশ জায়ান্ট আর্সেনাল। আর জুভেন্টাসে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখকে। আর চেলসিকে খেলতে হবে ইব্রাহোমোভিচের পিএসজির বিরুদ্ধে। তবে সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ইতালির দল রোমার বিপক্ষে খেলবে প্রতিযোগিতার রেকর্ড দশবারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের ক্লাব পিএসভির বিরুদ্ধে লড়বে স্প্যানিশ ক্লান অ্যাথলেকিটো মাদ্রিদ। তবে ড্রতে সব থেকে খুশি ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি। শেষ শোলতে তাদের প্রতিপক্ষ ইউক্রেইনের ক্লাব দিনামো। আর রাশিয়ান ক্লাব জেনিথের প্রতিপক্ষ পর্তুগালের বেনফিকা। সোমবার সুইজারল্যান্ডের নিওঁতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে ওঠা দলগুলোর কে কার বিপক্ষে খেলবে তা লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo