logo
youtube logotwitter logofacebook logo

তারেক রহমান

বরিশাল বিএনপির গণসমাবেশ শুরু - image

বরিশাল বিএনপির গণসমাবেশ শুরু

04 নভেম্বর 2022, বিকাল 6:00

বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় গণসমাবেশ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের ৩ ঘণ্টা আগেই এ সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য দুইটি চেয়ার ফাকা রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে (বেলস পার্ক) সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা ১১টায় কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়েছে। এখন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন। সমাবেশ স্থলে নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিসহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে প্লাকার্ড, ব্যানার এবং ধানের শীষ নিয়ে বড় বড় মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে থাকে নেতাকর্মীরা। এদিকে জেলা মোটর মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘটের কারণে দুই থেকে তিন দিন আগে থেকেই বিএনপির বিভাগীয় গণ সমাবেশে অংশ নিতে বরিশাল নগরীতে আসেন নেতা-কর্মীরা। আবাসিক হোটেলগুলোতে জায়গা না হওয়ায় সমাবেশস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে (বেলস পার্ক) সমাবেশস্থলে ও এর চতুর পাশে নির্ঘুম রাত কাটান তারা। অন্যদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নগরীর বিভিন্ন মোড়ে টহল দিচ্ছে। দলীয় সুত্রে জানা গেছে, শনিবার বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দলের মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন। জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, দলীয় কর্মসূচিতে গুলি করে নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদ এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপক্ষে সরকারের দাবিতে বিভাগীয় (দলের সাংগঠনিক বিভাগ) পর্যায়ে সমাবেশ করছে বিএনপি। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা ও রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ সম্পন্ন করেছে দলটি। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বিএনপির ইস্যুভিত্তিক এই আন্দোলন বিভাগীয় পর্যায়ের গণসমাবেশের কর্মসূচিতে রূপ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের, ময়মনসিংহ, খুলনা ও রংপুরের পর ধারাবাহিকভাবে আজ ৫ নভেম্বর বরিশালে, ১২ নভেম্বর ফরিদপুরে, ১৯ নভেম্বর সিলেটে, ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায় এবং ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে গণসমাবেশ করবে দলটি। সবশেষ ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
এবার জনগণ জেগে উঠেছে : মির্জা ফখরুল - image

এবার জনগণ জেগে উঠেছে : মির্জা ফখরুল

28 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

জনগণ বোঝে, বিদেশীরা বোঝে এ সরকার ক্ষমতায় থাকতে কোনোদিনই সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এবার জনগণ জেগে উঠেছে। বিশ্বাস করি, এবার জনগণ দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এদের পরাজিত করবে। দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। শনিবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) মাজারে শ্রদ্ধা ও দোয়া শেষে তিনি একথা বলেন। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নব-ঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতারা শ্রদ্ধা ও ফাতেহাপাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হরণ করে নেয়া হয়েছে। একটা ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের অধিকার হরণ করে, জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে। সরকার আমাদের দেশনেত্রী, আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে রেখেছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাসিত করা হয়েছে। তিনি প্রবাসে থেকেও আমাদের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন গণতন্ত্রের উদ্ধারের জন্য মহাসচিব বলেন, আমাদের অগণিত নেতাকর্মী কারাগারে আছেন। মিথ্যা মামলায় আসামি হয়েছেন। দেশের সত্যিকার অর্থে একটি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, এই সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য করার জন্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবিতে জনগণের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে সেই আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দল যেন ভূমিকা পালন করে, যারা আন্দোলনে শহীদ হয়েছে তাদের রক্ত যেন বৃথা না যায় স্বেচ্ছাসেবক সেবক দল সেই শপথ নিয়েছে। আন্দোলনকে বেগবান করে এই সরকারের পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে। সত্যিকার অর্থে একটি গণতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে। এদেশের জনগণকে মুক্ত করবে এই শপথ নিয়েছে। বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায় তাই নির্বাচন করতে চায় না- প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে মির্জা ফখর বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। বিশেষ করে এই সরকার অত্যন্ত সচেতনভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে তাদের যে পুরাতন লক্ষ্য একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সেই লক্ষ্যে তারা ২০১৪ সালের নির্বাচন ব্যবস্থাকে কলুষিত করেছে। জনগণ নির্বাচনে ভোট দিতে যায়নি। সেই রকমভাবেই ২০১৮ সালে নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে করেছে। জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। জনগণ সেখানে ভোট দেয়নি।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জনগণ ভোট দিতে যায়নি। সাম্প্রতিক যে নির্বাচন হয়ে গেল সেখানে ১৪ পার্সেন্ট লোক ভোট দিয়েছে। কারণ জনগণ বোঝে, বিদেশীরা বোঝে এ সরকার ক্ষমতায় থাকতে কোনোদিনই সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে না। এবার জনগণ জেগে উঠেছে। বিশ্বাস করি, এবার জনগণ দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এদের পরাজিত করবে। দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। সিটি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাচ্ছি না। বিশেষ করে সিটি নির্বাচনে মেয়র বলেন বা কাউন্সিলর বলেন কোনো পদেই আমাদের দল অংশগ্রহণ করবে না। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল সহ স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এপ্রিল ২৮, ২০২৩
‘জনগণের ভোটেই শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন’ - image

‘জনগণের ভোটেই শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন’

28 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ কখনো বিদেশিদের কাছে ধর্ণা দেয় না। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ। জনগণের ভোটেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।’ আজ শনিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এনামুল হক শামীম বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে আওয়ামী লীগই একটি দল, যে দল মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময়ই জনগণের ওপর আস্থা রাখতেন। তিনি কখনো বিদেশি প্রভুদের ওপর আস্থা রাখতেন না। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও জনগণের ওপর আস্থা রাখেন, কোনো বিদেশি প্রভুর ওপর নয়। দেশের মানুষের ভোটে বিএনপির আস্থা নেই। বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন, তাদের আস্থা শুধু বিদেশিদের ওপর।’   বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন করতে শক্তি লাগে, বিএনপির সেই শক্তি নেই। আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। ষড়যন্ত্র মোলাবিলায় প্রয়োজনে দিনরাত রাজপথে থাকব। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন।’ উপমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যতই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করুক না কেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশকে থামিয়ে রাখা যাবে না। বিএনপির মির্জা ফখরুলরা যতই ঐক্যের জোট করার কথা বলুক না কেন তাদের দলের নেতাকর্মীরাই তাদের ঐক্যের সঙ্গে নেই। বিএনপি আজ জনবিচ্ছিন্ন দল। বঙ্গবন্ধুর বীর কন্যা শেখ হাসিনা মেধা, যোগ্যতায় সারাবিশ্বকে নেতৃত্বে দিতে পারেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।’ তিনি বলেন,‘জিয়াউর রহমান দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রহসনমূলক হ্যাঁ/না ভোট এবং সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়াও ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রহসনমূলক নির্বাচন করেছিলেন, যাতে কোনো রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। দেশের মানুষ ভোট কারচুপি কখনো মেনে নেয়নি বলেই নির্বাচনের দেড় মাসের মধ্যে আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। এদেশের জনগণ বিদেশে পলাতক আসামি তারেক রহমানদের কখনোই ক্ষমতায় আনবে না।’ এনামুল হক শামীম বলেন, ‘এদেশে মানুষ উন্নয়নে বিশ্বাসী। তারা কোনোদিনই লুটপাটকারী, বিদেশে অর্থপাচারকারী ও আগুন সন্ত্রাসীদের দল বিএনপিকে আর ক্ষমতায় আনবে না। জনগণ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে।’ নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য ওহাব বেপারী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য জহির সিকদার, জেলার আইন সম্পাদক ও নড়িয়া পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ, সদস্য দেলোয়ার হোসেন তালুকদার।

এপ্রিল ২৮, ২০২৩
আগামী নির্বাচনে জনগণ আ. লীগকে ভোট দেবে: প্রধানমন্ত্রী - image

আগামী নির্বাচনে জনগণ আ. লীগকে ভোট দেবে: প্রধানমন্ত্রী

07 মে 2023, বিকাল 6:00

বিএনপি-জামায়াতকে ভোট চোর আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ আগামী সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। রোববার (৭ মে) স্থানীয় সময় বিকেলে লন্ডনের হোটেল ম্যারিয়টে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের প্রয়োজনে সবসময় পাশে থাকায় আগামী সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশটাকে ধ্বংস করে দেবে। কাজেই বিএনপি-জামায়াত যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ আমাদের তাদের সেবা করার সুযোগ দেবে। সকলকে (আ.লীগের নেতাকর্মীরা) আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করতে হবে, কারণ আমরা ভোটে জিততে পারি। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ বিএনপি-জামায়াতের ওপর আস্থা রাখবে না। শেখ হাসিনা বলেন, তারা (বিএনপি) দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দেশকে ধ্বংস করেছে। তাহলে তাদের ওপর জনগণের আস্থা থাকবে কিভাবে।তিনি বলেন, জনগণ ইতিমধ্যে জেনে গেছে তারা (বিএনপি-জামায়াত) চোর, দুর্নীতিবাজ, খুনি, গ্রেনেড হামলাকারী, লুটেরা ও খুনিদের পৃষ্ঠপোষক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট অর্থ আত্মসাৎ করে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।তিনি বলেন, তারেক রহমানকে দুর্নীতির দায়ে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে কোকোর পাচার করা ৪০ কোটি টাকা সরকার ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি স্মার্ট দেশ হবে বলে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ডেল্টা-২১০০ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, দেশে কোনো গৃহহীন, ভূমিহীন মানুষ থাকবে না। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণে কাজ করে। বাংলাদেশের কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না। বিএনপিকে ভোট চোর আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তারেক জিয়া ভোট চোর, তার মাও ভোট চোর। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের মতো ভোট কারচুপি করে আওয়ামী লীগ কখনো ক্ষমতায় আসেনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের অধিকারের জন্য লড়াই করে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসে। তারা কখনো ক্ষমতা দখল বা চুরি করেনি। প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাদের কাছে জানতে চান, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কয়টি দল অংশ নিয়েছিল এবং কতটি ভোট পড়েছিল?আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। কারণ আমরা জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে কারো কিছু বলার নেই। সেই নির্বাচনের ফলাফল কী ছিল? বিএনপির ২০ দলীয় জোট কতটি আসন পেয়েছিল? ২০ দলীয় জোট সেই নির্বাচনে ২৯টি আসন এবং একটি উপনির্বাচনে ১টি, মোট ৩০টি আসন। আর বাকি আসন ছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের। আমরা সব পেয়েছি। জনগণের কাছে তাদের (বিএনপি-জামায়াত) অবস্থান কী যে তারা এত লাফালাফি করে?

মে ০৭, ২০২৩
বিএনপি-জামায়াত চোর, ভোট না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর - image

বিএনপি-জামায়াত চোর, ভোট না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

07 মে 2023, বিকাল 6:00

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি-জামায়াত চক্রকে ভোট চোর হিসেবে আখ্যায়িত করে দেশবাসীকে তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেছেন, এরা বাংলাদেশেকে ধ্বংস করতে চায়। তাই সতর্ক থাকুন, যাতে বিএনপি-জামায়াত আর ক্ষমতায় না আসে।রোববার (৭ মে) স্থানীয় সময় বিকেলে লন্ডন ম্যারিয়ট হোটেলে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ ইতোমধ্যে জেনে গেছে যে তারা চোর, দুর্নীতিবাজ, খুনি, গ্রেনেড হামলাকারী ও লুটেরা এবং তারা খুনিদের পৃষ্ঠপোষক। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট অর্থ আত্মসাৎ করে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে সবসময় জনগণের পাশে থাকায় আগামী সাধারণ নির্বাচনে তার দল বিজয়ী হবে। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, জনগণ আমাদের তাদের সেবা করার সুযোগ দেবে। সকলকে (নেতাকর্মী) আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ, নির্বাচনে আমরা বিজয়ী হব। দেশের জনগণ বিএনপি-জামায়াতের ওপর আস্থা রাখবে বলে তিনি মনে করেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে এবং এভাবে দেশকে ধ্বংস করেছে। জনগণ কীভাবে তাদের প্রতি আস্থা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানকে দুর্নীতির দায়ে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে কোকোর পাচারকৃত প্রায় ৪০ কোটি টাকা সরকার দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। শেখ হাসিনা অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ। আমরা ডেল্টা ২১০০ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, দেশে আর কোনো গৃহহীন, ভূমিহীন মানুষ থাকবে না। ‘আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করে। বাংলাদেশের কোনো মানুষ অন্নহীন মানুষ থাকবে না’, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আবারও বিএনপি ও এর নেতাদের ভোট চোর আখ্যা দিয়ে বলেন, তারেক রহমান একজন ভোটচোর এবং তার মা-ও ভোটচোর। সরকার প্রধান বলেন, বিএনপি-জামায়াতের মতো আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় আসেনি। আওয়ামী লীগ সব সময় দেশ ও দেশের মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে; জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ কখনো ক্ষমতা দখল বা চুরি করে ক্ষমতায় আসেনি। শেখ হাসিনা বিএনপি নেতাদের কাছে জানতে চান, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কয়টি দল অংশ নিয়েছিল এবং কতটি ভোট পড়েছিল। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দেশের জনগণ তাদের ভোটের অধিকার সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। আমরা জনগণকে সচেতন করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে কারো কিছু বলার নেই। সেই নির্বাচনের ফলাফল কী? বিএনপির ২০ দলীয় জোট কতটি আসন পেয়েছিল? ২০-দলীয় জোট নির্বাচনে ২৯টি আসন এবং পরে উপনির্বাচনে ১টিসহ মোট ৩০টি আসন জিতেছিল। আর বাকি আসন ছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের। আমরা বাকী সব আসন পেয়েছিলাম। জনগণের কাছে তাদের অবস্থান কোথায় যে তারা এত লাফালাফি করে? তিনি গত ১৪ বছরে তার সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি সংক্ষেপে বর্ণনা করেন।

মে ০৭, ২০২৩
বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হামলার রেকর্ড নেই: ওবায়দুল কাদের - image

বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হামলার রেকর্ড নেই: ওবায়দুল কাদের

30 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কোনো বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের হামলার কোনো রেকর্ড নেই। যারা নির্বাচন চায় তারা সংঘাত চায় না। সোমবার সকালে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ দাবি করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সমাবেশ করল বায়তুল মোকাররমে, বিএনপি করল পল্টন। পরদিন পথ অবরুদ্ধ কর্মসূচি কেন? প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পথবন্ধ করার কর্মসূচি কোন ধরনের রাজনীতি? ওবায়দুল কাদের বলেন, তারেক রহমান লন্ডন থেকে বলছে একটা লাশের বদলে ১০টা লাশ। পুলিশের ওপর হামলার যোগানদাতা তারেক। নির্বাচনকে বাধা প্রদান করার জন্য পথ অবরুদ্ধ কর্মসূচির জন্য ভিসানীতি তাদের ওপরই প্রয়োগ করা উচিত। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ সংঘাত-সংঘর্ষ নয়, নির্বাচন চায়। তারা (বিএনপি) যেকোনো মূল্যে শেখ হাসিনাকে সরাতে চায়। নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সতর্ক অবস্থানে থাকবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সংঘাত করলে পুলিশ চুপ থাকবে না। জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ ব্যর্থ হলে সাপোর্ট দিবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

জুলাই ৩০, ২০২৩
তারেককে ফেরাতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে : তথ্যমন্ত্রী - image

তারেককে ফেরাতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে : তথ্যমন্ত্রী

02 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফেরাতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। হাছান মাহমুদ বলেন, “এ ব্যাপারে আমরা ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি। আলাপ-আলোচনা চলমান আছে।” তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের সাজার প্রসঙ্গ টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচি দিয়েছে। এই মামলা কিন্তু আমাদের সরকার দায়ের করেনি। এই মামলা করেছে তাদের পছন্দের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালে।’ তিনি বলেন, ‘ইয়াজউদ্দিন সাহেব খালেদা জিয়ার দলের মানুষ ছিলেন, তাকে খালেদা জিয়া ও বিএনপি রাষ্ট্রপতি বানিয়েছিল। ফখরুদ্দিন সাহেবকে ওয়াশিংটন থেকে ধরে এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছিল। সেই সরকার সেনা সমর্থিত ছিল। তখন যিনি সেনাপ্রধান ছিলেন সাতজনকে ডিঙ্গিয়ে খালেদা জিয়া সেনাবাহিনীর প্রধান বানিয়েছিলেন। তাদের পছন্দের মানুষরাই যখন ক্ষমতায় তখনই এই মামলা হয়। আমাদের সরকার যদি প্রতিহিংসাপরায়ণ হতো তাহলে তো মামলা আমরা নিজেরা করতাম। আর মামলার রায় হওয়ার জন্য ১৪ বছর অপেক্ষা করতে হতো না।’ আইন-আদালতের ওপর বিএনপির কোনো আস্থা নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা করে না। শুধু বিদেশিদের কাছে যায়, আমরা বিদেশিদের কাছে যাই না, বিদেশিরা প্রয়োজনে আমাদের কাছে আসে।

আগস্ট ০২, ২০২৩
নির্বাচনের বিষয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে যা বললেন আইনমন্ত্রী - image

নির্বাচনের বিষয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে যা বললেন আইনমন্ত্রী

02 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সাক্ষাৎ করতে আসেন সারাহ কুক। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে জানিয়েছি ‘সুষ্ঠু, অবাধ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করার ব্যাপারে জনগণের কাছে শেখ হাসিনা সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ’। সাংবাদিকের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারেক রহমানের সাজার বিষয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে কোনো আলাপ হয়নি। তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্যমন্ত্রী যেহেতু গণমাধ্যমে কথা বলেছেন, তাই এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরে জানাব। আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশের আইনি অবকাঠামোর অনেক কিছুই ব্রিটিশ আইনের ওপর নির্ভরশীল। এখন আইনের ক্ষেত্রে অনেক রকম উন্নয়ন হয়েছে এবং এটা আরও কীভাবে উন্নতি করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে, আমাদের জুডিশিয়াল অফিসার ও আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আলাপ করেছি। তিনি বলেন, এটি একটি রুটিন সাক্ষাৎ ছিল। বাংলাদেশের উন্নয়নের বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হয়েছে। সারাহ কুক বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতার দিকে তিনি লক্ষ্য রাখবেন। সাক্ষাতে ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স উপদেষ্টা রফিকুজ্জামান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের দ্বিতীয় সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) ভেনেসা বিউমন্ট উপস্থিত ছিলেন।

আগস্ট ০২, ২০২৩
মানবাধিকার সংস্থার বক্তব্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পক্ষে নির্লজ্জ দালালি ছাড়া আর কিছু নয়: হানিফ - image

মানবাধিকার সংস্থার বক্তব্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পক্ষে নির্লজ্জ দালালি ছাড়া আর কিছু নয়: হানিফ

04 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

বিরোধীদলের মতপ্রকাশে আওয়ামী লীগ সরকার অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করছে, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, কী চান আপনারা? কার পক্ষে, কোন খেলায় নেমেছেন? আপনাদের এই বক্তব্যগুলো মনে হয় সন্ত্রাসী, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পক্ষে নির্লজ্জ দালালি ছাড়া আর কিছু নয়। জাতি আপনাদের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে। ৫ আগস্ট, শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি কয়েকদিন আগে সমাবেশ করার পর ঢাকার প্রবেশমুখ অবরোধ ঘোষণা দিল। তারা অবস্থান নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে গাড়ি চলাচল বন্ধ করলেন। এরকম কর্মসূচি কোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আছে। আপনি রাস্তা বন্ধ করে দিলেন এটা তো কোনো কর্মসূচি হতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছে তখন পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলা করে আহত করে দেয়া হয়েছে। রাস্তায় গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। আর সেটার জন্য আজকে মানবাধিকার সংস্থা থেকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তারা বলছে সরকার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করছে। কী চান আপনারা? কার পক্ষে, কোন খেলায় নেমেছেন? আপনাদের এই বক্তব্যগুলো মনে হয় সন্ত্রাসী, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পক্ষে নির্লজ্জ দালালি ছাড়া আর কিছু নয়। জাতি আপনাদের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে, বলেন তিনি। পশ্চিমা বিশ্বের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, আজকে কার পক্ষে ওকালতি করছেন? যে তারেক রহমানের বিপক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বাসেডর জেমস মরিয়াটি ২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন। সেই রিপোর্টে পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, তারেক রহমান অত্যন্ত ভয়ংকর, দুর্ধর্ষ, দুর্নীতিপরায়ণ সন্ত্রাসী এবং সহিংসতার প্রতীক। এটা আমাদের কথা নয়। এই কথা বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সেই সময়কার রাষ্ট্রদূত। আজকে সেই ব্যক্তি এত ভালো হয়ে গেল যে তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে তাদেরকে নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত করে সরকার উৎখাত করার খেলায় মত্ত হতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আজকে আহবান জানাবো, সেই সমস্ত বিদেশি সংগঠন, বিদেশি দূত বা যারা আমাদের দেশের নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন অনুরোধ করবো উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে অনেক বিষয়ে আপনাদের কথা বলার সুযোগ আছে। দয়া করে এই ধরনের একজন প্রতিষ্ঠিত সন্ত্রাসী আপনাদের অভিযোগে অভিযুক্ত, কয়দিন আগেও কানাডার ফেডারেল আদালত পঞ্চমবারের মতো সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এরকম একটি দল নিয়ে দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবেন না। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে মদদ দিবেন না, এই অনুরোধ থাকবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল সম্পর্কে হানিফ বলেন, শেখ কামাল ছিলেন তারুণ্যের অহংকার, আমাদের যুব সমাজের অহংকার। তিনি শুধু একজন ছাত্র নেতা নয়; লেখাপড়ার পাশাপাশি একজন দক্ষ ক্রীড়াবিদও ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তার ছিল বহুমাত্রিক প্রতিভা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, নম্র, ভদ্র ও সদালাপী। আমাদের দুর্ভাগ্য শেখ কামাল ২৬ বছর বয়সে ঘাতকদের নির্মম বুলেটের আঘাতে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। বাংলাদেশের আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক হিসেবে শেখ কামালের নাম বারবার চলে আসে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, আজকে যে আবাহনী ক্রীড়াচক্র এটা শেখ কামালের হাতে প্রতিষ্ঠিত। তিনি একজন দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। শুধু ক্রীড়া জগতেই তাঁর পদচারণা ছিল এমন নয়; সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছিল তার অবাধ বিচরণ। তিনি অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা ছিলেন। স্পন্দন নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। যে সংগঠনের মাধ্যমে সংস্কৃতি জগতে বিকাশ ঘটানোর জন্য কাজ করেছেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পুত্র হয়েও শেখ কামাল অর্থবিত্তের পিছনে কখনো ছোটেননি। তিনি নিরহংকারী ও নির্লোভ মানুষ ছিলেন। অথচ আজকে আামদের দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান; তাকে যদি দেখি এই দুইটা মানুষের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। ২০০১ থেকে ২০০৬ যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল তখন সরকারের মধ্যে সরকার গঠন হয়েছিল। একদিকে তারেক রহমানের মায়ের সরকার আরেকদিকে হাওয়া ভবন বানিয়ে তারেক রহমানের সরকার। এবং হাওয়া ভবনের সরকারই ছিল সবচেয়ে ক্ষমতাধর। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ওখান (হাওয়া ভবন) থেকে সিদ্ধান্ত হত। বিশেষ করে প্রকিউরমেন্ট যা হয়েছে সব হাওয়া ভবন থেকে হয়েছে। কারণ হাওয়া ভবনের কমিশন ছাড়া সেসময় কোন কাজ হতো না। এক রাষ্ট্রপতির ছেলে ক্রীড়াবিদ, সাংস্কৃতিক সংগঠক। আর আরেকজন রাষ্ট্রপতির ছেলে হাওয়া ভবন বানিয়ে সন্ত্রাস, মানুষ হত্যা করেছে। দু'জনের মধ্যে পার্থক্য খুব স্পষ্ট- বলেন তিনি। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দেখলে আজকে দুঃখ হয়। বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা অনেক সময় অনেক কথা বলছেন। সবচেয়ে অবাক হলাম বিএনপি নামক দলটি যেকোনো বিষয়ে কর্মসূচির করার পর দৌড়ে বিশেষ কোনো রাষ্ট্রদূতের অফিসে বা বাসায় যায়। তাদের কাছে রিপোর্ট করার জন্য। এর মানে কী দাঁড়ালো? তার মানে কি দাঁড়ায় বিএনপির এসকল কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রদূতের পরামর্শে হচ্ছে? বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, কাদেরকে নিয়ে আপনারা এদেশের মানবতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন? এই বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলছে। যে তারেক রহমান ক্ষমতায় থাকতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে। হাওয়া ভবন বানিয়ে শুধু দেশের অর্থ লুটপাট করেনি তার বিরুদ্ধে যেন কেউ কথা বলতে না পারে সেজন্য আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করেছে। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে। আমাদের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৩
তারেক-জোবায়দাকে ফিরিয়ে আনতে যা করার করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - image

তারেক-জোবায়দাকে ফিরিয়ে আনতে যা করার করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

09 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে যা যা করার করা হবে। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী। সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় গত ২ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তারেক রহমানের ৯ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে তারেকের স্ত্রী জোবায়দাকে তিন বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে চার দফা দাবিতে যুবলীগের পক্ষে থেকে মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। এরমধ্যে তারেক রহমান ও জোবায়দাকে ফিরিয়ে আনার দাবিও রয়েছে। স্মারকলিপি গ্রহণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তাদের স্মারকলিপি পেয়েছি। আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে করা দরকার, সেটা আমরা করব। এরই মধ্যে তারেক জিয়া ও তার স্ত্রী আদালত-দ্বারা দণ্ডিত। তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য যা যা করার আমরা করব।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo