
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
হুতি বিরোধী অভিযানে অংশ নিতে চায় ইসরায়েল, নিষেধ করেছেন সৌদি যুবরাজ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই নতুন এক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চেয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। লক্ষ্য ছিল, ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনীকে যুক্ত করা। কিন্তু তার সেই পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াল সৌদি আরব।
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সৌদি আরবের এই অবস্থান। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনীকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। কিন্তু সেই প্রস্তাবে সায় দেননি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীকে এই অভিযানে যুক্ত করা হলে সৌদি জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল রিয়াদের।
এখানেই শেষ নয়। ইসরায়েলের আশা ছিল, যৌথ সামরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে। এমনকি ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ার পথও সহজ হতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব জানিয়ে আসছে, ফিলিস্তিন সমস্যার ন্যায্য সমাধান এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রশ্ন নেই। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে আসছেন।
এদিকে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীদের হামলার আশঙ্কা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং ফ্লাইট বাতিলের মতো পরিস্থিতিও সামনে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে এই ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।