
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
পারমানু অস্ত্র বানাবে সৌদি আরব, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য !
ইরানের পরমাণু সক্ষমতা নিয়ে এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলছে তীব্র সংঘাত। পরমাণু অস্ত্র তৈরির আশঙ্কায় ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলো আরেকটি চাঞ্চল্যকর খবর। এবার সেই আলোচনায় উঠে এলো সৌদি আরবের নাম।
সম্প্রতি মার্কিন একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা পুরোপুরি বাদ দেয়নি। আর এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। কারণ, একই সময়ে সৌদি আরবের সঙ্গে পরমাণু শক্তি নিয়ে বড় একটি চুক্তি করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই চুক্তির আওতায় সৌদিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বড় ধরনের পারমাণবিক প্রকল্প করার সুযোগ পাবে।
ওয়াশিংটনের যুক্তি,
প্রাথমিকভাবে সৌদি আরব ৫ শতাংশের কম ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে। পরে অতিরিক্ত সমঝোতা ও শর্ত পূরণ হলে এই মাত্রা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরাসরি অস্ত্র তৈরির উপযোগী না হলেও, সেখান থেকে অস্ত্র-গ্রেড পর্যায়ে যাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে। আর এখানেই প্রশ্ন তুলছেন মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা। তাদের আশঙ্কা, এই চুক্তি সৌদিকে ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, তারা কোনোভাবেই সৌদি আরবের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিকে সমর্থন করে না। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রীও বলেছেন, তাদের পরমাণু কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ। এর মধ্যেই চুক্তিটি কংগ্রেসের পর্যালোচনায় রয়েছে।
আরেকটি বড় শর্তও আছে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, সৌদি আরবকে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। কিন্তু রিয়াদ জানিয়েছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি ছাড়া তারা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে না। সব মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই, সৌদির পরমাণু কর্মসূচি কি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ভবিষ্যতে এর পথ আরও দূর পর্যন্ত গড়াবে?