logo
youtube logotwitter logofacebook logo

রাষ্ট্রপতি

বছরের শেষ সংসদ অধিবেশন বসছে ৮ নভেম্বর - image

বছরের শেষ সংসদ অধিবেশন বসছে ৮ নভেম্বর

07 নভেম্বর 2015, 6:00 PM

রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন। ১০ম জাতীয় সংসদের এটি হবে ৮ম এবং এ বছরের শেষ অধিবেশন। প্রথা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। অধিবেশন শুরুর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে- এ অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি ঠিক করা হবে। এবারের অধিবেশন চলবে পুরো নভেম্বর মাসজুড়েই। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, আগের অধিবেশন থেকে ১৪টিসহ এবার আরও নতুন ৪টি বিল সংসদে উত্থাপিত হবে। এ ছাড়া সংসদ নিয়ে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়েও অনির্ধারিত আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। আগামী বছর জানুয়ারিতে বসবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন।

নভেম্বর ০৭, ২০১৫
ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রানি - image

ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রানি

15 নভেম্বর 2015, 6:00 PM

এটিএন বাংলা ডেস্ক: তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে এসেছেন নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা। সোমবার সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত হিসেবে ঢাকা এসে পৌঁছান তিনি। জাতিসংঘ মহাসচিবের  ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স ফর ডেভেলপমেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে রানি ম্যাক্সিমা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর আতিউর রহমান, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিমিয় করবেন। পাশাপাশি তিনি ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবেন।

নভেম্বর ১৫, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, 6:00 PM

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসির রায়ে জনসাধারণের উল্লাস - image

দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসির রায়ে জনসাধারণের উল্লাস

21 নভেম্বর 2015, 6:00 PM

নিজস্ব প্রতিবেদক : জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় উল্লসিত সারা দেশ। রায় কার্যকর হওয়ার পরই যেন উল্লাসের নগরীতে পরিণত হয় ঢাকা। বের হয় আনন্দ মিছিল। হয় মিষ্টি বিতরণ। এদিকে, এই রায় কার্যকর হ্ওয়াকে জনগণের বিজয় হিসেবে দেখছে গণজাগরণ মঞ্চ। শনিবার দিন থেকে রাত। ঢাকার শাহবাগের রাজপথে গণজাগরন মঞ্চের এমন প্রতীক্ষা। কখন কার্যকর হবে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায়। অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। কারণ, সবাইকে চমকে দিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সাকা-মুজাহিদ। তাই কখনও অজানা আশংকা, কখনবা জয়ের আনন্দে উত্তাল সমাবেশ। শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে এলো সেই ক্ষণ। খবর এলো, কার্যকর হয়ে গেছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির দণ্ড। তারপরের ছবি- এমন বাধভাঙ্গা উল্লাসের। জাতীয় পতাকা হাতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পূর্ণ করার উদযাপনের। ইতিহাসের দায় শোধের পথে স্বস্তির। উত্তেজনা তখন কিছু থিতিয়ে এসেছে। ভর করেছে ক্লান্তি। তারপরও থেমে যায়নি উদযাপন। জাতীয় সঙ্গীতে এমন কন্ঠ মিলিয়েই চলছিল আনন্দের বহিপ্রকাশ। শুধু শাহবাগ নয়; রাজধানী জুড়েই যেন শোনা যাচ্ছিল এমন উল্লাসের আনন্দ চিৎকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন ছবি যেন তার কথাই বলছে। এদিকে, দুই রাজাকারের ফাঁসি হওয়ায় রোববার বিজয় র‌্যালি বের করবে গণজাগরণ মঞ্চ। এ ফাঁসির রায় কর্যকর হওয়াকে বিরাট বিজয় বলে জানিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। শনিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের পর রাজধানীর শাহবাগে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন গণজাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। এদিকে কুখ্যাত দুই রাজাকারের মৃত্যুদন্ড কার্যকরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবারের সন্তানেরা। আর দন্ড কার্যকরের আগ মুহুর্তে রাষ্ট্রপ্রতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মাটিতে তারা যে যুদ্ধাপরাধ করেছে তাও স্বীকার করে নিল বলে মনে করেন তারা। যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসিতে আনন্দিত ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ। এ ফাঁসির রায়ের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরবাসী কলঙ্কমুক্ত হয়েছেন বলে মনে করছেন তারা। অপরদিকে দ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকরের খবরে চট্টগ্রামের রাউজানে আনন্দ মিছিল করেছেন মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। শনিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের খবরে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা। একে অন্যকে মিষ্টিমুখ করান। এ ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম কলঙ্কমুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামবাসী। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
দণ্ড কার্যকরের খবর বিশ্ব গণমাধ্যমে - image

দণ্ড কার্যকরের খবর বিশ্ব গণমাধ্যমে

21 নভেম্বর 2015, 6:00 PM

এটিএন বাংলা ডেস্ক: সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাসিঁর খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ‘বিবিসি’ তাদের শিরোনাম করেছে : ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধে সাকা চৌধুরী এবং মুজাহিদের ফাসিঁ । এ সংবাদ তারা তাদের শীর্ষ দুই নাম্বার খবরে রাখে। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেথ করা হয়েছে সাকা চৌধুরী ৬ বারের এমপি এবং মুজাহিদ বাংলাদেশের একটি ইসলামী দলের শীর্ষ নেতা ছিলেন। তাদের দুই জনের পক্ষে করা প্রানভিক্ষার আবেদন নিয়ে পরিবার এবং সরকারের ভিন্নমত তুলে ধরা হয়েছে বিবিসি প্রতিবেদনে। বাংলাদেশে ২ বিরোধী নেতার ফাসিঁ কার্যকর এমন শিরোনাম করেছে কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘আল জাজিরা’ ।   রাষ্ট্রপতির ক্ষমা না পাওয়ার পর তাদের ফাসিঁ কার্যকর করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে । সংবাদ মাধ্যমটি, মুজাহিদকে বাংলাদেশের বৃহৎ ইসলামী দলের ২য় শীর্ষ নেতা বলে উল্লেখ করেছে। এ ছাড়া ভারতের গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধে বাংলাদেশে ২ বিরোধী নেতার ফাসিঁ কার্যকর বলে খবর প্রকাশ করেছে । পাকিস্তান ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডন অবশ্য ফাসিঁ কার্যকর হওয়ার আগে খবর প্রকাশ করলেও , কার্যকর হওয়ার পরে কোন সংবাদ আপডেট করে নি । তারাও ২ বিরোধী নেতার ফাসিঁর হচ্ছে বলে খবর দিয়েছিল।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা - image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

15 ডিসেম্বর 2015, 6:00 PM

এটিএন বাংলা ডেস্ক: শ্রদ্ধা, ভালবাসা আর বীর শহীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের ৪৪তম বার্ষিকী। বুধবার ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে জাতীয়ভাবে শুরু হয় বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। সকাল সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় সালাম জানায়। শহীদদের স্মরণে বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এর পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে একাত্তরের শহীদদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা স্মৃতিসৌধে ফুল দেন। পরে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসাবে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে পরে আবারও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য ও কূটনীতিকরাও শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে স্মরণ করেন একাত্তরের শহীদদের। এরপর সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় স্মৃতিসৌধ।

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৫
মামলা জট কমাতে বিচারকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান - image

মামলা জট কমাতে বিচারকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

25 ডিসেম্বর 2015, 6:00 PM

বিচারে বিলম্ব ও মামলা জট কমাতে বিচারকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ থেকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের সর্বোচ্চ আন্তরিক হতে বলেছেন তিনি। শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন ২০১৫  উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, অষ্টম পেস্কেলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শিগগিরই বিচারকদের বেতন ভাতা বাড়ানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতি মামলা জট কামাতে বিচারকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জাস্টিস ডিলেইড, জাস্টিস ডিনাইড, এই প্রবাদটা যেন বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় থাকুক তা আমরা চাই না’।

ডিসেম্বর ২৫, ২০১৫
‘দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতির অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে‘ - image

‘দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতির অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে‘

20 জানুয়ারি 2016, 6:00 PM

রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ২০১৪-১৫ অর্থ-বছরে আমদানি প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক তিন শতাংশ, এর মধ্যে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এতে প্রতীয়মান হয় যে, দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতির অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। রাষ্ট্রপতি বুধবার দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনের ভাষণে এ কথা বলেন। সংসদে এসময় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন। ভাষণে রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে এবং গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করতে ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে, বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় সংসদ দেশের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বর্তমান সরকার রাজনীতি থেকে হিংসা, হানাহানি ও সংঘাতের অবসানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও আলোকিত দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি সরকারি দল ও বিরোধী দলসহ সকলকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদে যথাযথ ও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ অন্যান্য চাঞ্চল্যকর ও জনগুরুত্বপূর্ণ মামলাসমূহ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বুধবার দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন শুরু হয়। বছরের প্রথম অধিবেশন হওয়ায় রেওয়াজ অনুযায়ী অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে ভাষণ দেন। বিকাল সাড়ে ৪টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর আগামী রোববার বিকেল  পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়। অধিবেশনের আগে কার্য উপদেষ্টা কমিটি সংসদের চলমান অধিবেশনের মেয়াদ আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেন।

জানুয়ারি ২০, ২০১৬
সাংবাদিকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে সরকারকে রাষ্ট্রপতির তাগিদ - image

সাংবাদিকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে সরকারকে রাষ্ট্রপতির তাগিদ

02 ফেব্রুয়ারি 2016, 6:00 PM

এটিএন বাংলা ডেস্ক: নতুন পে স্কেলের কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে সরকারকে তাগিদ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করে সাংবাদিক সমাজের হয়ে এই তাগিদ দেন তিনি। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ার ফলে তাদের সঙ্গে, সাংবাদিকদের বেতনেরও যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে ডিইউজের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে এসে তাই বললেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাহী বা অন্য বিভাগ যা ভুলে যায় অথবা যে বিষয়গুলোতে ঠিক করে নজর দেয়না সেটা বলার দায়িত্ব পালন করে গণমাধ্যম। এ কারণে গণমাধ্যম কর্মীরা অনেকের বিরাগভাজনও হন। তবে গণমাধ্যমের অপব্যবহারও হয় মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কিছু মানুষের কারণে সাংবাদিক সমাজের সুনাম যেন ক্ষুন্ন না হয় সে ব্যাপারে সাংবাদিকদেরকেই সজাগ থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু খন্ডিত তথ্য না দিতে এবং ভালো খবরের যথাযথ গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানান।  রাষ্ট্রনায়ক বা রাজনীতিবিদরা ভুল করলেও গণমাধ্যমকর্মীদের ভুল করার সুযোগ নেই বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৬
২৪শে এপ্রিল দশম সংসদ অধিবেশন - image

২৪শে এপ্রিল দশম সংসদ অধিবেশন

30 মার্চ 2016, 6:00 PM

২৪শে এপ্রিল জাতীয় দশম সংসদ অধিবেশন শুরু হচ্ছে। বুধবার (৩০ মার্চ) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অধিবেশন আহ্বান করেন বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে অধিবেশন আহ্বান করেন। রোববার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় চলতি বছরের দ্বিতীয় এই অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও সময় নির্ধারিত হবে। বাজেট অধিবেশনের আগে সংক্ষিপ্ত এই অধিবেশনেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল রয়েছে। এসব বিল এই অধিবেশনে পাস হতে পারে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এই অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন ২৯ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। ২০১৬ সালের প্রথম ও শীতকালীন এই অধিবেশন শুরু হয়েছিল গত ২০ জানুয়ারি।

মার্চ ৩০, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo