
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রামপুলিশ প্রধানের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অবসরকালীন আনুতোষিকও বাড়ানো হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রামপুলিশের মহাসমাবেশে এসব ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামপুলিশ প্রধানদের আনুতোষিক ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামপুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, সন্দেহজনক পরিস্থিতি কিংবা আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা সম্পর্কে গ্রামপুলিশ সদস্যরা আগেভাগেই তথ্য পেতে পারেন। এসব তথ্য যথাসময়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশও নিরাপদ থাকবে। শহরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামকেন্দ্রিক। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে গ্রামপুলিশকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সামাজিক সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের শাসনামলে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের কারণে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতির উন্নয়নে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম যথেষ্ট নয়; ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রামপুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
টি/