logo
youtube logotwitter logofacebook logo

নোবিপ্রবি

পরিবেশ মেলায় প্রধানমন্ত্রীর সামনে নোবিপ্রবির জলবায়ু গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন - image

পরিবেশ মেলায় প্রধানমন্ত্রীর সামনে নোবিপ্রবির জলবায়ু গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন

09 জুলাই 2026, বিকাল 4:19

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপির সামনে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) একটি জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান।বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের (BCCTF) অর্থায়নে পরিচালিত ‘মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ফসলের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের উপর জলবায়ুর প্রভাব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।দুই বছর মেয়াদি এ গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ১৯৫৭ থেকে ২০২১ সালের আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে ২১০০ সাল পর্যন্ত মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের সম্ভাব্য জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস তৈরি করা হবে। সেই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে একটি আধুনিক স্বয়ংক্রিয় গ্রিনহাউজে ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবেশ সৃষ্টি করে প্রচলিত সয়াবিন ও সম্ভাবনাময় মিলেটজাতীয় ফসলের বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা এবং জলবায়ু-সহিষ্ণুতা পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি মাইক্রো-ক্লাইমেট পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিশ্লেষণ করে কৃষকদের জন্য উপযোগী অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন করা হবে।প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ঢাকা ও নোয়াখালীতে ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিনহাউজ পরিদর্শনের মাধ্যমে গবেষণা দল আধুনিক প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অত্যাধুনিক গবেষণা গ্রিনহাউজ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের জন্য আধুনিক গবেষণাগার ও কার্যালয় স্থাপন, গবেষণা সহকারী ও ল্যাব টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিকল্প নেই। এই গবেষণার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন, কৃষকদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে নোবিপ্রবিতে একটি স্থায়ী জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থা পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নবিষয়ক বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম প্রদর্শন করছে। এরই অংশ হিসেবে নোবিপ্রবির গবেষণা প্রকল্পটিও প্রদর্শিত হচ্ছে।/টি

জুলাই ০৯, ২০২৬
জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নোবিপ্রবিতে সেমিনার - image

জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নোবিপ্রবিতে সেমিনার

28 জুলাই 2026, বিকাল 6:34

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষণাভিত্তিক পরিকল্পনা এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচনকে গুরুত্ব দিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ আয়োজিত এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের (বিসিসিটিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত ‘মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ফসলের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের উপর জলবায়ুর প্রভাব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ‘মেঘনা অববাহিকায় ভবিষ্যৎ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি: গবেষণা ও উদ্ভাবন’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ হাসান উদ্দিন।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী। তাছাড়া উক্ত গবেষণা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য দেন নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, নোয়াখালীর উপপরিচালক মোসাম্মত শওকত আরা কলি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মাত্রা কমাতে পারি, সে লক্ষ্য অর্জনে চলমান গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিরূপ পরিবেশেও ফসল উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য উপযোগী ফসল নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে এই গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছে এবং তিনি গুরুত্বসহকারে এটি সম্পন্ন করে এর ফলাফল দেশের কৃষিখাতে কাজে লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছেন।"আলোচকরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন, মাটির বৈশিষ্ট্য, লবণাক্ততা এবং আবহাওয়ার ধরনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে। এ বাস্তবতায় ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণা, নির্ভুল জলবায়ু পূর্বাভাস এবং গবেষণালব্ধ ফলাফল মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।দুই বছর মেয়াদি এ গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ১৯৫৭ থেকে ২০২১ সালের আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে ২১০০ সাল পর্যন্ত মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের সম্ভাব্য জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস তৈরি করা হবে। সেই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন একটি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় গ্রিনহাউজে ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবেশ সৃষ্টি করে প্রচলিত সয়াবিন এবং সম্ভাবনাময় মিলেটজাতীয় ফসলের বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা পরীক্ষা করা হবে। একই সঙ্গে মাইক্রো-ক্লাইমেট পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিশ্লেষণ করে কৃষকদের জন্য উপযোগী অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন করা হবে।প্রকল্প পরিচালক ও সেমিনারের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, "এই গবেষণার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন, কৃষকদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে, যা ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।"সেমিনারের শেষভাগে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন আলোচকবৃন্দ।/টি

জুলাই ২৮, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo