logo
youtube logotwitter logofacebook logo

স্মার্টফোন

মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে স্মার্ট ডেলিভারি লকারক্যাপ - image

মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে স্মার্ট ডেলিভারি লকারক্যাপ

30 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

রাজধানীর মেট্রোরেল স্টেশনগুলোয় শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ও পরিচালিত স্মার্ট ডেলিভারি লকার সেবা। মেট্রোরেল ব্যবহারকারীরা ই-কমার্স প্লাটফর্মে অর্ডার করা পণ্য কোনো ডেলিভারিম্যান ছাড়াই স্মার্টফোনের মাধ্যমে এ স্মার্ট লকার থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে রবিবার রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে এটুআই এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর এবং ডিএমটিসিএলের সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ আবদুর রউফ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় এটুআই সব মেট্রোরেল স্টেশনের সুনির্দিষ্ট কিছু স্থান ডিএমটিসিএলের ভাড়া/ইজারা নীতিমালা ২০২৩-এর শর্ত মেনে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে শর্তসাপেক্ষে ব্যবহার করবে। ইন্টারনেট সংযোগভিত্তিক আইওটি প্রযুক্তি দেশের প্রথম এ স্মার্ট ডেলিভারি লকার সিস্টেমের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা খাতের ডেলিভারির জন্য এসব স্থান ব্যবহার করা হবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক বলেন, ‘মেট্রোরেল ও এর ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভির আওতায় নিয়ে এসেছি, ফেস ডিটেক্টর প্রযুক্তি সংযুক্ত করেছি। বর্তমানে আমরা মেট্রোরেলের দায়িত্বে থাকা পুলিশ বাহিনীর জন্য তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতা নিশ্চিতকরণের কাজ করছি।’ এটুআইয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর এ ধরনের যেকোনো উদ্যোগে এমআরটি পাশে থাকবে। এর সুফল দেশের মানুষ ভবিষ্যতে পাবে।’

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
ক্ষোভ থেকে জাহাজের মাস্টারকে হ'ত্যা, তথ্যফাঁ'সের ভয়ে আরও ৬ খু'ন: র‍্যাব - image

ক্ষোভ থেকে জাহাজের মাস্টারকে হ'ত্যা, তথ্যফাঁ'সের ভয়ে আরও ৬ খু'ন: র‍্যাব

24 ডিসেম্বর 2024, বিকাল 6:00

চাঁদপুরের হাইমচরের মাঝিরচর এলাকায় এম ভি আল বাকেরা জাহাজের মাস্টারের ওপর ক্ষোভ থেকে তাঁকে হ'ত্যা করেন সাত খুনের ঘটনায় গ্রে'প্তারকৃত আকাশ মন্ডল ইরফান। পরে জাহাজে থাকা অন্য সদস্যরা বিষয়টি ফাঁ'স করে দিতে পারেন, এমন আতঙ্ক থেকে বাকি সাতজনকে গলা কেটে, কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে মাস্টারসহ ৭ জনের মৃ'ত্যু হলেও প্রাণে বেঁচে যান জাহাজের সুকানি জুয়েল। এই হ'ত্যাকাণ্ডের আগে সবাইকে খাবারের সঙ্গে দুই পাতা ঘুমের ওষুধ মেশান অভিযুক্ত আকাশ মন্ডল ইরফান। গ্রে'প্তার ইরফানকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে আজ বুধবার কুমিল্লায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছে র‍্যাব-১১। এর আগে চাঁদপুরের হাইমচরের মাঝিরচর এলাকায় এম ভি আল বাকেরা জাহাজে সাত খু'নের ঘটনার সঙ্গে জড়িতের ঘটনায় ইরফানকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তাঁকে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থেকে গ্রে'প্তার করা হয়। গতকাল দায়ের করা মামলায় জানা যায়- ওই জাহাজে ৮ জন নন, ৯ জন ছিলেন। আর ওই ব্যক্তি হলেন আকাশ মন্ডল ইরফান। কথা বলতে অপারগ সুকানি জুয়েল লিখে এ তথ্য জানান। পরে গতকালই ৭ জনকে খু'নের ঘটনায় মামলা করেন জাহাজের মালিক মাহাবুব মুর্শেদ। মামলায় আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা ডাকাত দলকে। বাদী মামলার এজাহারে আহত ও খুন হওয়া ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিরা হলেন—মাস্টার গোলাম কিবরিয়া, গ্রিজার মো. সজিবুল ইসলাম, লস্কর মো. মাজেদুল ইসলাম, শেখ সবুজ, সালাউদ্দিন, আমিনুর মুন্সী ও বাবুর্চি রানা কাজী। এ ছাড়া আহত হয়েছেন সুকানি মো. জুয়েল। মামলার বাদী মাহবুব মুর্শেদ এজাহারের বিবরণে উল্লেখ করেন, আহত জুয়েলের গলায় জখম থাকায় কথা বলতে না পারায় ডাকাত দলের বিস্তারিত বিবরণ দিতে পারেনি। সে সুস্থ হলে ডাকাত দল দেখলে চিনবেন বলে ইশারায় জানায়। তবে জাহাজে ৯ জন ছিল বলে লিখে জানিয়েছেন জুয়েল। ৯ নম্বর ব্যক্তির নাম ইরফান। তবে তাঁর ঠিকানা দিতে পারেনি। ঘটনার পর পুলিশ ওই জাহাজ পরিদর্শনের সময় একটি রক্তাক্ত চাইনিজ কুঠার, একটি ফোল্ডিং চাকু, দুটি স্মার্টফোন, দুটি বাটন ফোন, একটি মানিব্যাগ, নগদ ৮ হাজার টাকা, একটি বাংলা খাতা, একটি সিল, একটি হেডফোন, এক মুঠো ভাত ও এক টেবিল চা চামচ তরকারি জব্দ করে বলেও এজাহারে উল্লেখ। নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, আহত জুয়েল বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে জাহাজে খুন হওয়া ৬ জনের মরদেহ মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসক মহসীন উদ্দিন ও নৌপুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান। ওই সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত পরিবারের স্বজনদের ২০ হাজার টাকার চেক ও নৌপুলিশের পক্ষ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। তবে বাবুর্চি রানা কাজীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি। হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন সুমন বলেন, রাতে ৩৯৬ / ৩৯৭ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন জাহাজের মালিক মাহাবুব মুর্শেদ । মামলা নম্বর (১৭ / ১৬৬)।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
বিবিসি চালু করছে এআই বিভাগ। - image

বিবিসি চালু করছে এআই বিভাগ।

07 মার্চ 2025, বিকাল 6:00

বিবিসি নিউজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে জনসাধারণের জন্য আরও ব্যক্তিগতকৃত কনটেন্ট সরবরাহের উদ্দেশ্যে একটি নতুন বিভাগ চালু করতে যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমটির প্রধান, ডেবোরা টার্নেস, জানিয়েছেন যে, এআই ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের নতুন উপায় খোঁজা হবে, বিশেষত তরুণ দর্শকদের জন্য, যারা স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেমন টিকটকের মাধ্যমে খবর গ্রহণ করে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মীদের উদ্দেশে লেখা এক নোটে টার্নেস উল্লেখ করেছেন যে, সংবাদ এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা, ডিজিটাল প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে সংবাদ অনুসন্ধানের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং সম্প্রচার মাধ্যমের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার মতো চ্যালেঞ্জগুলো বিবিসিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। নতুন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিবিসি নিউজ, ব্যবহারকারীদের পছন্দ অনুযায়ী সংবাদ নির্বাচন করবে, যা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের অভ্যাসের সঙ্গে মানানসই হবে। টার্নেস বলেন, "আমাদের শ্রোতাদের চাহিদার প্রতি আরও মনোযোগী হতে হবে, যাতে তাদের প্রয়োজনীয় কনটেন্ট তাদের পছন্দের প্ল্যাটফর্ম ও ফরম্যাটে সরবরাহ করা যায়।" সংবাদমাধ্যমগুলো এআই ব্যবহারের সঠিক কৌশল নিয়ে চিন্তিত, কারণ এআই-নির্ভর সহকারীরা তথ্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করতে পারে। তবে বিবিসি আশ্বস্ত করেছে যে, তাদের এআই ব্যবহারের নীতিমালা জনসেবা মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ থাকবে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অক্ষুণ্ণ রাখা হবে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিবিসি নিউজ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে আরেকটি নতুন বিভাগ, ‘বিবিসি লাইভ অ্যান্ড ডেইলি নিউজ’, চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নিউজরুমের কনটেন্ট টিভি, অনলাইন ও বিবিসি নিউজ অ্যাপে সমন্বিতভাবে প্রকাশ করা হবে। টার্নেস আরও বলেন, বিবিসি নিউজ প্রতিযোগিতামূলক ডিজিটাল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কাজ করছে এবং পরিবর্তিত শ্রোতাদের অভ্যাসের কারণে দীর্ঘমেয়াদি টিভি ও রেডিও সম্প্রচারের জনপ্রিয়তা হ্রাসের বিষয়টি মোকাবিলা করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিবিসি নিউজ অ্যাপ ইতোমধ্যে অ্যাপল নিউজকে ছাড়িয়ে যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় নিউজ অ্যাপ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৫
স্মার্টফোনের ইন্টারনেট দ্রুত করার টিপস - image

স্মার্টফোনের ইন্টারনেট দ্রুত করার টিপস

17 ডিসেম্বর 2025, বিকাল 11:07

স্মার্টফোন এবং উচ্চগতির ইন্টারনেটের এই যুগে ফাইভজি হ্যান্ডসেট বা দামী ডেটা প্যাক ব্যবহার করলেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। ধীরগতির ইন্টারনেট দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন বা গেমিং—সব ক্ষেত্রেই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদদের মতে, কিছু ছোটখাটো কৌশল অবলম্বন করলে স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।ইন্টারনেটের ধীরগতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো ভুল নেটওয়ার্ক মোড নির্বাচন। দ্রুতগতির সেবা পেতে হলে ফোনের সেটিংস থেকে সঠিক নেটওয়ার্ক মোড বেছে নেওয়া জরুরি। অনেক সময় ফাইভজি হ্যান্ডসেট হওয়া সত্ত্বেও সেটিংসের সীমাবদ্ধতার কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়। তাই ফোনের ডিভাইস নেটওয়ার্ক অপশনে গিয়ে সিমকার্ড অনুযায়ী এলটিই, ফোরজি বা ফাইভজি মোড সঠিকভাবে সক্রিয় আছে কি না তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়। আমরা প্রায়ই অ্যাপ ব্যবহার শেষে সরাসরি হোম বাটনে চলে আসি, ফলে অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং প্রচুর ডেটা খরচ করে। ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে হলে ফোনের ‘রিসেন্ট অ্যাপ’ মেনু থেকে অব্যবহৃত অ্যাপগুলো বন্ধ করতে হবে। এছাড়া যেসব অ্যাপ একদমই প্রয়োজন নেই, সেগুলো ফোন থেকে মুছে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ।দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড পাওয়ার আরেকটি কার্যকর উপায় হলো ফোনের লোকেশন বা জিপিএস পরিষেবা বন্ধ রাখা। গুগল ম্যাপসহ লোকেশননির্ভর বিভিন্ন অ্যাপ ফোনের ডেটা ও র‍্যামকে অতিরিক্ত ব্যস্ত রাখে। এমনকি এসব অ্যাপ সরাসরি ব্যবহার না করলেও তারা প্রতিনিয়ত তথ্য সংগ্রহের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে।সুতরাং প্রয়োজন ছাড়া ফোনের কন্ট্রোল প্যানেল বা সেটিংস থেকে লোকেশন অপশনটি বন্ধ রাখলে ইন্টারনেটের গতি আগের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া সম্ভব। এই ছোট ছোট কৌশলগুলো অবলম্বন করলে স্মার্টফোনের ব্যবহার আরও মসৃণ ও দ্রুত হবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন যেভাবে - image

স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন যেভাবে

09 মে 2026, বিকাল 12:51

বর্তমানে আমাদের দিন-রাতের অনেকটা সময় কাটে ইন্টারনেটে। তবে এই নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ যেমন জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি বাড়িয়েছে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি। সাইবার অপরাধীরা নিত্যনতুন কৌশলে স্মার্ট গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলছে। সাধারণত ম্যালিশিয়াস লিঙ্কে ক্লিক করা কিংবা ম্যালওয়্যারযুক্ত ক্ষতিকর অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমেই ব্যবহারকারীরা তাদের ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন।আপনার স্মার্টফোনটি অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করছে কিনা, তা বোঝার প্রথম লক্ষণ হলো ডিভাইসের অস্বাভাবিক আচরণ। যদি দেখেন ফোনের স্ক্রিন হঠাৎ ফ্ল্যাশ করছে, ঘন ঘন সেটিংস পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে কিংবা ফোন হ্যাং হয়ে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে, তবে বুঝতে হবে ডিভাইসে অনৈতিক প্রবেশ ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।ফোনে কথা বলার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডের শব্দের দিকে নজর রাখা জরুরি। অনেক সময় বিভিন্ন স্পাই অ্যাপ ব্যবহারকারীর অজান্তেই কল রেকর্ড করে। যদি কল চলাকালীন অপরিচিত কোনো শব্দ বা অন্য কারো অস্পষ্ট কণ্ঠস্বর শুনতে পান, তবে সাবধান হওয়া প্রয়োজন। এটি আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথনে তৃতীয় পক্ষের আড়িপাতার একটি বড় সংকেত হতে পারে।ব্রাউজিং হিস্ট্রি চেক করা হ্যাকিং শনাক্তের আরেকটি কার্যকর উপায়। যদি দেখেন আপনার ব্রাউজারে এমন কিছু সাইট বা বিষয় দেখা যাচ্ছে যা আপনি কখনো সার্চ করেননি, তবে নিশ্চিতভাবেই কেউ আপনার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। হ্যাকাররা মূলত ম্যালওয়্যারযুক্ত সাইটের মাধ্যমে তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে আপনার ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকে।ডিভাইসে অনুপ্রবেশের লক্ষণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন। প্রথমেই ডিভাইসটি কিছুক্ষণ বন্ধ রাখুন এবং এরপর দুই থেকে তিনবার রিস্টার্ট দিন। এতে অনেক সময় সাময়িক ম্যালওয়্যার কার্যক্রম বন্ধ হয়। তবে সমস্যা না মিটলে ফোনের অ্যাপ লিস্টে গিয়ে অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন এবং অবিলম্বে সেগুলো মুছে ফেলুন।/টিএ

মে ০৯, ২০২৬
স্মার্টফোনেই ডলার ইনকাম, ফেসবুক কনটেন্টে বাড়ছে আয় - image

স্মার্টফোনেই ডলার ইনকাম, ফেসবুক কনটেন্টে বাড়ছে আয়

09 মে 2026, বিকাল 7:35

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শুধু বিনোদনের জায়গা নয়, বরং আয়ের নতুন প্ল্যাটফর্মেও পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে নিয়মিত ছবি, ভিডিও, রিলস বা স্টোরি পোস্ট করা ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি হয়েছে নতুন সুযোগ। আগে যেখানে কেবল বড় বড় ফেসবুক পেজ থেকেই আয় করা যেত, এখন সাধারণ ব্যবহারকারীরাও নিজেদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল ব্যবহার করে আয় করতে পারছেন। অনেকেই ইতোমধ্যে কনটেন্ট তৈরি করে ডলার আয় করছেন, ফলে তরুণদের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহও বাড়ছে।ফেসবুক থেকে আয় শুরু করতে হলে প্রথমেই প্রোফাইলে “Professional Mode” চালু করতে হবে। এজন্য ব্যবহারকারীকে নিজের প্রোফাইলে গিয়ে তিনটি ডট (•••) অপশনে ক্লিক করে “Turn on Professional Mode” নির্বাচন করতে হবে। এটি চালু হলে প্রোফাইলটি অনেকটা পাবলিক পেজের মতো কাজ করবে এবং ব্যবহারকারী ফলোয়ার, ভিউ ও এনগেজমেন্টের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে ফেসবুকের বিভিন্ন মনিটাইজেশন সুবিধাও ব্যবহার করা যাবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করলে আয় বাড়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। প্রতিদিন বা নির্দিষ্ট সময় পরপর ভিডিও, ছবি বা রিলস পোস্ট করলে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। পাশাপাশি লাইভ ভিডিও, কমেন্টের উত্তর দেওয়া এবং ট্রেন্ডিং বিষয় নিয়ে কাজ করলে এনগেজমেন্ট দ্রুত বাড়ে। শিক্ষামূলক ভিডিও, বিনোদনমূলক কনটেন্ট, লাইফস্টাইল ও ভ্রমণভিত্তিক ভিডিও বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।তবে মনিটাইজেশন চালু রাখতে ফেসবুকের নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। অন্যের ভিডিও, ছবি বা মিউজিক ব্যবহার করলে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এছাড়া ঘৃণা, সহিংসতা, গুজব বা আপত্তিকর কনটেন্ট পোস্ট করলে মনিটাইজেশন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ফেসবুক স্টোরি থেকেও আয় করার সুযোগ থাকায় কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আয়ের অর্থ পেতে হলে মনিটাইজেশন চালুর পর ব্যাংক তথ্য ও টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট যুক্ত করতে হবে। ফেসবুকে আয় ১০০ ডলার পূর্ণ হলে সেটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। তবে এ সুযোগকে কেন্দ্র করে প্রতারণার ঘটনাও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ফলোয়ার বাড়ানো বা “স্টার কেনা”র নামে কেউ টাকা চাইলে তা এড়িয়ে চলতে হবে। নিয়মিত ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি করেই নিরাপদ উপায়ে ফেসবুক থেকে আয় সম্ভব বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।/টিএ

মে ০৯, ২০২৬
ইয়ারবাড ব্যবহারে যে ৫টি ভুল ডেকে আনছে বিপদ - image

ইয়ারবাড ব্যবহারে যে ৫টি ভুল ডেকে আনছে বিপদ

12 মে 2026, বিকাল 4:43

বর্তমান যুগে স্মার্টফোনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইয়ারফোন বা ব্লুটুথ ইয়ারবাড। তারহীন এই প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই তুরস্কের এক তরুণীর কানে ইয়ারবাড বিস্ফোরণের ঘটনা বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ওই তরুণী গান শোনার সময় হঠাৎ যন্ত্রটি বিস্ফোরিত হয়, যার ফলে তিনি স্থায়ীভাবে তার শ্রবণক্ষমতা হারিয়েছেন। এই বিরল অথচ ভয়াবহ ঘটনাটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।ইয়ারবাড বা ইয়ারপডের মতো ক্ষুদ্র যন্ত্রগুলো সরাসরি কানের স্পর্শকাতর অংশে দীর্ঘক্ষণ থাকে। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের যন্ত্রে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হলে বা যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়। যদিও এমন দুর্ঘটনা সচরাচর ঘটে না, তবে তুরস্কের এই ঘটনা প্রমাণ করে যে সামান্য অসতর্কতা জীবনের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে সস্তা মানের ডিভাইস বা ত্রুটিপূর্ণ চার্জিং ব্যবস্থা এই ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।শ্রবণশক্তি সুরক্ষায় চিকিৎসকরা এখন '৬০-৬০' নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন। অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেল শব্দে দিনে মাত্র ৬০ মিনিট ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত। দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দে গান শুনলে বা কথা বললে অন্তর্কর্ণের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়, যা ধীরে ধীরে মানুষের শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কানকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না দিলে কানের ভেতরের স্নায়ুগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা আধুনিক প্রজন্মের জন্য একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।ডিভাইসের রক্ষণাবেক্ষণ ও চার্জিং অভ্যাসের ওপরও বিস্ফোরণের ঝুঁকি অনেকাংশে নির্ভর করে। সারারাত ইয়ারবাড চার্জে দিয়ে রাখা কিংবা মানহীন চার্জার ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারি ওভারহিট হয়ে ফুলে যেতে পারে। এছাড়া ইয়ারফোনে জমে থাকা ঘাম, ধুলোবালি এবং কানের ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ সার্কিটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভেজা হাতে ডিভাইস ধরা বা আর্দ্র পরিবেশে চার্জ দেওয়া থেকেও ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।পরিশেষে, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শারীরিক সংকেতকে গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য। ইয়ারফোন ব্যবহারের সময় যদি কান অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, জ্বালাপোড়া করে কিংবা অস্বস্তি বোধ হয়, তবে তৎক্ষণাৎ সেটি কান থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। কান শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ, তাই কোনো ধরনের অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রযুক্তির সুবিধা নিতে গিয়ে যেন আমরা নিজের অমূল্য ইন্দ্রিয়কে বিপন্ন না করি, সেদিকে সজাগ থাকাই এখন সময়ের দাবি।/টিএ

মে ১২, ২০২৬
স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর ৫ উপায় - image

স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর ৫ উপায়

13 মে 2026, বিকাল 6:37

বর্তমান সময়ে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট। তবে অনেক সময় নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে মেসেজ পাঠানো, ভিডিও দেখা বা ব্রাউজিংয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কারিগরি বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ইন্টারনেটের গতি পুরোপুরি নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে না; বরং ফোনের কিছু সেটিংসে পরিবর্তন আনলে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব।ইন্টারনেট ধীর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফোনে জমে থাকা অতিরিক্ত 'ক্যাশে ডেটা' (Cache Data)। বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের ফলে ফোনে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো জমা হয়, যা দীর্ঘসময় পরিষ্কার না করলে ফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং নেট স্পিডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই নিয়মিত বিরতিতে অ্যাপের ক্যাশে ফাইলগুলো মুছে ফেলা ফোনের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপ খোলা থাকলেও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। অনেক সময় আমরা অ্যাপ ব্যবহার শেষে পুরোপুরি বন্ধ করি না, ফলে সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা ব্যবহার করতে থাকে। এছাড়া অ্যাপের 'অটো আপডেট' অপশনটি চালু থাকলে অজান্তেই ব্যাকগ্রাউন্ডে বড় ফাইল ডাউনলোড হতে থাকে, যা ব্রাউজিং স্পিড কমিয়ে দেয়। তাই ডেটা সাশ্রয় ও গতি বজায় রাখতে ম্যানুয়ালি অ্যাপ আপডেট করার পরামর্শ দেওয়া হয়।নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থিতিশীল রাখতে ম্যানুয়াল সেটিংস বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। সাধারণত ফোনে 'অটো নেটওয়ার্ক সিলেকশন' দেওয়া থাকে, যার ফলে ফোন বারবার সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করে এবং সংযোগ অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এর পরিবর্তে সেটিংস থেকে নিজের অপারেটরের নেটওয়ার্কটি হাতে (Manually) বেছে নিলে তুলনামূলক বেশি স্থিতিশীল ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব।পরিশেষে, ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে বড় কোনো খরচের প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন শুধু সচেতনতা। নিয়মিত ক্যাশে পরিষ্কার রাখা, অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা, অটো আপডেট নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক নেটওয়ার্ক নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই তাদের মোবাইল ইন্টারনেটের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে পারেন।/টিএ

মে ১৩, ২০২৬
নীরব ব্যাধি ঘাড় ব্যথা থেকে মুক্তির উপায় - image

নীরব ব্যাধি ঘাড় ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়

16 মে 2026, বিকাল 1:44

বর্তমান যুগে ঘাড় ব্যথা অনেকেরই একটি নিত্যনৈমিত্তিক ও অস্বস্তিকর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা, স্মার্টফোন ব্যবহারের আধিক্য এবং ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে এই সমস্যাটি এখন ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মনে হলেও এই ব্যথা কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঘাড়ে ব্যথা থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় তা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।ঘাড় ব্যথার মূল কারণসমূহচিকিৎসকদের মতে, ঘাড় ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা মাথা নিচু করে কাজ করা, যা ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, খেলাধুলার সময় চোট বা মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা যেমন স্পন্ডাইলোসিস এই ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত টানের ফলে সৃষ্ট 'মাসল স্প্যাজম' যেমন তীব্র কষ্টদায়ক হতে পারে, তেমনি সংক্রমণ, টিউমার বা আর্থ্রাইটিসের মতো জটিল রোগও এই ব্যথার উৎস হতে পারে।লক্ষণ ও উপসর্গঘাড় ব্যথার লক্ষণ ও তীব্রতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। এর সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে— ঘাড়ে তীব্র বা হালকা ব্যথা হওয়া, ঘাড় নাড়াতে কষ্ট হওয়া এবং আক্রান্ত স্থানে জ্বালাপোড়া অনুভব করা। অনেক সময় এই ব্যথা শুধু ঘাড়ে সীমাবদ্ধ না থেকে হাত বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনঘন মাথাব্যথা দেখা দেওয়ার মতো উপসর্গও প্রকাশ পায়।আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিঘাড় ব্যথার চিকিৎসা মূলত এর কারণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক বা পেশি শিথিলকারী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ব্যায়াম ঘাড়ের পেশি শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর। এ ছাড়া সাময়িক ব্যথা কমাতে হিট বা আইস থেরাপির পাশাপাশি মেরুদণ্ডের চাপ কমাতে 'ট্রাকশন' পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তবে রোগ গুরুতর রূপ নিলে বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন বা সবশেষে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।প্রতিরোধ ও দৈনন্দিন অভ্যাস পরিবর্তনদৈনন্দিন জীবনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। দীর্ঘ সময় একভাবে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া, কাজের টেবিল–চেয়ার ও কম্পিউটার এমনভাবে সামঞ্জস্য করা যাতে মনিটর চোখের স্তরের সমান থাকে এবং নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম করা জরুরি। বসে থাকার সময় মেরুদণ্ড সরলরেখায় রাখা, শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর বাড়তি চাপ এড়ানো যায়। সর্বোপরি, জীবনযাত্রায় সামান্য সচেতনতাই পারে এই কষ্টদায়ক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।/টিএ

মে ১৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo