
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তখন পুরো প্রস্তুত। ইউক্রেনের তিনটি সুনির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ঘড়ির কাঁটার হিসাব কষছিল তেহরান। কিন্তু আদেশের ঠিক পূর্বমুহূর্তে বদলে যায় হিসাব-নিকাশ। স্থগিত করা হয় বহুল আলোচিত সেই সামরিক অভিযান।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই সম্প্রতি ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে এই ঘটনার অন্তরালের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সামরিক জবাব দেয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে যোগাযোগ করে দুঃখপ্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। কিয়েভের এই আকস্মিক নমনীয়তার পরই তেহরান অভিযানের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জুলাই। কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে এক ক্রু সদস্য
এদিকে, ইউক্রেন ইস্যুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জলপথ ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যেও কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। মোহসেন রেজাই স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালীতে নির্ধারিত নৌপথের বাইরে শত্রুভাবাপন্ন কোনো যুদ্ধজাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে। একইসাথে তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে পূর্ব ইউরোপ—ইরানের এমন মারমুখী অবস্থান আর শেষ মুহূর্তের নমনীয়তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে যেন আবারো নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।