logo
youtube logotwitter logofacebook logo

আবেদন

রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে রিট খারিজ - image

রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে রিট খারিজ

06 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

সংবিধানের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর এ দায়ের করা রিট সোমবার খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ। গত মাসে হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী। আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। রিট আবেদনে বিবাদী ছিলেন আইন সচিব। সংবিধানের ৮ম সংশোধনী করে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করা হয়। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম প্রতিস্থাপিত হয়। সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন। Source: Atntimes.com

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫
আদালত অবমাননার আইন করা হবে: আইনমন্ত্রী - image

আদালত অবমাননার আইন করা হবে: আইনমন্ত্রী

04 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

শিগগিরই আদালত অবমাননার আইন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রোববার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলয়নায়তনে ল রিপোর্টার্স ফোরামের কর্মশালায় তিনি বলেন, আদালতের সংবাদে ভুল হলে গণমাধ্যম কিংবা সংবাদকর্মীদের আদালত অবমাননার সম্ভাবনা থাকে। আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩ এর কয়েকটি ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছিলেন দুই আইনজীবী। পরে আইনটি অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্ট। আইনমন্ত্রী বলেন: ১৯২০ সালে আদালত অবমাননার যে আইনটি করা হয়েছিল, বর্তমানে গণমাধ্যমের ব্যাপক প্রসারের ফলে তা অনেকটাই পুরোনো হয়ে পড়েছে। তাই আদালত অবমাননার একটি আইন থাকা উচিত বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী।

অক্টোবর ০৪, ২০১৫
গয়েশ্বর-খোকাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা - image

গয়েশ্বর-খোকাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

03 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

রামপুরায় নাশকতার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাদেক হোসেন খোকাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা বিকেলে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২০১৩ সালের ২৯ মার্চ বিএনপি-জামায়াত জোটের ডাকা ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচি পালনের সময় গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ফলে মুনসুর প্রধানীয়া নামে এক ব্যক্তি হত্যা ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়। গত ২০ মার্চ গয়েশ্বর ও খোকাসহ ৪৯ জনকে আসামি করে মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়। চার্জশিটে সাদেক হোসেন খোকাসহ ২১ জনকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। চার্জশিটে পলাতক দেখানে ২১ আসামি ও জামিনে থাকা ১৪ আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০১৫
মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, আদেশ বুধবার - image

মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, আদেশ বুধবার

16 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে মঙ্গলবার এই শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে সুপিরিয়র নেতৃত্বের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পাওয়া মুজাহিদের পক্ষে রিভিউ শুনানিতে শুধু মৃত্যুদন্ডের শাস্তি কমানোর আবেদন করা হয়েছিল। মুজাহিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন তার প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আসামিপক্ষের যুক্তি; মুজাহিদ সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। এমনকী আল বদর বাহিনী সরাসরি পাকিস্তানী বাহিনী ছিল; তাই কমান্ডার হিসেবে মুজাহিদ অপরাধী হয়না বলে আদালতে তাঁরা দাবী করেন। পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে এটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, সেন্ট্রাল কমান্ড পাক বাহিণীর হাতে থাকলেও, স্থানীয় কমান্ডাররাও আল বদরের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করেছেন। এছাড়া মুজাহিদ সরাসরি সব হত্যাকান্ডে অংশ না নিলেও বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মূল নকশাকারী হিসেবে ছিলেন তিনি। ৭১ এ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন স্থান মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারেও সেসময় নিয়মিত মুজাহিদ যাওয়া আসা করতেন। শুনানিতে আদালত বিচ্ছু জালালের সাক্ষ্য তুলে ধরেন। যেখানে সুরকার আলতাফ মাহমুদের হত্যাকান্ডে মুজাহিদের সরাসরি অংশ নেওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১৬ জুন একাত্তরের বদর প্রধান মুজাহিদের আপিলের রায় ঘোষণা করে সুপ্রিমকোর্ট। এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনও একই বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও তা হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০১৫
৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণ করবেন খালেদা - image

৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণ করবেন খালেদা

16 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরলে, বেগম খালেদা জিয়া নাইকো দুর্নীতি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাঁর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন এ মাসের মধ্যে ফিরলে, সময় বাড়ানোর আবেদন করা হবে। নাইকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার রিট খারিজ করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, তার কপি নিম্ন আদালতে পৌঁছেছে। সেই হিসেবে খালেদা জিয়াকে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তবে তিনি দেশে ফেরার পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেছিল দুদক। পরের বছর মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। তবে চলতি বছর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে দুদক। শুনানি শেষে মামলা চালানোর পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

নভেম্বর ১৬, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসির রায়ে জনসাধারণের উল্লাস - image

দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসির রায়ে জনসাধারণের উল্লাস

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় উল্লসিত সারা দেশ। রায় কার্যকর হওয়ার পরই যেন উল্লাসের নগরীতে পরিণত হয় ঢাকা। বের হয় আনন্দ মিছিল। হয় মিষ্টি বিতরণ। এদিকে, এই রায় কার্যকর হ্ওয়াকে জনগণের বিজয় হিসেবে দেখছে গণজাগরণ মঞ্চ। শনিবার দিন থেকে রাত। ঢাকার শাহবাগের রাজপথে গণজাগরন মঞ্চের এমন প্রতীক্ষা। কখন কার্যকর হবে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায়। অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। কারণ, সবাইকে চমকে দিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সাকা-মুজাহিদ। তাই কখনও অজানা আশংকা, কখনবা জয়ের আনন্দে উত্তাল সমাবেশ। শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে এলো সেই ক্ষণ। খবর এলো, কার্যকর হয়ে গেছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির দণ্ড। তারপরের ছবি- এমন বাধভাঙ্গা উল্লাসের। জাতীয় পতাকা হাতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পূর্ণ করার উদযাপনের। ইতিহাসের দায় শোধের পথে স্বস্তির। উত্তেজনা তখন কিছু থিতিয়ে এসেছে। ভর করেছে ক্লান্তি। তারপরও থেমে যায়নি উদযাপন। জাতীয় সঙ্গীতে এমন কন্ঠ মিলিয়েই চলছিল আনন্দের বহিপ্রকাশ। শুধু শাহবাগ নয়; রাজধানী জুড়েই যেন শোনা যাচ্ছিল এমন উল্লাসের আনন্দ চিৎকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন ছবি যেন তার কথাই বলছে। এদিকে, দুই রাজাকারের ফাঁসি হওয়ায় রোববার বিজয় র‌্যালি বের করবে গণজাগরণ মঞ্চ। এ ফাঁসির রায় কর্যকর হওয়াকে বিরাট বিজয় বলে জানিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। শনিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের পর রাজধানীর শাহবাগে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন গণজাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। এদিকে কুখ্যাত দুই রাজাকারের মৃত্যুদন্ড কার্যকরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবারের সন্তানেরা। আর দন্ড কার্যকরের আগ মুহুর্তে রাষ্ট্রপ্রতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মাটিতে তারা যে যুদ্ধাপরাধ করেছে তাও স্বীকার করে নিল বলে মনে করেন তারা। যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসিতে আনন্দিত ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ। এ ফাঁসির রায়ের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরবাসী কলঙ্কমুক্ত হয়েছেন বলে মনে করছেন তারা। অপরদিকে দ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকরের খবরে চট্টগ্রামের রাউজানে আনন্দ মিছিল করেছেন মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। শনিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের খবরে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা। একে অন্যকে মিষ্টিমুখ করান। এ ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম কলঙ্কমুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামবাসী। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
দণ্ড কার্যকরের খবর বিশ্ব গণমাধ্যমে - image

দণ্ড কার্যকরের খবর বিশ্ব গণমাধ্যমে

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাসিঁর খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ‘বিবিসি’ তাদের শিরোনাম করেছে : ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধে সাকা চৌধুরী এবং মুজাহিদের ফাসিঁ । এ সংবাদ তারা তাদের শীর্ষ দুই নাম্বার খবরে রাখে। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেথ করা হয়েছে সাকা চৌধুরী ৬ বারের এমপি এবং মুজাহিদ বাংলাদেশের একটি ইসলামী দলের শীর্ষ নেতা ছিলেন। তাদের দুই জনের পক্ষে করা প্রানভিক্ষার আবেদন নিয়ে পরিবার এবং সরকারের ভিন্নমত তুলে ধরা হয়েছে বিবিসি প্রতিবেদনে। বাংলাদেশে ২ বিরোধী নেতার ফাসিঁ কার্যকর এমন শিরোনাম করেছে কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘আল জাজিরা’ ।   রাষ্ট্রপতির ক্ষমা না পাওয়ার পর তাদের ফাসিঁ কার্যকর করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে । সংবাদ মাধ্যমটি, মুজাহিদকে বাংলাদেশের বৃহৎ ইসলামী দলের ২য় শীর্ষ নেতা বলে উল্লেখ করেছে। এ ছাড়া ভারতের গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধে বাংলাদেশে ২ বিরোধী নেতার ফাসিঁ কার্যকর বলে খবর প্রকাশ করেছে । পাকিস্তান ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডন অবশ্য ফাসিঁ কার্যকর হওয়ার আগে খবর প্রকাশ করলেও , কার্যকর হওয়ার পরে কোন সংবাদ আপডেট করে নি । তারাও ২ বিরোধী নেতার ফাসিঁর হচ্ছে বলে খবর দিয়েছিল।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
নিজামীর আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি - image

নিজামীর আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি

22 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর আপিল আবেদনের শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ চতুর্থ দিনের শুনানি হয়। নিজামীর পক্ষে আইনজীবী এস এম শাজাহান পেপারবুক থেকে অভিযোগ ধরে সাক্ষী উপস্থাপন করেন। বুদ্ধিজীবী গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, সম্পত্তি ধ্বংস, দেশত্যাগে বাধ্য করা, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও সংঘটনে সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। ওই রায়ের বিরুদ্ধে গত ২৩ নভেম্বর সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন নিজামী। জামায়াতে ইসলামীর আমির নিজামী একাত্তরে ছিলেন দলটির ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নাজিমে আলা বা সভাপতি এবং সেই সূত্রে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতার জন্য গঠিত আল বদর বাহিনীর প্রধান।

নভেম্বর ২২, ২০১৫
নাইকো মামলায় খালেদার জামিন - image

নাইকো মামলায় খালেদার জামিন

29 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ২৮ ডিসেম্বর দিন রেখেছে ঢাকার একটি আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের ওই মামলা ঢাকার বিশেষ জজ আমিনুল ইসলামের আদালতে এ আদেশ দেন। মামলার বৈধতা নিয়ে খালেদার আবেদন গত ১৮ জুন খারিজ করে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতে অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। ২০০৮ সালে খালেদার আবেদনে হাইকোর্ট মামলা স্থগিত করলেও, ৭ বছর পর রুল নিষ্পত্তির মাধ্যমে মামলাটি সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক।

নভেম্বর ২৯, ২০১৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo