logo
youtube logotwitter logofacebook logo

আসিয়ান

সেপ্টেম্বরে আসিয়ান ও পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন, জাকার্তা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি - image

সেপ্টেম্বরে আসিয়ান ও পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন, জাকার্তা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

28 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের ৪৩তম শীর্ষ সম্মেলন এবং ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮তম পূর্ব-এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন। দুই দিনের সফরে ৫ সেপ্টেম্বর জাকার্তায় যাওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের। একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে এ সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে এটি হবে তার দ্বিতীয় বিদেশ সফর। রাষ্ট্রপতির জাকার্তায় পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে কূটনৈতিক বিভিন্ন সূত্র। ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র জানায়, এবার ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ইন্দোনেশিয়া। বর্তমানে আসিয়ানের চেয়ারের দায়িত্ব পালন করছে দেশটি। জাকার্তায় অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু একই সময়ে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকায় জাকার্তায় যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। সেজন্য আসিয়ানের প্রতি ঢাকার সমর্থন ও সম্পর্ক বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্র জানায়, আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের যে কমিটমেন্ট এবং সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা, তার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি যাচ্ছেন। আর জাকার্তা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, ওআইসির সদস্য দেশ।আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শীর্ষ সম্মেলনে আসিয়ানের বিশেষ অতিথি হিসেবে স্টেটমেন্ট দেবেন। সম্মেলনের ফাঁকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো ছাড়াও কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বৈঠক করার কথা রয়েছে।এ নিয়ে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাকার্তার বাংলাদেশ মিশন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সূত্র আরও জানায়, কূটনৈতিক সূত্রে আরও জানা যায়, জার্কাতায় পূর্ব এশিয়া সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির সফর সঙ্গীদের তালিকায় থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সম্মেলনের ফাঁকে ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় দেশগুলোর সহযোগিতা সংস্থা ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওরা) ও আসিয়ানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ আইওরার চেয়ার হওয়ায় ড. মোমেন আসিয়ানের সঙ্গে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। এদিকে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে জানা যায়, পূর্ব এশিয়া সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, যুক্তরাষ্ট্রেরে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। পাশাপাশি সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ছাড়াও বিশ্বনেতা ও বিভিন্ন সংস্থা প্রধানের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে প্রথম পূর্ব এশিয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সময় ১৬টি দেশ ওই সম্মেলনে যোগ দেয়। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ পূর্ব এশিয়া সম্মেলনে প্রথমবার যোগদান করে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। গত বছর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে অনুষ্ঠিত হয় ১৭তম পূর্ব এশিয়া সম্মেলন ।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি - image

ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

02 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন এবং ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাকার্তার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। জাকার্তা থেকে ৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে যাবেন তিনি। খবর বাসস। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বাসসকে জানিয়েছেন যে রাষ্ট্রপতি, তার স্ত্রী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা এবং অন্য সফরসঙ্গীদের নিয়ে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি (বিজি ১৯১০) ফ্লাইটে সোমবার দুপুরে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (এইচএসআইএ) ত্যাগ করার কথা রয়েছে। বিমানটি সেদিনই সোয়া ৬টায় জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। তিনি আরও জানান, অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনও সফরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে থাকবেন। বঙ্গভবনের এই মুখপাত্র বলেন, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং ২০২৩ সালের আসিয়ান চেয়ার জোকো উইডোডোর (যিনি জোকোই নামে পরিচিত) আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে (জেসিসি) ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ৪৩তম আসিয়ান (দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা) শীর্ষ সম্মেলনে এবং ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন। রাষ্ট্রপতি জাকার্তার হোটেল লে মেরিডিয়ানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে অবস্থান করবেন। এদিকে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু প্রেক্ষিত-আসিয়ান’ থিমকে সামনে রেখে জাকার্তায় ৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন তিন দিনব্যাপী ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনেও যোগ দেবেন। গেস্ট অব চেয়ার হিসেবে আঞ্চলিক স্থাপত্যকে শক্তিশালী করার বিষয়ে সমাপনী ভাষণ দেবেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোডো এবং থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং তিমুর-লেস্টের আরও কয়েকজন রাষ্ট্রীয় নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি হুতান কোটা গেলোরা বুং কার্নোতে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকোই কর্তৃক আয়োজিত গালা নৈশভোজে যোগ দেবেন। ৪৩তম আসিয়ান সম্মেলনের সময় ১২টি সভায় সভাপতিত্ব করবেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো । পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাসসকে বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সফরে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে জ্বালানি ও স্বাস্থ্য সহযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা ছাড়াও দুটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে ৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন এবং ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা স্বাস্থ্যের পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে জাকার্তা ত্যাগ করবেন। সূচি অনুযায়ী ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে (বিজি-৫৮৫) সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরবেন রাষ্ট্রপতি। প্রসঙ্গত, আসিয়ান হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা, যার মধ্যে ব্রুনাই দারুসসালাম, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাও পিডিআর, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং তিমুর লেস্টে বা পূর্ব তিমুর দেশসমূহ রয়েছে। আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, নিরাপত্তা এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত সদস্যদেও একটি দ্বিবার্ষিক সভা। এ ছাড়া এটি একটি বিশিষ্ট আঞ্চলিক (এশিয়া) এবং আন্তর্জাতিক (বিশ্বব্যাপী) সম্মেলন হিসেবে কাজ করে, যাতে বিশ্বনেতারা বিভিন্ন সমস্যা ও বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে, সহযোগিতা জোরদার করতে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এ সম্পর্কিত শীর্ষ সম্মেলন এবং বৈঠকে যোগদান করেন।আসিয়ান সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পরে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের (ইএএস) সভাপতিত্ব করবেন, যা ১০টি আসিয়ান দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ফেডারেশন, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতসহ ১৮ সদস্য নিয়ে গঠিত । ওয়েবসাইটে সংবাদ বিজ্ঞিপ্তিতে বলা হয়, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ ফোরামের নেতারা, কানাডার প্রধানমন্ত্রী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পরিচালক এবং বিশ্বব্যাংকও জাকার্তায় ৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ চীন সাগর, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত অঞ্চল (এসইএএনডব্লিউএফজেড), আসিয়ান মেরিটাইম আউটলুক, ইন্দো প্যাসিফিকের আসিয়ান আউটলুক (এওআইপি) সম্পর্কিত আচরণবিধি এবং মিয়ানমারের বিষয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। জাকার্তায় ৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও প্রণয়ন করবে, যেমন আসিয়ান অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি এবং সবুজ অর্থনীতি। সেই সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং পেমেন্ট ইকোসিস্টেম সম্পর্কিত চুক্তির বিষয় রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি - image

আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি

04 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

ইন্দোনেশিয়ায় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের ৪৩তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিণী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট তাদের স্বাগত জানান। আসিয়ান চেয়ার ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর বিশেষ আমন্ত্রণে এবারের আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আসিয়ানের সদস্য এবং সহযোগী দেশগুলো ছাড়াও বেশ কয়েকটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডারবিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া ৭ সেপ্টেম্বর জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে ১৮তম ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দেবেন তিনি। এর আগে, ৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪১ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
মিয়ানমারসহ রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের - image

মিয়ানমারসহ রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের

06 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত এবং এর ফলে সৃষ্ট রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এমনকি শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে বিলম্ব হলে তা সমগ্র অঞ্চলকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ গিয়ে প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সংঘাতের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাকার্তায় ইস্ট এশিয়া সামিটে তিনি আরও বলেন, শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে বিলম্ব এবং মানবিক সহায়তার অভাব সমগ্র অঞ্চলকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের ৪৩তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় যান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আসিয়ানের সভাপতি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর বিশেষ আমন্ত্রণে এ সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। তিনদিনব্যাপী এবারের সম্মেলনে আসিয়ানের সদস্য দেশ এবং এর সহযোগী দেশগুলো ছাড়াও বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণ অংশ নেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে ১৮তম ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। আসিয়ান ও ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগদানের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মো. সাহাবুদ্দিন। সম্মেলনে যোগদান শেষে ৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে জাকার্তা ত্যাগ করবেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী - image

যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী

24 এপ্রিল 2024, বিকাল 6:00

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন, ইসরায়েল-ইরান-ফিলিস্তিনির যুদ্ধ বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ কখনো কোনো সমাধান দিতে পারে না। এটা অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত। নারী-শিশুসহ সব বয়সী মানুষ এর শিকার হয়ে জীবন পর্যন্ত দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়-বিষয়ক জাতিসংঘের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কমিশনের (ইউএনএসকাপ) সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি। যুদ্ধের ভয়াবহতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন, ইসরায়েল-ইরান-প্যালেস্টাইনের যুদ্ধ বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। যুদ্ধের ভয়াবহতা আমি জানি। বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ চায় না। আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। যারা এখনও বিভিন্নভাবে কষ্ট পাচ্ছেন যুদ্ধের কারণে তাদের দিকে দেখে বিশ্বনেতাদের যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সংঘাত নিয়ন্ত্রণে আসিয়ানকে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। বুধবার থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে ৬ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দেশটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। থাইল্যান্ডে পৌঁছালে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনায় বরণ করে নেওয়া হয়। থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত মন্ত্রী পুয়াংপেট চুনলাইদ অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দরে তাকে গার্ড অব অনার এবং ১৯ রাউন্ড গান স্যালুট দেওয়া হয়। থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর পর শেখ হাসিনা দেশটির প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের সঙ্গে গভর্নমেন্ট হাউসে (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) একান্ত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন, এরপর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে থাই প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া একটি রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী রাজপ্রাসাদে থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ফ্রা ভাজিরাক্লাওচাওয়ুহুয়া এবং রানী সুথিদা বজ্রসুধাবিমলালক্ষণের রাজকীয় দর্শকদের সঙ্গে থাকবেন। এছাড়া আজ জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি-জেনারেল এবং এসক্যাপের নির্বাহী সচিব আরমিদা সালসিয়াহ আলিসজাবানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এপ্রিল ২৪, ২০২৪
থাইল্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে: শেখ হাসিনা - image

থাইল্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে: শেখ হাসিনা

01 মে 2024, বিকাল 6:00

 থাইল্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, থাইল্যান্ডে আমার সরকারি সফরটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।  বৃহস্পতিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলে প্রধানমন্ত্রী। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় সফরের অংশ হিসেবে ২৪ এপ্রিল ব্যাংকক পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী গত সোমবার (২৯ এপ্রিল) ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরেন। সফর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সফরে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরুর বিষয়ে অগ্রগতি, আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি প্রভৃতি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণে বিশেষ গুরুত্ব পালন করবে। ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’- এর প্রার্থিতা লাভের জন্য এ সফর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, থাইল্যান্ডকে দ্বিপাক্ষিকভাবে এবং আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো অবস্থান নেওয়ায় সহায়তা করবে মর্মে আমি আশাবাদী। শেখ হাসিনা বলেন, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের বিশেষ প্রয়াস হিসেবে সফরটি সফল ও  ফলপ্রসূ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

মে ০১, ২০২৪
বাংলাদেশের ওপর শুল্ক হ্রাস, ভারতের পোশাক বাজারের শেয়ারে বড় দরপতন - image

বাংলাদেশের ওপর শুল্ক হ্রাস, ভারতের পোশাক বাজারের শেয়ারে বড় দরপতন

31 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক ৩৫ শতাশং থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে ভারতের পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় আগস্ট মাসের প্রথম দিনেই ভারতীয় টেক্সটাইল কোম্পানিগুলোর শেয়ারমূল্য বড় ধরনের পতনের মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন দেশের আমদানি পণ্যের ওপর  শুল্ক আরোপের ঘোষণার পর গার্মেন্টস খাতে ভারতের প্রধান প্রতিযোগী বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে চলে গেল। বাংলাদেশ আগে থেকেই তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানির অন্যতম বড় দেশ। নতুন এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় পোশাক প্রস্তুতকারকদের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘোষণার পরপরই ভারতীয় টেক্সটাইল খাতের একাধিক কোম্পানির শেয়ার দামে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটে। আপস্টকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কেপিআর মিলসের শেয়ার ৫ শতাংশ, ওয়েলসপুন লিভিংয়ের শেয়ার ২ শতাংশ, অলোক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার ০ দশমিক ৮ শতাংশ, পিয়ার্ল গ্লোবালের শেয়ার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ, গোকূলদাস এক্সপোর্টের শেয়ার ২ দশমিক ৬ শতাংশ, কিটেক্স গার্মেন্টসের শেয়ার ৩ দশমিক ২১ শতাংশ এবং বর্ধমান টেক্সটাইলের শেয়ার ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রকাশিত আমদানি শুল্ক তালিকা অনুসারে, ৫০টিরও বেশি দেশের ওপর শুল্ক কমিয়েছে ট্রাম্প। এতে রয়েছে বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তান (১৯ শতাংশ), ভিয়েতনাম (২০ শতাংশ) এবং মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের মতো আসিয়ান দেশগুলোতে ১৯ শতাংশ। তবে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতিকে ঘিরে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, বিশেষ করে শ্রমনির্ভর খাত যেমন টেক্সটাইল ও উচ্চমূল্যের ইলেকট্রনিকস পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রই ভারতের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য, আর সেখানে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এখন আরো কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ভারত শিগগিরই আরো সুবিধাজনক বাণিজ্য চুক্তি না করে, তাহলে রপ্তানিকারকরা মার্কেটে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে হিমশিম খাবে। এর আগে গত ৮ জুলাই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি পাঠান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সময় তিনি জানান, ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি পণ্যে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে আলাপ আলোচনার পর তিনি এ শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন।  

জুলাই ৩১, ২০২৫
অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে মুগ্ধ আইএমএফ প্রধান - image

অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে মুগ্ধ আইএমএফ প্রধান

17 সেপ্টেম্বর 2025, সকাল 12:00

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, অধ্যাপক ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং এই কৃতিত্ব তার নিজেরই। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ভিডিও ফোন কলে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেন জর্জিয়েভা। এ সময় তারা বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং আগামী ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের পূর্ববর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। অর্থনীতির সংকটকালীন পরিস্থিতি স্মরণ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, আপনার অর্জন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অল্প সময়ে আপনি অনেক কিছু করেছেন। যখন অবনতির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি। তিনি বিশেষভাবে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা এবং রিজার্ভ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের সাহসী পদক্ষেপ—বাজারভিত্তিক বিনিময় হার প্রবর্তনের প্রশংসা করেন। অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের এক সংকটময় সময়ে আইএমএফ প্রধানের অবিচল সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, চমৎকার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজানের পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের পর তিনি তার পূর্ববর্তী কাজে ফিরে যাবেন বলে উল্লেখ করেন। কথোপকথনে আইএমএফ প্রধান অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতে গভীর সংস্কার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শক্ত অবস্থানে থাকতে হলে সংস্কার অনিবার্য। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অমূল্য মুহূর্ত। অধ্যাপক ইউনূস জানান, তার সরকার ইতোমধ্যে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, আমরা এক বিধ্বস্ত ও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কিছু ব্যক্তি আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এছাড়া আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নেপালে চলমান যুব আন্দোলন এবং আসিয়ানভুক্তির জন্য বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা। অধ্যাপক ইউনূস আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকার বৃহৎ অবকাঠামো উদ্যোগ—যেমন নতুন বন্দর ও টার্মিনাল প্রকল্প—সম্পর্কেও অবহিত করেন। আলোচনাকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।   এম আর/ এটিএন বাংলা

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিতে একমত দুই দেশ: প্রধানমন্ত্রী - image

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিতে একমত দুই দেশ: প্রধানমন্ত্রী

22 জুন 2026, বিকাল 3:43

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে ।আজ সোমবার (২২ জুন) সকালে পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় থেকেই দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং জনগণের মধ্যে গভীর সংযোগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।তিনি জানান, বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যৌথ কমিশন বৈঠক এবং দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে দুই পক্ষই সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে মালয়েশীয় বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সে সুযোগ কাজে লাগাতে মালয়েশীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।শ্রমবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের সংখ্যা কমে এবং কর্মীদের খরচ হ্রাস পায়। অনিয়মিত কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের বিষয়ে মানবিক বিবেচনার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার অব্যাহত সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।/টি

জুন ২২, ২০২৬
‘আসিয়ান’-এর জোটে অংশ নিতে পারবে না বাংলাদেশ! - image

‘আসিয়ান’-এর জোটে অংশ নিতে পারবে না বাংলাদেশ!

02 আগস্ট 2026, বিকাল 5:22

‘আসিয়ান’-এর জোটে অংশ নিতে পারবে না বাংলাদেশ!দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট 'আসিয়ান'-এর সদস্য হতে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পথে বড় ধরনের আইনি বাধা তৈরি হয়েছে। জোটটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি উঠে এসেছে কিছু নীতিগত ও স্পষ্ট সীমাবদ্ধতা।আসিয়ানের বর্তমান নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক সনদ পর্যালোচনা করে জানা গেছে, কেবল ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশের সদস্য হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ১০ম আসিয়ান মিডিয়া ফোরামে জোটটির মহাসচিব কাও কিম হোর্ন নিশ্চিত করেছেন, পূর্ব তিমুরকে যুক্ত করার মাধ্যমেই আসিয়ানের সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া কার্যত ইতি টেনেছে।আসিয়ান চার্টার অনুযায়ী, এই জোটের সদস্য হতে হলে আবেদনকারী দেশকে অবশ্যই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানার অংশ হতে হবে। কিন্তু ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার এবং পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। মহাসচিব স্পষ্ট করেছেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতভাবে তাদের সনদে বড় পরিবর্তন এনে নতুনভাবে অঞ্চলের সীমানা নির্ধারণ না করলে জোটের ১১টি দেশের বাইরে অন্য কাউকে যুক্ত করা সম্ভব নয়।বাংলাদেশ গত বছর মালয়েশিয়ার সভাপতিত্বের সময় এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্মে জোটটির সমর্থনের জন্য চেষ্টা চালিয়েছিল। অন্যদিকে, পাপুয়া নিউগিনির জন্য ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন থাকলেও সনদের এই ভৌগোলিক শর্ত বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসিয়ানে যোগ দেয়ার প্রক্রিয়া কতটা কঠিন, তা তুলে ধরতে গিয়ে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট রসিকতা করে বলেছিলেন, ‘আসিয়ানে প্রবেশের চেয়ে স্বর্গে যাওয়া সহজ!’সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, আপাতত বাংলাদেশসহ আবেদনকারী অন্যান্য দেশের জন্য আসিয়ানের দরজা খুলতে হলে জোটের সবকটি সদস্য দেশের সম্মতিতে সনদ সংশোধন করা ছাড়া অন্য কোনো আইনি পথ খোলা নেই।  

আগস্ট ০২, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo