logo
youtube logotwitter logofacebook logo

লক্ষ্মীপুর

সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ - image

সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

12 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন রোববার। সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ করবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রোববার সকালে প্রত্যাহারের শেষ দিনে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে প্রত্যাহারপত্র জমা দেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটোয়ারী ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী। সোনারগাঁও পৌরসভায় স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী ও সাবেক মেয়র সাইদুর রহমান মোল্লা এবং রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভায় সংরক্ষিত আসনের ১ নারী কাউন্সিলর প্রার্থীসহ ৫জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া শেরপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হুমায়ুন কবীর রুমান এবং শেখ বোরহান উদ্দিন আহমেদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। কিশোরগঞ্জ সদরে বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাড়িছেন। এছাড়া পিরোজপুর সদর, খাগড়াছড়ি সদর এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এদিকে, আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের বিএনপির মেয়র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া।

ডিসেম্বর ১২, ২০১৫
সারা দেশে পৌর নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ - image

সারা দেশে পৌর নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: পৌরসভা নির্বাচনে প্রতীক পাওয়ার পর নির্বাচনী প্রচরণায় নেমেছেন প্রার্থীরা। এবারের পৌর নির্বাচনে সারা দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় মেয়র পদে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৯২১। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৩৩, বিএনপির ২১৯, জাতীয় পার্টির ৭৩, স্বতন্ত্র ২৭১ প্রার্থী এবং অন্যান্য দলের ১২৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৭ জন। সোমবার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা র্প্রাথীদের প্রতীক বরাদ্দ করেন। স্থানীয় সরকারে এই প্রথম দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন হচ্ছে বলে মেয়র পদপ্রার্থীরা নিজ নিজ দলের মার্কা নিয়েই নির্বাচন করছেন। তবে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের জন্য আলাদা প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় মিছিল, জনসভা বা কোনো ধরণের শোডাউন না করে আচরণ বিধি মেনে চলতে প্রার্থীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সুনামগঞ্জের ৪ পৌরসভায় প্রতীক বরাদ্দ শেষ করেছেন রিটার্নিং অফিসাররা। জেলার চার পৌরসভার ১২ মেয়র প্রার্থীসহ ১৫০ জন কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৩ জন কাউন্সিলররা নিজ নিজ প্রতীক বুঝে নিয়েছেন। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুনামগঞ্জ পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, দিরাই পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, ছাতক পৌরসভায় রিটার্নিং অফিসার জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, জগন্নাথপুর পৌরসভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জগন্নাথপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকতা মো. হুমায়ুন কবীর স্ব স্ব পৌরসভা এলাকার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের চিঠি তুলে দেন। মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সুনামগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র আয়ুব বখত জগলুলকে নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসন রাজার প্রপৌত্র দেওয়ান গনিউল সালাদীনকে মোবাইল এবং বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদকে ধানের শীষ প্রতীকের চিঠি তুলে দেন। ছাতক পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র আবুল কালামকে নৌকা, বিএনপি প্রার্থী শামছুর রহমান সামছুকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। দিরাই পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোশারফ মিয়াকে নৌকা, বিএনপি প্রার্থী মঈনুদ্দিন চৌধুরী মাসুককে ধানের শীষ, জাপার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক সর্দারকে লাঙ্গল, জাসদে প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেনকে মশাল প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। জগন্নাথপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল মনাফকে নৌকা, বিএনপি প্রার্থী মো. রাজু আহমদকে ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল করিমকে জগ প্রতীক তুলে দেয়া হয়। একই সঙ্গে কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এদিকে টাঙ্গাইলের ৮টি পৌরসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার সকালে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আসেন প্রতীকের জন্য। রিটার্নিং অফিসার দলীয় মেয়র প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন। এছাড়া স্বতন্ত্র মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীদের লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক বুঝে পেয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচার প্রচারনায় নেমেছেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৮টি পৌরসভায় মেয়র পদে ২৫ জন, কাউন্সিলর পদে ২৬৫ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। সোমবার সাতক্ষীরায় পৌর নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এএফএম এহতেশামুল হক জানান, মেয়র পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এর মধ্যে পৗর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন নৌকা প্রতীক। জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল পেয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন। বিএনপি দলীয় প্রার্থী তাছকিন আহমেদ চিশতি পেয়েছেন ধানের শীষ। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু পেয়েছেন নারিকেল গাছ প্রতীক। তিনি আরও জানান, কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৭ জন প্রার্থীদেরও বিভিন্ন প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এদিকে কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন জানান, সেখানে মেয়র পদে ৪ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৬ জন এবং সংরক্ষিত আসনে ৬ জন মহিলা কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতিক নৌকা পেয়েছেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দলীয় প্রতিক ধানের শীষ পেয়েছেন বর্তমান মেয়র আক্তারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল পেয়েছেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মুনসুর আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিদ্রোহী প্রার্থী আরাফাত হোসেন পেয়েছেন মোবাইল প্রতীক। অপরদিকে নির্বাচনকে ঘিরে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌর এলাকায় জমে উঠেছে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। শুরু করেছে নির্বাচনী পথসভা ও মতবিনিময়। দেয়ালে দেয়ালে সাটানো হয়েছে পোস্টার। শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। রয়েছে ব্যানারও। আর নির্বাচনের ‘প্রতিশ্রুতি’ তো রয়েছেই। সাতক্ষীরা পৌর সভার ৭৯ হাজার ভোটার ও কলারোয়া পৌরসভার ১৮ হাজার ৫২৫ জন ভোটার মধ্যে এবার কে হবেন আগামী দিনের পৌর পিতা সেটাই এখন বিভিন্ন চায়ের স্টলে আলোচনার বিষয়। এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ ও রামগতি পৌরসভার আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ও স্বতন্ত্র মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার সকালে স্ব-স্ব রিটার্নিং অফিসার সকল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। জেলা নির্বাচন অফিসরা মো. সহেল সামাদ জানান, তিন পৌরসভায় ১৩ মেয়র, সংরক্ষিত নারী ও কাউন্সিলর পদে ১৪৫জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ তিন পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার ১০৩জন। এদের মধ্যে রায়পুর পৌরসভা ভোটার সংখ্যা ২২১১জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৩শত ৬৯ ও মহিলা ৯ হাজার ৮শত ৪২জন। রামগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ২৯ হাজার ৫শত ১৬জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ৮শত ৬৬ ও মহিলা ১৪ হাজার ৬শত ৫০। অপরদিকে রামগতি পৌরসভা ১৭ হাজার ৩শত ৭৬জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ৯শত ৯ ও মহিলা ৮ হাজার ৪শত ৭৬জন ভোটার রয়েছেন বলে জানান তিনি। সাভার পৌরসভা সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে উপজেলার অডিটরিয়ামে সিনিয়র জেলা নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার শাহ আলম প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রাথী আব্দুল গনীকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের মার্কার প্রতীক দেওয়া হয়। এদিকে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরে দলীয় প্রতীকে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে প্রার্থীরা। সাভার পৌর সভা নির্বাচনে ২ নং ও ৮ নং ওয়ার্ডে কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় ২ নং ওয়ার্ডে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক মোল্ল্যা ও ৮ নং ওয়ার্ডে সেলিমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশনার। কুষ্টিয়ায় পৌর নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবউল ফেরদৌস সদর পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। এসময় মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাকি ৪টি পৌরসভাতেও একই সময় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার কুমিল্লার ৬টি পৌরসভার ২৬জন মেয়র, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ৪৫জন ও সাধারণ ওয়ার্ডে ২২৮জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতীক পেয়ে প্রার্থীরা প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। চট্টগ্রামের পটিয়া, সীতাকুন্ডসহ দশ পৌরসভায় মেয়র, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতীক পাওয়ার পর নিজ নিজ প্রচারণায় নেমে পড়েন। সিলেট জেলায় প্রথম দফায় ৩টি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এরিমধ্যে প্রার্থীরা প্রতীক পেয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমেছেন। বরিশালে ৬টি পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণয় নেমে পরেন। ময়মনসিংহে প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীরা সমর্থকদের নিয়ে পৌর শহরে মিছিল এবং প্রচারণা কাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করে এর সঙ্গে পাড়া মহল্লায় বেরিয়েয়ে পরে এ প্রচারণা। নারায়ণগঞ্জের তারাব ও সোনারগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে প্রতীক নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেছে প্রার্থীরা। অন্যদিকে ঢাকার ধামরাইয়ে প্রার্থীদেরও সকাল থেকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে - image

পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

29 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: ২৩৪টি পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এটি চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে যা সারা দেশে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট পৌরসভা ২৩৪ টি। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মোট ২৩৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির ২২৩, জাতীয় পার্টির ৭৪, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের ২১, স্বতন্ত্র ২৮৫ ও অন্যান্য দলের ১০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া ৭টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের দুটি পৌরসভায় ব্যাপক নিরাপত্ত্বা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শান্তি পুর্ণ ভাবে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। বুধবার সকাল ৮ থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। মুন্সীগঞ্জ ও মিরকাদিম দুটি পৌরসভার ভোটাররা যাতে নিরাপদে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেত পারেন তার লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ পুলিশ আনসারের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে ৪ প্লাটুন বিজিবি। নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্ত্বা ব্যবস্থা। দুটি পৌরসভায় মোট ভোট কেন্দ্র ৪২ টি। ভোটার সংখ্যা ৭৯ হাজার ৫’শ ৮২ জন। এবার মর্যাদার লড়াই দু’দল সর্ব শক্তি নিয়োগ করেছে এখানে। এ কারণে সকলের দৃষ্টি মুন্সীগঞ্জ ও মিরকাদিম পৌরসভার দিকে। এখানে পাল্টাপাল্টি নানা অভিযোগ উঠলেও ধলেশ্বরী ও ইছামতি তীরের গোটা এলাকায় এখন নির্বাচনী জোয়ার। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার জন্য ২ টি পৌরসভায় ৪ প্লাটুন বিজিবি থাকবে। এছাড়া ৪জন নির্বাহী মেজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজ করবেন। শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে আন্দমুখর পরিবেশেই চলছে ভোট গ্রহণ। প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে বুধবার সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে এসে শারিবদ্ধ হয়ে দাড়িয়েছেন ভোটাররা। সকাল ৮টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ। জেলার ৫টি পৌরসভার ৫৪টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে। ৫টি পৌরসভায় মেয়র পদে ২১জনসহ মোট ২৪৮জন প্রার্থী প্রতিদন্দিতা করছেন। ভোট কেন্দ্র ও নির্বাচনি এলাকায় ৫৯২জন পুলিশ সদস্য ও ৫ প্লাটুন বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দ্বায়িত্ব পালন করছেন। লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর,রামগতি ও রামগঞ্জ পৌরসভায় আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম। প্রতিটি কেন্দ্র পর্যাপ্ত আইনর্শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছে। এদিকে তিনটি পৌরসভায় ৩৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২৬টিই কেন্দ্র ঝুকিঁপূর্ণ হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে। রায়পুর পৌরসভায় মাচের্ন্ট একাডেমি,রায়পুর স্টেশন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,শায়েস্তানগর সরকারি প্রাথমিক,রায়পুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায় বিএনপি প্রার্থী এবিএম জিলানীর ধানের শীষ মার্কার কোন এজেন্ট নেই। ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। জেলার ৪ টি পৌরসভায় বুধবার সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রণ চলবে টানা বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। শীতকে উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত ভোটার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। শৈলকুপা, হরিনাকুন্ডু, কোটচাদপুর ও মহেশপুর পৌরসভায় ৫১ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৮৪ হাজার ২ শত ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচনে ১৫ জন মেয়র, ১৩৮ জন কাউন্সিলর ও ৪৫ জন মহিলা কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দীতা করছে। নির্বাচনী পৌরসভাগুলোতে ৩ থেকে ৪ টি করে ভ্রাম্যমাণ আদালত, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ টহল দিচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০১৫
নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬, প্রায় শতাধিক আহত - image

নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ৬, প্রায় শতাধিক আহত

06 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু এবং প্রায় শতাধিক আহতের খবর পাওয়া গেছে। রাজশাহীর বাগমারায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩ জন নিহত এবং পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বাগমারা উপজেলার হাটগাঙ্গোপাড়ায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন উপজেলার সরঞ্জি ভাসুপাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান (২৮), ছহির উদ্দিনের ছেলে বুলু (৩৮) এবং মনতাজ আলী (৩৫)। সংঘর্ষের সময় বাগমারা থানার ওসি মতিয়ার রহমান ও এএসআই আমিনুল ইসলাম আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান: হাটগাঙ্গোপাড়া বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুজ্জামানের সমর্থকরা নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় আনন্দ করতে থাকলে প্রতিপক্ষ জান মোহাম্মদের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালালে ৩ জন নিহত হন। গুরুতর আহত দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের কালডাঙা দাখিল মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে মাহাবুব হোসেন পল্টু নামে একজন নিহত হন। বিকেলে ২ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ গুলি চালালে পল্টু নামে একজন নিহত হন। সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘর্ষ হয়। ভোট শুরুর পর কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের চান্দলা স্কুলে ২ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় তাপসচন্দ্র দাস নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে হোসেন আলী নামে ১ জন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এছাড়া ফেনী, লক্ষ্মীপুর, মেহেরপুর, চাদপুরে আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক।

মে ০৬, ২০১৬
রোয়ানু: সীতাকুন্ডে ঘর চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু - image

রোয়ানু: সীতাকুন্ডে ঘর চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু

20 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানুর’ প্রভাবে ঘর চাপা ও গাছ ভেঙে চট্টগ্রাম, ভোলা ও পটুয়াখালীতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট বিধ্বস্ত হয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঘর চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে সলিমপুরে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ওই ঘরের খুটি ভেঙ্গে পড়লে, ঘরচাপায় তারা মারা যান। ভোলার তজুমদ্দিনে ভোর ৪টার দিকে ঝড়ের তীব্রতা বেড়ে গেলে ঘর চাপায় আকরাম নামে একজন আহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এছাড়া গাছ ভেঙে ঘরের ওপর পড়লে মারা যান শশিগঞ্জ গ্রামের রেখা বেগম। সকালে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় ঘর ভেঙে পটুয়াখালী দশমিনার লক্ষ্মীপুর গ্রামের নয়া বিবি নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

মে ২০, ২০১৬
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজন - image

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজন

24 জুন 2022, বিকাল 6:00

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে প্রামাণ্যচিত্র, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী পর্ব প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার সকালে স্টেডিয়াম মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সর্বস্তরের জনসাধারণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ  ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে বেলুন ও পায়রা উড়ানো শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন অতিথিরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া প্রমুখ। এদিকে, শহরের মুজিব চত্বরে প্রায় ৩’শ পায়রা উড়িয়ে আনন্দ উৎসব উদযাপন করেন আমরা ক’জন মুজিব সেনা নামে একটি সংগঠন। এতে নেতৃত্ব দেন সাবেক ছাত্র নেতা ও সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা এএফএম জসীম উদ্দিন।  এসময় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়ার উদ্যোগে শহরের চকবাজার এলাকা থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে অনুষ্ঠানস্থলে যোগ দেন নেতাকর্মীরা।

জুন ২৪, ২০২২
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে ভূমিধসের শঙ্কা - image

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে ভূমিধসের শঙ্কা

12 মে 2023, বিকাল 6:00

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। অতিভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (১৩ মে) সকাল ১০টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ১৪ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ শনিবার রাত থেকে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় ‘মোখা’র তাণ্ডব শুরু হতে পারে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (২৮৯ মিলমিটার) বৃষ্টি হতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি আজ শনিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিলো। এটি আরও উত্তর-উত্তর–পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে রোববার (১৪ মে) সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আজ রাত থেকে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাব শুরু হতে পারে। এ অবস্থায় কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ভোলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

মে ১২, ২০২৩
মোখার প্রভাবে ৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা - image

মোখার প্রভাবে ৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

12 মে 2023, বিকাল 6:00

ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে উপকূলের ৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। শনিবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়টি রবিবার (১৩ মে) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আঘাত হানতে পারে। এখন পর্যন্ত যে দূরত্ব আছে, আগামীকাল (১৩ মে) সকাল থেকেই উপকূল স্পর্শ করতে থাকবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে, আশঙ্কা করছি, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আঘাত হানবে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, ভোলা ও বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। তিনি বলেন, টেকনাফ ও কক্সবাজারের জন্য সুনির্দিষ্ট করে দুই থেকে তিন মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, বরগুনা ও ভোলার জন্য দুই মিটারের কম উচ্চতার জন্য জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। তিন মিটারের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হলে আশ্রয়কেন্দ্রের লোকজনের জন্য একটি আশঙ্কা থেকে যায়।

মে ১২, ২০২৩
দুর্বল হয়েছে মোকা, বাতাসের গতি কমে ১৩০ - image

দুর্বল হয়েছে মোকা, বাতাসের গতি কমে ১৩০

13 মে 2023, বিকাল 6:00

উপকূল অতিক্রমরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোকাসামান্য দুর্বল হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এলাকায় বাতাসের গতি কমে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোববার সন্ধ্যা নাগাদ এটি আরও দুর্বল হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রবিবার বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২১ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপকূল অতিক্রমরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোকা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও সামান্য দুর্বল হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র আজ বিকেল তিনটায় সিটুয়ের নিকট দিয়ে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করে মিয়ানমারের স্থলভাগের ওপর অবস্থান করছে। সম্পূর্ণ ঘূর্ণিঝড়টি আজ সন্ধ্যা নাগাদ উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন ও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেত এবং মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবাহওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। এ ছাড়া কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও বরগুনা জেলার নদীবন্দরসমূহকে চার নম্বর নৌ মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। একইভাবে উপকূলীয় জেলা ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo