logo
youtube logotwitter logofacebook logo

কয়েদি

চূড়ান্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের আগে আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না: হাইকোর্ট - image

চূড়ান্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের আগে আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না: হাইকোর্ট

12 মে 2024, বিকাল 6:00

মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।  সোমবার (১৩ মে) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। রুল শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এস এম শাহজাহান বিশেষজ্ঞ মত নেন। শিশির মনির বলেন, রায়ে আদালত বলেছেন- প্রথমত, কোনো ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হওয়ার আগে তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি বলা যাবে না এবং তাকে মৃত্যু (কনডেম) সেলে রাখা যাবে না। বিচারিক প্রক্রিয়া (ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও রিভিউ) ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া (রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমার আবেদন) শেষেই কেবল একজন আসামিকে মৃত্যু সেলে বন্দি রাখা যাবে। দ্বিতীয়ত, কোনো ব্যক্তির অসুস্থতা বা বিশেষ কারণে আলাদা সেলে রাখার আগে তাকে নিয়ে শুনানি করতে হবে। এটি ব্যতিক্রম। রাষ্ট্রপক্ষ বলেছে, নতুন জেলকোড তৈরি করা হচ্ছে। নতুন আইন হচ্ছে, প্রিজন অ্যাক্ট। হাইকোর্ট বলছেন, রায়ের পর্যবেক্ষণ যেন নুতন আইনে প্রতিফলিত হয়, তা বিবেচনা করতে। মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির বিষয়ে তথ্য চাইলে (সাংবাদিক, গবেষক) আইন অনুসারে তা দিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রিকেও আইন অনুসারে তথ্য দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক রিপোর্টেও এ আসামিদের তথ্য সন্নিবেশিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুই বছরের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের ক্রমান্বয়ে কনডেম সেল থেকে সরিয়ে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে রাখার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। শিশির মনির আরও বলেন, পর্যবেক্ষণে আদালত নির্দিষ্টভাবে সাগর-রুনির ঘটনা উল্লেখ করে বলেছেন, প্রায় ১২ বছর ধরে তদন্ত হচ্ছে, এখনও তদন্ত শেষ হচ্ছে না। বিচার তো আরও পরের স্টেজ (ধাপ)। আমাদের দেশে ট্রায়াল স্টেজ শেষ হতে ৫-১০ বছর সময় লেগে যায়। এ ধরনের বিলম্ব যেখানে হয়, সেখানে মৃত্যুদণ্ডের আসামিকে নির্জন সেলে ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত যদি বন্দি রাখা হয়, তাহলে এটি ডাবল (দ্বিগুণ) শাস্তি। নির্জন কক্ষে বসবাস তার সাজা নয়, সাজা মৃত্যুদণ্ড। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ভারতের ওই রায় আমাদের রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করেছে। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন কারাবন্দির রিটের শুনানি নিয়ে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কনডেম সেলে রাখা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জেল কোডের ৯৮০ বিধি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চান উচ্চ আদালত। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এ রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। রিটের পর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছিলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার আইনগত কোনো বিধান নেই। মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে কয়েকটি আবশ্যকীয় আইনগত ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমত, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে। একইসঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়েরের বিধান রয়েছে। দ্বিতীয়ত, হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি সাংবিধানিক অধিকারবলে আপিল বিভাগে সরাসরি আপিল করতে পারেন। তৃতীয়ত, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৫ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের আইনি সুযোগ রয়েছে। সর্বোপরি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৯ এর অধীনে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। রাষ্ট্রপতি এ ক্ষমার আবেদন না মঞ্জুর করলে তখন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি আইনগত বৈধতা লাভ করে। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বন্দি রাখা হয়। শিশির মনির আরও বলেন, আমরা জেল কোডের ৯৮০ বিধি চ্যালেঞ্জ করেছি। সেখানে বলা আছে, মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের পৃথকভাবে কনডেম সেলে রাখা হবে। তিন আবেদনকারী হলেন, চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির ও কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এ আসামিদের আপিল হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।

মে ১২, ২০২৪
দুর্নীতি বন্ধ হলে বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা - image

দুর্নীতি বন্ধ হলে বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

08 সেপ্টেম্বর 2024, বিকাল 6:00

ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধের মাধ্যমে কারাগারের বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। উপদেষ্টা আজ সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুধু কোটার জন্য হয়নি। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে ঘুষ, দুর্নীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। ঘুষ খাওয়া চলবে না। যেভাবেই হোক ঘুষ খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’ কারাগারকে সংশোধনাগার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, ‘কারারক্ষী ও কয়েদিদের খাবারের মান উন্নত করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।’এ সময় কারা কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ডোসিয়ার, শৃঙ্খলা ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা। কারা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘কারাগারের নিরাপত্তা বিধান করা আপনাদের মূল দায়িত্ব। ঘুষ না খেয়ে আপনাদের সম্মান পুনরুদ্ধার করুন। কেননা, ঘুষ খলে ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।’ উপদেষ্টা এ সময় কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্পর্কে অবহিত হন। কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনসহ কারা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৪
ডেসটিনির রফিকুলসহ ১৯ আসামির ১২ বছরের কারাদণ্ড - image

ডেসটিনির রফিকুলসহ ১৯ আসামির ১২ বছরের কারাদণ্ড

14 জানুয়ারি 2025, বিকাল 6:00

গ্রাহকদের ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার ২২৭ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি (এমএলএম) ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন, তাঁর স্ত্রী ফারাহ দিবাসহ (ডেসটিনির পরিচালক) ১৯ জনকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছ। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন—ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান লে. জে. (অব.) হারুন অর রশিদ, ডেসটিনির ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. গোফরানুল হক, মো. সাঈদ উর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়েবুর রহমান ও গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানী ও জামশেদ আরা চৌধুরী, প্রফিট শেয়ারিং ডিস্ট্রিবিউটর মো. জসিম উদ্দীন ভূইয়া, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন ও সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ এস এম আহসানুল কবির বিপ্লব, জোবায়ের সোহেল ও আব্দুল মান্নান এবং ক্রাউন এক্সিকিউটিভ মোসাদ্দেক আলী খান। রায়ে ১২ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত আসামিদের ৪ হাজার ৫১৫ কোটি ৫৭ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫৪ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে আসামিদের এই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে জেলা প্রশাসনকে অর্থদণ্ড আদায় করার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে কারাগারে আছেন—রফিকুল আমীন, ফারাহ দিবা ও মোহাম্মদ হোসেন। রায় শেষে তাঁদের সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়। তবে রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসেন ২০১২ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে কারাগারে থাকায় তাদের সাজার মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামিনে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুনুর রশিদ। তিনি আদালতে হাজির ছিলেন। তাঁকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে কারাগারে প্রথম শ্রেণির কয়েদির মর্যাদা দিতে কারা বিধি অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালত রায়ে বলেছেন, কারাগারে থাকা আসামিরা এর আগে যত দিন কারাগারে ছিলেন, সাজার মেয়াদ থেকে তত দিন বাদ যাবে। বাকি ১৫ আসামি পলাতক। পলাতকদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাঁরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর বা আদালতে আত্মসমর্পণের পর এই রায় কার্যকর হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, প্রতারণামূলকভাবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ করে তা অন্যত্র পাচার করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন দুদকের পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আইনে থাকা সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন আদালত। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ খুশি।’ গত বছর ১১ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। গ্রাহকেদের ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার ২২৭ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার কলাবাগান থানায় মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরকার। মামলার তদন্ত শেষে ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৪ সালের ২০ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার। তদন্তে আরও সাতজনের নাম আসামির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন আদালত। এ মামলায় বিচার চলাকালে ১৪০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের (ডিএমসিএসএল) মামলায় আসামিরা নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য ২০০৬ সালের ২১ মার্চ থেকে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সাড়ে ৮ লাখের বেশি বিনিয়োগকারীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এ সময় ঋণ প্রদান, অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, নতুন প্রতিষ্ঠান খোলার নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে আসামিরা লভ্যাংশ, সম্মানী ও বেতন-ভাতার নামে সরিয়ে নিয়েছেন। অন্যদিকে ২০০৬ সালের ২১ মার্চ থেকে ২০০৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে গাছ বিক্রির নামে ডেসটিনি ট্রি-প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের (ডিটিপিএল) জন্য ২ হাজার ৩৩৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে এই টাকার মধ্যে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি আসামিরা বেতন-ভাতা, সম্মানী, লভ্যাংশ, বিশেষ ভাতা বা কমিশনের আকারে আত্মসাৎ করেন। মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ডেসটিনির সংঘ-স্মারকে (মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন) কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও বান্দরবানের লামা উপজেলায় জমি লিজ নিয়ে গাছ লাগানোর এবং গাছ বড় হলে তা বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা লাভ দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলেন আসামিরা। পরস্পর যোগসাজশে তারা ডেসটিনির ব্যাংক হিসেবে টাকা রেখে ওই টাকা অন্যত্র স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করেন। ২ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকার বেশি গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া হলেও ডেসটিনির ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা স্থিতি ছিল না। বিভিন্ন সময়ে আসামিরা ২ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার বেশি নিজেদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১২ মে গ্রাহকদের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা আরেকটি মামলায় রফিকুল আমিনসহ ডেসটিনির অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন ঢাকার আদালত। রফিকুল আমিনকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
‘দাগি’ সিনেমার টিজারে তিনটি ভিন্ন লুকে দেখা গেলেন আফরান নিশো। - image

‘দাগি’ সিনেমার টিজারে তিনটি ভিন্ন লুকে দেখা গেলেন আফরান নিশো।

11 মার্চ 2025, বিকাল 6:00

অফরান নিশো ফিরলেন পর্দায় ‘দাগি’ সিনেমার মাধ্যমে, প্রায় দুই বছর পর নতুন লুকে দেখা যাচ্ছে তাকে। ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাওয়া এই সিনেমার টিজার প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গলবার বিকেলে, যা দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। টিজারে আফরান নিশোকে তিনটি ভিন্ন লুকে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দেখা যায়, তাঁর চরিত্রের নাম নিশান। প্রথমে তিনি বড় চুলে, তারপর স্বাভাবিক লুকে এবং শেষে ৭৮৬ নম্বর কয়েদির পোশাকে উপস্থিত হন। এছাড়া, টিজারে তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল এবং শহীদুজ্জামান সেলিমও উপস্থিত ছিলেন। এসভিএফ-আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড এবং চরকির প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শিহাব শাহীন। নির্মাতা বলেন, ‘টিজারটি ভালো সাড়া পাচ্ছে, তবে এটা তো শুধু প্রথম ঝলক, আরও অনেক চমক আসবে।’ প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল জানান, ‘দর্শক যখন সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে দেখবেন, তখন আমাদের প্রচেষ্টা সফল হবে।’ এছাড়া, ঈদে মুক্তির জন্য অন্যান্য সিনেমার চেয়ে প্রচারের দিক দিয়ে ‘দাগি’ কিছুটা পিছিয়ে ছিল। তবে প্রযোজকের দাবি, প্রচারের সময় ঠিকভাবেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। আফরান নিশো বলেন, ‘টিজারটা শুধু ইঙ্গিত দেয়, পুরো সিনেমার প্রতিটি দৃশ্যে গভীর অর্থ রয়েছে।’ ‘দাগি’ সিনেমায় শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশারসহ আরও অনেক অভিনেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। নির্মাতারা দাবি করেছেন, সিনেমাটি দেশের দর্শকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা এনে দেবে, কারণ এর গল্প মুক্তি ও প্রায়শ্চিত্তের।

মার্চ ১১, ২০২৫
ব্যাগে লুকিয়ে কারাগার থেকে পালালেন কয়েদি! - image

ব্যাগে লুকিয়ে কারাগার থেকে পালালেন কয়েদি!

13 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

ফ্রান্সের একটি কারাগার থেকে অভিনব কায়দায় পালিয়েছেন এক বন্দি। নিজের সেলমেটের ব্যাগে লুকিয়ে পালিয়েছেন তিনি। সেলমেটের শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সে দিনই তাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছিল। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই পালিয়ে যান অপর এক কয়েদি। ফ্রান্সের কারা প্রশাসনের পরিচালক সেবাস্তিয়েঁ কাওয়েল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাটি ঘটে লিওন শহরের কাছে অবস্থিত করবাস কারাগারে। শনিবার সকালে কারা কর্মকর্তারা দেখতে পান, বন্দিদের একজন নিখোঁজ। তদন্তে উঠে আসে, ওই কয়েদি তার সেলমেটের মুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যাগে লুকিয়ে কারাগার ছাড়েন। কাওয়েল আরও জানান, করবাস কারাগারটি ইতিমধ্যেই ধারণক্ষমতার ১৭০% বন্দি ধারণ করছে, যা জেলখানার কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।এ ধরনের ঘটনা ঘটায় আমরা আমাদের কার্যক্রম আরও খতিয়ে দেখছি।” ফ্রান্সের কারা প্রশাসনের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, পালানো বন্দি একাধিক মামলায় দণ্ডিত ছিলেন এবং সংগঠিত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগেও তদন্তাধীন ছিলেন। গত বছরও ফ্রান্সে আলোচিত এক পালানোর ঘটনা ঘটে। বন্দি মোহাম্মদ আমরাকে প্রিজন কনভয়কে বন্দুকধারীরা আক্রমণ করে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে রোমানিয়া থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।ফ্রান্সের এই নতুন পালানোর ঘটনা আইনশৃঙ্খলা ও কারা ব্যবস্থাপনায় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।   এমি/এটিএন বাংলা

জুলাই ১৩, ২০২৫
জেলে বসেই দাগী আসামীদের মদ পার্টি ও নাচ-গান, অতঃপর… - image

জেলে বসেই দাগী আসামীদের মদ পার্টি ও নাচ-গান, অতঃপর…

10 নভেম্বর 2025, বিকাল 3:47

কেউ কেউ নাচগানে ব্যস্ত আবার কেউবা মদ নিয়ে। আবার কাউকে দেখা যাচ্ছে আয়েসী ভঙ্গিতে ফোনে কথা বলতে বলতে তাস খেলতে। এটা এমন এক যায়গা যেখানে সহযেই মিলছে টিভি. দামি খাবার এমনকি মাদকও। না এটা কোনো বিলাসবহুল রিসোর্ট নয় বা পাড়ার কোনো ক্লাবের পার্টিও নয়। শুনতে আশ্চর্য হলেও সত্য এটি আসলে একটি জেলখানা এবং কয়েদিদের লাগামছাড়া আনন্দের দৃশ্য। আর এমন দৃশ্য কেউ ভিডিও করে নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে দিলে তা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে, ভারতে। সেখানকার এক কেন্দ্রীয় কারাগারে যা ঘটেছে তা সিনেমাকেও হার মানিয়েছে। যেখানে জন নিরাপত্তার খাতিরে কয়েদিদের কড়া পাহাড়ায় রাখার কথা, সেখানে রীতিমত আনন্দ উৎসবে মেতে আছে ভয়ংকর অপরাধে অভিযুক্ত কয়েদিরা। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, প্লাস্টিকের গ্লাসে মদ ঢালছে বন্দিরা, পাশে সাজানো ফল আর ভাজা চিনাবাদাম। অন্য এক ভিডিওতে সুরের তালে নাচছে কয়েকজন কয়েদি, টেবিলে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে চারটি মদের বোতল।এর আগেও শনিবার আইএসআইএস সদস্য ও এক সিরিয়াল খুনির জেলের ভেতর মোবাইল ফোনে কথা বলা ও টেলিভিশন দেখার দৃশ্য ভাইরাল হয়েছিল। তার পরদিনই বেঙ্গালুরুর এই নতুন পার্টির ভিডিওগুলো প্রকাশ্যে আসে।প্রথম ভিডিওতে দেখা গেছে, আইএসআইএস রিক্রুটার জুহাইব হামিদ শাকিল মান্না জেলের ভেতর ফোনে কথা বলছেন ও চা খাচ্ছেন। অন্য এক ভিডিওতে সিরিয়াল খুনি ও ধর্ষক উমেশ রেড্ডিকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও একটি বাটন ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। এতেই শেষ নয়! সোনা চোরাচালান মামলার বন্দি রাজু নামের এক তরুণকেও দেখা গেছে জেলের ভেতরই রান্না করতে ও ফোনে কথা বলতে।ফাঁস হওয়া এসব ভিডিওতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে নেটদুনিয়ায়। প্রশ্ন উঠেছে, জেলের নিরাপত্তা কোথায়? সাধারণ মানুষ থেকে রাজনীতিবিদ, সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন কর্ণাটক সরকারের ভূমিকা নিয়ে।ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেছেন, “জেল প্রশাসনের ভেতরকার অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।এছাড়াও রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি. পরমেশ্বর আরও কঠোরভাবে জানিয়েছেন, “যে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এতে জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে কারা বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
জেলের খাবার ‘অতিরিক্ত মসলাযুক্ত, কারাগারে নিজেই নিজের রান্না করতে আদালতের দ্বারস্থ কয়েদি! - image

জেলের খাবার ‘অতিরিক্ত মসলাযুক্ত, কারাগারে নিজেই নিজের রান্না করতে আদালতের দ্বারস্থ কয়েদি!

10 জুলাই 2026, বিকাল 5:23

জেলের খাবার ‘অতিরিক্ত মসলাযুক্ত, কারাগারে নিজেই নিজের রান্না করতে আদালতের দ্বারস্থ কয়েদি!কথিত এক সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক মার্কিন নাগরিক ভারতের দিল্লির একটি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিহার জেলের ভেতরে নিজের খাবার নিজে রান্না করার অনুমতি চেয়েছেন। তার দাবি, কারাগারের অতিরিক্ত মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার তিনি সহ্য করতে পারছেন না।ম্যাথিউ ভ্যানডাইক নামের ওই মার্কিন নাগরিক গত এপ্রিল মাস থেকে বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। বিশেষ এনআইএ (জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা) আদালতকে তিনি জানান, জেলের খাবারের সাথে মানিয়ে নিতে না পেরে দীর্ঘ সময় ধরে না খেয়ে থাকার কারণে গত তিন মাসে তার ওজন প্রায় ১৪ কেজি কমে গেছে। পাতিয়ালা হাউস কোর্টে দায়ের করা আবেদনে ভ্যানডাইক তার পরিবারের মাধ্যমে জেলের ভেতরে ইন্ডাকশন কুকার ও পোর্টেবল স্টোভসহ রান্নার সরঞ্জাম এবং অলিভ অয়েল ও পাস্তার মতো খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের অনুমতি চেয়েছেন, যাতে তিনি নিজেই নিজের খাবার তৈরি করে নিতে পারেন।ভ্যানডাইক গত ৬ মে থেকে অনশন ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন। তার দাবি, কারাগারের নিয়মিত খাদ্যতালিকা তার শরীরে প্রচণ্ড অস্বস্তি তৈরি করছে এবং স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। একজন মার্কিন নাগরিক হিসেবে ভারতীয় কারাগারের এই ধরনের খাবার নিয়মিত খাওয়া তার পক্ষে যেমন অভ্যস্ততা বহির্ভূত, তেমনি শারীরিকভাবেও অসম্ভব।নিজের শারীরিক দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে ভ্যানডাইক আরও জানিয়েছেন, জেলের মশার কামড়ে তার ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। তাই সুরক্ষার জন্য মশা তাড়ানোর ওষুধ ও মশারি সরবরাহের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।চলতি বছরের মার্চ মাসে ছয়জন ইউক্রেনীয় নাগরিকের সাথে এই মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার করে এনআইএ। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এই দলটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামে অবৈধভাবে প্রবেশ করে মিয়ানমার সীমান্তে চলে যায়। সেখানে তারা মিয়ানমারের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত এবং ভারতে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে সহায়তাকারী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ভ্যানডাইককে প্রথমে কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে গত ৬ এপ্রিল তিহার জেলে স্থানান্তর করা হয়।আদালত এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিহার জেল কর্তৃপক্ষকে তাদের বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে, আগামী ২১ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। 

জুলাই ১০, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo