logo
youtube logotwitter logofacebook logo

১১তম

নেপালকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ - image

নেপালকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

05 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

নেপালকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের সেমিফা্ইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। নেপালের দেওয়া ২১২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌছে যায় বাংলাদেশের যুবারা। ২০০৬ এ শ্রীলঙ্কায় যে কাজটি করতে পারেনি মুশফিক-সাকিব-তামিমরা; সেটাই করে দেখালো ১১তম আসরে এসে মিরাজ-শান্ত-পিনাক ঘোষরা। বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো নিয়ে গেলেন অর্নূর্ধ্ব – ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ইতিহাস রচনায় কোয়ার্টর ফাইনালের শুরুটা বেশ ভালো করেছিলো বাংলাদেশের যুবারা। ৬ বলের ব্যবধানে নেপালের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে শুরুতেই আঘাত হেনেছিল ১৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নেপাল প্রথম প্রতিরোধ করে তৃতীয় উইকেটে ৪৪ রানের জুটিতে। ক্রমেই দুশ্চিন্তা বাড়াতে থাকা জুটিটা বাংলাদেশ ভেঙেছে দুর্দান্ত এক রান আউটে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। চতুর্থ উইকেটে নেপালের যুবারা দারুণ খেলছিলেন। যাকে বলে ‘ক্লেভার ক্রিকেট’। বাউন্ডারি আসছিল, সঙ্গে সিঙ্গেল নিয়ে রানের চাকা সচল রাখা। এক সময় ওভারে ছয়েরও ওপরে রান পাচ্ছিল নেপাল। ভাগ্যও যেন পাশে ছিল তাদের। স্পিনে কাজ হচ্ছে না দেখে অধিনায়ক মিরাজ আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন পেসার সাইফউদ্দিনকে। আর তাতেই বাজিমাত। দারুণ বোলিংকে বেশ উজ্জীবিত করে ফিল্ডিংটাও যদি দুর্দান্ত হয়। বাংলাদেশের যুবারা সেটাই করছেন। পুরো ম্যাচে নেপাল ৯ উইকেট হারালেও কাদের চারটি ছিলো রান আউট। তারপরও নেপালের স্কোর ২১১ হয় রাজ রিজালের ৭২ রানের সুবাদে। এবারের আসরে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় রানের টার্গেট। আর যার অতিক্রমের শুরুতেই বাংলাদেশ ধাক্কাখায় ৫ রান করা সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে। এরপর নেপালের বোলারদের দেখেশুনে খেলতে থাকে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান পিনাক ঘোষ ও সাইফ হোসেন। তবে দলীয় ১৭ রানে সাইফের উইকেট হারায় টাইগাররা। দলীয় ৬৩ রানে আরেক ওপেনার পিনাক ঘোষ আউট হন। করেন ৩২ রান। ব্যক্তিগত ৮ রানে নাজমুল হাসান শান্ত আউট হলে চাপে পড়ে জুনিয়র টাইগাররা। এর পর ২২ ওভার এক বলে দলীয় ৯৮ রানে ৩৮ করে জয়রাজ ফিরলে শঙ্কা জাগে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু এর পর জাকির হোসেন এবং মেহেদী মিরাজ সব শঙ্কা উড়িয়ে দেন। দুজনেই তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। গড়ে তোলেন ১১৭রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ। শেষ পর্যন্ত আর কোন বিপদ না ঘটিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন দুজন। জাকির ৭৫ এবং মিরাজ ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ব্যাট হাতে ৫৫ রান এবং বল হাতে এক উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মেহেদী হাসাব মিরাজ। শুধু যুব বিশ্বকাপ বা ক্রিকেট নয়, যেকোন ধরনের খেলার বিশ্ব আসরে এই প্রথমবারের মত সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৬
মেসি-নেইমারের নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন পিএসজি - image

মেসি-নেইমারের নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

31 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

মৌসুমের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই আলো ছড়ালেন লিওনেল মেসি ও নেইমার দ্য জুনিয়র। নন্তের বিপক্ষে ফ্রেঞ্চ সুপার কাপের ম্যাচে গোল করেছেন দুজনই। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আরেক তারকা সার্জিও রামোসও। যার সুবাদে ৪-০ গোলের বড় জয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই-পিএসজি। রোববার (৩১ জুলাই) রাতে ইসরায়েলের তেল আবিবে ব্লুফফিল্ড স্টেডিয়ামে পিএসজির বড় জয়ে জোড়া গোল করেন নেইমার, মেসি-রামোসের গোল একটি করে। তবে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে মাঠ মাতানো মেসির হাতেই। ফ্রেঞ্চ সুপার কাপে পিএসজির এটি রেকর্ড ১১তম শিরোপা। কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার কারণে ম্যাচটি খেলতে পারেননি পিএসজির আরেক বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তাকে ছাড়াই দারুণ পরিকল্পনা সাজান দলের নতুন কোচ ক্রিস্টোফ গ্যালটিয়ের। যিনি ম্যাচ শেষে মাঠ ছেড়েছেন পিএসজির হয়ে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই শিরোপা জেতার আনন্দ নিয়ে। ম্যাচের ২২ মিনিটেই প্রথম গোলটি করেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। প্রায় মাঝমাঠ থেকে নেইমারের বাড়ানো ডিফেন্সচেরা থ্রু-বল পেয়ে যান মেসি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে পরে গোলরক্ষককে এড়িয়ে অনেকটা ফাঁকা জালেই বল জড়িয়ে পিএসজিকে আনন্দে মাতান সাতবারের ব্যালন ডি-অর জয়ী ফুটবলার। বিরতিতে যাওয়ার আগেই প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নেইমার নিজেই নাম তোলেন স্কোরশিটে। ডান পায়ের দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। ডি-বক্সের বাঁ দিকে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের বাঁকানো শট রক্ষণ প্রাচীরের ওপর দিয়ে গিয়ে পোস্ট ও ক্রসবার ঘেঁষে জালে প্রবেশ করে। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে মেসি-নেইমারের সঙ্গে যোগ দেন রামোস। এবার বাঁ দিক থেকে গোলের উদ্দেশ্যে শট নেন পাওলো সারাবিয়া। সেটি ঝাঁপিয়ে কোনোমতে বলে আঙুল ছোঁয়ান নন্তে গোলরক্ষক। বল পেয়ে যান দূরের পোস্টে ফাঁকায় থাকা স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৩-০ করেন রামোস। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে গোলের হালিপূরণের কাজটি করেন নেইমার । ম্যাচের ৮২ মিনিটের মাথায় সফল স্পটকিক থেকে পিএসজির বড় জয়টাও নিশ্চিত করে দেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। ডি-বক্সের মধ্যে নেইমার নিজেই ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টিটি পায় পিএসজি।

জুলাই ৩১, ২০২২
বাংলাদেশের হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপের সেমিতে পাকিস্তান - image

বাংলাদেশের হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপের সেমিতে পাকিস্তান

05 নভেম্বর 2022, বিকাল 6:00

এবারের আসরে অন্যতম ফেবারিট ছিল বাবর আজমের পাকিস্তান। কিন্তু বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে টানা দুই ম্যাচ হার! অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তন পাকিস্তানের। টানা তিন জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলে এশিয়া অন্যতম সেরা দলটি। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপের সেমির স্বপ্ন ভঙ্গ বাংলাদেশের। রোববার অ্যাডিলেডে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ১২৭ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৮.১ ওভারে ৫ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে তারা। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৭ রানের অল্প পুঁজি নিয়েও শুরুতেই উইকেট পেতে পারতো বাংলাদেশ। কিন্তু সোহানের ভুলে নতুন জীবন পান মোহাম্মদ রিজওয়ান। নতুন জীবন পেয়েই উদ্বোধনী জুটিতে পঞ্চাশোর্ধ্ব স্কোর গড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলেছিলেন ওপেনার রিজওয়ান। ক্যাচটি ফেলে দেন উইকেটককিপার নুরুল হাসান সোহান। জীবন পেয়ে পরের বলেই ছক্কা মেরে রানের খাতা খোলেন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত খেললেন ৩২ রানের ইনিংস। ১১তম ওভারে নিজের কোটার শেষ ওভার করতে এসে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন নাসুম। অফ স্টাম্পের বাইরে সরে গিয়ে স্লগ করতে গিয়েছিলেন বাবর, তবে লিডিং এজে ক্যাচ গেছে শর্ট থার্ডে। তালুবন্দি করতে ভুল করেননি মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন বাবর। বাবরের পর টিকতে পারেনি মোহাম্মদ রিজওয়ানও। এবাদতের বলে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন পাক উইকেটকিপার ব্যাটার। ৩২ বলে সমান সংখ্যক রান করেছেন এই ব্যাটার। ৩২ বলে ৩২ রান করে এবাদত হোসেন বলে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ১১.২ ওভারে ২ উইকেটে পাকিস্তানের তখন ৬১ রান। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে নওয়াজকে রান আউটের ফাঁদে ফেলেন লিটন। ৪ রান করে বিদায় নেন। তিনি। এরপর মোহাম্মদ হারিস ২৪ রান করে বিদায় নেন। তবে শাহ মাসুদ ২৪ ও ইফতিখার ১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশায় টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু এই ম্যাচে সাকিবের বিতর্কিত আউটের পর ব্যাট হাতেও বড় লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে টিম টাইগার্স সংগ্রহ করে ১২৭ রান। অথচ প্রথম দশ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৭০ রান তোলে টিম টাইগার্স। এরপর শাদাব খানের দুই ডেলিভারিতে পথ হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। মূলত সাকিবের বিতর্কিত আউটের পর শেষমেশ আর বড় পুঁজি গড়তে পারেনি টিম টাইগার্স। ব্যাট হাতে নাজমুল হোসেন শান্ত সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন। এছাড়া আর কেউ সুবিধা করতে পারেনি। এছাড়া লিটন ১০,সৌম্য ২০ ও আফিফ হোসেন ২৪ রান করেন। বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪ ওভারে ২২ রানে নেন ৪ উইকেট।

নভেম্বর ০৫, ২০২২
বৃষ্টিতে ভেসে গেলো বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ, কপাল খুললো দক্ষিণ আফ্রিকার - image

বৃষ্টিতে ভেসে গেলো বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ, কপাল খুললো দক্ষিণ আফ্রিকার

09 মে 2023, বিকাল 6:00

বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে। আর এই ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ভারতের মাটিতে আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপে অষ্টম দল হিসেবে সরাসরি খেলার টিকিট পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ। প্রথম ওয়ানডে পরিত্যক্ত হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডকে। দুই দলই পেয়েছে ৫ পয়েন্ট করে। সুপার লিগে ২২ ম্যাচে ১৩৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থস্থানে থেকে আগেই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ২২ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১১তমস্থানে আছে আয়ারল্যান্ড। ২১ ম্যাচে ৯৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টমস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ দুই ম্যাচ জিতলেও আয়ারল্যান্ডের পয়েন্ট হবে ৯৩। সেক্ষেত্রে প্রোটিয়াদের টপকাতে পারবে না আইরিশরা। তাই সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে বিশ্বকাপের টিকিট পেতে হলে বাছাই পর্বে খেলতে হবে আয়ারল্যান্ডকে। মঙ্গলবার (৯ মেয়া) ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডের কাউন্টি গ্রাউন্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ বলে আইরিশ পেসার জশ লিটলের দারুণ ডেলিভারিতে লেগ বিফোর আউট হন বাংলাদেশের ওপেনার লিটন দাস। রিভিউ না নিয়ে ৬৭তম ওয়ানডেতে দশমবারের মত শূন্যতে বিদায় নেন লিটন। লিটন ফেরার পর ২টি চার আদায় করে নিলেও চতুর্থ ওভারে থামতে হয় বাংলাদেশের আরেক ওপেনার ও অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ১৪ রান করা তামিম। ১৫ রানে দুই ওপেনারকে হারানোয় চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলকে চাপমুক্ত করতে তৃতীয় উইকেটে বড় জুটির আভাস দিয়েও ৩৭ রানে বেশি তুলতে পারেননি শান্ত ও সাকিব আল হাসান। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা সাকিবকে বোল্ড করেন পেসার গ্রাহাম হিউম। ৪টি চারে ২১ বলে ২০ রান করেন সাকিব।  দলীয় ৫২ রানে সাকিবের বিদায়ের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ক্রিজে শান্তর সঙ্গী হন হৃদয়। আইরিশ বোলারদের দারুণভাবে সামলে ২১তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন শান্ত ও হৃদয়। জুটিতে হাফ-সেঞ্চুরি হওয়ার পরই পেসার কার্টিস ক্যাম্ফারের বলে অ্যাডায়ারকে ক্যাচ দেন শান্ত। হাফ-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ৭ চারে ৬৬ বলে ৪৪ রান করে আউট হন তিনি। উইকেটে সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি হৃদয়। হিউমের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৩১ বলে ২৭ রান করা হৃদয়। ২৭তম ওভারে ১২২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় বড় জুটির প্রত্যাশা ছিলো টাইগারদের। সেটি পূরণ করেন মুশফিকু রহিম ও মিরাজ। দ্রুত রান তুলে ৪২ বলে জুটিতে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তারা। মুশফিক-মিরাজের জুটি বড় হবার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান স্পিনার জর্জ ডকরেল। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে স্টিফেন ডোহেনিকে ক্যাচ দেন ৪টি চারে ৩৪ বলে ২৭ রান করা মিরাজ। মুশফিকের সাথে ষষ্ঠ উইকেটে ৬৬ বলে ৬৫ রান যোগ করেন তিনি। মিরাজ ফেরার পর ২৪৬ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৪৪তম হাফ-সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিক। ১৯ রানে জীবন পেয়ে ৬৩ বল খেলে ৫ চারে অর্ধশতক পান তিনি। মুশফিকের হাফ-সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের রান ২০০ পার করে। শেষ পর্যন্ত লিটলের বলে আপার কাট শটে ৬১ রানে আউট হন মুশি। ৭০ বলের ইনিংসে ৬টি চার মারেন মি. ডিপেন্ডেবল। শেষ দিকে তাইজুল ইসলামের ১৪ ও শরিফুল ইসলামের ১৫ বলে ১৬ রানে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৬ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের লিটল ৬১ রানে ৩ উইকেট নেন। অ্যাডায়ার ও হিউম শিকার করেন ২টি করে উইকেট। ২৪৭ রানের টার্গেটে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়ে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। দলীয় ২২ রানে চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে পল স্টার্লিংকে বিদায় দেন পেসার শরিফুল। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১০ বলে ১৫ রান করে পয়েন্টে মিরাজকে ক্যাচ দেন স্টার্লিং। পরের ওভারে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় উইকেট এনে দেন আরেক পেসার হাসান মাহমুদ। ইনসুইং ডেলিভারিতে আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবির্নিকে ৫ রানে বোল্ড করেন হাসান। ২৭ রানে ২ উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। দলকে চাপমুক্ত করতে আরেক ওপেনার স্টিফেন ডোহেনির সঙ্গে জুটি বাঁধেন হ্যারি টেক্টর। দলের রান ৫০ পার করেন তারা। তাইজুলের করা ১৪তম ওভারে ডোহেনি ও টেক্টরকে বিদায়ের সুযোগ হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলে টেক্টরের ক্যাচ মিস করেন  তাইজুল। শেষ ডেলিভারিতে ডোহেনিকে রান আউট করতে পারেননি মিরাজ। জীবন পেয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ডোহেনি। ১৬তম ওভারে  নিজেই ক্যাচ নিয়ে ডোহেনিকে ১৭ রানে থামান তাইজুল। ১৭তম ওভারের তৃতীয় ডেলিভারির পর বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয় খেলা। এসময় ৩ উইকেটে ৬৫ রান ছিলো আয়ারল্যান্ডের। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পরবর্তীতে আর খেলা শুরু সম্ভব হয়নি। এতে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। টেক্টর ২১ ও টাকার ২ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের শরিফুল, হাসান ও তাইজুল ১টি করে উইকেট নেন। আগামী ১২ মে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে।

মে ০৯, ২০২৩
তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল - image

তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল

31 মে 2023, বিকাল 6:00

ফেভারিট হিসেবেই যুব বিশ্বকাপ খেলতে আর্জেন্টিনায় পা রেখেছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের যুবারা। কিন্তু নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ইতালির কাছে হেরে বসে তারা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের উত্তরসূরিরা। টানা তিন ম্যাচ জিতে এখন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল। বুধবার (৩১ মে) রাতে আর্জেন্টিনার দিয়েগো আরমান্দো স্টেডিয়ামে শেষ ষোলর ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিলের যুবারা। দলটির হয়ে জোড়া গোল করেন আন্দ্রে সান্তোস, একটি করে গোল করেন মার্কোস লিওনার্দো ও ম্যাথিউস মার্টিনস সিলভা দস সান্তোস। তিউনিসিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মাহমুদ ঘোরবেল। তবে বিরতির ঠিক আগে রাবার্ট রেনান লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ব্রাজিল। পুরো ম্যাচে ৫৫ শতাংশ বল পজিশনে রেখে এগিয়ে ছিল তিউনিসিয়া। প্রতিপক্ষের গোলে ২৪টি শট নিয়েছিল তারা। কিন্তু জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। অন্যদিকে ব্রাজিল রেখেছিল ৪৫ শতাংশ বল পজিশন। তারা প্রতিপক্ষের গোলে শট নিয়েছিল ১১টি। সেখান থেকে চারটি গোল আদায় করতে সক্ষম হয় সেলেসাও যুবারা। শক্তির বিচারে যে ব্রাজিল তিউনিসিয়ার চেয়ে এগিয়ে তা প্রমাণে বেশি সময় নেয়নি সেলেসাওরা। ম্যাচের ১১তম মিনিটে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের ভুলে পেনাল্টি পেয়ে যায় টুর্নামেন্টের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। সফল স্পট কিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি মার্কোস লিওনার্দো। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে মার্কোস লিওনার্দোর অ্যাসিস্ট থেকে ব্রাজিলের লিড দ্বিগুণ করেন আন্দ্র সান্তোস। ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে কিছুটা খেলায় ফেরার চেষ্টা করে তিউনিসিয়া। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। তবে বিরতির ঠিক আগে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ব্রাজিল। প্রথমার্ধ যখন প্রায় শেষের পথে তখনই তিউনিসিয়ান ফরোয়ার্ডকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন রবার্ট রেনান। বিরতি থেকে ফিরে ১০ জনের ব্রাজিলকে চেপে ধরে তিউনিসিয়ার যুবারা। তবে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং তিউনিসিয়ানদের বোঝাপড়ার অভাবে গোল পেতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। উল্টো অতিরিক্ত সময়ে আরও দুই গোল হজম করে দলটি। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ব্রাজিলের তৃতীয় গোলটি করেন ম্যাথিউস মার্টিনস। ইনজুরি টাইমের দশম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন আন্দ্রে সান্তোস। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগে তিউনিসিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মাহমুদ ঘোরবেল।

মে ৩১, ২০২৩
কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ - image

কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ

15 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

দেশের কিংবদন্তি ব্যান্ড তারকা আইয়ুব বাচ্চু। ২০১৮ সালে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আজ ‘গিটার জাদুকর’খ্যাত এই কিংবদন্তির জন্মদিন। বেঁচে থাকলে পা রাখতেন ৬১ বছরে। রক মিউজিকে তিনি যে পথের সূচনা করেছিলেন, সেই পথ ধরেই হেঁটে চলছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। এক জীবনে যত নন্দিত গান তিনি উপহার দিয়ে গেছেন, গিটারের যে জাদুকরী সুর ছড়িয়ে গেছেন, তা নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামের পটিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। পরিবারের অমত থাকলেও ব্যান্ডের প্রতি তার ভালোবাসা জন্মায় একেবারে শৈশবেই। ছেলের এমন আগ্রহ দেখে ১১তম জন্মদিনে বাবা একটি গিটার কিনে দেন। কিন্তু তখন কেউ কল্পনা করেনি, এই এগারোর কিশোর একদিন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় গিটারিস্ট ও ব্যান্ড তারকা হয়ে উঠবেন! কলেজ জীবনে ওঠার পরই বন্ধুদের নিয়ে একটি ব্যান্ড গঠন করেন আইয়ুব বাচ্চু। প্রথমে এর নাম ছিল ‘গোল্ডেন বয়েজ’। পরে অবশ্য নাম বদলে ‘আগলি বয়েজ’ রাখেন। এই ব্যান্ডের গায়ক ছিলেন কুমার বিশ্বজিৎ। আর গিটারিস্ট ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তারা স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান করতেন।১৯৭৭ সালে ‘ফিলিংস’ব্যান্ডে গিটারিস্ট হিসেবে যোগ দেন এবি। সেখানে তিনি জেমসের সঙ্গে বাজিয়েছিলেন। তবে আইয়ুব বাচ্চুর উত্থানের সূচনা মূলত ১৯৮০ সালে ‘সোলস’-এ যোগদানের পর। এই ব্যান্ডের হয়ে দশ বছর পারফর্ম করেছিলেন তিনি। অতঃপর ভাবলেন, নিজে কিছু করা যাক। সেই ভাবনা থেকে ১৯৯০ সালে গড়ে তোলেন ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’। যা পরবর্তীতে ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড’ বা ‘এলআরবি’নামে বিপুল খ্যাতি লাভ করে। ব্যান্ডের হয়ে আইয়ুব বাচ্চু উপহার দিয়েছেন এলআরবি (১৯৯২), সুখ (১৯৯৩), তবুও (১৯৯৪), ঘুমন্ত শহরে (১৯৯৫), ফেরারি মন (১৯৯৬), স্বপ্ন (১৯৯৬), আমাদের বিস্ময় (১৯৯৮), মন চাইলে মন পাবে (২০০০), অচেনা জীবন (২০০৩), মনে আছে নাকি নেই (২০০৫), স্পর্শ (২০০৮) এবং যুদ্ধ (২০১২) অ্যালবামগুলো। এছাড়া একক শিল্পী হিসেবে তার অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে- রক্তগোলাপ (১৯৮৬), ময়না (১৯৮৮), কষ্ট (১৯৯৫), সময় (১৯৯৮), একা (১৯৯৯), প্রেম তুমি কি! (২০০২), দুটি মন (২০০২), কাফেলা (২০০২), প্রেম প্রেমের মতো (২০০৩), পথের গান (২০০৪), ভাটির টানে মাটির গানে (২০০৬), জীবন (২০০৬), সাউন্ড অব সাইলেন্স (ইন্সট্রুমেন্টাল, ২০০৭), রিমঝিম বৃষ্টি (২০০৮), বলিনি কখনো (২০০৯), জীবনের গল্প (২০১৫)। এর বাইরে তার গাওয়া গানের অসংখ্য মিক্সড অ্যালবাম রয়েছে। আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে ‘সেই তুমি’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘মেয়ে’, ‘কেউ সুখী নয়’, ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’, ‘এক আকাশের তারা’, ‘ঘুমন্ত শহরে’, ‘রুপালি গিটার’, ‘উড়াল দেবো আকাশে’, ‘একচালা টিনের ঘর’, ‘তারাভরা রাতে’, ‘বাংলাদেশ’, ‘বেলা শেষে ফিরে এসে’, ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি’, ‘আম্মাজান’, ‘ফেরারি মন’ ইত্যাদি।

আগস্ট ১৫, ২০২৩
আফগানদের গুঁড়িয়ে হাসল বাংলাদেশ - image

আফগানদের গুঁড়িয়ে হাসল বাংলাদেশ

03 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

হারলেই বিদায়। জিতলে সুপার ফোরের হাতছানি। এমন সমীকরণের ম্যাচে সুযোগ হাতছাড়া করল না বাংলাদেশ। জোড়া সেঞ্চুরিতে ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়ালেন মিরাজ-শান্ত। বোলিংয়ে জ্বললেন শরিফুল-তাসকিনরাও। দুই বিভাগের দাপটে আফগানিস্তানকে পাত্তাই দিল না বাংলাদেশ। ৮৯ রানের দাপুটে জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের পথে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের শুরুটা দুঃস্বপ্নের মতো হয় বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কার সামনে স্রেফ উড়ে যায় লাল-সবুজরা। সে হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই জ্বলে উঠল পুরো বাংলাদেশ। তাতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল সাকিব আল হাসানের দল। প্রায় নিশ্চিত করা হলো শেষ চারও। সুপার ফোরে যাওয়ার রাস্তা সহজ করতে আফগানদের ২৭৯ রানে থামাতে হতো বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্যে সফল বাংলাদেশ। তাসকিন-শরিফুলরা মিলে আফগানিস্তানকে ২৪৫ রানের বেশি করতে দেননি। ৩৩৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে যদিও ভিন্ন আশা জাগায় আফগানিস্তান। যে টার্গেট কখনও টপকাতে পারেনি তা আজ করে দেখানোর আভাস দেয়। কিন্তু সেই আভাসে জল ঢেলে দেন শরিফুলরা। শুরুতে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে হারানোর পর থিতু হওয়া রহমত শাহের প্রতিরোধ ভাঙেন তাসকিন। এর পর লড়াই করা ইব্রাহিম জাদরানের প্রতিরোধ ভাঙেন হাসান মাহমুদ। যদিও সেখানে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ক্যাচ বড় ভূমিকা রাখে। তরুণ পেসার হাসানের সিম-আপ ডেলিভারিতে ব্যাট চালান ইব্রাহিম। তা হয়ে যায় এজড। ক্যাচ চলে যায় স্লিপে। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ লুফে নেন মুশফিক। ৭৪ বলে ৭৫ রান করে বিদায় নেন ইব্রাহিম। হাফসেঞ্চুরি করা শাহীদিকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান শরিফুল। বাংলাদেশি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আউটসাইড-এজড হয়ে ডিপ থার্ডম্যানে ধড়া পড়েছেন আফগান অধিনায়ক। ৬০ বলে ৫১ করে থামে তার প্রতিরোধ। মাঝে নাজিবুল্লাহকে মাঠছাড়া করেন মিরাজ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে জয়ের নাগাল পায়নি আফগানরা। শেষ পর্যন্ত ২৪৫ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশের কাছে হার মেনেই মাঠ ছাড়েন রশিদ খানরা। এর আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ৩৩৪ রান তোলে বাংলাদেশ। আজ রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) লাহোর গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি টস জিতে ব্যাটিং  নেন সাকিব। নাঈম শেখের সঙ্গে ওপেন করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওপেনিং নিয়ে আজ আর হতাশ হতে হয়নি বাংলাদেশকে। দুর্দশার বদলে ওপেনিংয়ে মিরাজ ও নাঈম উপহার দেন চমৎকার ইনিংস। শুরু থেকেই দুজনে খেলেন আগ্রাসী ঢংয়ে। দলীয় ৫ ওভারেই স্কোরবোর্ডে তোলেন ৩৩ রান। দলীয় ৬০ রানে থামে এই জুটি। নাঈমকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন মুজিবুর রহমান। দশম ওভারে মুজিবের গুগলিতে লাইন মিস করে ফেলেন নাঈম। বল গিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে। ৩২ বলে ২৮ রান করে ফেরেন নাঈম। গত ম্যাচে ফ্লপ হওয়া হৃদয় আজও ব্যর্থ হন। ১১তম ওভারে গুলবদিন নাঈবের বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয় (০)। তাঁকে ফেরানো ক্যাচটি ছিল দুর্দান্ত। অনেকটা ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচটি নিয়েছেন হাশমতউল্লাহ শহীদি। দলীয় ৬২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করে মিরাজ ও শান্তর জুটি। নির্ভার থেকে ৬৫ বলে মিরাজ স্পর্শ করেন হাফসেঞ্চুরি। এরপর শান্তকে নিয়ে ছুটতে থাকেন মিরাজ। দুজনেই তুলে নেন সেঞ্চুরি। প্রথমে শতকের দেখা পান মিরাজ। এরপর শান্ত। ৪০.৪ ওভারে নাইবের বলে সিঙ্গেল নিয়ে তিন অঙ্কের ঘরে যান মিরাজ। এরপর ৪২.৪তম ওভারে ১০১ বলে সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন শান্ত। শতক ছোঁয়ার পর বেশিদূর গেল না তাদের ইনিংস। ১১২ রানে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন মিরাজ। ১১৯ বলে ৭ বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায় সাজান নিজের ইনিংস। অন্যদিকে ১০৫ বলে ১০৪ রানে রান আউটে কাটা পড়েন শান্ত। তিনি ইনিংস সাজান ৯ বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কায়। সেট দুই ব্যাটার ফিরলে বাকিটা টানেন সাকিব-মুশফিক। দুজনের ব্যাটে বাংলাদেশ পায় লড়াইয়ের পুঁজি। সাকিব করেন ১৮ বলে ৩২ রান। আর মুশফিক করেন ১৫ বলে ২৫ রান। ৬ বলে শামিম করেন ১১ রান। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশ : ৫০ ওভারে ৩৩৪/৫ (নাঈম ২৮, মিরাজ ১১২*, তাওহিদ ০, শান্ত ১০৪, মুশফিক ২৫, সাকিব ৩২*, শামিম ১১, আফিফ ৪*; ফারুকি ৬-১-৫৩-০, মুজিব ১০-০-৬২-১, নাইব ৮-০-৫৮-১, করিম ৬-০-৩৯-০,নবি ১০-০-৫০-০, রশিদ ১০-১-৬৬-০)। আফগানিস্তান : ৪৪.৩ ওভারে ২৪৫/১০ (রহমানউল্লাহ ১, ইব্রাহিম ৭৫, রহমত ৩৩, শাহিদী ৫১, নাজিবুল্লাহ ১৭, নবি ৩, নাইব ১৫, রশিদ ২৪, করিম ১, মুজিব ৪, ফারুকি ১; শরিফুল ৯-১-৩৬-৩, তাসকিন ৮.৩-০-৪৪-৪, সাকিব ৮-০-৪৪-০, মিরাজ ৮-০-৪১-১, হাসান ৯-১-৬১-১, শামীম ১-০-১০-০, আফিফ ১-০-৬-০)। ফল : ৮৯ রানে জয়ী বাংলাদেশ।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল - image

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল

21 অক্টোবর 2023, বিকাল 6:00

৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু।স্থানীয় সময় রোববার (২২ অক্টোবর) সকাল ৭টা ৩৯ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল দেশটির ধাদিং জেলায়। কাঠমান্ডু ছাড়াও বাগমতি ও গানদাকি প্রদেশের কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতির কোনো সংবাদ এখনও পাওয়া যায়নি। এর আগে, ২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নেপালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখ্য, নেপাল বিশ্বের ১১তম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। তিব্বতীয় এবং ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে সারা বছরই ভূমিকম্পের ঝুঁকির মুখে থাকে।

অক্টোবর ২১, ২০২৩
১৭২ রানেই অলআউট বাংলাদেশ - image

১৭২ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

05 ডিসেম্বর 2023, বিকাল 6:00

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ভীষণ বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। হতশ্রী ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে দুইশ’র নিচে গুটিয়ে যাবার শঙ্কা নিয়ে প্রথম দিনের চা-বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে দ্বিতীয় সেশন শেষেই উঁকিঝুঁকি দেয় অলআউটের শঙ্কা। শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানেই গুটিয়ে গেছে টাইগাররা। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ওভার থেকেই বাংলাদেশকে চেপে ধরে কিউইরা। ভাগ্যক্রমে কয়েকবার রক্ষা পেলেও ২৯ রানে ভাঙে জাকির হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয়ের উদ্বোধনী জুটি। জাকির বিদায় নেওয়ার পরই ভাঙনের শুরু। ইনিংসের ১১তম ওভারে মিচেল স্যান্টনারের বলে মিড-অনের ওপর দিয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন জাকির। কেন উইলিয়ামসের তালুবন্দি হওয়ার আগে ২৪ বলে ৮ রান করে ফেরেন এই ওপেনার। এরপর দলীয় ২৯ রানেই সাজঘরের পথ ধরেন আরেক ওপেনার জয়ও। এজাজের বল ডিফেন্স করতে গিয়ে শর্ট লেগে ল্যাথামকে সহজ ক্যাচ দিয়ে বসেন ওপেনার জয়। ৪০ বলে ১৪ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।এরপর পুরো দল অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হকের দিকে তাকিয়ে ছিল। তবে তারাও ব্যর্থ হয়েছেন। শান্ত ৯ ও মুমিনুল ৫ রান করে আউট হলে দলীয় রান ৫০ হওয়ার আগেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে শুরুর চাপ সামলে অভিজ্ঞ মুশফিকুরকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখান তরুণ দিপু। দেখেশুনে দলীয় ৫০ রান পার করেন এই দুই ব্যাটার। ৩২ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ে দলকে লাঞ্চ বিরতিতে নিয়ে যান তারা। মধ্যাহ্নবিরতি থেকে ফিরে দলীয় ১০০ পার করে এই জুটি। একপর্যায়ে নিজেদের মধ্যে ৫০ রানের জুটিও গড়ে ফেলেন তারা। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৫ রান করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ আউট হন মুশফিক। কাইল জেমিসনের বল ডিফেন্ড করার পর হাত দিয়ে ধরে সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। এরপর মিরাজকে নিয়ে স্কোরবোর্ডে রান যোগ করতে থাকেন দিপু। মন্থর ব্যাটিংয়ে তিনিও স্পিন ঘূর্ণিতে কাঁটা পড়েন। গ্লেন ফিলিপসের ঘূর্ণিতে ব্যক্তিগত ৩১ রানে সাজঘরে ফেরেন তরুণ এই ব্যাটার। তার ফেরার খানিক পর সোহানকেও বিদায় করেন ফিলিপস।এরপর লড়াইয়ে টিকে থাকা মিরাজকেও দলীয় ১৫০ রানের আগেই ফিরিয়ে দেন স্যান্টনার। ব্যক্তিগত ২০ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত ৫৮ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় টাইগাররা। শেষ দিকে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন তাইজুল ও নাঈম। কিন্তু দলীয় ১৫৪ রানে তাইজুল ফিরলে সেই আশাও ক্ষীণ হয়ে যায়। শেষ ব্যাটার হিসেবে টিম সাউদির বলে আউট হয়েছেন শরিফুল ইসলাম। এতে পেসারদের মান রক্ষা করা সাউদির একমাত্র উইকেটে ১৭২ রানেই থেমেছে লাল-সবুজ শিবির। কিউইদের হয়ে ফিলিপস ও মিচেল স্যান্টনার তিনটি করে উইকেট শিকার করেছেন। এ ছাড়া এজাজ দুটি এবং সাউদি একটি উইকেট শিকার করেছেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
দেশজুড়ে বিএনপি ও সমমনাদের অবরোধ শুরু - image

দেশজুড়ে বিএনপি ও সমমনাদের অবরোধ শুরু

11 ডিসেম্বর 2023, বিকাল 6:00

দেশব্যাপী বিএনপি ও সমমনাদের ৩৬ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা থেকে এ অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়, যা চলবে আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এটি তাদের ১১তম দফায় চলমান অবরোধ। গত রোববার যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সমমনা দল ও জোটের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান রিজভী। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই কর্মসূচি পালিত হবে। সেদিন রিজভী আরও জানান, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের দিন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। একইসঙ্গে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এতে উপস্থিত থাকবেন। সাভার থেকে ফিরে একইদিন শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করা হবে। গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির মহাসমাবেশ পুলিশ পণ্ড করে দিলে তারা এই সরকারের পদত্যাগের একদফাসহ মহাসমাবেশে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ২৯ অক্টোবর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকে। সমমনা জোটগুলোও এই কর্মসূচির যুগপৎভাবে পালন করেছে। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে তারা প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার এবং শুক্রবার-শনিবার ছুটির দুদিন বিরতি দিয়ে হরতাল অথবা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি করে যাচ্ছে। এই পর্যন্ত তারা দশম দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo