
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
পেটেন্ট করা ওষুধ আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতির মধ্যেই বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা বিশেষায়িত কিছু ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে শুল্কছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিরল রোগ, বন্ধ্যত্ব, সেল ও জিন থেরাপিসহ নির্দিষ্ট চিকিৎসায় ব্যবহৃত এসব পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও জাপানসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলের তালিকা ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করেছে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ। গত ২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট
শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, সেল ও জিন থেরাপি, অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটস (এডিসি) এবং প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট উপাদানও এ সুবিধার আওতায় থাকবে। বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।
মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা যোগ্য পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা পাবে। কারণ, এসব দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোসংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে। ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারার আওতায় ওষুধ ও ওষুধের উপাদান আমদানির নীতিতে পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে পেটেন্ট ও জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে পার্থক্য রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হলেও জেনেরিক ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান এ শুল্কের আওতায় পড়বে না। কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে নতুন শুল্ক ৩১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এবং তালিকাভুক্ত অন্য কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। পাশাপাশি ‘জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’ ও ‘ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞায় কারিগরি সংশোধন এনে পেটেন্টবিহীন প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা পণ্য, প্রস্তুত ওষুধ, সক্রিয় উপাদান এবং সক্রিয় উপাদান তৈরির প্রধান কাঁচামালকে আরও স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
টি/