
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এদিকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকেই এ পদে বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও গত দুই দিনে সম্ভাব্যদের তালিকায় নতুন কয়েকটি নাম যুক্ত হয়েছে।
অতীতে দলের বাইরে থেকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগে রাজনৈতিক সংকটের অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনায় রেখে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতারা মনে করছেন, সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম এমন অভিজ্ঞ ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমলা
সূত্র আরও জানিয়েছে, সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি চলছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পদে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নাম আলোচনায় আসে। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির নামও সম্ভাব্যদের তালিকায় যুক্ত হয়।
বিএনপির দলীয় ও এর বাইরের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শারীরিক প্রতিকূলতাসহ নানা বিবেচনায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনেকেই সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতির আলোচনায় পিছিয়ে পড়েছেন। গত দুই দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় এসেছে। দলের একটি অংশ নানা বিবেচনায় তাকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করার পক্ষে সক্রিয় রয়েছে। রাজনীতির বাইরেও তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকে তাকে এ পদের জন্য যোগ্য মনে করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল তাকে রাষ্ট্রপতি পদে ‘সেরা প্রার্থী’ বলে মন্তব্য করেছেন। এছাড়া ব্র্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহও এক ফেসবুক পোস্টে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে অন্যদের তুলনায় বেশি যোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূরুল ইসলাম মনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের মাধ্যমেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন এবং সংসদের আগামী অধিবেশনেই তা হতে পারে। তিনি বলেন, একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন বসতে হয়। সে হিসাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অধিবেশন বসতে হবে এবং হাতে এখনো যথেষ্ট সময় রয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদে দল কাকে মনোনয়ন দেবে, সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে তিনি দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: প্রথম আলো
/টি