
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ‘অর্ণব’, আঘাত হানবে কবে?
বঙ্গোপসাগরের বুকেই ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে উঠছে এক ঘূর্ণিঝড়। যত সময় গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে তার শক্তি। উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঝড়টি, আর তার গতিপথ ঘিরে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। শেষ পর্যন্ত কতটা শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়বে অর্ণব? কী অপেক্ষা করছে উপকূলীয় এলাকাগুলোর জন্য?
ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল রূপ নিলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী বুধবার অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে অর্ণব। সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড়টি মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। ধীরে ধীরে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে এটি। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, উপকূলে পৌঁছানোর আগেই আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে ঝড়টি।
আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি পৌঁছাতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এর সঙ্গে থাকতে পারে ভারী বৃষ্টি ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়া। ফলে অন্ধ্র প্রদেশের পাশাপাশি ওড়িশার বিভিন্ন এলাকাতেও দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ওড়িশা রাজ্য সরকার। ঝুঁকিতে থাকা ছয় জেলায় আগামী ২৮ ও ২৯ অক্টোবর স্কুল, কলেজ ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পাহাড়, জলপ্রপাত, বাঁধ ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও পর্যটকদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে উদ্ধারকারী দল, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যদের।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়টির নাম অর্ণব দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে নাম বাংলাদেশের দেওয়া হলেও ঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে, তার সঙ্গে নামের কোনো সম্পর্ক নেই। এখন নজর আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাসের দিকে। ঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপরই নির্ভর করছে উপকূলীয় এলাকার পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে।