logo
youtube logotwitter logofacebook logo

তেল পাইপলাইন

ইরানের একটি বন্দরে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষেপণাস্ত্রের রাসায়নিক উপাদান জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে, এবং প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে পৌঁছেছে। - image

ইরানের একটি বন্দরে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষেপণাস্ত্রের রাসায়নিক উপাদান জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে, এবং প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে পৌঁছেছে।

26 এপ্রিল 2025, বিকাল 6:00

ইরানের শহীদ রাজায়ী বন্দরে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২৫ জনে পৌঁছেছে এবং প্রায় ৮০০ জন আহত হয়েছেন, জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা। বিস্ফোরণের প্রায় ২০ ঘণ্টা পরও আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি, তবে বর্তমানে এটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কাতারভিত্তিক আল–জাজিরা জানিয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছে, এবং এখন ৮০ শতাংশ আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে পুরোপুরি নিভে যায়নি। আহতদের মধ্যে ৭৫২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন, তবে অন্তত ৫ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পার্শ্ববর্তী সিরাজ শহরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় অন্তত তিনজন চীনা নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে, জানিয়েছে চীনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাসায়নিক পদার্থের রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতি থেকেই বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক সদস্য দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, বিস্ফোরিত রাসায়নিকটি ছিল সোডিয়াম পারক্লোরেট, যা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিস্ফোরণটি ইরানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক বন্দর শহীদ রাজায়ীতে ঘটে। এটি তেহরান থেকে প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং হরমুজ প্রণালির কাছেই অবস্থিত, যেখানে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবহন হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত এর ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে এবং বিকট শব্দ শোনা যায়। শহীদ রাজায়ী বন্দর মূলত কনটেইনার পরিবহন করে, তবে এখানে তেল পরিশোধন কেন্দ্র ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাও রয়েছে। সৌভাগ্যবশত, বিস্ফোরণে তেল পরিশোধন কেন্দ্র, জ্বালানি ট্যাংক, বিতরণ কমপ্লেক্স এবং তেল পাইপলাইনের কোনো ক্ষতি হয়নি। গত সেপ্টেম্বরে কয়লার খনিতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনার ৬ মাসের মধ্যেই রাজায়ী বন্দরে এই বিস্ফোরণ ঘটে। ওই বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিল অর্ধশতাধিক কর্মী।

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
দফায় দফায় ড্রোন হামলায় জ্বলছে সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন - image

দফায় দফায় ড্রোন হামলায় জ্বলছে সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন

13 সেপ্টেম্বর 2026, বিকাল 5:40

দফায় দফায় ড্রোন হামলায় জ্বলছে সৌদি আরবের তেল পাইপলাইনমহাকাশেচক্কর কাটছে পরাশক্তি আমেরিকার সবচেয়ে অত্যাধুনিক স্পাই স্যাটেলাইট।  আরসীমান্তে পাহারা দিচ্ছে কোটি কোটি ডলারেরমার্কিন প্যাট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। কিন্তু এই পুরো অদৃশ্যলোহার দেয়ালকে এক নিমিষে বুড়োআঙুল দেখিয়ে আকাশে উড়ল একঝাঁক ভুতুড়েছায়া! কোনো রাডারে সিগন্যালনেই, কোনো সামরিক ঘাঁটিতেবিপৎসংকেত বাজল না। আধুনিকবিজ্ঞান আর বিলিয়ন ডলারেরসামরিক বাজেটের নাকের ডগা দিয়ে তৈরিহলো এক বিশাল ব্লাইন্ডস্পট।ফলাফল? মাত্র কয়েক মিনিটের অপারেশন। আর তাতেই স্তব্ধ হয়ে গেল পুরো একটি দেশের লাইফলাইন। রিয়াদআর মদিনা অঞ্চলের পাম্পিং স্টেশনগুলোতে ঘটে যায় একেরপর এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ।স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যায় শুধুকালো ধোঁয়া আর ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন। পরাশক্তিদের স্যাটেলাইট ক্যামেরা যখন ঘুমিয়ে ছিল, ততক্ষণে পৃথিবীর অর্থনীতির চাকা বদলে দিয়েছে এই অদৃশ্য ড্রোনগুলো।সতর্কতাহিসেবে সৌদি আরামকো সঙ্গেসঙ্গে বন্ধ করে দেয়এই পাইপলাইনের কার্যক্রম। এটি কোনো সাধারণপাইপলাইন ছিল না; বিশ্বেরমোট তেল সরবরাহের প্রায়৫ শতাংশ বা দৈনিক ৫০লাখ ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালিকেবাইপাস করে এই পথেইআসত। ফলাফল যা হওয়ার তাইহলো। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেআন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে১৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল১০০ ডলার পার হয়েগেল!হামলার পরপরই শুরু হয় তীব্র ভূরাজনৈতিক নাটক। ট্রাম্প সরাসরি ইরানকে দায়ী করে তেলের বাজার সামলাতে আমেরিকার জরুরি রিজার্ভ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন। ওদিকে ইরাক সরকার তাদের এক সামরিক কমান্ডারকে বরখাস্ত করে ইরান সীমান্ত থেকে জব্দ করে ড্রোনের গোপন লঞ্চিং প্যাডটি!ইয়েমেনেইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীরা যখন পুরো লোহিতসাগরের উপকূল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সৌদি আরবকেচারপাশ থেকে ঘিরে ফেলছে, তখন ওমানে বসছে আপোষের জরুরিবৈঠক । সৌদি আরবআপাতত ইরাকের অনুরোধে সামরিক প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত থাকলেওথমথমে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ।কিন্তু এই ঘটনার পরসামরিক বিশ্লেষকদের মনে সবচেয়ে বড়যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো—আজকেরএই হাই-টেক এআইআর স্যাটেলাইটের যুগে, কোটি কোটি ডলারেরডিফেন্স সিস্টেমের কার্যকারিতা আসলে কতটুকু? যখনপুরো পৃথিবীর অর্থনীতিকে জিম্মি করতে গুটিকয়েক সস্তাড্রোনই যথেষ্ট! 

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
ভয়াবহ হামলায় দিশেহারা সৌদি, ইসরায়েলের সাথে চলছে গোপন যোগাযোগ! - image

ভয়াবহ হামলায় দিশেহারা সৌদি, ইসরায়েলের সাথে চলছে গোপন যোগাযোগ!

16 সেপ্টেম্বর 2026, বিকাল 2:17

ভয়াবহ হামলায় দিশেহারা সৌদি, ইসরায়েলের সাথে চলছে গোপন যোগাযোগ!চারদিকে অস্থিরতা। আকাশে আতঙ্ক, সমুদ্রে অনিশ্চয়তা। আর একের পর এক হামলায় বাড়ছে নিরাপত্তার চাপ। যে দেশ এতদিন নিজের শক্তিতেই শত্রুর মোকাবিলা করেছে, সেই দেশই এখন খুঁজছে অন্য এক শক্তির সহায়তা। কিন্তু সেই শক্তির নাম শুনলেই বদলে যায় পুরো গল্প! কারণ, সৌদির নিরাপত্তা সংকটের ছায়ায় এবার উঠে আসছে ইসরাইলের নাম। নেপথ্যে আবার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও!ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীদের একের পর এক ভয়াবহ হামলায় ক্রমেই চাপে পড়ছে সৌদি আরব। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনে ড্রোন হামলা হয়েছে। ইয়েমেন সীমান্তের কাছের একটি মসজিদে সৌদি বেসামরিক নাগরিকদের ওপরও হামলার খবর এসেছে। আর এমন পরিস্থিতিতে ইরান সমর্থিত মিত্র গোষ্ঠীদের সামরিক অবস্থান ও গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পেতে ইসরাইলের সঙ্গে গোপন আলোচনা চালাচ্ছে রিয়াদ।শুধু তাই নয়। ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদির এই গোপন আলোচনায় মধ্যস্ততাকারী হিসেবে রয়েছে অন্য আরেক পরাশক্তি। আঞ্চলিক কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, মার্কিন সেন্টকমের মধ্যস্থতায় এই যোগাযোগ হচ্ছে। অর্থাৎ, প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও নিরাপত্তার প্রয়োজনে ইসরাইলের গোয়েন্দা সক্ষমতার ওপর ভরসা করছে সৌদি আরব।তবে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর তৎপরতা শুধু স্থলভাগেই থেমে নেই। এছাড়াও লোহিত সাগরের কৌশলগত এলাকাতেও তাদের কর্মকাণ্ড সৌদি জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের কাছেও সামরিক সহায়তা চেয়েছে রিয়াদ। যার অংশ হিসেবে ব্রিটিশ সামরিক উপদেষ্টারা দেশটিতে সহায়তার জন্য কাজ করতে পারেন বলে জানা গেছে।তবে এর মধ্যেই সামনে আসছে আরও বড় সমীকরণ। সৌদির বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি নিয়েও চলছে টানাপোড়েন। তবে ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান ছাড়া আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক চায় না রিয়াদ। তবুও ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীদের হামলা যেন পুরোনো দূরত্বের মাঝেও তৈরি করছে নতুন নিরাপত্তা যোগাযোগ।তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই ভয়াবহ যুদ্ধের গতিবিধি কোন দিকে মোড় নিবে তা এখনো অনিশ্চিত। আর এরই মধ্যে এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন রয়েই যায়, শত্রুর হামলা ঠেকাতে কি শেষ পর্যন্ত ইসরাইলের গোয়েন্দা সহায়তার ওপরই ভরসা করতে হচ্ছে সৌদিকে? 

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo