logo
youtube logotwitter logofacebook logo

চা

এবার অস্ট্রেলিয়া উচ্ছ্বাসে ভাসছে - image

এবার অস্ট্রেলিয়া উচ্ছ্বাসে ভাসছে

05 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুললো ‘ম্যান ইন ইয়োলো’রা। তাছাড়া অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের বিদায়ী ম্যাচটাও যে বিশ্বকাপ জয়ের মধ্যে দিয়ে সার্থক হলো, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর শিরোপা জয়ের পর নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দলের অনেকেই। অস্ট্রেলীয় কোচ ড্যারেন লেহম্যান দলের ক্রিকেটারদের চাইতে সমর্থকদের প্রতিই নিজের কৃতজ্ঞতা জানালেন। তিনি বলেন, ‘গত ছয় সপ্তাহ ধরে আমাদেরকে আপনারা(সমর্থক) আমাদেরকে প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন। এটা আমাদের জন্য অবিশ্বাস্য ছিলো। এই কারণে আপনাদের প্রতি আমার ভালোবাসা রইলো।’ সাবেক অজি স্পিনার শেন ওয়ার্ন যেন খুশীতে নিজেকে আটকিয়েই রাখতে পারছেন না। উত্তেজিত হয়ে তিনি বলেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি। আমরা বলেছিলাম, আমরা আমাদের সেরাটা খেলবো। কিন্তু টুর্নামেন্টের শেষদিকে আমরা দারুণ করেছি। আর মাঠে এসে সমর্থন দেওয়ার জন্য দর্শকদেরকে ধন্যবাদ।’ ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরষ্কার জেতা জেমস ফকনার যেন আজকের ঘটনা বিশ্বাসই করতে পারছেন না। বললেন, ‘মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড(এমসিজি) এর ৯০,০০০ দর্শকের সামনে খেলাটাই অনেক বড় ব্যাপার। আমি ভেবেছিলাম, আজকের সেরা একাদশে আমি থাকবো না। সবমিলিয়ে এ এক বিস্ময়কর অনুভূতি।’ দলের অনেক সদস্যদের মতো মিচেল স্টার্কও এবার প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রথম ম্যাচেও হয়তো তিনি জানতেন না, বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় দুই পুরষ্কার উঠতে যাচ্ছে তার হাতে। প্রথমত, বিশ্বকাপ শিরোপা আর দ্বিতীয়টি হলো, ‘ম্যান অব দ্য সিরিজ’। সবমিলিয়ে তাই স্টার্কের অনুভূতি খানিকটা মিশ্রই বলতে হয়। তবে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে ভোলেননি নিউজিল্যান্ডের কথাও। স্টার্ক বলেন, ‘দারুণ একটা মুহুর্ত, আমি গত কয়েকমাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিছুটা ভাগ্যবান আমি। সমর্থকরা চমৎকার ছিলো। নিজের দেশের লোকের সামনে খেলা এবং শিরোপা জেতা, এই অনুভূতি বোঝনো যায় না। আর নিউজিল্যান্ডও অনেক ভালো করেছেন। ম্যাককালাম পুরো টুর্নামেন্ট ধরেই অনেক ভালো খেলেছে। আর কিছু না। আপাতত সময়টাকে ঊপভোগ করতে যাচ্ছি।’ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা নিউজিল্যান্ড কিংবা ভারতের মতো ভালো হয়নি। তারপরেও ক্লার্কের নেতৃত্বে অজিদের শিরোপা জয় যেন অস্ট্রেলিয়ার সোনালী দিনের কথাই মনে করিয়ে দিলো।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৫
রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে রিট খারিজ - image

রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে রিট খারিজ

06 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

সংবিধানের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর এ দায়ের করা রিট সোমবার খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ। গত মাসে হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী। আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। রিট আবেদনে বিবাদী ছিলেন আইন সচিব। সংবিধানের ৮ম সংশোধনী করে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করা হয়। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম প্রতিস্থাপিত হয়। সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন। Source: Atntimes.com

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫
ঢাকা থেকে মাত্র ৫ ঘন্টায় বরিশাল - image

ঢাকা থেকে মাত্র ৫ ঘন্টায় বরিশাল

06 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

মাত্র ৫ ঘন্টায় ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ডে সার্ভিস শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি কোম্পানী এমভি গ্রীন লাইনের দুটি জাহাজ। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান-এমপি আনুষ্ঠানিক ভাবে জাহাজ দুটির উদ্বোধন করবেন। দিবা সার্ভিসের জন্য গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজের আধুনিক জাহাজ দুটি বরিশালের যাত্রী সাধারনের দুর্ভোগ লাগবে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজ বরিশালের ইনচার্জ মো. বাদশা মিয়া জানান, প্রতিটিতে ৬শ যাত্রী বহনে সক্ষম এ জাহাজ একদিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশাল গিয়ে আবার ঢাকায় ফেরা সম্ভব। গত বৃহস্পতিবার বরিশালে পরীক্ষামূলক সার্ভিস দিয়েছে জাহাজ দুটি। তিনি আরও জানান, এমভি গ্রীন লাইন-২ ও এমভি গ্রীন লাইন-৩ আগামী ৮ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হবে। বিমানের আদলে গড়া এ জাহাজ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এতে দুই ক্যাটাগরির আসন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইকোনোমি ক্লাসের ভাড়া ৭০০ টাকা এবং বিজনেস ক্লাসের ভাড়া ১০০০ টাকা। এ ভাড়ার মধ্যেই রয়েছে খাবারের আয়োজন। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা ও বিকাল তিনটায় জাহাজ চলাচলের সময় নির্ধারন করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ ঢাকার উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন বলেন, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে নৌ-পথের যাত্রীসেবা টিকিয়ে রাখতে দ্রুতগতিসম্পন্ন এ ধরণের জাহাজ চলাচলের কোন বিকল্প নেই। সূত্রমতে, প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এমভি গ্রীন লাইন-২ ও এমভি গ্রীন লাইন-৩ জাহাজ দুটি ক্যাটাম্যারান টাইপের ব্রিটিশ এয়ারলাইনসের বিমানের মতো চেয়ার সিট। এর নিচের অংশ স্টিল আর উপরের অংশ ফাইবারের তৈরি। যে কারণে ডুববে না বরং উল্টে গেলেও ভাসমানই থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বরিশাল বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. মেস্তাফিজুর রহমান জানান, ৮ সেপ্টেম্বর জাহাজ দুটি উদ্বোধনের পর ৯ সেপ্টেম্বর বরিশাল থেকে প্রথম যাত্রা শুরু করবে। জাহাজ দুটি চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষ দিনের বেলায়ও যানজটমুক্ত পরিবেশে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এজন্য বরিশাল নৌ-বন্দরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বরিশাল নাগরিক সমাজের সদস্য অধ্যাপক মহসিন-উল ইসলাম হাবুল বলেন, লঞ্চ মালিকদের কাছে জিম্মি বরিশালের যাত্রীরা। তাদের কারণে অন্যকোনো নৌযানও এসে টিকে থাকতে পারেনা। সে অনুযায়ী লঞ্চের রোটেশন প্রথা ভাঙতে এমন অত্যাধুনিক দ্রুতগতির জাহাজ চালু হওয়া দরকার। লঞ্চ রোটেশন প্রথা বাতিল কমিটির সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন শিপলু বলেন, ডে সার্ভিসে ওয়াটারওয়েজ জাহাজ বরিশালের মানুষের জন্য সুখবর। তবে এ জাহাজ যাতে লঞ্চ মালিকদের চক্রান্তে বে-ক্রুজের মতো বন্ধ না হয়ে যায় সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫
যশোরে স্কুলছাত্র রাকিব হত্যার ঘটনায় মামলা - image

যশোরে স্কুলছাত্র রাকিব হত্যার ঘটনায় মামলা

06 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

যশোরে স্কুলছাত্র রাকিব রায়হান হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত-পরিচয় কয়েক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকালে নিহতের ভগ্নিপতি আব্দুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার আককাস আলী বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, স্কুলছাত্র রাকিব যশোর শহরের মুড়লী মোড় এলাকার আমেনা মেডিসিন হাউজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতো। ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সে ফোনে জানায়, আকাশ নামে একজনের সঙ্গে সে পালবাড়ি এলাকায় রয়েছে। পরে, রাত ৮টার দিকে সংবাদ পাওয়া যায়, রাকিবকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত রাকিব উপজেলার হাজী আবু মোকাররম ফজলুল বারী কারিগরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫
ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ - image

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

07 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

আইসিআরসি আয়োজিত শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ৫ জাতির আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। ভারতের দেয়া ১১৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়ে ফাইনালে খেলার স্বপ্ন বেঁচে রইল বাংলাদেশের। বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন কুনাল। এছাড়া আমিন উদ্দিন ২৬ ও নেগির ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। বাংলাদেশের আলম খান ৩টি ও দ্রুপম তীর্থ নেন ২টি উইকেট। জবাবে- দলীয় ১৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে আলিম উদ্দিনের ৪৫ ও শাহরিয়ার শামীমের ৪২ রানের সুবাদে এক ওভার বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৫
ভারতকে আলোচনায় বসতেই হবে : নওয়াজ শরীফ - image

ভারতকে আলোচনায় বসতেই হবে : নওয়াজ শরীফ

04 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

আগে হোক বা পরে হোক, ভারতকে ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ৷ লন্ডন থেকে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে নিবামনবন্দরে ত্যাগের আগে, সাংবাদিকদের কাছে নওয়াজ বলেন, আজ হোক কাল হোক, ভারতকে বাস্তব পরিস্থিতি অনুধাবন করতে হবে। আর জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত চারদফা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় ফিরতেই হবে নয়াদিল্লিকে। এসময় পাকিস্তানের মাটিতে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য ভারতকে দোষারোপ করেন নওয়াজ শরীফ৷ তাঁর দাবি, পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া একাধিক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে, ভারতের প্রত্যক্ষ মদত থাকার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তাদের হাতে। নওয়াজ শরীফ বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। কেননা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি, কারো জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। শরীফ বলেন, সীমান্ত অস্থিরতা এ অঞ্চলের উন্নয়নকে ব্যহত করছে, তাই অমিমাংসীত ইস্যুর সমাধানের জন্য আলোচনা ছাড়া বিকল্প কোনো রাস্তা নেই।

অক্টোবর ০৪, ২০১৫
রিয়্যালিটি শো ‘সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৫’ - image

রিয়্যালিটি শো ‘সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৫’

07 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

সঞ্চালনা- খন্দকার ইসমাইল পরিচালনা- আসলাম শিকদার ‘সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৫’ টিভি রিয়্যালিটি শো, পাওয়ার্ড বাই মালয়েশিয়ান পাম অয়েল কাউন্সিল এবং ফ্যামিলি পাম অলিন দেখা যাবে এটিএন বাংলায় অক্টোবরের ২য়/৩য় সপ্তাহ থেকে। প্রতিযোগিতার মোট ১৩টি পর্ব সপ্তাহিকভাবে প্রচার হবে এটিএন বাংলায়। প্রথম সাতটি পর্বে দেখা যাবে বিভাগীয় প্রতিযোগিতা। প্রতি বিভাগের সেরা ৭ জন রন্ধনশিল্পী এতে অংশ নেবেন এবং নির্বাচিত নিজস্ব রেসিপি অনুসারে তাদের রন্ধনশৈলি প্রদর্শন করবেন। বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ পরবর্তী পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। কয়েকটি পর্যায় পার হয়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবেন মাত্র ৪ জন। এদের মধ্যে থেকে চ্যাম্পিয়ন, ১ম ও ২য় রানার আপ নির্বাচিত করা হবে। সেরা পুষ্টি জ্ঞানের জন্য একজন প্রতিযোগীকে ‘অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবীর ট্রফি’ প্রদান করা হবে। শেষ তিনটি পর্বে রন্ধনশিল্পীরা বিশেষভাবে তৈরি শেফ কোট পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হবেন। প্রতিযোগিতায় বিচার কার্য পরিচালনা করবেন বিশিষ্ট রন্ধন ও পুষ্টি বিশারদগণ। তারা হলেন- কল্পনা রহমান, লবী রহমান, তাহেরা ওয়াহিদ, নূর আয়েশা চাকলাদার, নাফিজ ইসলাম লিপি। রন্ধনশৈলি, উপস্থাপনা, পরিবেশন, পুষ্টিজ্ঞান, রান্নার স্বাদ ইত্যাদি বিবেচনায় প্রতি পর্বের বিজয়ীদের নির্বাচিত করা হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে নিজস্ব রেসিপি অনুসারে রান্না করলেও পরবর্তী পর্যায়গুলোতে রন্ধনশিল্পীদের পরীক্ষাটা হবে অনেকটাই কঠিন। কোন পূর্বনির্ধারিত রেসিপি ছাড়াই সরবরাহকৃত উপদান ও উপকরণ দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন ডিস, যেমন বাচ্চাদের খাবার, মায়ের হাতের রান্না, লাঞ্চ, ডিনার ইত্যাদি তৈরি করতে হবে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা পর্বে আরো কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে প্রতিযোগীদের। বিচারকবৃন্দ কর্তৃক তৈরি করা ডিস দেখে এবং চেখে তাৎক্ষণিকভাবে অনুরূপ ডিস তৈরি করতে হবে। এবারের প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে প্রায় দুই হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণের জন্য এন্ট্রি পাঠান। প্রতি বিভাগ থেকে ৭ জন করে মোট ৪৯ জনকে টিভি রিয়্যালিটি শোতে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এই ৪৯ জনের জন্য গত ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার এফডিসিতে অবস্থিত এটিএন বাংলার স্টুডিওতে দিনব্যাপী গ্রুমিং সেশনের আয়োজন করা হয়। সেশনে বিচারকমন্ডলীর সদস্য, পৃষ্ঠপোষকতাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের পক্ষে এটিএন বাংলা’র চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান ওএবং দি বাংলাদেশ মনিটর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম ছাড়াও বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলা’র বিক্রয় ও বিপনন বিভাগের উপদেষ্টা এম শামসুল হুদা, অনুষ্ঠান বিভাগের উপদেষ্টা নওয়াজীশ আলী খান। সেরা রন্ধনশিল্পী প্রতিযোগিতা গত দশ বছর যাবৎ আয়োজন করে আসছে ভ্রমণ বিষয়ক পাক্ষিক দি বাংলাদেশ মনিটর। টিভি রিয়্যালিটি শো আকারে প্রতিযোগিতাটি গত বছরই প্রথম এটিএন বাংলায় প্রচার করা হয়। এবারেও এটিএন বাংলা ও দি বাংলাদেশ মনিটর যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করছে। খন্দকার ইসমাইলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন আসলাম শিকদার। প্রতিযোগিতার টাইটেল স্পন্সর মালয়েশিয়ান পাম অয়েল কাউন্সিল, টিকে গ্রুপের ফ্যামিলি ব্র্যান্ড পাম অলিন। পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করছে আগোরা, ওমেন্স ওয়ার্ল্ড, বসুন্ধরা গ্রুপ এবং নাদিয়া ফার্নিশার্স।

অক্টোবর ০৭, ২০১৫
শততম পর্ব পেরিয়ে ধারাবাহিক ‘জীবনের অলিগলি’ - image

শততম পর্ব পেরিয়ে ধারাবাহিক ‘জীবনের অলিগলি’

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

ধারাবাহিক নাটক- জীবনের অলিগলি রচনা- ফজলুল হক আকাশ পরিচালনা- ফজলুর রহমান প্রচার- মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিট এটিএন বাংলায় মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের অলিগলি’। ইতোমধ্যে ধারাবাহিকটি শততম পর্ব অতিক্রম করেছে। ফজলুল হক আকাশের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন ফজলুর রহমান। অভিনয়ে ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, আনিসুর রহমান মিলন, সুমাইয়া শিমু, নওশিন, হুমাইরা হিমু, শিরিন বকুল, ড.এজাজ ও সাইদ বাবু প্রমুখ। মানুষ জীবন নয় যাপন করে সম্পর্ক। প্রতিটি সম্পর্কের অলিগলি মোড়ে মোড়ে রয়েছে প্রেমের আনন্দ, বিরহের কান্না। পারিবারিক সম্পর্কের পটভূমিতেই দাঁড়িয়ে আছে ‘জীবনের অলিগলি’। এডভোকেট আরিফের মেঝো ভাই পরাগ, প্রভাষক হাসানের মেঝো বোন কাকনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। বড় ভাই আরিফের ইশারাতে পরাগ, কাকনের সাথে প্রেম-প্রেম নাটক খেলছে। এসব বুঝতে পেরে প্রভাষক হাসান তার ছোট বোন কাকনের অনত্র বিয়ে ঠিক করে। কাকনের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর পরাগ কাকনকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে, বিয়ের আসর থেকে পালানোর বুদ্ধি দেয়। কাকন ভালোবাসার মোহে বিয়ের আসর থেকে পালায়, পরাগকে বিয়ে করবে স্বপ্ন নিয়ে। প্রভাষক হাসানের পরিবারের সামাজিকভাবে সম্মানহানী করার জন্য এডভোকেট আরিফ ছোট ভাই পরাগকে নীল নকশা একে দেয়- বিয়ের দিন কাকনকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঘরের বাহির করা এবং দিন পার করে দিয়ে কাকনকে বিয়ে না করে বাসায় ফিরিয়ে দেয়া। এভাবেই শুরু হয় ধারাবাহিক নাটক জীবনের অলিগলি। জীবনের অলিগলি ধারাবাহিকে মূলত শহরের তিন পরিবারের পারিবারিক বন্ধন, প্রেম, বিরহ, বিচ্ছেদ ও অন্তদ্বন্দ্ব ফুটে উঠে।

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক- দহন - image

ধারাবাহিক নাটক- দহন

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

রচনা ও পরিচালনা- অরণ্য আনোয়ার প্রচার- রবি থেকে মঙ্গলবার, রাত ৮টা এটিএন বাংলায় রবি থেকে মঙ্গলবার, রাত ৮টায় প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’। ইতোমধ্যে ধারাবাহিকটি ৫০তম পর্ব অতিক্রম করেছে। অরণ্য আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, অরুণা বিশ্বাস, কে এস ফিরোজ, নাজনীন চুমকী, প্রভা, ফারহানা মিলি, জিতু আহসান, চাঁদনী, শাহাদাৎ হোসেন, শামীমা তুষ্টি, সমাপ্তি, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। জেলা শহর থেকে প্রায় বারো তেরো কিলোমিটার দুরে অজো পাড়া গাঁয়ে তাজরিনদের বাড়ী। প্রতিদিন টেম্পোতে করে জেলা শহরের ইউনিভার্সিটিতে যাতায়ত করে সে। গ্রামের বাজারে বাবার মুদি দোকান। সেই দোকানের আয়ে কোনভাবে কেটে যাচ্ছিল তাদের সংসার। সংসারে মানুষ তারা তিনজন। বাবা মা আর সে। তাজরিনের মনে সব সময় ভাবনা একটাই, লেখাপড়া শেষ করে অভাবী বাবা মার সংসারের হাল ধরবে, নিজেরও হবে একটা সুখের সংসার। কিন্তু ভাবনা মতো মানুষের জীবন চলেনা। তাজরিনের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে বিপর্জয়। হঠাৎ একদিন আবিষ্কৃত হয় নেশায় আক্রান্ত হয়ে দোকান বিক্রি করে দিয়েছে তার বাবা। দুরারোগ্য ব্যধিতে পড়ে মা শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। মায়ের এমন অবস্থায়ও বাবার নেশা কমেনা। নেশার সেই টাকা যোগান দিচ্ছেন সুজাউদ্দৌলা নামের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ষাটোর্ধ সুজাউদ্দৌলার টাকাতেই এখন তাদের সংসার চলছে। একদিন এই সুজাউদ্দৌলা তাদের বাড়ীতে আসে। আর সেদিনই তাজরিন জানতে পারে বাবা ষাটোর্ধ এই লোকটির সাথেই তার বিয়ে দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। অথৈ জলে পড়ে যায় তাজরিন। কি করবে এখন সে!

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
কৃষি তথ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান- মাটির সুবাস - image

কৃষি তথ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান- মাটির সুবাস

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

পরিচালনা- রাসেল মাহমুদ প্রচার- প্রতি শনিবার বেলা ১টা ২৫মিনিট কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ। আর এই প্রাণশক্তিতে রস সঞ্চার করছেন এদেশের মাটি ঘেষা মানুষ আমাদের কৃষক। শত প্রতিকুলতার মাঝেও ১৬ কোটি মানুষের ক্ষুধার অন্ন যোগান দিচ্ছেন বাংলার এই চাষীরা। সেই চাষীদের কৃষি উন্নয়নে সামিল করতে আজ থেকে ৪ বছর আগে এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হয়েছিল কৃষি উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান ‘মাটির সুবাস’। কৃষকের সুখ দুখ, হাসি কান্না, কৃষি বাজার ও কৃষি উন্নয়নের বিভিন্ন্ দিক নিয়ে ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠানটির ১৫০টির অধিক পর্ব প্রচার হয়েছে। মাটির সুবাস অনুষ্ঠানে পর্বগুলো সাজনো হয় গোয়াল ঘর, কৃষিতে নারী, নগর কৃষি, কৃষি প্রযুক্তি, মাছে ভাতে বাঙ্গালী ও কুইজ সেগমেন্ট দিয়ে। অনুষ্ঠানটিতে প্রচারিত উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদনগুলো হলো- মৌলভীবাজরের কমলা চাষ, হবিগঞ্জের হাঁসের গ্রাম, রংপুরের নীল চাষ, কৃষিতে রবীন্দনাথ, কৃষিতে নজরুল, কৃষকের মুক্তিযুদ্ধ, মাটি ছাড়া সবজি চাষ, দেশের প্রথম কুমির খামার, কাকড়া চাষ ও রপ্তানি, বাণিজ্যিকভাবে খরগোস পালন ইত্যাদি। মাটির সুবাস অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক কৃষকই আজ নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিক কৃষি উৎপাদনসহ কৃষি ক্লাব গড়ে তুলেছেন। অথচ এই কৃষকদের নিয়ে চলে নানা ষড়যন্ত্র। এরাও পড়েছেন সমস্যার যাতাকলে। পরিবারের সকল সদস্যের মিলিত কষ্টে ফসল উৎপাদন করেন। কিন্তু ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশা, কষ্ট, ক্ষোভ কৃষকের বুক জুড়ে। মনগড়া দাম নির্ধারন ও খামখেয়ালীপনার কারণে কৃষি থেকে অনেকেই বেরিয়ে আসছেন অন্য পেশায়। প্রতিটি পর্বেই এ ধরণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন তুলে ধরা হয় মাটির সুবাস অনুষ্ঠানে। রাসেল মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয় প্রতি শনিবার বেলা ১টা ২৫মিনিটে।

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo