
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
প্রতিদিন বিশ্বে অসংখ্য সিনেমা মুক্তি পেলেও খুব কম চলচ্চিত্রই বক্স অফিস সাফল্য আর সমালোচকদের প্রশংসা—দুটো একসঙ্গে পায়। দর্শকপ্রিয়তা আর শৈল্পিক গুণের সমন্বয়ে কিছু সিনেমা হয়ে ওঠে কালজয়ী। সম্প্রতি ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ বা আইএমডিবি (IMDb) প্রকাশ করেছে ‘সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দেখা সিনেমা’র একটি বিশেষ তালিকা। বিশ্বজুড়ে মুভি লাভারদের কাছে আইএমডিবি রেটিং যেহেতু সিনেমা নির্বাচনের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড, তাই এই তালিকাটি সিনেমা প্রেমীদের কাছে বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে।
আইএমডিবির তালিকার শুরুর দিকেই রয়েছে রোমান্টিক মহাকাব্য ‘টাইটানিক’ এবং স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল’। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া জেমস ক্যামেরনের ‘টাইটানিক’ কেইট উইন্সলেট ও লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও জুটির অভিনয়ের জাদুতে ৭.৯ রেটিং নিয়ে এখনও দর্শকদের
সায়েন্স ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি ঘরানার সিনেমাগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ‘স্টার ওয়ার্স’ এবং ‘দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস’। ১৯৭৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘স্টার ওয়ার্স: এ নিউ হোপ’ ৮.৬ রেটিং নিয়ে সিনেমার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। অন্যদিকে, জে আর আর টোকিয়েনের উপন্যাস অবলম্বনে পিটার জ্যাকসন পরিচালিত ‘দ্য লর্ড অফ দ্য রিংস’ ট্রিলজি ৯ রেটিং নিয়ে তালিকার অন্যতম শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া জেমস ক্যামেরনের ‘টার্মিনেটর ২: দ্য জাজমেন্ট ডে’ তার দুর্দান্ত অ্যাকশন আর রোবোটিক থ্রিল দিয়ে ৮.৬ রেটিং নিয়ে এখনও সিনেমা প্রেমিদের প্রথম পছন্দ।
অ্যানিমেশন সিনেমার জগতেও কিছু নাম চিরস্থায়ী হয়ে আছে। ১৯৩৭ সালে মুক্তি পাওয়া ওয়াল্ট ডিজনির প্রথম অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম ‘স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য সেভেন ডোয়ার্ফস’ (৭.৬ রেটিং) এবং ১৯৯৪ সালের ব্লকবাস্টার ‘দ্য লায়ন কিং’ (৮.৫ রেটিং) তালিকায় বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। ‘দ্য লায়ন কিং’ কেবল ব্যবসাসফলই নয়, এর অসাধারণ সঙ্গীত আর গল্প একে হলিউডের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত করেছে। এই কালজয়ী সৃষ্টিগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছে।
আইএমডিবির তালিকার সবচেয়ে উচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত এবং প্রভাবশালী সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘দ্য গডফাদার’। মারিও পুজোর উপন্যাস অবলম্বনে ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা পরিচালিত এই ক্রাইম-ড্রামাটি ৯.২ রেটিং নিয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। মার্লোন ব্র্যান্ডো ও আল পাচিনোর অনবদ্য অভিনয় সিনেমাটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তালিকার শেষ দিকে রয়েছে ১৯৭৯ সালের বাইবেলের কাহিনীভিত্তিক ড্রামা ফিল্ম ‘দ্য যীশু’, যার আইএমডিবি রেটিং ৭.১। এই ১০টি সিনেমা কেবল বিনোদন নয়, বরং বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একেকটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
/টিএ