
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটে দল পুনর্গঠনের দাবি জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং পারফরম্যান্সকে অত্যন্ত হতাশাজনক ও লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তার মতে, দেশের ক্রিকেটীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে এমন পারফরম্যান্স কোনোভাবেই মানানসই নয়।
কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে সিরিজের তৃতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ছিল ২৮৮ রান। কিন্তু রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই অলআউট হয়ে যায় দলটি। ফলে ১৭৬ রানের বড় পরাজয়ের পাশাপাশি ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে। এই জয়ের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
ম্যাচ শেষে ব্যাটারদের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচন, ভুল সিদ্ধান্ত ও লড়াই করার মানসিকতার অভাব নিয়ে সমালোচনা করেন ডেভিড ওয়ার্নার। টেলিভিশনে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ২৮৮ রান তাড়া করে ম্যাচ ও সিরিজ জয়ের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ব্যাটারদের এমন পারফরম্যান্স গ্রহণযোগ্য নয়। সাবেক ক্রিকেটার মার্ক ওয়াহও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, শেষ দিনের ব্যাটিং ছিল অপরিণত ও হতাশাজনক। শট নির্বাচন, টেকনিক ও শট বাস্তবায়ন—কোনো ক্ষেত্রেই ব্যাটাররা নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে পারেননি।
এদিকে ডেভিড ওয়ার্নারের অবসরের পর থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং বিভাগে স্থিতিশীলতা নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে নিক ম্যাডিনসন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তিন নম্বরে মার্নাস লাবুশেনের ধারাবাহিক ব্যর্থতাও দলে তার জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তবে ম্যাট রেনশ ও জশ ইংলিসের পারফরম্যান্স কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে দলকে। প্রথম টেস্টে ১৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন রেনশ। অন্যদিকে কেপটাউন টেস্টে স্টিভ স্মিথের চোটে সুযোগ পেয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন ইংলিস।
সিরিজ হারের পর অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও দল পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক এবং এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়াকে আবারও শীর্ষ অবস্থানে ফিরতে হলে পারফরম্যান্সের উন্নতির পাশাপাশি খেলার কৌশলেও পরিবর্তন আনতে হতে পারে। প্রয়োজনে কয়েকজন ক্রিকেটারকে পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন কামিন্স।
টি/